নাট্যাচার্য সেলিম আল দীনের জন্মজয়ন্তী উৎসব
jugantor
নাট্যাচার্য সেলিম আল দীনের জন্মজয়ন্তী উৎসব

  তারা ঝিলমিল প্রতিবেদক  

১৮ আগস্ট ২০২২, ০০:০০:০০  |  প্রিন্ট সংস্করণ

রবীন্দ্রোত্তর শ্রেষ্ঠ নাট্যকার জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের নাটক ও নাট্যতত্ত্ব বিভাগের প্রতিষ্ঠাতা সাবেক অধ্যাপক সেলিম আল দীন। আজ এ নাট্যাচার্যের ৭৩তম জন্মজয়ন্তী। আধুনিক বাংলা নাটকে স্বকীয় রীতির প্রবক্তা এ প্রাজ্ঞ নাট্যতাত্ত্বিকের জন্মকাল উদযাপিত হবে জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে। এ উপলক্ষ্যে ‘তোমার সম্মুখে অনন্ত মুক্তির অনিমেষ ছায়াপথ’ শিরোনামে পাঁচ দিনব্যাপী এক বর্ণিল অনুষ্ঠানের আয়োজন করেছে জাবির নাটক ও নাট্যতত্ত্ব বিভাগ। আজ আয়োজনের মধ্যে রয়েছে পুষ্প অভিযাত্রা, মাস্টার ক্লাস ও নাট্যোৎসব। পুরো আয়োজনটির আহ্বায়কের দায়িত্ব পালন করবেন একই বিভাগের শিক্ষক আনন জামান। কর্মসূচির মধ্যে প্রথমদিন রয়েছে সকাল ১০টায় জাবি ক্যাম্পাসে সেলিম আল দীনের সমাধিতে পুষ্পস্তবক অর্পণ, দুপুর ১২টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের পুরাতন কলা ভবনে সেট ল্যাব ১-এ রয়েছে মাস্টার ক্লাস। এখানে বিশেষ অতিথি হিসাবে উপস্থিত থাকবেন নাট্যব্যক্তিত্ত্ব নাসিরউদ্দিন ইউসুফ। প্রধান বক্তা থাকবেন অধ্যাপক লুৎফর রহমান। সন্ধ্যা ৭টায় জহির রায়হান মিলনায়তনে মঞ্চস্থ হবে নাটক ‘প্রাচ্য’। উৎসবের দ্বিতীয় দিন ১৯ আগস্ট সন্ধ্যা ৭টায় মঞ্চস্থ হবে নাটক ‘কিত্তনখোলা’। তৃতীয় দিন একই সময় মঞ্চস্থ হবে নাটক ‘বনপাংশুল’। চতুর্থ দিন ‘কেরামত মঙ্গল’ এবং পঞ্চম দিন মঞ্চস্থ হবে নাটক ‘পুত্র’। উৎসবের প্রতিটি নাটক একই মঞ্চে দর্শক উপভোগ করতে পারবেন। প্রসঙ্গত, বাংলা নাটককে পাঠ্যসূচির বাইরে এনে সংগীত, নৃত্য, বাদ্যসহযোগে উপস্থাপন করেন সেলিম আল দীন। আবিষ্কার করলেন মধ্যযুগের বাংলা নাট্য। আঙ্গিকের সঙ্গে বর্তমানের সমন্বয় কখনো বর্ণনাত্মক অভিনয় রীতি, কখনো কথানাট্য কখনোবা দ্বৈত দ্বৈতবাদী শিল্পতত্ত্ব নিয়ে গবেষণা করে লিখে যান একের পর এক নাটক। তার মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলো ‘ফেস্টুনে লেখা স্মৃতি’, ‘চাকা’, ‘মুনতাসীর’, ‘জন্ডিস ও বিবিধ বেলুন’, ‘কিত্তনখোলা’, ‘হাত হদাই’, ‘যৈবতী কন্যার মন’, ‘হরগজ’, ‘প্রাচ্য’, ‘বনপাংশুল’, ‘ধাবমান’, ‘স্বর্ণবোয়াল’, ‘নিমজ্জন’ ও ‘কেরামত মঙ্গল’। এ ছাড়া আছে ‘পুত্র’, ‘অমৃত উপাখ্যান’ উপন্যাসসহ অসংখ্য রচনা। এ নাট্যব্যক্তিত্ত্ব ২০০৮ সালের ১৪ জানুয়ারি পরপারে পাড়ি জমান।

নাট্যাচার্য সেলিম আল দীনের জন্মজয়ন্তী উৎসব

 তারা ঝিলমিল প্রতিবেদক 
১৮ আগস্ট ২০২২, ১২:০০ এএম  |  প্রিন্ট সংস্করণ

রবীন্দ্রোত্তর শ্রেষ্ঠ নাট্যকার জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের নাটক ও নাট্যতত্ত্ব বিভাগের প্রতিষ্ঠাতা সাবেক অধ্যাপক সেলিম আল দীন। আজ এ নাট্যাচার্যের ৭৩তম জন্মজয়ন্তী। আধুনিক বাংলা নাটকে স্বকীয় রীতির প্রবক্তা এ প্রাজ্ঞ নাট্যতাত্ত্বিকের জন্মকাল উদযাপিত হবে জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে। এ উপলক্ষ্যে ‘তোমার সম্মুখে অনন্ত মুক্তির অনিমেষ ছায়াপথ’ শিরোনামে পাঁচ দিনব্যাপী এক বর্ণিল অনুষ্ঠানের আয়োজন করেছে জাবির নাটক ও নাট্যতত্ত্ব বিভাগ। আজ আয়োজনের মধ্যে রয়েছে পুষ্প অভিযাত্রা, মাস্টার ক্লাস ও নাট্যোৎসব। পুরো আয়োজনটির আহ্বায়কের দায়িত্ব পালন করবেন একই বিভাগের শিক্ষক আনন জামান। কর্মসূচির মধ্যে প্রথমদিন রয়েছে সকাল ১০টায় জাবি ক্যাম্পাসে সেলিম আল দীনের সমাধিতে পুষ্পস্তবক অর্পণ, দুপুর ১২টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের পুরাতন কলা ভবনে সেট ল্যাব ১-এ রয়েছে মাস্টার ক্লাস। এখানে বিশেষ অতিথি হিসাবে উপস্থিত থাকবেন নাট্যব্যক্তিত্ত্ব নাসিরউদ্দিন ইউসুফ। প্রধান বক্তা থাকবেন অধ্যাপক লুৎফর রহমান। সন্ধ্যা ৭টায় জহির রায়হান মিলনায়তনে মঞ্চস্থ হবে নাটক ‘প্রাচ্য’। উৎসবের দ্বিতীয় দিন ১৯ আগস্ট সন্ধ্যা ৭টায় মঞ্চস্থ হবে নাটক ‘কিত্তনখোলা’। তৃতীয় দিন একই সময় মঞ্চস্থ হবে নাটক ‘বনপাংশুল’। চতুর্থ দিন ‘কেরামত মঙ্গল’ এবং পঞ্চম দিন মঞ্চস্থ হবে নাটক ‘পুত্র’। উৎসবের প্রতিটি নাটক একই মঞ্চে দর্শক উপভোগ করতে পারবেন। প্রসঙ্গত, বাংলা নাটককে পাঠ্যসূচির বাইরে এনে সংগীত, নৃত্য, বাদ্যসহযোগে উপস্থাপন করেন সেলিম আল দীন। আবিষ্কার করলেন মধ্যযুগের বাংলা নাট্য। আঙ্গিকের সঙ্গে বর্তমানের সমন্বয় কখনো বর্ণনাত্মক অভিনয় রীতি, কখনো কথানাট্য কখনোবা দ্বৈত দ্বৈতবাদী শিল্পতত্ত্ব নিয়ে গবেষণা করে লিখে যান একের পর এক নাটক। তার মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলো ‘ফেস্টুনে লেখা স্মৃতি’, ‘চাকা’, ‘মুনতাসীর’, ‘জন্ডিস ও বিবিধ বেলুন’, ‘কিত্তনখোলা’, ‘হাত হদাই’, ‘যৈবতী কন্যার মন’, ‘হরগজ’, ‘প্রাচ্য’, ‘বনপাংশুল’, ‘ধাবমান’, ‘স্বর্ণবোয়াল’, ‘নিমজ্জন’ ও ‘কেরামত মঙ্গল’। এ ছাড়া আছে ‘পুত্র’, ‘অমৃত উপাখ্যান’ উপন্যাসসহ অসংখ্য রচনা। এ নাট্যব্যক্তিত্ত্ব ২০০৮ সালের ১৪ জানুয়ারি পরপারে পাড়ি জমান।

 

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন