করোনায় তাদের অবদান
jugantor
করোনায় তাদের অবদান

  এসএম শাফায়েত  

০১ অক্টোবর ২০২০, ০০:০০:০০  |  প্রিন্ট সংস্করণ

বিশ্বব্যাপী চলছে করোনাভাইরাসের তাণ্ডব। এ ভাইরাসের প্রভাবে শুধু গরিব-অসহায়ই নয়, ধনীরাও হয়েছেন ক্ষতিগ্রস্ত। তবে গরিবদের অবস্থা শোচনীয়।

তাদের সাহায্যার্থে বিশ্বের অন্য সব পেশাজীবীদের পাশাপাশি বিনোদন জগতের তারকারাও সাধ্যমতো পাশে দাঁড়িয়েছেন। তাদের কেউ কেউ এককালীন সাহায্য দিয়েছেন, কারও কারও সহযোগিতা এখনও চলমান। করোনাকালে বিশ্বব্যাপী তারকাদের সহযোগিতার অবদান নিয়ে এ প্রতিবেদন।

চেষ্টার ত্রুটি ছিল না ঢালিউডে

* অনন্ত ও বর্ষা

বাংলাদেশি তারকাদের মধ্যে অনন্ত ও বর্ষা করোনায় সবচেয়ে বেশি মানুষের পাশে দাঁড়িয়েছেন। করোনা প্রকোপের শুরু থেকে এখন পর্যন্ত অহসায়দের সহযোগিতা করছেন এ তারকা দম্পতি। এমনিতেই দুস্থদের সেবা ও সামাজিক দায়বদ্ধতার ক্ষেত্রে অনন্ত জলিল বরাবরই দৃষ্টান্ত স্থাপন করে যাচ্ছেন। করোনা পরিস্থিতির এ সময়ে পোশাক খাতের অনেক প্রতিষ্ঠানই যখন কর্মীদের বেতন না দিয়ে বঞ্চিত করেছে তখন অনন্ত জলিল তার কারখানার শ্রমিকদের ১২ কোটি টাকা পারিশ্রমিক দিয়েছেন।

করোনার কারণে বেকার হয়ে পড়া শিল্পীদের পাশেও দাঁড়িয়েছেন তিনি। চলচ্চিত্র শিল্পী সমিতির মাধ্যমে গত ২৭ মার্চ ২২০ জন বেকার শিল্পীর কাছে সহায়তাসামগ্রী দিয়েছেন। এরপর ২৯ মার্চ পরিচালক ও প্রযোজক সমিতির উদ্যোগে চলচ্চিত্রের আরও ২৬০ জন দুস্থ মানুষের পাশে দাঁড়ান অনন্ত। এরপর বর্ষার অনুরোধে অনন্ত জলিল গত ৩ এপ্রিল ঢাকার মোহাম্মদপুরে তাদের বাসার সামনে ৩৫০ জন মানুষের হাতে তুলে দিয়েছেন খাদ্য ও জীবাণুনাশক সামগ্রী।

৫ এপ্রিল বর্ষার গ্রামের বাড়ি সিরাজগঞ্জে ১০০০ পরিবারের মধ্যে একইভাবে খাদ্য ও জীবাণুনাশক সামগ্রী বিতরণ করেন চিত্রনায়িকা বর্ষা। পাশাপাশি ৫০০ অসহায় মায়েদের কাছে তার সন্তানের জন্য এক মাসের দুধ ও খাদ্যসামগ্রী উপহার দিয়েছেন এ নায়িকা। করোনাকালে ঈদে মোবাইল ব্যাংকিংয়ের মাধ্যমে অসহায় ভক্তদের জন্য দু’দফায় ২০ লাখ টাকা আর্থিক সহায়তা দিয়েছেন অনন্ত। তাদের এ সাহায্য কার্যক্রম এখনও চলমান।

* নিপুণ

করোনাকালে অনন্ত বর্ষার পর অসহায়দের সবচেয়ে বেশি সহযোগিতা করেছেন চিত্রনায়িকা নিপুণ। নিজের ব্যবসা প্রতিষ্ঠান বন্ধ করে প্রতিষ্ঠানের সব কর্মীকে প্রতি মাসে বেতন দিয়ে নিজ তত্ত্বাবধানে রাখেন। কুমিল্লায় গ্রামের বাড়ি এলাকার অসহায় মানুষের সার্বিক পরিস্থিতি তদারকি করেছেন নিপুণ। তাদের চাহিদা অনুযায়ী আর্থিক সহযোগিতা করেছেন।

ঈদে এফডিসির শিল্পী সমিতিসহ বিভিন্ন সংগঠনের সদস্যদের ঘরে ঘরে ঈদ উপহার পাঠিয়েছেন এ অভিনেত্রী। এছাড়া তার কাছ থেকে করোনায় ক্ষতিগ্রস্ত ব্যক্তিগত পর্যায়ে অনেকেই সহযোগিতা পেয়েছেন। তার কার্যক্রম এখনও চলমান।

* সাদিকা পারভীন পপি

করোনার শুরু থেকে প্রায় ছয় মাস নিজ জন্মস্থান খুলনায় অবস্থান করেন পপি। সেখানেই তিনি কয়েকবার অসহায় মানুষের মধ্যে খাদ্যদ্রব্যসহ মাস্ক, হ্যান্ডগ্লাভস ও স্যানিটাইজার বিতরণ করেছেন। সাহায্য কার্যক্রম চালাতে গিয়ে করোনাভাইরাসেও আক্রান্ত হন এ নায়িকা।

* অপু বিশ্বাস

করোনায় অসহায় মানুষের পাশে দাঁড়িয়েছেন ঢালিউড কুইনখ্যাত অভিনেত্রী অপু বিশ্বাস। শুরুর দিকে তিনি শতাধিক কর্মহীন অসহায় মানুষের মধ্যে খাবার, মাস্ক ও গ্লাভস বিতরণ করেছেন।

* বাপ্পী চৌধুরী

নায়কদের মধ্যে বাপ্পী চৌধুরীও করোনায় অসহায়দের পাশে দাঁড়িয়েছেন। নারায়ণগঞ্জে নিজ এলাকার কয়েকটি গার্মেন্ট শ্রমিকের মধ্যে তিনি সাহায্য বিতরণ করেছেন বলে জানা গেছে। যদিও তিনি এসব কাজ নিভৃতেই করেছেন।

* শাকিব খান

অসহায় মানুষের গোপনেই সাহায্য করেছেন শাকিব খান। তার কাছের মানুষের দাবি, করোনাকালে অভুক্ত মানুষদের জন্য খাবারের ব্যবস্থা করা হয় এ অভিনেতার আর্থিক সহায়তা ও সার্বিক নির্দেশনায়।

এছাড়া চিত্রনায়ক জায়েদ খান শিল্পী সমিতির ব্যানারে অনেককেই সাহায্য এনে দিয়েছেন। চিত্রনায়িকা বিদ্যা সিনহা মিম, মিস্টি জান্নাতসহ আরও কিছু অভেনেত্রী বিচ্ছিন্নভাবে করোনাকালে অসহায়দের পাশে দাঁড়ানোর চেষ্টা করেছেন।

বলিউডে খানরাই এগিয়ে

* শাহরুখ খান, গৌরী ও জুহি চাওলা : করোনাকালে একটি-দুটি নয়, মোট সাতটি ফান্ডে অনুদান দিয়েছেন শাহরুখ খান, তার স্ত্রী গৌরী ও ব্যবসায়িক সহযোগী নায়িকা জুহি চাওলা। এ অনুদানের পরিমাণ প্রায় একশ কোটি রুপিরও বেশি। এছাড়া শাহরুখের মালিকানাধীন ‘মীর ফাউন্ডেশন’-এর পক্ষ থেকে ৫০ হাজার পিপিই দেয়া হয়েছে পশ্চিমবঙ্গ, দিল্লি ও মহারাষ্ট্রের সরকারকে। পাশাপাশি এক মাসের জন্য প্রায় ১৫ হাজার পরিবারের অন্ন সংস্থানের দায়িত্ব পালন করেছেন শাহরুখ-জুহি।

* অক্ষয় কুমার : করোনা মোকাবেলায় ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি ঘোষিত বিশেষ তহবিলে সবচেয়ে বড় অঙ্ক দান করেছেন অভিনেতা অক্ষয় কুমার। তিনি দিয়েছেন মোট ২৫ কোটি ভারতীয় রুপি।

* সালমান খান : শাহরুখ খান-অক্ষয়দের মতো প্রধানমন্ত্রীর তহবিলে অর্থ দেননি সালমান খান। তবে দৈনিক আয়ের ভিত্তিতে যেসব কর্মী কাজ করত এমন ২৫ হাজার দিনমজুরের দায়িত্ব নিয়েছেন তিনি একাই। সহযোগিতার দুয়ার খুলে এখনও রেখেছেন চলচ্চিত্র সংশ্লিষ্টদের জন্যও।

* অমিতাভ বচ্চন : পরিস্থিতি স্বাভাবিক না হওয়া পর্যন্ত প্রায় ১ লাখ দিনমজুরের ঘরে মাসিক রেশন দেয়ার দায়িত্ব নিয়েছেন অমিতাভ বচ্চন। করোনাকালে বচ্চন পরিবারের জন্য এ উদ্যোগ যেমন গৌরবের তেমনি চ্যালেঞ্জিং।

* আমির খান : পিএম কেয়ার ফান্ড, মহারাষ্ট্রের মুখ্যমন্ত্রী ত্রাণ তহবিল, ফিল্ম ওয়ার্কার্স অ্যাসোসিয়েশন এবং অনেক এনজিওকে অনুদান দিয়েছেন আমির খান। এছাড়া তার মুক্তি প্রতীক্ষিত ছবি ‘লাল সিং চাড্ডা’য় কাজ করা দৈনিক ভিত্তিতে মজুরিপ্রাপ্ত শ্রমিকদেরও সহায়তা করে যাচ্ছেন। তবে আমির খান তার এ অবদান জনসম্মুখে কখনই প্রকাশ করেন না।

* হৃত্বিক রোশন : অসহায়, বয়স্ক, অসচ্ছল, বেকার, দিনমজুর- এ ধরনের এক লাখ ২০ হাজার মানুষের খাবারের দায়িত্ব নিয়েছেন হৃত্বিক। যতদিন সবকিছু স্বাভাবিক হবে ততদিন ভারতের বৃদ্ধাশ্রম, বস্তিগুলোতে এ খাবার বিলি করা হবে।

* রজনীকান্ত : দক্ষিণ ভারতীয় চলচ্চিত্রের কিংবদন্তি অভিনেতা রজনীকান্ত প্রধানমন্ত্রীর তহবিলে ৫০ লাখ রুপি দান করেছেন। এ ছাড়া দক্ষিণ ভারতীয় সিনেমা জগতে কর্মরত দিনমজুরদের জন্যও অর্থ সাহায্য করেছেন তিনি।

* কঙ্গনা রানাউত : ভারতীয় প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির ‘ফ্যান’ হিসেবে পরিচিত অভিনেত্রী কঙ্গনা রানাউত মোট ২৫ লাখ রুপি দান করেছেন তহবিলে।

* ক্যাটরিনা কাইফ : বলিউডের প্রভাবশালী নায়িকা ক্যাটরিনা কাইফ করোনাভাইরাস মোকাবেলায় প্রধানমন্ত্রীর তহবিলে ও মহারাষ্ট্রের রাজ্যভিত্তিক তহবিলে অর্থ দান করেছেন। কিন্তু টাকার অঙ্ক প্রকাশ করেননি তিনি।

* প্রভাস : পিএম কেয়ার ফান্ডে চার কোটি রুপি অনুদান দিয়েছেন ‘বাহুবলী’খ্যাত দক্ষিণ ভারতীয় জনপ্রিয় অভিনেতা প্রভাস।

* আল্লু অর্জুন : তেলেঙ্গনা, অন্ধ্রপ্রদেশ ও কেরালার সরকারকে এক কোটি ২৫ লাখ রুপি অনুদান দিয়েছেন দক্ষিণ ভারতের অভিনেতা আল্লু অর্জুন।

* রোহিত শেঠি ও অজয় দেবগন : ‘গোলমাল’ ছবির নির্মাতা রোহিত শেঠি দৈনিক ভিত্তিতে কাজ করা শ্রমিকদের জন্য (ফেডারেশন অব ওয়েস্টার্ন ইন্ডিয়া সিনে এমপ্লয়ি) পশ্চিম ভারতীয় চলচ্চিত্র শ্রমিকদের সাংগঠনিক তহবিলে ৫১ লাখ রুপি অনুদান দিয়েছেন। তার পথ ধরে আরও ৫১ লাখ রুপি দান করেছেন অভিনেতা অজয় দেবগন।

* প্রিয়াঙ্কা চোপড়া ও নিক জোনাস : প্রিয়াঙ্কা চোপড়া ও তার মার্কিন স্বামী গায়ক নিক জোনাস প্রধানমন্ত্রীর তহবিলে অর্থ দান করেছেন। কিন্তু তারাও দানের অঙ্ক প্রকাশ করেননি।

* কারিনা কাপুর-সাইফ আলি খান : কারিনা কাপুর ও অভিনেতা সাইফ আলি খানও অর্থের অঙ্ক প্রকাশ করেননি। কিন্তু সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তাদের অর্থ সাহায্যের কথা নিশ্চিত করেছেন এ দম্পতি।

* আনুশকা শর্মা-বিরাট কোহলি : অভিনেত্রী আনুশকা শর্মা ও তার ক্রিকেটার স্বামী বিরাট কোহলি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে প্রকাশ করেন প্রধানমন্ত্রীর তহবিলে তাদের অর্থদানের কথা। তবে অজানা ছিল অর্থের অঙ্ক কত! তারা না জানালেও ভারতীয় গণমাধ্যম জানিয়েছে, তিন কোটি রুপি দান করেছেন এ তারকা দম্পত্তি।

* শিল্পা শেঠি : অভিনেত্রী শিল্পা শেঠি ও তার শিল্পপতি স্বামী রাজ কুন্দ্র প্রধানমন্ত্রীর তহবিলে দিয়েছেন ২১ লাখ রুপি।

এছাড়া বলিউডের অভিনেতাদের মধ্যে ভিকি কৌশাল, কার্তিক আরিয়ান ও নানা পাটেকর পৃথকভাবে এক কোটি রুপি ও বরুণ ধাওয়ান ৩০ লাখ রুপি প্রধানমন্ত্রীর ত্রাণ তহবিলে অনুদান দিয়েছেন।

হলিউড তারকাদের অনুদান চোখে পড়ার মতো

* টেইলর সুইফট : করোনাকালে অনুদান প্রদানের তালিকায় নাম লিখিয়ে চমকে দিয়েছেন বিশ্বখ্যাত গায়িকা টেইলর সুইফট। এ মহামারীতে ক্ষতিগ্রস্ত ভক্তদের ৩ হাজার ডলার করে অনুদান দিয়েছেন তিনি। যা বাংলাদেশি মুদ্রায় আড়াই লাখ টাকারও বেশি। এ কার্যক্রম সরাসরি তদারকি করছেন একাধিক গ্র্যামিজয়ী এ গায়িকা নিজেই। এ ছাড়া গত ছয় মাসে ব্যক্তিগত পর্যায়ে অনেককেই সাহায্য করেছেন এ গায়িকা। যা এখনও চলমান।

* অ্যাঞ্জেলিনা জোলি : করোনার ছোবলে সর্বোচ্চ ক্ষতিগ্রস্ত ইন্ডাস্ট্রি হলিউড। তাই এ মহামারী প্রশমনে হলিউড অভিনেত্রী অ্যাঞ্জেলিনা জোলি দিয়েছেন ১০ লাখ ডলার। তার এ অর্থ সেখানকার চুক্তিভিত্তিক কাজ করা লোকদের জন্য ব্যয় হয়েছে। এছাড়া বিশ্বব্যাপী অনেক এনজিওতে ব্যাপক অর্থ অনুদান দিয়েছেন তিনি।

* কিম কারদাশিয়ান : দানবীর হিসেবে প্রচারের আলোয় আসা হলিউড তারকাদের মধ্যে অন্যতম আরেক অভিনেত্রী কিম কারদাশিয়ান। করোনাকালে ক্ষতিগ্রস্তদের জন্য তিনি ও তার বোন মডেল কাইলি জেনার ১০ লাখ ডলার অনুদান দিয়েছেন।

* রিয়ান্না : করোনা দুর্গতদের জন্য গায়িকা রিয়ান্না দিয়েছেন ৫০ লাখ ডলার। তার সাহায্য এখনও চলমান বলে জানা গেছে।

* জেনিফার অ্যানিস্টন : করোনাকালে মানবিক সহযোগিতায় একটু ব্যতিক্রমী উদ্যোগ নিয়েছেন হলিউডের তারকা অভিনেত্রী জেনিফার অ্যানিস্টোন। একটি প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে এ অভিনেত্রীর একটি নগ্ন ছবি তোলা হয় নিলামে। সেই ছবি বিক্রি থেকে আসা সম্পূর্ণ টাকা ব্যয় করা হচ্ছে করোনা টেস্টের জন্য। একটি সংস্থার সঙ্গে যুক্ত হয়ে কাজটি করছেন তিনি। নিলামে তোলা নগ্ন ছবিটি প্রায় ২৫ বছর আগের। ছবিটি বিক্রিও হয়েছে অনেক দামে।

এছাড়া অভিনেতা আর্নল্ড শোয়ার্জনেগার, তারকা দম্পতি রায়ান রিনোল্ডস ও ব্লেক লাইভলিও করোনা দুর্গতদের সাহায্য করেছেন, যা প্রচারমাধ্যমে এসেছে।

টলিউডও পিছিয়ে থাকেনি

* দেব : করোনা দুর্গতদের জন্য ভারতের পশ্চিমবঙ্গে সবচেয়ে বেশি অর্থ সহায়তা দিয়েছেন অভিনেতা ও সাংসদ দেব। তিনি এক কোটি রুপি দিয়েছেন সরকারের করোনা ফান্ডে।

* নুসরাত জাহান : কলকাতার অভিনেত্রী ও সাংসদ নুসরাত জাহান নানাভাবে সাহায্য করছেন অসহায়দের। তবে নিশ্চিত করে সেসব সাহায্য সহযোগিতার কথা প্রকাশ্যে আসতে দিতে চাননি এ অভিনেত্রী।

* মিমি চক্রবর্তী : করোনাকালে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে দেড় লাখ রুপি দিয়েছেন সাংসদ ও অভিনেত্রী মিমি চক্রবর্তী।

ব্যক্তিগত পর্যায়ে কলকাতার আরও অনেক তারকাশিল্পী করোনা দুর্গতদের সাহায্য করেছেন। তার মধ্যে অনেকেই প্রচারের আলোয় আসেননি।

করোনায় তাদের অবদান

 এসএম শাফায়েত 
০১ অক্টোবর ২০২০, ১২:০০ এএম  |  প্রিন্ট সংস্করণ

বিশ্বব্যাপী চলছে করোনাভাইরাসের তাণ্ডব। এ ভাইরাসের প্রভাবে শুধু গরিব-অসহায়ই নয়, ধনীরাও হয়েছেন ক্ষতিগ্রস্ত। তবে গরিবদের অবস্থা শোচনীয়।

তাদের সাহায্যার্থে বিশ্বের অন্য সব পেশাজীবীদের পাশাপাশি বিনোদন জগতের তারকারাও সাধ্যমতো পাশে দাঁড়িয়েছেন। তাদের কেউ কেউ এককালীন সাহায্য দিয়েছেন, কারও কারও সহযোগিতা এখনও চলমান। করোনাকালে বিশ্বব্যাপী তারকাদের সহযোগিতার অবদান নিয়ে এ প্রতিবেদন।

চেষ্টার ত্রুটি ছিল না ঢালিউডে

* অনন্ত ও বর্ষা

বাংলাদেশি তারকাদের মধ্যে অনন্ত ও বর্ষা করোনায় সবচেয়ে বেশি মানুষের পাশে দাঁড়িয়েছেন। করোনা প্রকোপের শুরু থেকে এখন পর্যন্ত অহসায়দের সহযোগিতা করছেন এ তারকা দম্পতি। এমনিতেই দুস্থদের সেবা ও সামাজিক দায়বদ্ধতার ক্ষেত্রে অনন্ত জলিল বরাবরই দৃষ্টান্ত স্থাপন করে যাচ্ছেন। করোনা পরিস্থিতির এ সময়ে পোশাক খাতের অনেক প্রতিষ্ঠানই যখন কর্মীদের বেতন না দিয়ে বঞ্চিত করেছে তখন অনন্ত জলিল তার কারখানার শ্রমিকদের ১২ কোটি টাকা পারিশ্রমিক দিয়েছেন।

করোনার কারণে বেকার হয়ে পড়া শিল্পীদের পাশেও দাঁড়িয়েছেন তিনি। চলচ্চিত্র শিল্পী সমিতির মাধ্যমে গত ২৭ মার্চ ২২০ জন বেকার শিল্পীর কাছে সহায়তাসামগ্রী দিয়েছেন। এরপর ২৯ মার্চ পরিচালক ও প্রযোজক সমিতির উদ্যোগে চলচ্চিত্রের আরও ২৬০ জন দুস্থ মানুষের পাশে দাঁড়ান অনন্ত। এরপর বর্ষার অনুরোধে অনন্ত জলিল গত ৩ এপ্রিল ঢাকার মোহাম্মদপুরে তাদের বাসার সামনে ৩৫০ জন মানুষের হাতে তুলে দিয়েছেন খাদ্য ও জীবাণুনাশক সামগ্রী।

৫ এপ্রিল বর্ষার গ্রামের বাড়ি সিরাজগঞ্জে ১০০০ পরিবারের মধ্যে একইভাবে খাদ্য ও জীবাণুনাশক সামগ্রী বিতরণ করেন চিত্রনায়িকা বর্ষা। পাশাপাশি ৫০০ অসহায় মায়েদের কাছে তার সন্তানের জন্য এক মাসের দুধ ও খাদ্যসামগ্রী উপহার দিয়েছেন এ নায়িকা। করোনাকালে ঈদে মোবাইল ব্যাংকিংয়ের মাধ্যমে অসহায় ভক্তদের জন্য দু’দফায় ২০ লাখ টাকা আর্থিক সহায়তা দিয়েছেন অনন্ত। তাদের এ সাহায্য কার্যক্রম এখনও চলমান।

* নিপুণ

করোনাকালে অনন্ত বর্ষার পর অসহায়দের সবচেয়ে বেশি সহযোগিতা করেছেন চিত্রনায়িকা নিপুণ। নিজের ব্যবসা প্রতিষ্ঠান বন্ধ করে প্রতিষ্ঠানের সব কর্মীকে প্রতি মাসে বেতন দিয়ে নিজ তত্ত্বাবধানে রাখেন। কুমিল্লায় গ্রামের বাড়ি এলাকার অসহায় মানুষের সার্বিক পরিস্থিতি তদারকি করেছেন নিপুণ। তাদের চাহিদা অনুযায়ী আর্থিক সহযোগিতা করেছেন।

ঈদে এফডিসির শিল্পী সমিতিসহ বিভিন্ন সংগঠনের সদস্যদের ঘরে ঘরে ঈদ উপহার পাঠিয়েছেন এ অভিনেত্রী। এছাড়া তার কাছ থেকে করোনায় ক্ষতিগ্রস্ত ব্যক্তিগত পর্যায়ে অনেকেই সহযোগিতা পেয়েছেন। তার কার্যক্রম এখনও চলমান।

* সাদিকা পারভীন পপি

করোনার শুরু থেকে প্রায় ছয় মাস নিজ জন্মস্থান খুলনায় অবস্থান করেন পপি। সেখানেই তিনি কয়েকবার অসহায় মানুষের মধ্যে খাদ্যদ্রব্যসহ মাস্ক, হ্যান্ডগ্লাভস ও স্যানিটাইজার বিতরণ করেছেন। সাহায্য কার্যক্রম চালাতে গিয়ে করোনাভাইরাসেও আক্রান্ত হন এ নায়িকা।

* অপু বিশ্বাস

করোনায় অসহায় মানুষের পাশে দাঁড়িয়েছেন ঢালিউড কুইনখ্যাত অভিনেত্রী অপু বিশ্বাস। শুরুর দিকে তিনি শতাধিক কর্মহীন অসহায় মানুষের মধ্যে খাবার, মাস্ক ও গ্লাভস বিতরণ করেছেন।

* বাপ্পী চৌধুরী

নায়কদের মধ্যে বাপ্পী চৌধুরীও করোনায় অসহায়দের পাশে দাঁড়িয়েছেন। নারায়ণগঞ্জে নিজ এলাকার কয়েকটি গার্মেন্ট শ্রমিকের মধ্যে তিনি সাহায্য বিতরণ করেছেন বলে জানা গেছে। যদিও তিনি এসব কাজ নিভৃতেই করেছেন।

* শাকিব খান

অসহায় মানুষের গোপনেই সাহায্য করেছেন শাকিব খান। তার কাছের মানুষের দাবি, করোনাকালে অভুক্ত মানুষদের জন্য খাবারের ব্যবস্থা করা হয় এ অভিনেতার আর্থিক সহায়তা ও সার্বিক নির্দেশনায়।

এছাড়া চিত্রনায়ক জায়েদ খান শিল্পী সমিতির ব্যানারে অনেককেই সাহায্য এনে দিয়েছেন। চিত্রনায়িকা বিদ্যা সিনহা মিম, মিস্টি জান্নাতসহ আরও কিছু অভেনেত্রী বিচ্ছিন্নভাবে করোনাকালে অসহায়দের পাশে দাঁড়ানোর চেষ্টা করেছেন।

বলিউডে খানরাই এগিয়ে

* শাহরুখ খান, গৌরী ও জুহি চাওলা : করোনাকালে একটি-দুটি নয়, মোট সাতটি ফান্ডে অনুদান দিয়েছেন শাহরুখ খান, তার স্ত্রী গৌরী ও ব্যবসায়িক সহযোগী নায়িকা জুহি চাওলা। এ অনুদানের পরিমাণ প্রায় একশ কোটি রুপিরও বেশি। এছাড়া শাহরুখের মালিকানাধীন ‘মীর ফাউন্ডেশন’-এর পক্ষ থেকে ৫০ হাজার পিপিই দেয়া হয়েছে পশ্চিমবঙ্গ, দিল্লি ও মহারাষ্ট্রের সরকারকে। পাশাপাশি এক মাসের জন্য প্রায় ১৫ হাজার পরিবারের অন্ন সংস্থানের দায়িত্ব পালন করেছেন শাহরুখ-জুহি।

* অক্ষয় কুমার : করোনা মোকাবেলায় ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি ঘোষিত বিশেষ তহবিলে সবচেয়ে বড় অঙ্ক দান করেছেন অভিনেতা অক্ষয় কুমার। তিনি দিয়েছেন মোট ২৫ কোটি ভারতীয় রুপি।

* সালমান খান : শাহরুখ খান-অক্ষয়দের মতো প্রধানমন্ত্রীর তহবিলে অর্থ দেননি সালমান খান। তবে দৈনিক আয়ের ভিত্তিতে যেসব কর্মী কাজ করত এমন ২৫ হাজার দিনমজুরের দায়িত্ব নিয়েছেন তিনি একাই। সহযোগিতার দুয়ার খুলে এখনও রেখেছেন চলচ্চিত্র সংশ্লিষ্টদের জন্যও।

* অমিতাভ বচ্চন : পরিস্থিতি স্বাভাবিক না হওয়া পর্যন্ত প্রায় ১ লাখ দিনমজুরের ঘরে মাসিক রেশন দেয়ার দায়িত্ব নিয়েছেন অমিতাভ বচ্চন। করোনাকালে বচ্চন পরিবারের জন্য এ উদ্যোগ যেমন গৌরবের তেমনি চ্যালেঞ্জিং।

* আমির খান : পিএম কেয়ার ফান্ড, মহারাষ্ট্রের মুখ্যমন্ত্রী ত্রাণ তহবিল, ফিল্ম ওয়ার্কার্স অ্যাসোসিয়েশন এবং অনেক এনজিওকে অনুদান দিয়েছেন আমির খান। এছাড়া তার মুক্তি প্রতীক্ষিত ছবি ‘লাল সিং চাড্ডা’য় কাজ করা দৈনিক ভিত্তিতে মজুরিপ্রাপ্ত শ্রমিকদেরও সহায়তা করে যাচ্ছেন। তবে আমির খান তার এ অবদান জনসম্মুখে কখনই প্রকাশ করেন না।

* হৃত্বিক রোশন : অসহায়, বয়স্ক, অসচ্ছল, বেকার, দিনমজুর- এ ধরনের এক লাখ ২০ হাজার মানুষের খাবারের দায়িত্ব নিয়েছেন হৃত্বিক। যতদিন সবকিছু স্বাভাবিক হবে ততদিন ভারতের বৃদ্ধাশ্রম, বস্তিগুলোতে এ খাবার বিলি করা হবে।

* রজনীকান্ত : দক্ষিণ ভারতীয় চলচ্চিত্রের কিংবদন্তি অভিনেতা রজনীকান্ত প্রধানমন্ত্রীর তহবিলে ৫০ লাখ রুপি দান করেছেন। এ ছাড়া দক্ষিণ ভারতীয় সিনেমা জগতে কর্মরত দিনমজুরদের জন্যও অর্থ সাহায্য করেছেন তিনি।

* কঙ্গনা রানাউত : ভারতীয় প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির ‘ফ্যান’ হিসেবে পরিচিত অভিনেত্রী কঙ্গনা রানাউত মোট ২৫ লাখ রুপি দান করেছেন তহবিলে।

* ক্যাটরিনা কাইফ : বলিউডের প্রভাবশালী নায়িকা ক্যাটরিনা কাইফ করোনাভাইরাস মোকাবেলায় প্রধানমন্ত্রীর তহবিলে ও মহারাষ্ট্রের রাজ্যভিত্তিক তহবিলে অর্থ দান করেছেন। কিন্তু টাকার অঙ্ক প্রকাশ করেননি তিনি।

* প্রভাস : পিএম কেয়ার ফান্ডে চার কোটি রুপি অনুদান দিয়েছেন ‘বাহুবলী’খ্যাত দক্ষিণ ভারতীয় জনপ্রিয় অভিনেতা প্রভাস।

* আল্লু অর্জুন : তেলেঙ্গনা, অন্ধ্রপ্রদেশ ও কেরালার সরকারকে এক কোটি ২৫ লাখ রুপি অনুদান দিয়েছেন দক্ষিণ ভারতের অভিনেতা আল্লু অর্জুন।

* রোহিত শেঠি ও অজয় দেবগন : ‘গোলমাল’ ছবির নির্মাতা রোহিত শেঠি দৈনিক ভিত্তিতে কাজ করা শ্রমিকদের জন্য (ফেডারেশন অব ওয়েস্টার্ন ইন্ডিয়া সিনে এমপ্লয়ি) পশ্চিম ভারতীয় চলচ্চিত্র শ্রমিকদের সাংগঠনিক তহবিলে ৫১ লাখ রুপি অনুদান দিয়েছেন। তার পথ ধরে আরও ৫১ লাখ রুপি দান করেছেন অভিনেতা অজয় দেবগন।

* প্রিয়াঙ্কা চোপড়া ও নিক জোনাস : প্রিয়াঙ্কা চোপড়া ও তার মার্কিন স্বামী গায়ক নিক জোনাস প্রধানমন্ত্রীর তহবিলে অর্থ দান করেছেন। কিন্তু তারাও দানের অঙ্ক প্রকাশ করেননি।

* কারিনা কাপুর-সাইফ আলি খান : কারিনা কাপুর ও অভিনেতা সাইফ আলি খানও অর্থের অঙ্ক প্রকাশ করেননি। কিন্তু সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তাদের অর্থ সাহায্যের কথা নিশ্চিত করেছেন এ দম্পতি।

* আনুশকা শর্মা-বিরাট কোহলি : অভিনেত্রী আনুশকা শর্মা ও তার ক্রিকেটার স্বামী বিরাট কোহলি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে প্রকাশ করেন প্রধানমন্ত্রীর তহবিলে তাদের অর্থদানের কথা। তবে অজানা ছিল অর্থের অঙ্ক কত! তারা না জানালেও ভারতীয় গণমাধ্যম জানিয়েছে, তিন কোটি রুপি দান করেছেন এ তারকা দম্পত্তি।

* শিল্পা শেঠি : অভিনেত্রী শিল্পা শেঠি ও তার শিল্পপতি স্বামী রাজ কুন্দ্র প্রধানমন্ত্রীর তহবিলে দিয়েছেন ২১ লাখ রুপি।

এছাড়া বলিউডের অভিনেতাদের মধ্যে ভিকি কৌশাল, কার্তিক আরিয়ান ও নানা পাটেকর পৃথকভাবে এক কোটি রুপি ও বরুণ ধাওয়ান ৩০ লাখ রুপি প্রধানমন্ত্রীর ত্রাণ তহবিলে অনুদান দিয়েছেন।

হলিউড তারকাদের অনুদান চোখে পড়ার মতো

* টেইলর সুইফট : করোনাকালে অনুদান প্রদানের তালিকায় নাম লিখিয়ে চমকে দিয়েছেন বিশ্বখ্যাত গায়িকা টেইলর সুইফট। এ মহামারীতে ক্ষতিগ্রস্ত ভক্তদের ৩ হাজার ডলার করে অনুদান দিয়েছেন তিনি। যা বাংলাদেশি মুদ্রায় আড়াই লাখ টাকারও বেশি। এ কার্যক্রম সরাসরি তদারকি করছেন একাধিক গ্র্যামিজয়ী এ গায়িকা নিজেই। এ ছাড়া গত ছয় মাসে ব্যক্তিগত পর্যায়ে অনেককেই সাহায্য করেছেন এ গায়িকা। যা এখনও চলমান।

* অ্যাঞ্জেলিনা জোলি : করোনার ছোবলে সর্বোচ্চ ক্ষতিগ্রস্ত ইন্ডাস্ট্রি হলিউড। তাই এ মহামারী প্রশমনে হলিউড অভিনেত্রী অ্যাঞ্জেলিনা জোলি দিয়েছেন ১০ লাখ ডলার। তার এ অর্থ সেখানকার চুক্তিভিত্তিক কাজ করা লোকদের জন্য ব্যয় হয়েছে। এছাড়া বিশ্বব্যাপী অনেক এনজিওতে ব্যাপক অর্থ অনুদান দিয়েছেন তিনি।

* কিম কারদাশিয়ান : দানবীর হিসেবে প্রচারের আলোয় আসা হলিউড তারকাদের মধ্যে অন্যতম আরেক অভিনেত্রী কিম কারদাশিয়ান। করোনাকালে ক্ষতিগ্রস্তদের জন্য তিনি ও তার বোন মডেল কাইলি জেনার ১০ লাখ ডলার অনুদান দিয়েছেন।

* রিয়ান্না : করোনা দুর্গতদের জন্য গায়িকা রিয়ান্না দিয়েছেন ৫০ লাখ ডলার। তার সাহায্য এখনও চলমান বলে জানা গেছে।

* জেনিফার অ্যানিস্টন : করোনাকালে মানবিক সহযোগিতায় একটু ব্যতিক্রমী উদ্যোগ নিয়েছেন হলিউডের তারকা অভিনেত্রী জেনিফার অ্যানিস্টোন। একটি প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে এ অভিনেত্রীর একটি নগ্ন ছবি তোলা হয় নিলামে। সেই ছবি বিক্রি থেকে আসা সম্পূর্ণ টাকা ব্যয় করা হচ্ছে করোনা টেস্টের জন্য। একটি সংস্থার সঙ্গে যুক্ত হয়ে কাজটি করছেন তিনি। নিলামে তোলা নগ্ন ছবিটি প্রায় ২৫ বছর আগের। ছবিটি বিক্রিও হয়েছে অনেক দামে।

এছাড়া অভিনেতা আর্নল্ড শোয়ার্জনেগার, তারকা দম্পতি রায়ান রিনোল্ডস ও ব্লেক লাইভলিও করোনা দুর্গতদের সাহায্য করেছেন, যা প্রচারমাধ্যমে এসেছে।

টলিউডও পিছিয়ে থাকেনি

* দেব : করোনা দুর্গতদের জন্য ভারতের পশ্চিমবঙ্গে সবচেয়ে বেশি অর্থ সহায়তা দিয়েছেন অভিনেতা ও সাংসদ দেব। তিনি এক কোটি রুপি দিয়েছেন সরকারের করোনা ফান্ডে।

* নুসরাত জাহান : কলকাতার অভিনেত্রী ও সাংসদ নুসরাত জাহান নানাভাবে সাহায্য করছেন অসহায়দের। তবে নিশ্চিত করে সেসব সাহায্য সহযোগিতার কথা প্রকাশ্যে আসতে দিতে চাননি এ অভিনেত্রী।

* মিমি চক্রবর্তী : করোনাকালে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে দেড় লাখ রুপি দিয়েছেন সাংসদ ও অভিনেত্রী মিমি চক্রবর্তী।

ব্যক্তিগত পর্যায়ে কলকাতার আরও অনেক তারকাশিল্পী করোনা দুর্গতদের সাহায্য করেছেন। তার মধ্যে অনেকেই প্রচারের আলোয় আসেননি।