করোনাভীতি কাটিয়ে জমে উঠেছে রাজধানীর মঞ্চ
jugantor
করোনাভীতি কাটিয়ে জমে উঠেছে রাজধানীর মঞ্চ

  আখন্দ জাহিদ  

১৪ অক্টোবর ২০২১, ০০:০০:০০  |  প্রিন্ট সংস্করণ

প্রায় দুই বছরের করোনাভাইরাস হানার পর নতুনরূপে সেজেছে পৃথিবী। থমকে যাওয়া সবকিছুতেই মিটিমিটি করে প্রাণ সঞ্চার হচ্ছে। শোবিজ অঙ্গনে সীমিত পরিসরে কাজ চললেও করোনার কারণে দীর্ঘ সময় টানা বন্ধ ছিল মঞ্চ নাটক। গত বছরের শেষের দিক থেকে চলতি বছরের শুরুর তিন মাস করোনা কিছুটা নিয়ন্ত্রণে আসার কারণে আলো জ্বলেছিল ঢাকার মঞ্চে। কিন্তু করোনার দ্বিতীয় ঢেউ সেই আলোও নিভিয়ে দিয়েছিল। কুরবানির ঈদের মাসখানেক পর আবারও স্বাভাবিক নিয়মে সবকিছু ধারাবাহিকভাবে সচল হলো। সঙ্গে মঞ্চনাটকও। বর্তমানে যেন সেই পুরোনো আমেজে জমে উঠেছে মঞ্চাঙ্গন। বিভিন্ন দলের নাটকের অংশগ্রহণের পাশাপাশি উৎসব আমেজে পুরোনো আমেজে নতুন করে প্রাণ ফিরেছে ঢাকার মঞ্চে।

চলতি মাসে গঙ্গা-যমুনা নাট্য ও সাংস্কৃতিক উৎসবের মধ্য দিয়ে দীর্ঘদিন পর প্রাণের সঞ্চার বইছে শিল্পকলার আঙ্গিনায়। দর্শক ও শিল্পী-কলাকুশলীদের পদচারণায় মুখরিত রাজধানীর জাতীয় শিল্পকলা একাডেমি। দীর্ঘ লকডাউন শেষে ১ অক্টোবর থেকে ১২ দিনের জন্য শুরু হয় এ উৎসব। সাজ সাজ রবে শিল্পকলা একাডেমি প্রাঙ্গণে যেন বয়েছিল আনন্দের বন্যা। জাতীয় নাট্যশালার তিন মিলনায়তন, সংগীত ও নৃত্যকলা কেন্দ্র মিলনায়তন, উন্মুক্ত মঞ্চ ও নাট্যশালার লবিসহ একাডেমির সর্বত্র যেন বয়েছিল শিল্পের ফাগুনধারা। উদ্বোধনী দিন থেকে পরবর্তী সময় মঞ্চায়িত প্রতিটি নাটকেই ছিল দর্শকদের উপচেপড়া ভিড়। মূল গেটের টিকিট কাউন্টার থেকে দোতলার মিলনায়তন পর্যন্ত দেখা গেছে দর্শকদের সারিবদ্ধ লাইন।

‘এ আয়োজন দেখে যেন মনে হয়েছিল প্রায় দেড় বছর পর শিল্পকলা একাডেমিতে এসে প্রাণের স্পন্দন ফিরে পেলাম। করোনার পর এ আয়োজনের মধ্য দিয়ে বোঝা গিয়েছে আমরা স্বাভাবিক জীবনযাপন করতে চাই। আমার বিশ্বাস এ আয়োজন দর্শকসহ সব নাট্যশিল্পীদের অনুপ্রাণিত করবে’-উৎসব দেখতে আসা এক দর্শক এভাবেই বর্ণনা করছিলেন গত কয়েকদিনের দৃশ্য। ১২ দিনের এ উৎসবে প্রতিদিন সন্ধ্যা ৭টায় মিলনায়তনে নাটক মঞ্চায়ন ছাড়াও বিকাল ৪টা থেকে উন্মুক্ত মঞ্চ ও নাট্যশালার লবিতে ছিল পথনাটক, মূকাভিনয়, নৃত্যালেখ্য, সংগীত, আবৃত্তি, ধামাইল গান, গম্ভিরা, বাউল গানসহ নানা সাংস্কৃতিক কার্যক্রম। এবারের উৎসবে অংশ নিয়েছে সারা দেশের ১৪০টি দলের প্রায় সাড়ে তিন হাজার শিল্পী।

করোনাভীতি কাটিয়ে জমে উঠেছে রাজধানীর মঞ্চ

 আখন্দ জাহিদ 
১৪ অক্টোবর ২০২১, ১২:০০ এএম  |  প্রিন্ট সংস্করণ

প্রায় দুই বছরের করোনাভাইরাস হানার পর নতুনরূপে সেজেছে পৃথিবী। থমকে যাওয়া সবকিছুতেই মিটিমিটি করে প্রাণ সঞ্চার হচ্ছে। শোবিজ অঙ্গনে সীমিত পরিসরে কাজ চললেও করোনার কারণে দীর্ঘ সময় টানা বন্ধ ছিল মঞ্চ নাটক। গত বছরের শেষের দিক থেকে চলতি বছরের শুরুর তিন মাস করোনা কিছুটা নিয়ন্ত্রণে আসার কারণে আলো জ্বলেছিল ঢাকার মঞ্চে। কিন্তু করোনার দ্বিতীয় ঢেউ সেই আলোও নিভিয়ে দিয়েছিল। কুরবানির ঈদের মাসখানেক পর আবারও স্বাভাবিক নিয়মে সবকিছু ধারাবাহিকভাবে সচল হলো। সঙ্গে মঞ্চনাটকও। বর্তমানে যেন সেই পুরোনো আমেজে জমে উঠেছে মঞ্চাঙ্গন। বিভিন্ন দলের নাটকের অংশগ্রহণের পাশাপাশি উৎসব আমেজে পুরোনো আমেজে নতুন করে প্রাণ ফিরেছে ঢাকার মঞ্চে।

চলতি মাসে গঙ্গা-যমুনা নাট্য ও সাংস্কৃতিক উৎসবের মধ্য দিয়ে দীর্ঘদিন পর প্রাণের সঞ্চার বইছে শিল্পকলার আঙ্গিনায়। দর্শক ও শিল্পী-কলাকুশলীদের পদচারণায় মুখরিত রাজধানীর জাতীয় শিল্পকলা একাডেমি। দীর্ঘ লকডাউন শেষে ১ অক্টোবর থেকে ১২ দিনের জন্য শুরু হয় এ উৎসব। সাজ সাজ রবে শিল্পকলা একাডেমি প্রাঙ্গণে যেন বয়েছিল আনন্দের বন্যা। জাতীয় নাট্যশালার তিন মিলনায়তন, সংগীত ও নৃত্যকলা কেন্দ্র মিলনায়তন, উন্মুক্ত মঞ্চ ও নাট্যশালার লবিসহ একাডেমির সর্বত্র যেন বয়েছিল শিল্পের ফাগুনধারা। উদ্বোধনী দিন থেকে পরবর্তী সময় মঞ্চায়িত প্রতিটি নাটকেই ছিল দর্শকদের উপচেপড়া ভিড়। মূল গেটের টিকিট কাউন্টার থেকে দোতলার মিলনায়তন পর্যন্ত দেখা গেছে দর্শকদের সারিবদ্ধ লাইন।

‘এ আয়োজন দেখে যেন মনে হয়েছিল প্রায় দেড় বছর পর শিল্পকলা একাডেমিতে এসে প্রাণের স্পন্দন ফিরে পেলাম। করোনার পর এ আয়োজনের মধ্য দিয়ে বোঝা গিয়েছে আমরা স্বাভাবিক জীবনযাপন করতে চাই। আমার বিশ্বাস এ আয়োজন দর্শকসহ সব নাট্যশিল্পীদের অনুপ্রাণিত করবে’-উৎসব দেখতে আসা এক দর্শক এভাবেই বর্ণনা করছিলেন গত কয়েকদিনের দৃশ্য। ১২ দিনের এ উৎসবে প্রতিদিন সন্ধ্যা ৭টায় মিলনায়তনে নাটক মঞ্চায়ন ছাড়াও বিকাল ৪টা থেকে উন্মুক্ত মঞ্চ ও নাট্যশালার লবিতে ছিল পথনাটক, মূকাভিনয়, নৃত্যালেখ্য, সংগীত, আবৃত্তি, ধামাইল গান, গম্ভিরা, বাউল গানসহ নানা সাংস্কৃতিক কার্যক্রম। এবারের উৎসবে অংশ নিয়েছে সারা দেশের ১৪০টি দলের প্রায় সাড়ে তিন হাজার শিল্পী।

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন