কানে বাজেনি কোনো গান
jugantor
ঈদের সঙ্গীতাঙ্গন
কানে বাজেনি কোনো গান

  তারা ঝিলমিল প্রতিবেদক  

১৩ আগস্ট ২০২০, ০০:০০:০০  |  প্রিন্ট সংস্করণ

প্রতিনিয়ত নতুন গান তৈরি হলেও আমাদের দেশে বিশেষ কয়েকটি উৎসবকে কেন্দ্র করে সঙ্গীত প্রযোজনা প্রতিষ্ঠান ও শিল্পীদের থাকে বিশেষ আয়োজন। বিশেষ করে ঈদুল ফিতর ও ঈদুল আজহাকে কেন্দ্র করে শিল্পীদের গান প্রকাশের ধারাটা খুব জমে ওঠে। তবে সর্বগ্রাসী করোনার কারণে রোজার ঈদের মতো কোরবানি ঈদেও গান প্রকাশের সংখ্যা ছিল খুবই কম। যে ক’টি গান প্রকাশ হয়েছে, সেগুলোও কোথাও বাজতে শোনা যায়নি। যদিও গান শোনা এখন হেডফোনের মধ্যে সীমাবদ্ধ!

গত কয়েক বছরের মতো এবারও সর্বোচ্চ সংখ্যক গান করেছেন আসিফ আকবর। ঈদুল আজহা উপলক্ষে এবারই প্রথম আসিফ আকবর কলকাতার কিংবদন্তি শিল্পী কবীর সুমনের কথা ও সুরে তিনটি গান করেছেন। গানগুলো কয়েকটি ইউটিউব চ্যানেলে অবমুক্ত করার পর বেশ সাড়া ফেলেছে। জনপ্রিয় কণ্ঠশিল্পী মনির খান সদ্য প্রয়াত কণ্ঠশিল্পী এন্ড্রু কিশোর স্মরণে নতুন একটি গান করেন, যার ভিডিও এ শিল্পীর নিজস্ব ইউটিউব চ্যানেলে অবমুক্ত করা হয়। সঙ্গীতশিল্পী হাবিব ওয়াহিদ ঈদুল আজহা উপলক্ষে একটি মিউজিক ভিডিও প্রকাশ করেন। ‘দিশেহারা’ নামে এ গানের ভিডিওটি অনলাইনে বেশ সাড়া ফেলে। ‘অচেনা’ শিরোনামে একটি গানের ভিডিও প্রকাশ করেন সঙ্গীতশিল্পী হৃদয় খান। এ ছাড়া সঙ্গীতশিল্পী আরফিন রুমি, কাজী শুভসহ অনেকেই নতুন পুরনো গান ও ভিডিও প্রকাশ করেছেন।

ঈদ উপলক্ষে অনেক শিল্পী নিজেদের ইউটিউব চ্যানেলে গান প্রকাশ করলেও থেমে নেই সঙ্গীত প্রযোজনা প্রতিষ্ঠান। ঈদকে উপলক্ষে করেও আয়োজন করেছে সঙ্গীত প্রযোজনা প্রতিষ্ঠান ধ্রুব মিউজিক স্টেশন। প্রকাশ করেছেন একাধিক মিউজিক ভিডিও। এরই মধ্যে আশা জাগিয়েছে এ প্রতিষ্ঠানের কিছু গান। সময় সাপেক্ষে গানগুলো শ্রোতা-দর্শকদের মনে দোলা দেবে বলে বিশ্বাস করে প্রতিষ্ঠানটির কর্ণধার সঙ্গীতশিল্পী ধ্রুব গুহ। অন্যদিকে পুরনো-নতুন মিলিয়ে বেশ কিছু গানের ভিডিও প্রকাশ করেছে সিডি চয়েস, সাউন্ডটেক, সঙ্গীতাসহ অন্যান্য প্রতিষ্ঠান। এরই মধ্যে সিডি চয়েস থেকে প্রকাশিত কিছু গানের ইউটিউব ভিউয়ার্স এখনও পর্যন্ত চোখে পড়ার মতো।

এ বছরের ঈদগুলো আসলে একেবারেই অন্যরকম। করোনার মতো একটি ভয়াবহ ভাইরাস অন্যসব কিছুর মতো সঙ্গীত বাজারেও হানা দিয়েছে। যেহেতু এখন মিউজিক ভিডিওর যুগ, তাই ভিডিও শুটিংয়ের অভাবে বাজেটসমৃদ্ধ নতুন কোনো গান প্রকাশ করতে পারেনি প্রযোজনা প্রতিষ্ঠান কিংবা শিল্পীরা। ঈদের গান কানে না বাজার এটিও একটি অন্যতম কারণ বলে সঙ্গীতজ্ঞরা মনে করেন।

ঈদের সঙ্গীতাঙ্গন

কানে বাজেনি কোনো গান

 তারা ঝিলমিল প্রতিবেদক 
১৩ আগস্ট ২০২০, ১২:০০ এএম  |  প্রিন্ট সংস্করণ

প্রতিনিয়ত নতুন গান তৈরি হলেও আমাদের দেশে বিশেষ কয়েকটি উৎসবকে কেন্দ্র করে সঙ্গীত প্রযোজনা প্রতিষ্ঠান ও শিল্পীদের থাকে বিশেষ আয়োজন। বিশেষ করে ঈদুল ফিতর ও ঈদুল আজহাকে কেন্দ্র করে শিল্পীদের গান প্রকাশের ধারাটা খুব জমে ওঠে। তবে সর্বগ্রাসী করোনার কারণে রোজার ঈদের মতো কোরবানি ঈদেও গান প্রকাশের সংখ্যা ছিল খুবই কম। যে ক’টি গান প্রকাশ হয়েছে, সেগুলোও কোথাও বাজতে শোনা যায়নি। যদিও গান শোনা এখন হেডফোনের মধ্যে সীমাবদ্ধ!

গত কয়েক বছরের মতো এবারও সর্বোচ্চ সংখ্যক গান করেছেন আসিফ আকবর। ঈদুল আজহা উপলক্ষে এবারই প্রথম আসিফ আকবর কলকাতার কিংবদন্তি শিল্পী কবীর সুমনের কথা ও সুরে তিনটি গান করেছেন। গানগুলো কয়েকটি ইউটিউব চ্যানেলে অবমুক্ত করার পর বেশ সাড়া ফেলেছে। জনপ্রিয় কণ্ঠশিল্পী মনির খান সদ্য প্রয়াত কণ্ঠশিল্পী এন্ড্রু কিশোর স্মরণে নতুন একটি গান করেন, যার ভিডিও এ শিল্পীর নিজস্ব ইউটিউব চ্যানেলে অবমুক্ত করা হয়। সঙ্গীতশিল্পী হাবিব ওয়াহিদ ঈদুল আজহা উপলক্ষে একটি মিউজিক ভিডিও প্রকাশ করেন। ‘দিশেহারা’ নামে এ গানের ভিডিওটি অনলাইনে বেশ সাড়া ফেলে। ‘অচেনা’ শিরোনামে একটি গানের ভিডিও প্রকাশ করেন সঙ্গীতশিল্পী হৃদয় খান। এ ছাড়া সঙ্গীতশিল্পী আরফিন রুমি, কাজী শুভসহ অনেকেই নতুন পুরনো গান ও ভিডিও প্রকাশ করেছেন।

ঈদ উপলক্ষে অনেক শিল্পী নিজেদের ইউটিউব চ্যানেলে গান প্রকাশ করলেও থেমে নেই সঙ্গীত প্রযোজনা প্রতিষ্ঠান। ঈদকে উপলক্ষে করেও আয়োজন করেছে সঙ্গীত প্রযোজনা প্রতিষ্ঠান ধ্রুব মিউজিক স্টেশন। প্রকাশ করেছেন একাধিক মিউজিক ভিডিও। এরই মধ্যে আশা জাগিয়েছে এ প্রতিষ্ঠানের কিছু গান। সময় সাপেক্ষে গানগুলো শ্রোতা-দর্শকদের মনে দোলা দেবে বলে বিশ্বাস করে প্রতিষ্ঠানটির কর্ণধার সঙ্গীতশিল্পী ধ্রুব গুহ। অন্যদিকে পুরনো-নতুন মিলিয়ে বেশ কিছু গানের ভিডিও প্রকাশ করেছে সিডি চয়েস, সাউন্ডটেক, সঙ্গীতাসহ অন্যান্য প্রতিষ্ঠান। এরই মধ্যে সিডি চয়েস থেকে প্রকাশিত কিছু গানের ইউটিউব ভিউয়ার্স এখনও পর্যন্ত চোখে পড়ার মতো।

এ বছরের ঈদগুলো আসলে একেবারেই অন্যরকম। করোনার মতো একটি ভয়াবহ ভাইরাস অন্যসব কিছুর মতো সঙ্গীত বাজারেও হানা দিয়েছে। যেহেতু এখন মিউজিক ভিডিওর যুগ, তাই ভিডিও শুটিংয়ের অভাবে বাজেটসমৃদ্ধ নতুন কোনো গান প্রকাশ করতে পারেনি প্রযোজনা প্রতিষ্ঠান কিংবা শিল্পীরা। ঈদের গান কানে না বাজার এটিও একটি অন্যতম কারণ বলে সঙ্গীতজ্ঞরা মনে করেন।