বিনোদনে ওটিটি প্ল্যাটফরমের গুরুত্ব বাড়ছে
jugantor
বিনোদনে ওটিটি প্ল্যাটফরমের গুরুত্ব বাড়ছে
টেলিভিশনের বাইরে বিনোদনের মাধ্যম হিসাবে বিশ্বব্যাপী দ্রুত জনপ্রিয় হয়ে উঠেছে ভিডিও স্ট্রিমিং প্ল্যাটফরম। এখনো যে কেউ খুব সহজেই অ্যান্ড্রয়েড মোবাইলে অ্যাপস ডাউনলোড করে এবং ভিডিও স্ট্রিমিং ওয়েবসাইটের মাধ্যমে উপভোগ করতে পারেন নাটক, টেলিছবি, ওয়েব সিরিজ এবং চলচ্চিত্রসহ বিভিন্ন ধরনের কনটেন্ট। বাংলাদেশেও নিজস্ব ব্যবস্থায় চালু হয়েছে বেশ ক’টি ওটিটি প্ল্যাটফরম। সেগুলো ধীরে ধীরে জনপ্রিয়ও হচ্ছে। এ নিয়ে বিস্তারিত লিখেছেন-

  এফ আই দীপু  

২১ জানুয়ারি ২০২১, ০০:০০:০০  |  প্রিন্ট সংস্করণ

ওটিটি (ওভার দ্য টপ) মিডিয়া সার্ভিস; ডিজিটাল এ প্ল্যাটফরমের মাধ্যমে বিনোদন দুনিয়ায় খুলেছে সম্ভাবনার নতুন দ্বার। বিশ্বব্যাপী প্রতিযোগিতার বাজারে অনলাইন ভিডিও স্ট্রিমিংয়ের জন্য অনেক প্ল্যাটফরম রয়েছে। এর মধ্যে কতকটা আন্তর্জাতিক এবং কিছু আঞ্চলিক। তবে আন্তর্জাতিকভাবে জনপ্রিয় ওটিটি প্ল্যাটফরমের মধ্যে নেটফ্লিক্স, অ্যামাজন প্রাইম, হুলু ও এইচবিও নাও ইত্যাদি উল্লেখযোগ্য। অন্যদিকে ভিডিও প্ল্যাটফরমের জন্য ইউটিউবের চাহিদা অনেক বেশি। কারণ এখান থেকে ব্যক্তিগত পর্যায়ে প্রচারণার পাশাপাশি আয়ও করা সম্ভব। গত দু’বছর ধরে এ তালিকায় যোগ হয়েছে ফেসবুকও।

বিশ্বব্যাপী ভিডিও স্ট্রিমিং প্ল্যাটফরমগুলোর জনপ্রিয়তা পাওয়ার মূল কারণ হচ্ছে, এখানে নির্মাতারা স্বাধীনভাবে পছন্দের গল্প কিংবা শিল্পী নিয়ে কাজ করতে পারেন। দেশ ভেদে রাষ্ট্র কর্তৃক সেন্সরের কোনো ঝামেলা নেই। এজেন্সি কিংবা প্রতিষ্ঠান কর্তৃক শিল্পী নিয়ে সিন্ডিকেট নেই। অন্যদিকে দর্শকরাও নিজেদের সুবিধামতো সময়ে পছন্দের কনটেন্ট দেখে নিতে পারেন। তবে অনলাইনের জন্য বরাবরই একটি কথা প্রযোজ্য, সেটি হচ্ছে- ‘কনটেন্ট ইজ দ্য কিং’, যার কনটেন্ট যত বেশি ভালো হবে তিনি তত সহজেই সফলতা ঘরে তুলতে পারবেন। মূলত বড় বড় স্ট্রিমিং প্ল্যাটফরমগুলো দর্শক চাহিদার কথা মাথায় রেখেই তাদের কনটেন্ট তৈরি করে।

বিশ্বের সবচেয়ে বড় স্ট্রিমিং প্ল্যাটফরম ধরা হয় নেটফ্লিক্সকে। তাদের ঝুলিতে রয়েছে অসংখ্য জনপ্রিয় টিভি শো এবং চলচ্চিত্র। এসব কন্টেট খুব সহজেই দর্শকদের আকৃষ্ট করছে। অন্য স্ট্রিমিং সাইটগুলোও মানসম্পন্ন কনটেন্ট নিয়ে এগিয়ে চলেছে সমানতালে।

বিশ্বের সঙ্গে তাল মিলিয়ে বাংলাদেশেও রয়েছে কয়েকটি ভিডিও স্ট্রিমিং প্ল্যাটফরম। এগুলোর মধ্যে বায়োস্কোপ, আইফ্লিক্স, বাংলাফ্লিক্স, সিনেমাটিক এবং সর্বশেষ সংযোজন আই থিয়েটার উল্লেখযোগ্য। এ ছাড়া মোবাইল ফোন কোম্পানিগুলোও নিজেদের স্ট্রিমিং প্ল্যাটফরম পরিচালনা করে আসছে দীর্ঘদিন ধরে। নির্দিষ্ট সাবস্ক্রিপশন ফি দিয়ে দর্শকরা কনটেন্ট অথবা মাসভিত্তিক এসব প্ল্যাটফরমে প্রকাশিত শো, নাটক বা সিনেমা দেখতে পারেন।

বাংলাদেশে এতদিন ওটিটি প্ল্যাটফরমগুলোয় গান এবং নাটক প্রকাশ হলেও পূর্ণাঙ্গ বাণিজ্যিক সিনেমা মুক্তি দেওয়া হয়নি। সে বিষয়টি গত বছরের শেষদিকে যোগ করেন তরুণ নির্মাতা অনন্য মামুন। গত বছরের ১৬ ডিসেম্বর ‘আই থিয়েটার’ নামে একটি অ্যাপস উদ্বোধন করেন তিনি। এ প্ল্যাটফরম থেকে দেশের ইতিহাসে প্রথমবার সম্পূর্ণ নতুন বাণিজ্যিক ছবি মুক্তি দেওয়া হয়। তাও আবার এ সময়ের দেশসেরা নায়ক শাকিব খান অভিনীত ছবি। নাম ‘নবাব এলএলবি’। শাকিব খানের সঙ্গে মাহিয়া মাহি ও অর্চিতা স্পর্শিয়াকে নিয়ে নির্মিত এ ছবিটি অবশ্য দু’খণ্ডে মুক্তি দেন পরিচালক। সবচেয়ে বড় কথা হচ্ছে বিগ বাজেটের একটি বাণিজ্যিক ছবি অ্যাপসে মুক্তি দেওয়ার মতো সিদ্ধান্ত এবং সাহস দুটিই নিতে পেরেছেন নির্মাতা। এর ধারাবাহিকতায় ক’দিন আগে সিনেমাটিক নামে একটি প্ল্যাটফরমে রায়হান রাফির পরিচালনায় ‘জানোয়ার’ নামে একটি ছবি মুক্তি পেয়েছে। এ ছাড়া এমনিতে নিয়মিতই দেশি বিভিন্ন স্ট্রিমিং প্ল্যাটফরমে নাটক বা ওয়েব সিরিজ প্রকাশ হচ্ছে।

ভিডিও স্ট্রিমিং প্ল্যাটফরমের মধ্যে ইউটিউবে দেশের অনেকেরই ব্যক্তিগত বা প্রাতিষ্ঠানিকভাবে চ্যানেল রয়েছে। প্রতিষ্ঠানের ক্ষেত্রে যারা আলোচনায় রয়েছে, তাদের মধ্যে উল্লেখযোগ্য ধ্রুব মিউজিক স্টেশন (ডিএমএস), সিডি চয়েস, সিএমভি, ঈগল মিউজিকসহ আরও কয়েকটি। এসব প্রতিষ্ঠানের ইউটিউব চ্যানেল বা ফেসবুক পেজ থেকে নিয়মিতই নতুন গান ও নাটকসহ বিভিন্ন কনটেন্ট প্রকাশ করা হয়। বিশেষ করে ডিএমএসের ধ্রুব টিভিতে প্রচারচলতি ‘ব্যাচেলর পয়েন্ট’ নামে একটি নাটক টেলিভিশনের চেয়েও বেশি দর্শকপ্রিয়তা পেয়েছে। এর বাইরে ভারতীয় দুটি প্ল্যাটফরম হইচই এবং জি-ফাইভও বাংলাদেশে তাদের কার্যক্রম শুরু করেছে। বাংলাদেশি অনেক নির্মাতা এ প্ল্যাটফরমগুলো থেকে কাজও করছেন।

এদিকে জনপ্রিয়তা পেলেও ওটিটি বা ভিডিও স্ট্রিমিং প্ল্যাটফরমগুলো নিয়ে অভিযোগেরও অন্ত নেই। কোনো ধরনের সেন্সরের ঝক্কি-ঝামেলা না থাকায় অনেকেই ইচ্ছামতো কনটেন্ট আপলোড করেন। যেখানে ‘অশ্লীলতা’ নামে একটি শব্দও অপ্রাসঙ্গিকভাবে জড়িয়ে যায়। এ বিষয়টি থেকে সতর্ক হলে কিংবা বাদ দিলে বাংলাদেশে ওটিটি বা ভিডিও স্ট্রিমিং প্ল্যাটফরমের চাহিদা টেলিভিশনের চেয়ে অনেকগুণ বেশি- এটি অনস্বীকার্য। আশার কথা হল, অতি সম্প্রতি হাইকোর্ট এ বিষয়ে নীতিমালা তৈরি করার জন্য সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়কে নির্দেশ দিয়েছেন।

বিনোদনে ওটিটি প্ল্যাটফরমের গুরুত্ব বাড়ছে

টেলিভিশনের বাইরে বিনোদনের মাধ্যম হিসাবে বিশ্বব্যাপী দ্রুত জনপ্রিয় হয়ে উঠেছে ভিডিও স্ট্রিমিং প্ল্যাটফরম। এখনো যে কেউ খুব সহজেই অ্যান্ড্রয়েড মোবাইলে অ্যাপস ডাউনলোড করে এবং ভিডিও স্ট্রিমিং ওয়েবসাইটের মাধ্যমে উপভোগ করতে পারেন নাটক, টেলিছবি, ওয়েব সিরিজ এবং চলচ্চিত্রসহ বিভিন্ন ধরনের কনটেন্ট। বাংলাদেশেও নিজস্ব ব্যবস্থায় চালু হয়েছে বেশ ক’টি ওটিটি প্ল্যাটফরম। সেগুলো ধীরে ধীরে জনপ্রিয়ও হচ্ছে। এ নিয়ে বিস্তারিত লিখেছেন-
 এফ আই দীপু 
২১ জানুয়ারি ২০২১, ১২:০০ এএম  |  প্রিন্ট সংস্করণ

ওটিটি (ওভার দ্য টপ) মিডিয়া সার্ভিস; ডিজিটাল এ প্ল্যাটফরমের মাধ্যমে বিনোদন দুনিয়ায় খুলেছে সম্ভাবনার নতুন দ্বার। বিশ্বব্যাপী প্রতিযোগিতার বাজারে অনলাইন ভিডিও স্ট্রিমিংয়ের জন্য অনেক প্ল্যাটফরম রয়েছে। এর মধ্যে কতকটা আন্তর্জাতিক এবং কিছু আঞ্চলিক। তবে আন্তর্জাতিকভাবে জনপ্রিয় ওটিটি প্ল্যাটফরমের মধ্যে নেটফ্লিক্স, অ্যামাজন প্রাইম, হুলু ও এইচবিও নাও ইত্যাদি উল্লেখযোগ্য। অন্যদিকে ভিডিও প্ল্যাটফরমের জন্য ইউটিউবের চাহিদা অনেক বেশি। কারণ এখান থেকে ব্যক্তিগত পর্যায়ে প্রচারণার পাশাপাশি আয়ও করা সম্ভব। গত দু’বছর ধরে এ তালিকায় যোগ হয়েছে ফেসবুকও।

বিশ্বব্যাপী ভিডিও স্ট্রিমিং প্ল্যাটফরমগুলোর জনপ্রিয়তা পাওয়ার মূল কারণ হচ্ছে, এখানে নির্মাতারা স্বাধীনভাবে পছন্দের গল্প কিংবা শিল্পী নিয়ে কাজ করতে পারেন। দেশ ভেদে রাষ্ট্র কর্তৃক সেন্সরের কোনো ঝামেলা নেই। এজেন্সি কিংবা প্রতিষ্ঠান কর্তৃক শিল্পী নিয়ে সিন্ডিকেট নেই। অন্যদিকে দর্শকরাও নিজেদের সুবিধামতো সময়ে পছন্দের কনটেন্ট দেখে নিতে পারেন। তবে অনলাইনের জন্য বরাবরই একটি কথা প্রযোজ্য, সেটি হচ্ছে- ‘কনটেন্ট ইজ দ্য কিং’, যার কনটেন্ট যত বেশি ভালো হবে তিনি তত সহজেই সফলতা ঘরে তুলতে পারবেন। মূলত বড় বড় স্ট্রিমিং প্ল্যাটফরমগুলো দর্শক চাহিদার কথা মাথায় রেখেই তাদের কনটেন্ট তৈরি করে।

বিশ্বের সবচেয়ে বড় স্ট্রিমিং প্ল্যাটফরম ধরা হয় নেটফ্লিক্সকে। তাদের ঝুলিতে রয়েছে অসংখ্য জনপ্রিয় টিভি শো এবং চলচ্চিত্র। এসব কন্টেট খুব সহজেই দর্শকদের আকৃষ্ট করছে। অন্য স্ট্রিমিং সাইটগুলোও মানসম্পন্ন কনটেন্ট নিয়ে এগিয়ে চলেছে সমানতালে।

বিশ্বের সঙ্গে তাল মিলিয়ে বাংলাদেশেও রয়েছে কয়েকটি ভিডিও স্ট্রিমিং প্ল্যাটফরম। এগুলোর মধ্যে বায়োস্কোপ, আইফ্লিক্স, বাংলাফ্লিক্স, সিনেমাটিক এবং সর্বশেষ সংযোজন আই থিয়েটার উল্লেখযোগ্য। এ ছাড়া মোবাইল ফোন কোম্পানিগুলোও নিজেদের স্ট্রিমিং প্ল্যাটফরম পরিচালনা করে আসছে দীর্ঘদিন ধরে। নির্দিষ্ট সাবস্ক্রিপশন ফি দিয়ে দর্শকরা কনটেন্ট অথবা মাসভিত্তিক এসব প্ল্যাটফরমে প্রকাশিত শো, নাটক বা সিনেমা দেখতে পারেন।

বাংলাদেশে এতদিন ওটিটি প্ল্যাটফরমগুলোয় গান এবং নাটক প্রকাশ হলেও পূর্ণাঙ্গ বাণিজ্যিক সিনেমা মুক্তি দেওয়া হয়নি। সে বিষয়টি গত বছরের শেষদিকে যোগ করেন তরুণ নির্মাতা অনন্য মামুন। গত বছরের ১৬ ডিসেম্বর ‘আই থিয়েটার’ নামে একটি অ্যাপস উদ্বোধন করেন তিনি। এ প্ল্যাটফরম থেকে দেশের ইতিহাসে প্রথমবার সম্পূর্ণ নতুন বাণিজ্যিক ছবি মুক্তি দেওয়া হয়। তাও আবার এ সময়ের দেশসেরা নায়ক শাকিব খান অভিনীত ছবি। নাম ‘নবাব এলএলবি’। শাকিব খানের সঙ্গে মাহিয়া মাহি ও অর্চিতা স্পর্শিয়াকে নিয়ে নির্মিত এ ছবিটি অবশ্য দু’খণ্ডে মুক্তি দেন পরিচালক। সবচেয়ে বড় কথা হচ্ছে বিগ বাজেটের একটি বাণিজ্যিক ছবি অ্যাপসে মুক্তি দেওয়ার মতো সিদ্ধান্ত এবং সাহস দুটিই নিতে পেরেছেন নির্মাতা। এর ধারাবাহিকতায় ক’দিন আগে সিনেমাটিক নামে একটি প্ল্যাটফরমে রায়হান রাফির পরিচালনায় ‘জানোয়ার’ নামে একটি ছবি মুক্তি পেয়েছে। এ ছাড়া এমনিতে নিয়মিতই দেশি বিভিন্ন স্ট্রিমিং প্ল্যাটফরমে নাটক বা ওয়েব সিরিজ প্রকাশ হচ্ছে।

ভিডিও স্ট্রিমিং প্ল্যাটফরমের মধ্যে ইউটিউবে দেশের অনেকেরই ব্যক্তিগত বা প্রাতিষ্ঠানিকভাবে চ্যানেল রয়েছে। প্রতিষ্ঠানের ক্ষেত্রে যারা আলোচনায় রয়েছে, তাদের মধ্যে উল্লেখযোগ্য ধ্রুব মিউজিক স্টেশন (ডিএমএস), সিডি চয়েস, সিএমভি, ঈগল মিউজিকসহ আরও কয়েকটি। এসব প্রতিষ্ঠানের ইউটিউব চ্যানেল বা ফেসবুক পেজ থেকে নিয়মিতই নতুন গান ও নাটকসহ বিভিন্ন কনটেন্ট প্রকাশ করা হয়। বিশেষ করে ডিএমএসের ধ্রুব টিভিতে প্রচারচলতি ‘ব্যাচেলর পয়েন্ট’ নামে একটি নাটক টেলিভিশনের চেয়েও বেশি দর্শকপ্রিয়তা পেয়েছে। এর বাইরে ভারতীয় দুটি প্ল্যাটফরম হইচই এবং জি-ফাইভও বাংলাদেশে তাদের কার্যক্রম শুরু করেছে। বাংলাদেশি অনেক নির্মাতা এ প্ল্যাটফরমগুলো থেকে কাজও করছেন।

এদিকে জনপ্রিয়তা পেলেও ওটিটি বা ভিডিও স্ট্রিমিং প্ল্যাটফরমগুলো নিয়ে অভিযোগেরও অন্ত নেই। কোনো ধরনের সেন্সরের ঝক্কি-ঝামেলা না থাকায় অনেকেই ইচ্ছামতো কনটেন্ট আপলোড করেন। যেখানে ‘অশ্লীলতা’ নামে একটি শব্দও অপ্রাসঙ্গিকভাবে জড়িয়ে যায়। এ বিষয়টি থেকে সতর্ক হলে কিংবা বাদ দিলে বাংলাদেশে ওটিটি বা ভিডিও স্ট্রিমিং প্ল্যাটফরমের চাহিদা টেলিভিশনের চেয়ে অনেকগুণ বেশি- এটি অনস্বীকার্য। আশার কথা হল, অতি সম্প্রতি হাইকোর্ট এ বিষয়ে নীতিমালা তৈরি করার জন্য সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়কে নির্দেশ দিয়েছেন।

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন