আপাতত দেশান্তরী হচ্ছেন জয়া
jugantor
আপাতত দেশান্তরী হচ্ছেন জয়া

  সোহেল আহসান  

০১ অক্টোবর ২০২০, ০০:০০:০০  |  প্রিন্ট সংস্করণ

জয়া আহসান, বাংলাদেশের শীর্ষস্থানীয় একজন অভিনেত্রী। নাটক দিয়ে শুরু করলেও এখন ছবির জগতের আকাক্সিক্ষত একজন নায়িকা। বাংলাদেশের পাশপাশি ভারতের কলকাতায়ও একটি মজবুত অবস্থান তৈরি করেছেন।

তাই বছরের বেশিরভাগ সময় কলকাতাতেই অবস্থান করেন এ অভিনেত্রী। তবে করোনাভাইরাসের কারণে লকডাউন শুরু হওয়ার পর থেকেই ঢাকায় অবস্থান করছেন জয়া। এ ছয় মাসের অবস্থানকালীন তেমন কোনো কাজ করেননি। কয়েকদিন আগে পিপলু খানের পরিচালনায় একটি ছবিতে অভিনয় করেছেন।

ছবিটি প্রযোজনাও করেছেন তিনি। গত মাসেই ঘোষণা দিয়েছেন শিগগিরই ভারত যাবেন। এবার সেই খবরটাই চূড়ান্তভাবে জানিয়েছেন। তবে ঠিক কবে নাগাদ যাবেন সেটা স্পষ্ট করেননি। ফ্লাইট চালু না হলে সড়কপথে হলেও তাকে যেতে হবে- এমন ইঙ্গিত আগেই দিয়েছেন। তবে এবারের যাত্রা যে দীর্ঘদিনের হবে সেটা সহজেই অনুমেয়।

কলকাতার তিনটি ছবিতে চুক্তিবদ্ধ জয়া আহসান। এগুলোর শুটিং হবে আগামী মাসে। তাই তিনি শিগগিরই কলকাতার পথ ধরতে হবে তাকে। ছবিগুলোর মধ্যে একটি ইন্দ্রদীপ দাশগুপ্তের ‘অসতো মা সদগময়’। এটি করোনাভাইরাস সম্পর্কিত গল্পের ছবি। এছাড়া কৌশিক গাঙ্গুলীর ‘ অর্ধাঙ্গিণী’ ছবির কাজও করছেন লকডাউনের আগে। এটির নির্মাণ কাজ শেষ পর্যায়ে অছে। অন্যদিকে শিলাদিত্য মৌলিকের পরিচালনায় ‘ছেলে ধরা’ ছবিটির কেন্দ্রীয় চরিত্রে দেখা যাবে জয়া আহসানকে।

সব কিছু যদি ঠিকঠাক থাকে তাহলে এ তিনটি ছবির শুটিংয়ে অংশ নেবেন কোনো ধরনের বিরতি ছাড়াই।

এ প্রসঙ্গে জয়া আহসান বলেন, ‘কলকাতার ছবিতে কাজ করছি খুব বেশিদিন হয়নি। অল্প সময়ের মধ্যেই সেখানকার দর্শক আগ্রহ নিয়ে আমার কাজ দেখছেন, উৎসাহিত করছেন। এটি আমার জন্য সম্মানের তো বটেই, দেশের জন্য গর্বের। কারণ আমি একজন বাংলাদেশি। গত ছয় মাস ধরে ঢাকায় অবস্থান করছি। তবে এ সময়টায় কলকাতার নির্মাতা ও সহশিল্পীদের সঙ্গে নিয়মিত যোগাযোগ হচ্ছে। তারাও আমার খোঁজখবর নিচ্ছেন। এবার যেতেই হবে। সিদ্ধান্তও চূড়ান্ত। শিগগিরই তাদের সঙ্গে দেখা হচ্ছে।’

এদিকে বাংলাদেশেও কয়েকটি ছবির কাজ এ অভিনেত্রীর হাতে রয়েছে। নুরুল আলম আতিকের পরিচালনায় ‘পেয়ারার সুবাস’ নামের একটি ছবির কাজ শেষ করেছেন। এ ছাড়া মাহমুদ দিদারের পরিচালনায় ‘বিউটি সার্কাস’ নামের আরেকটি ছবিতেও অভিনয় করছেন। এটির শেষ পর্যায়ের অল্প একটু কাজ বাকি আছে।

আপাতত দেশান্তরী হচ্ছেন জয়া

 সোহেল আহসান 
০১ অক্টোবর ২০২০, ১২:০০ এএম  |  প্রিন্ট সংস্করণ

জয়া আহসান, বাংলাদেশের শীর্ষস্থানীয় একজন অভিনেত্রী। নাটক দিয়ে শুরু করলেও এখন ছবির জগতের আকাক্সিক্ষত একজন নায়িকা। বাংলাদেশের পাশপাশি ভারতের কলকাতায়ও একটি মজবুত অবস্থান তৈরি করেছেন।

তাই বছরের বেশিরভাগ সময় কলকাতাতেই অবস্থান করেন এ অভিনেত্রী। তবে করোনাভাইরাসের কারণে লকডাউন শুরু হওয়ার পর থেকেই ঢাকায় অবস্থান করছেন জয়া। এ ছয় মাসের অবস্থানকালীন তেমন কোনো কাজ করেননি। কয়েকদিন আগে পিপলু খানের পরিচালনায় একটি ছবিতে অভিনয় করেছেন।

ছবিটি প্রযোজনাও করেছেন তিনি। গত মাসেই ঘোষণা দিয়েছেন শিগগিরই ভারত যাবেন। এবার সেই খবরটাই চূড়ান্তভাবে জানিয়েছেন। তবে ঠিক কবে নাগাদ যাবেন সেটা স্পষ্ট করেননি। ফ্লাইট চালু না হলে সড়কপথে হলেও তাকে যেতে হবে- এমন ইঙ্গিত আগেই দিয়েছেন। তবে এবারের যাত্রা যে দীর্ঘদিনের হবে সেটা সহজেই অনুমেয়।

কলকাতার তিনটি ছবিতে চুক্তিবদ্ধ জয়া আহসান। এগুলোর শুটিং হবে আগামী মাসে। তাই তিনি শিগগিরই কলকাতার পথ ধরতে হবে তাকে। ছবিগুলোর মধ্যে একটি ইন্দ্রদীপ দাশগুপ্তের ‘অসতো মা সদগময়’। এটি করোনাভাইরাস সম্পর্কিত গল্পের ছবি। এছাড়া কৌশিক গাঙ্গুলীর ‘ অর্ধাঙ্গিণী’ ছবির কাজও করছেন লকডাউনের আগে। এটির নির্মাণ কাজ শেষ পর্যায়ে অছে। অন্যদিকে শিলাদিত্য মৌলিকের পরিচালনায় ‘ছেলে ধরা’ ছবিটির কেন্দ্রীয় চরিত্রে দেখা যাবে জয়া আহসানকে।

সব কিছু যদি ঠিকঠাক থাকে তাহলে এ তিনটি ছবির শুটিংয়ে অংশ নেবেন কোনো ধরনের বিরতি ছাড়াই।

এ প্রসঙ্গে জয়া আহসান বলেন, ‘কলকাতার ছবিতে কাজ করছি খুব বেশিদিন হয়নি। অল্প সময়ের মধ্যেই সেখানকার দর্শক আগ্রহ নিয়ে আমার কাজ দেখছেন, উৎসাহিত করছেন। এটি আমার জন্য সম্মানের তো বটেই, দেশের জন্য গর্বের। কারণ আমি একজন বাংলাদেশি। গত ছয় মাস ধরে ঢাকায় অবস্থান করছি। তবে এ সময়টায় কলকাতার নির্মাতা ও সহশিল্পীদের সঙ্গে নিয়মিত যোগাযোগ হচ্ছে। তারাও আমার খোঁজখবর নিচ্ছেন। এবার যেতেই হবে। সিদ্ধান্তও চূড়ান্ত। শিগগিরই তাদের সঙ্গে দেখা হচ্ছে।’

এদিকে বাংলাদেশেও কয়েকটি ছবির কাজ এ অভিনেত্রীর হাতে রয়েছে। নুরুল আলম আতিকের পরিচালনায় ‘পেয়ারার সুবাস’ নামের একটি ছবির কাজ শেষ করেছেন। এ ছাড়া মাহমুদ দিদারের পরিচালনায় ‘বিউটি সার্কাস’ নামের আরেকটি ছবিতেও অভিনয় করছেন। এটির শেষ পর্যায়ের অল্প একটু কাজ বাকি আছে।