শিল্পীরা কেন দেশ ছাড়ছেন
jugantor
শিল্পীরা কেন দেশ ছাড়ছেন

  সোহেল আহসান  

২৫ নভেম্বর ২০২১, ০০:০০:০০  |  প্রিন্ট সংস্করণ

শিল্পীরা কেন দেশ ছাড়ছেন

শোবিজে মেধার দ্যুতি দেখিয়ে তারকায় পরিণত হন অনেকেই। তারপর থেকে তারা হয়ে ওঠেন সাধারণ থেকে অসাধারণ। বিনোদনপিয়াসিরা এসব তারকাদের কাজের পাশাপাশি তাদের ব্যক্তি জীবনকেও অনুসরণ করেন। এ বিনোদন তারকাদের বড় একটি অংশ ক্যারিয়ারের এক পর্যায়ে এসে বিশ্বের উন্নত দেশগুলোতে স্থায়ীভাবে চলে যাচ্ছেন। তখন বিভিন্ন দিক থেকে প্রশ্ন ওঠে এসব তারকারা তো হঠাৎ করেই জনপ্রিয় হননি। তাদের প্রতি প্রযোজক পরিবেশক থেকে শুরু করে সহকর্মীদেরও রয়েছে অনেক অবদান। কিন্তু যারা স্থায়ীভাবে প্রবাসী হচ্ছেন তাদের মধ্যে অল্প সংখ্যক তারকা হয়তো নিুমুখী ক্যারিয়ারের কারণে যাচ্ছেন। কিন্তু উজ্জ্বল এবং সম্ভাবনাময়ী ক্যারিয়ারকে পেছনে ফেলে অনেকেই দেশান্তরী হচ্ছেন।

বর্তমানে সবচেয়ে বেশি আলোচিত হচ্ছে জনপ্রিয় অভিনেতা, নির্মাতা ও নাট্যকার তৌকীর আহমেদের আমেরিকায় স্থায়ী হওয়ার বিষয়টি। তিনি শুধু একা নন, সঙ্গে রয়েছেন তার স্ত্রী অভিনেত্রী, নাট্যকার ও চিত্রশিল্পী বিপাশা হায়াতও। গত দুই বছর ধরেই বিপাশা আমেরিকায় থাকছেন স্থায়ীভাবে। সেখানে তাদের দুই সন্তানকে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ভর্তি করিয়েছেন। তৌকীর আহমেদ যাওয়া আসার মধ্যে আছেন। প্রায় ছয় মাস আগে সর্বশেষ দেশ ছেড়েছেন তৌকীর আহমেদ। শিগ্গির তার ফেরার কোনো সম্ভাবনা নেই বলেই জানা গেছে। এ দুই তারকা জুটি অবশ্য স্থায়ীভাবে থাকার বিষয়টি অস্বীকার করছেন। তারা বলছেন, সন্তানদের পড়ালেখার জন্যই তারা সেখানে অবস্থান করছেন। কিন্তু তাদের ঘনিষ্ঠ অনেকেই জানিয়েছেন, এ দম্পতি আমেরিকার নাগরিকত্বের জন্য চেষ্টা শুরু করেছেন।

ক্যারিয়ারের তুঙ্গে থেকেও আমেরিকায় পাড়ি জমিয়েছেন অভিনেতা টনি ডায়েস। তিনি দীর্ঘ সময় ধরে সপরিবারে আমেরিকায় বসবাস করছেন। অল্প কয়েকটি ছবিতে অভিনয় করেই জনপ্রিয়তা পাওয়া চিত্রনায়িকা তামান্না থাকেন সুইডেনে। দুই দশক আগে অভিনয়ে নিয়মিত থেকেই আমেরিকায় পাড়ি জমিয়েছেন চিত্রনায়িকা শাবানা। মাঝে মধ্যে তিনি দেশে এলেও অভিনয়ে দেখা যায় না তাকে। মডেল ও অভিনেত্রী মোনালিসা আমেরিকা প্রবাসীকে বিয়ে করে জনপ্রিয়তার তুঙ্গে থেকেও বিদেশে চলে যান। বর্তমানে সংসার জীবনে বিচ্ছেদ ঘটলেও এ অভিনেত্রী আমেরিকায়ই চাকরি করছেন। চিত্রনায়িকা রোমানাও ক্যারিয়ারের পড়তির দিকে আমেরিকায় চলে যান। সেখানে বিয়ে করে সংসারী হয়েছেন। তবে ব্যতিক্রম অভিনেত্রী আফসান আরা বিন্দু। তিনিও বিয়ে করেছিলেন আমেরিকা প্রবাসীকে। কিন্তু তার সংসার ভেঙে যাওয়ায় তিনি এখন দেশে ফিরে ঢাকায় অবস্থান করছেন। শোনা যাচ্ছে আবারও দেশ ছাড়বেন এ অভিনেত্রী। মডেল ও অভিনেত্রী নাফিজা জাহান ক্যারিয়ারে তুঙ্গে থাকাবস্থায় আমেরিকায় চলে যান। বর্তমানে বিয়ে করে তিনি সেখানেই বসবাস করছেন। অভিনেত্রী রিচি সোলায়মান আমেরিকায় এক পুলিশ অফিসারকে বিয়ে করে সংসারী হয়েছেন এক যুগ আগে।

মডেল ও অভিনেত্রী মাহবুবা ইসলাম সুমীর অভিনয় ক্যারিয়ারে ভাটা পড়লে তিনিও আমেরিকামুখী হন।

চলতি বছর আমেরিকার নাগরিকত্ব পেয়েছেন অভিনেত্রী নওশীন ও অভিনেতা হিল্লোল দম্পতি। ব্যস্ত অভিনয় ক্যারিয়ারে ভাটা নেমে আসার কারণেই নওশীন প্রবাসী হয়েছেন। ঢালিউডের জনপ্রিয় চিত্রনায়িকা শাবনূর অস্ট্রেলিয়ার নাগরিকত্ব পেয়েছেন আরও আগেই। অভিনয় ক্যারিয়ার সচল থাকাবস্থায়ই তিনি অস্ট্রেলিয়াতে যান। লাক্স সুন্দরী প্রতিযোগিতায় চ্যাম্পিয়ন হয়ে মিডিয়ায় আসেন এক সময়ের সাড়া জাগানো অভিনেত্রী ও মডেল মিলা ইসলাম। প্রায় দুই দশক ধরে তিনি আমেরিকায় বসবাস করছেন। করোনাকাল শুরু হওয়ার আরও আগে অভিনেত্রী তমালিকা কর্মকার আমেরিকায় পাড়ি জমান। করোনাকালের মধ্যে আরেকটি মঞ্চ ও নাটকের অভিনেত্রী বন্যা মির্জা আমেরিকায় স্থায়ী হওয়ার পরিকল্পনার বাস্তবায়ন শুরু করেছেন। বিষয়টি স্বীকার না করলেও তার ঘনিষ্ঠরা বলছেন বন্যা মির্জা প্রবাসেই স্থায়ী হওয়ার চেষ্টায় আছেন। ঢালিউডের শীর্ষ নায়ক শাকিব খানও সম্প্রতি একটি অ্যাওয়ার্ড অনুষ্ঠানে অংশ নেওয়ার জন্য প্রথমবার আমেরিকায় গেছেন। সবচেয়ে বড় খবর হচ্ছে তিনিও আমেরিকায় গ্রিন কার্ড পাওয়ার চেষ্টায় আছেন। তার কর্মকাণ্ড দেখে কাজের জন্য আমেরিকায় যাওয়ার বিষয়টি চাউর হলেও আড়ালে তিনি আমেরিকার নাগরিকত্ব নেওয়ার প্রক্রিয়া শুরু করেছেন বলে তার ঘনিষ্ঠ কয়েকজন জানিয়েছেন। এদিকে ব্যান্ডশিল্পী খালিদ সপরিবারে আমেরিকায় পাড়ি জমিয়েছেন অনেক আগেই। সেখানে থেকেই সংগীত সাধনা চালিয়ে যাচ্ছেন তিনি। এ ছাড়া বিনোদন জগতের আরও অনেকেই আছেন, যারা দীর্ঘদিন আগেই আমেরিকায় স্থায়ীভাবে বসবাস করছেন।

তারকাদের বিদেশে স্থায়ী হওয়া প্রসঙ্গে খ্যাতিমান চিত্রনায়ক সোহেল রানা বলেন, ‘আমি চলচ্চিত্রের লোক, তাই চলচ্চিত্রের অভিনয়শিল্পীদের কথাই বলব। যাদের অভিনয়ে গুরুত্ব কমে গেছে কিংবা বয়স হয়েছে তারা যদি দেশান্তরী হয় তাতে তো কোনো সমস্যা নেই। তারা নিজেদের শেষ জীবনে উন্নত নাগরিক সুবিধার জন্য প্রবাসী হওয়ার বিষয়টিকে আমি ইতিবাচকভাবেই দেখি। কারণ বয়োবৃদ্ধ তারকাদের দেশে সেভাবে সুবিধা দেওয়া হয় না। আর কেউ যদি মনে করে যে দেশের চেয়ে বিদেশে তার জন্য উন্নত জীবন অপেক্ষা করছে তাহলে সে যেতে পারে। আমার মতে অনেক তারকার মনেই শেষ জীবন শঙ্কা তৈরি হয়েছে। যার ফলে কেউ বয়সের কারণে আবার কেউ পরবর্তী জীবনের কথা ভেবে দেশান্তরী হচ্ছেন। এ বিষয়গুলো নিয়ে সবার ভাবা দরকার বলে আমি মনে করছি।’

শিল্পীরা কেন দেশ ছাড়ছেন

 সোহেল আহসান 
২৫ নভেম্বর ২০২১, ১২:০০ এএম  |  প্রিন্ট সংস্করণ
শিল্পীরা কেন দেশ ছাড়ছেন
ফাইল ছবি

শোবিজে মেধার দ্যুতি দেখিয়ে তারকায় পরিণত হন অনেকেই। তারপর থেকে তারা হয়ে ওঠেন সাধারণ থেকে অসাধারণ। বিনোদনপিয়াসিরা এসব তারকাদের কাজের পাশাপাশি তাদের ব্যক্তি জীবনকেও অনুসরণ করেন। এ বিনোদন তারকাদের বড় একটি অংশ ক্যারিয়ারের এক পর্যায়ে এসে বিশ্বের উন্নত দেশগুলোতে স্থায়ীভাবে চলে যাচ্ছেন। তখন বিভিন্ন দিক থেকে প্রশ্ন ওঠে এসব তারকারা তো হঠাৎ করেই জনপ্রিয় হননি। তাদের প্রতি প্রযোজক পরিবেশক থেকে শুরু করে সহকর্মীদেরও রয়েছে অনেক অবদান। কিন্তু যারা স্থায়ীভাবে প্রবাসী হচ্ছেন তাদের মধ্যে অল্প সংখ্যক তারকা হয়তো নিুমুখী ক্যারিয়ারের কারণে যাচ্ছেন। কিন্তু উজ্জ্বল এবং সম্ভাবনাময়ী ক্যারিয়ারকে পেছনে ফেলে অনেকেই দেশান্তরী হচ্ছেন।

বর্তমানে সবচেয়ে বেশি আলোচিত হচ্ছে জনপ্রিয় অভিনেতা, নির্মাতা ও নাট্যকার তৌকীর আহমেদের আমেরিকায় স্থায়ী হওয়ার বিষয়টি। তিনি শুধু একা নন, সঙ্গে রয়েছেন তার স্ত্রী অভিনেত্রী, নাট্যকার ও চিত্রশিল্পী বিপাশা হায়াতও। গত দুই বছর ধরেই বিপাশা আমেরিকায় থাকছেন স্থায়ীভাবে। সেখানে তাদের দুই সন্তানকে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ভর্তি করিয়েছেন। তৌকীর আহমেদ যাওয়া আসার মধ্যে আছেন। প্রায় ছয় মাস আগে সর্বশেষ দেশ ছেড়েছেন তৌকীর আহমেদ। শিগ্গির তার ফেরার কোনো সম্ভাবনা নেই বলেই জানা গেছে। এ দুই তারকা জুটি অবশ্য স্থায়ীভাবে থাকার বিষয়টি অস্বীকার করছেন। তারা বলছেন, সন্তানদের পড়ালেখার জন্যই তারা সেখানে অবস্থান করছেন। কিন্তু তাদের ঘনিষ্ঠ অনেকেই জানিয়েছেন, এ দম্পতি আমেরিকার নাগরিকত্বের জন্য চেষ্টা শুরু করেছেন।

ক্যারিয়ারের তুঙ্গে থেকেও আমেরিকায় পাড়ি জমিয়েছেন অভিনেতা টনি ডায়েস। তিনি দীর্ঘ সময় ধরে সপরিবারে আমেরিকায় বসবাস করছেন। অল্প কয়েকটি ছবিতে অভিনয় করেই জনপ্রিয়তা পাওয়া চিত্রনায়িকা তামান্না থাকেন সুইডেনে। দুই দশক আগে অভিনয়ে নিয়মিত থেকেই আমেরিকায় পাড়ি জমিয়েছেন চিত্রনায়িকা শাবানা। মাঝে মধ্যে তিনি দেশে এলেও অভিনয়ে দেখা যায় না তাকে। মডেল ও অভিনেত্রী মোনালিসা আমেরিকা প্রবাসীকে বিয়ে করে জনপ্রিয়তার তুঙ্গে থেকেও বিদেশে চলে যান। বর্তমানে সংসার জীবনে বিচ্ছেদ ঘটলেও এ অভিনেত্রী আমেরিকায়ই চাকরি করছেন। চিত্রনায়িকা রোমানাও ক্যারিয়ারের পড়তির দিকে আমেরিকায় চলে যান। সেখানে বিয়ে করে সংসারী হয়েছেন। তবে ব্যতিক্রম অভিনেত্রী আফসান আরা বিন্দু। তিনিও বিয়ে করেছিলেন আমেরিকা প্রবাসীকে। কিন্তু তার সংসার ভেঙে যাওয়ায় তিনি এখন দেশে ফিরে ঢাকায় অবস্থান করছেন। শোনা যাচ্ছে আবারও দেশ ছাড়বেন এ অভিনেত্রী। মডেল ও অভিনেত্রী নাফিজা জাহান ক্যারিয়ারে তুঙ্গে থাকাবস্থায় আমেরিকায় চলে যান। বর্তমানে বিয়ে করে তিনি সেখানেই বসবাস করছেন। অভিনেত্রী রিচি সোলায়মান আমেরিকায় এক পুলিশ অফিসারকে বিয়ে করে সংসারী হয়েছেন এক যুগ আগে।

মডেল ও অভিনেত্রী মাহবুবা ইসলাম সুমীর অভিনয় ক্যারিয়ারে ভাটা পড়লে তিনিও আমেরিকামুখী হন।

চলতি বছর আমেরিকার নাগরিকত্ব পেয়েছেন অভিনেত্রী নওশীন ও অভিনেতা হিল্লোল দম্পতি। ব্যস্ত অভিনয় ক্যারিয়ারে ভাটা নেমে আসার কারণেই নওশীন প্রবাসী হয়েছেন। ঢালিউডের জনপ্রিয় চিত্রনায়িকা শাবনূর অস্ট্রেলিয়ার নাগরিকত্ব পেয়েছেন আরও আগেই। অভিনয় ক্যারিয়ার সচল থাকাবস্থায়ই তিনি অস্ট্রেলিয়াতে যান। লাক্স সুন্দরী প্রতিযোগিতায় চ্যাম্পিয়ন হয়ে মিডিয়ায় আসেন এক সময়ের সাড়া জাগানো অভিনেত্রী ও মডেল মিলা ইসলাম। প্রায় দুই দশক ধরে তিনি আমেরিকায় বসবাস করছেন। করোনাকাল শুরু হওয়ার আরও আগে অভিনেত্রী তমালিকা কর্মকার আমেরিকায় পাড়ি জমান। করোনাকালের মধ্যে আরেকটি মঞ্চ ও নাটকের অভিনেত্রী বন্যা মির্জা আমেরিকায় স্থায়ী হওয়ার পরিকল্পনার বাস্তবায়ন শুরু করেছেন। বিষয়টি স্বীকার না করলেও তার ঘনিষ্ঠরা বলছেন বন্যা মির্জা প্রবাসেই স্থায়ী হওয়ার চেষ্টায় আছেন। ঢালিউডের শীর্ষ নায়ক শাকিব খানও সম্প্রতি একটি অ্যাওয়ার্ড অনুষ্ঠানে অংশ নেওয়ার জন্য প্রথমবার আমেরিকায় গেছেন। সবচেয়ে বড় খবর হচ্ছে তিনিও আমেরিকায় গ্রিন কার্ড পাওয়ার চেষ্টায় আছেন। তার কর্মকাণ্ড দেখে কাজের জন্য আমেরিকায় যাওয়ার বিষয়টি চাউর হলেও আড়ালে তিনি আমেরিকার নাগরিকত্ব নেওয়ার প্রক্রিয়া শুরু করেছেন বলে তার ঘনিষ্ঠ কয়েকজন জানিয়েছেন। এদিকে ব্যান্ডশিল্পী খালিদ সপরিবারে আমেরিকায় পাড়ি জমিয়েছেন অনেক আগেই। সেখানে থেকেই সংগীত সাধনা চালিয়ে যাচ্ছেন তিনি। এ ছাড়া বিনোদন জগতের আরও অনেকেই আছেন, যারা দীর্ঘদিন আগেই আমেরিকায় স্থায়ীভাবে বসবাস করছেন।

তারকাদের বিদেশে স্থায়ী হওয়া প্রসঙ্গে খ্যাতিমান চিত্রনায়ক সোহেল রানা বলেন, ‘আমি চলচ্চিত্রের লোক, তাই চলচ্চিত্রের অভিনয়শিল্পীদের কথাই বলব। যাদের অভিনয়ে গুরুত্ব কমে গেছে কিংবা বয়স হয়েছে তারা যদি দেশান্তরী হয় তাতে তো কোনো সমস্যা নেই। তারা নিজেদের শেষ জীবনে উন্নত নাগরিক সুবিধার জন্য প্রবাসী হওয়ার বিষয়টিকে আমি ইতিবাচকভাবেই দেখি। কারণ বয়োবৃদ্ধ তারকাদের দেশে সেভাবে সুবিধা দেওয়া হয় না। আর কেউ যদি মনে করে যে দেশের চেয়ে বিদেশে তার জন্য উন্নত জীবন অপেক্ষা করছে তাহলে সে যেতে পারে। আমার মতে অনেক তারকার মনেই শেষ জীবন শঙ্কা তৈরি হয়েছে। যার ফলে কেউ বয়সের কারণে আবার কেউ পরবর্তী জীবনের কথা ভেবে দেশান্তরী হচ্ছেন। এ বিষয়গুলো নিয়ে সবার ভাবা দরকার বলে আমি মনে করছি।’

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন