দর্শক এখন আর বউ শাশুড়ির দ্বন্দ্ব দেখতে পছন্দ করেন না : ফেরদৌস
jugantor
দর্শক এখন আর বউ শাশুড়ির দ্বন্দ্ব দেখতে পছন্দ করেন না : ফেরদৌস

  তারা ঝিলমিল প্রতিবেদক  

০৮ ডিসেম্বর ২০২২, ০০:০০:০০  |  প্রিন্ট সংস্করণ

১৯৯৮ সালে বাসু চ্যাটার্জি পরিচালিত ‘হঠাৎ বৃষ্টি’ সিনেমায় অভিনয়ের মধ্য দিয়ে ব্যাপক জনিপ্রয়তা পেলেও চিত্রনায়ক ফেরদৌসের প্রথম সিনেমা ‘পৃথিবী আমারে চায় না’। তবে বড় পর্দায় দর্শক তাকে প্রথম দেখতে পান ‘বুকের ভিতর আগুন’ সিনেমার মাধ্যমে। তারপর অনেক জনপ্রিয় সিনেমা দর্শকদের উপহার দেন তিনি। নিজের অভিনয়শৈলীর মাধ্যমে শুধু বাংলাদেশ নয়, কলকাতার দর্শকদের হৃদয়েও জায়গা করে নিয়েছেন এ নায়ক।

মাঝে ফেরদৌস অভিনীত নতুন সিনেমার কিছুটা খরা গেলেও নতুন করে ব্যস্ত হয়েছেন এ নায়ক। তার অভিনীত সর্বশেষ মুক্তিপ্রাপ্ত সিনেমা ছিল ‘বিউটি সার্কাস’। সিনেমাটি দর্শকমহলে প্রশংসিতও হয়।

এদিকে বর্তমানে একাধিক সিনেমার শুটিং করছেন ফেরদৌস। মুক্তির অপেক্ষায়ও রয়েছে তার অভিনীত একাধিক সিনেমা। সাম্প্রতিক শুটিং করা সিনেমার তালিকায় রয়েছে দেলোয়ার জাহান ঝন্টু পরিচালিত ‘সুজন মাঝি’, নূরে আলমের ‘রাসেলের জন্য অপেক্ষা’, ছটকু আহমেদের ‘আহারে জীবন’ ও শাহিনের ‘মাইক’। এসব সিনেমা প্রসঙ্গে ফেরদৌস বলেন, ‘এ চারটি সিনেমার শুটিং নিয়ে বর্তমানে ব্যস্ত আছি। বিভিন্ন সিডিউলে সিনেমাগুলোর শুটিং করছি। প্রত্যেকটির গল্পে ভেরিয়েশেন আছেন। সিনেমাগুলো এ সময়ের উপযোগী করেই নির্মিত হচ্ছে।’

এ অভিনেতা কাজ শেষ করেছেন হৃদি হকের ‘১৯৭১ সেই সব দিন’, আফজাল হোসেনের ‘মানিকের লাল কাঁকড়া’, জেড এইচ মিন্টুর ‘ক্ষমা নেই’, শুদ্ধমান চৈতনের ‘দামপাড়া’ ও এখলাছ আবেদিনের ‘হাজার বছরের শ্রেষ্ঠ বাঙালি’ সিনেমার কাজ। বলা যায় সমসাময়িক অনেকের চেয়ে বেশিই ব্যস্ত ফেরদৌস। কাজ করছেন আপন গতিতে। তবে সিনেমা নিয়ে তার অবজার্ভেশন কিছুটা ভিন্ন। বলেছেন, ‘সিনেমার আবেদন কখনো ফুরাবে না। আমাদের সিনেমার দর্শক সব সময় ছিল, এখনো আছে। শুধু তারা ভালো গল্পের সিনেমা পাচ্ছেন না। তাই হয়তো প্রেক্ষাগৃহ থেকে দূরে থাকেন। এখন আর আগের মতো বউ শাশুড়ি একসঙ্গে থাকে না। তাই সেই বউ-শাশুড়ির দ্বন্দ্বে গল্প দিয়ে দর্শকদের ধরে রাখা যাবে না। এখন পরিবারে বউ-শাশুড়ির বাইরে আরও অনেক কিছু আছে। মানুষের জীবনে নানা ধরনের ঘটনা দেখা যায়। একই রকম সিনেমার গল্পেও সেসব নতুন নতুন চিত্র তুলে নিয়ে আসতে হবে। তাহলেই দর্শক সিনেমা দেখে আনন্দ পাবেন। হলমুখী হবেন।’

দেশি সিনেমার বাইরে নতুন বছরে কলকাতার সিনেমার কাজও শিগ্গির শুরু করবেন বলে জানিয়েছেন এ নায়ক। ২০১৯ সালে ভারতের পশ্চিমবঙ্গের লোকসভা নির্বাচনে প্রচারণায় অংশ নেওয়ায় ভারত ভ্রমণের নিষেধাজ্ঞার কবলে পড়েন ঢাকাই সিনেমার জনপ্রিয় এ নায়ক। জানা গেছে সে জটিলতা কাটিয়ে ভারতের ভিসাও তিনি পেয়েছেন।

দর্শক এখন আর বউ শাশুড়ির দ্বন্দ্ব দেখতে পছন্দ করেন না : ফেরদৌস

 তারা ঝিলমিল প্রতিবেদক 
০৮ ডিসেম্বর ২০২২, ১২:০০ এএম  |  প্রিন্ট সংস্করণ

১৯৯৮ সালে বাসু চ্যাটার্জি পরিচালিত ‘হঠাৎ বৃষ্টি’ সিনেমায় অভিনয়ের মধ্য দিয়ে ব্যাপক জনিপ্রয়তা পেলেও চিত্রনায়ক ফেরদৌসের প্রথম সিনেমা ‘পৃথিবী আমারে চায় না’। তবে বড় পর্দায় দর্শক তাকে প্রথম দেখতে পান ‘বুকের ভিতর আগুন’ সিনেমার মাধ্যমে। তারপর অনেক জনপ্রিয় সিনেমা দর্শকদের উপহার দেন তিনি। নিজের অভিনয়শৈলীর মাধ্যমে শুধু বাংলাদেশ নয়, কলকাতার দর্শকদের হৃদয়েও জায়গা করে নিয়েছেন এ নায়ক।

মাঝে ফেরদৌস অভিনীত নতুন সিনেমার কিছুটা খরা গেলেও নতুন করে ব্যস্ত হয়েছেন এ নায়ক। তার অভিনীত সর্বশেষ মুক্তিপ্রাপ্ত সিনেমা ছিল ‘বিউটি সার্কাস’। সিনেমাটি দর্শকমহলে প্রশংসিতও হয়।

এদিকে বর্তমানে একাধিক সিনেমার শুটিং করছেন ফেরদৌস। মুক্তির অপেক্ষায়ও রয়েছে তার অভিনীত একাধিক সিনেমা। সাম্প্রতিক শুটিং করা সিনেমার তালিকায় রয়েছে দেলোয়ার জাহান ঝন্টু পরিচালিত ‘সুজন মাঝি’, নূরে আলমের ‘রাসেলের জন্য অপেক্ষা’, ছটকু আহমেদের ‘আহারে জীবন’ ও শাহিনের ‘মাইক’। এসব সিনেমা প্রসঙ্গে ফেরদৌস বলেন, ‘এ চারটি সিনেমার শুটিং নিয়ে বর্তমানে ব্যস্ত আছি। বিভিন্ন সিডিউলে সিনেমাগুলোর শুটিং করছি। প্রত্যেকটির গল্পে ভেরিয়েশেন আছেন। সিনেমাগুলো এ সময়ের উপযোগী করেই নির্মিত হচ্ছে।’

এ অভিনেতা কাজ শেষ করেছেন হৃদি হকের ‘১৯৭১ সেই সব দিন’, আফজাল হোসেনের ‘মানিকের লাল কাঁকড়া’, জেড এইচ মিন্টুর ‘ক্ষমা নেই’, শুদ্ধমান চৈতনের ‘দামপাড়া’ ও এখলাছ আবেদিনের ‘হাজার বছরের শ্রেষ্ঠ বাঙালি’ সিনেমার কাজ। বলা যায় সমসাময়িক অনেকের চেয়ে বেশিই ব্যস্ত ফেরদৌস। কাজ করছেন আপন গতিতে। তবে সিনেমা নিয়ে তার অবজার্ভেশন কিছুটা ভিন্ন। বলেছেন, ‘সিনেমার আবেদন কখনো ফুরাবে না। আমাদের সিনেমার দর্শক সব সময় ছিল, এখনো আছে। শুধু তারা ভালো গল্পের সিনেমা পাচ্ছেন না। তাই হয়তো প্রেক্ষাগৃহ থেকে দূরে থাকেন। এখন আর আগের মতো বউ শাশুড়ি একসঙ্গে থাকে না। তাই সেই বউ-শাশুড়ির দ্বন্দ্বে গল্প দিয়ে দর্শকদের ধরে রাখা যাবে না। এখন পরিবারে বউ-শাশুড়ির বাইরে আরও অনেক কিছু আছে। মানুষের জীবনে নানা ধরনের ঘটনা দেখা যায়। একই রকম সিনেমার গল্পেও সেসব নতুন নতুন চিত্র তুলে নিয়ে আসতে হবে। তাহলেই দর্শক সিনেমা দেখে আনন্দ পাবেন। হলমুখী হবেন।’

দেশি সিনেমার বাইরে নতুন বছরে কলকাতার সিনেমার কাজও শিগ্গির শুরু করবেন বলে জানিয়েছেন এ নায়ক। ২০১৯ সালে ভারতের পশ্চিমবঙ্গের লোকসভা নির্বাচনে প্রচারণায় অংশ নেওয়ায় ভারত ভ্রমণের নিষেধাজ্ঞার কবলে পড়েন ঢাকাই সিনেমার জনপ্রিয় এ নায়ক। জানা গেছে সে জটিলতা কাটিয়ে ভারতের ভিসাও তিনি পেয়েছেন।

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন