আরশিনগরে একদিন
jugantor
শুটিং স্পট
আরশিনগরে একদিন

  হাসান সাইদুল  

২৪ সেপ্টেম্বর ২০২০, ০০:০০:০০  |  প্রিন্ট সংস্করণ

রাজধানীর অদূরে পূবাইল। সরু রাস্তার দু’পাশে বেশিরভাগই শুটিংবাড়ি। এখানেই কোনো এক বাড়িতে চলছে নাটকের শুটিং। খুঁজে নিয়ে বাড়িতে ঢুকতেই শোনা লাইট-ক্যামেরা-অ্যাকশনের শব্দ। সময় তখন দুপুর ঘনিয়ে বিকালের দিকে। বেশ গরম। গরম গায়ে মেখেই মনিটরের দিকে তাকিয়ে আছেন নির্মাতা মজিবুল হক খোকন। ক্যামেরার সামনে তখন জনপ্রিয় অভিনেতা আ খ ম হাসান ও জামিল হোসেন। নির্মাতা ‘অ্যাকশন’ বলার সঙ্গে সঙ্গেই জামিলকে কেউ একজন ফোন দেয়। অপ্রত্যাশিত ফোনে থমকে যায় সব। পরিচালক কিছুটা বিরক্ত হলেও সেটা কাউকে বুঝতে দেননি। কথা শেষ করে আবারও ক্যামেরায় মনোযোগ দেন জামিল। এরই মধ্যে পরিচালকের পাশে এসে দাঁড়িয়েছেন ড. ইনামুল হক, মুনিরা মিঠু, ঊর্মিলা শ্রাবন্তী কর, তারিক স্বপন, সাজু খাদেমসহ আরও অনেকে। এর সবাই দর্শক, শুটিং দেখছেন। তারা এ নাটকেরই শিল্পী। যে কোনো সময় ডাক পড়বে। তাই প্রস্তুতি নিয়েই আশপাশে ঘোরাঘুরি করছেন।

এরই মধ্যে কথা হয় পরিচালকের সঙ্গে। জানালেন, এটি একটি দীর্ঘ ধারাবাহিক নাটক। নাম ‘আরশিনগর’। লিখেছেন মানস পাল। গ্রামীণ গল্পের নাটক এটি। আরও বলেছেন, গতানুগতিক নয় সম্পূর্ণ ভিন্ন একাধিক চরিত্রে আনন্দের পাবেন দর্শকরা। তবে নাটকটি না দেখলে হয়তো কারও বিশ্বাস হবে না।’ কাছাকাছিই ছিলেন প্রায় সব অভিনয়শিল্পী। শুটিংয়ের ফাঁকে সবার আলোচনার প্রসঙ্গ ‘করোনা’। কতটা সচেতন তারা? প্রায় সবার একই মন্তব্য, ‘সতর্কতা অবলম্বন করেই স্পটে এসেছি। আশা করছি আমরা সবাই সুস্থতার সঙ্গে বাসায় ফিরতে পারব। আশা করি আমাদের দর্শকরাও সচেতন থাকবেন।’

ততক্ষণে বিকাল গড়িয়ে সন্ধ্যা নেমে এলো আরশিনগরের বুক চিরে। এবার ঘরে ফেরার পালা।

শুটিং স্পট

আরশিনগরে একদিন

 হাসান সাইদুল 
২৪ সেপ্টেম্বর ২০২০, ১২:০০ এএম  |  প্রিন্ট সংস্করণ

রাজধানীর অদূরে পূবাইল। সরু রাস্তার দু’পাশে বেশিরভাগই শুটিংবাড়ি। এখানেই কোনো এক বাড়িতে চলছে নাটকের শুটিং। খুঁজে নিয়ে বাড়িতে ঢুকতেই শোনা লাইট-ক্যামেরা-অ্যাকশনের শব্দ। সময় তখন দুপুর ঘনিয়ে বিকালের দিকে। বেশ গরম। গরম গায়ে মেখেই মনিটরের দিকে তাকিয়ে আছেন নির্মাতা মজিবুল হক খোকন। ক্যামেরার সামনে তখন জনপ্রিয় অভিনেতা আ খ ম হাসান ও জামিল হোসেন। নির্মাতা ‘অ্যাকশন’ বলার সঙ্গে সঙ্গেই জামিলকে কেউ একজন ফোন দেয়। অপ্রত্যাশিত ফোনে থমকে যায় সব। পরিচালক কিছুটা বিরক্ত হলেও সেটা কাউকে বুঝতে দেননি। কথা শেষ করে আবারও ক্যামেরায় মনোযোগ দেন জামিল। এরই মধ্যে পরিচালকের পাশে এসে দাঁড়িয়েছেন ড. ইনামুল হক, মুনিরা মিঠু, ঊর্মিলা শ্রাবন্তী কর, তারিক স্বপন, সাজু খাদেমসহ আরও অনেকে। এর সবাই দর্শক, শুটিং দেখছেন। তারা এ নাটকেরই শিল্পী। যে কোনো সময় ডাক পড়বে। তাই প্রস্তুতি নিয়েই আশপাশে ঘোরাঘুরি করছেন।

এরই মধ্যে কথা হয় পরিচালকের সঙ্গে। জানালেন, এটি একটি দীর্ঘ ধারাবাহিক নাটক। নাম ‘আরশিনগর’। লিখেছেন মানস পাল। গ্রামীণ গল্পের নাটক এটি। আরও বলেছেন, গতানুগতিক নয় সম্পূর্ণ ভিন্ন একাধিক চরিত্রে আনন্দের পাবেন দর্শকরা। তবে নাটকটি না দেখলে হয়তো কারও বিশ্বাস হবে না।’ কাছাকাছিই ছিলেন প্রায় সব অভিনয়শিল্পী। শুটিংয়ের ফাঁকে সবার আলোচনার প্রসঙ্গ ‘করোনা’। কতটা সচেতন তারা? প্রায় সবার একই মন্তব্য, ‘সতর্কতা অবলম্বন করেই স্পটে এসেছি। আশা করছি আমরা সবাই সুস্থতার সঙ্গে বাসায় ফিরতে পারব। আশা করি আমাদের দর্শকরাও সচেতন থাকবেন।’

ততক্ষণে বিকাল গড়িয়ে সন্ধ্যা নেমে এলো আরশিনগরের বুক চিরে। এবার ঘরে ফেরার পালা।