কেমন ছিল ঈদের টিভি অনুষ্ঠান

  তারাঝিলমিল ডেস্ক ২৮ জুন ২০১৮, ০০:০০ | প্রিন্ট সংস্করণ

নুরল আলমের বিয়ে
‌'নুরল আলমের বিয়ে‌' নাটকের একটি দৃশ্য

বছর ঘুরে আনন্দের ঈদ উৎসব পালিত হল। ঈদ আর বিশ্বকাপ ফুটবল একই সময় হওয়াতে আনন্দের মাত্রা ছিল অন্যরকম। ফুটবল বিশ্বকাপের সময়ে খেলা দেখানোর পাশাপাশি টেলিভিশন চ্যানেলগুলো ঈদের বিশেষ আয়োজন প্রচার করেছে সমানতালে। ঈদে টিভি চ্যানেলগুলোতে প্রচারিত নাটক ও অন্যান্য অনুষ্ঠানের বিষয়-আশয় নিয়ে লিখেছেন সোহেল আহসান

বাংলাদেশ টেলিভিশন : দেশের একমাত্র রাষ্ট্রীয় এই টেলিভিশন চ্যানেলে ছিল ৫ দিনের ঈদের আয়োজন। বছরের অন্যান্য সময়ের তুলনায় বিটিভি ঈদের সময় বেশ কিছু চিত্তাকর্ষক অনুষ্ঠান প্রচার করে। ঈদের আগের দিন থেকেই এই চ্যানেলটি ঈদ আয়োজন সাজিয়েছিল। বেশ কিছু বিশেষ নাটক প্রচার করে চ্যানেলটি।

বরাবরের থেকে ভিন্ন আঙ্গিকে এবার সাজানো হয়েছিল ‘আনন্দমেলা’ অনুষ্ঠানটি। এই অনুষ্ঠানটির উপস্থাপনায় ছিল ভিন্নতা। যা উপভোগ্য ছিল। এতে দেশের সেরা তারকা-শিল্পীরা অংশ নিয়েছিলেন। ঈদের দ্বিতীয় দিন প্রচারিত ‘ইত্যাদি’ অনুষ্ঠানটি এবারও দর্শকের পছন্দের তালিকায় শীর্ষেই ছিল।

নান্দনিক উপস্থাপনা আর বিষয় বৈচিত্র্যে সাজান ‘ইত্যাদি’ দর্শকদের তৃপ্ত করেছে। এর রূপকার নন্দিত নির্মাতা ও উপস্থাপক হানিফ সংকেতের এই ম্যাগাজিন অনুষ্ঠানটি দর্শকের ঈদ আনন্দের মাত্রা বাড়িয়ে দেয়। এ ছাড়া এই চ্যানেলের কিছু নাটক ও সঙ্গীতানুষ্ঠান ভালো হয়েছে। অন্য আয়োজনগুলো ছিল গড়পড়তা।

এনটিভি : মানসম্মত অনুষ্ঠান প্রচারে এগিয়ে বেসরকারি টেলিভিশন চ্যানেল এনটিভির ঈদ আয়োজন ছিল ৭ দিনের। চাঁদরাত থেকেই এ চ্যানেলে ঈদের অনুষ্ঠান প্রচার শুরু হয়। এ চ্যানেলে ঈদে শিশুতোষ অনুষ্ঠানগুলো ছিল চোখে পড়ার মতো। নাটক-টেলিফিল্ম প্রচারের ক্ষেত্রে সবসময় দক্ষতার পরিচয় দিয়ে থাকে এ চ্যানেলটি।

ঈদ আয়োজনে প্রতিদিন সকালে প্রচারিত ‘রূপকথার গল্প : ডালিমকুমার’ শিশুরা বেশ আগ্রহ নিয়েই দেখেছে। ঈদের দিন দুপুরে প্রচারিত সালাউদ্দিন লাভলুর টেলিফিল্ম ‘বুকের ভেতর নূপুর বাজে’ আলোচনায় ছিল। এ ছাড়া একই দিন গোলাম সোহরাব দোদুলের নাটক ‘জোড়া সাঁকো’ দর্শকের নজরে পড়েছে।

একই দিন রাত ১২টা ৩০ মিনিটে নাচের পাখিরা নামের নৃত্যানুষ্ঠানে চিত্রনায়িকা মাহিয়া মাহীর নাচও ভালো হয়েছে। এ চ্যানেলের আদিবাসী মিজানের পরিচালনায় ঈদ ধারাবাহিক নাটক ‘ব্রেন ওয়াশ’ বেশ প্রশংসা কুড়িয়েছে।

ঈদের দ্বিতীয় দিন রাত ৮টা ৫ মিনিটে প্রচারিত মুহম্মদ মোস্তফা কামাল রাজের পরিচালনায় ‘অনুভবে’, ঈদের তৃতীয় দিন একই সময় অনিমেষ আইচের ‘আমন্ত্রণ’ এবং চতুর্থ দিন আফাক নিপুণের ‘চলছে চলবে’ নাটকগুলো দর্শকের আগ্রহে ছিল। ঈদের চতুর্থ দিন বিকালে কণ্ঠশিল্পী সুবীর নন্দীর একক গানের অনুষ্ঠানটি ছিল উপভোগ্য।

ঈদের ধারাবাহিক নাটক সাগর জাহানের পরিচালনায় ‘দুলু বাবুর্চি’তে জাহিদ হাসানের অভিনয় উপভোগ করেছে সবাই। ঈদের সপ্তম দিন হিমেল আশরাফের ‘এখানে জীবনানন্দ নেই’ নাটকটিও আলোচনায় ছিল।

এটিএন বাংলা : এই টেলিভিশন চ্যানেলের ঈদ আয়োজন ছিল ১০ দিনব্যাপী। চারটি ১০ পর্বের ঈদ ধারাবাহিক নাটক প্রচার হয়েছে এখানে। এগুলো হল বিইউ শুভ পরিচালিত ‘তোমার চোখে দু’চোখ রেখে’, মোহন খানের ‘নিয়ম মেনে চলব’, জুয়েল মাহমুদের ‘পাঁচ শালী মাশাল্লাহ’ ও সাগর জাহানের ‘নসু ভিলেনের সংসার’।

নাটকগুলোর দর্শকসংখ্যা খুব বেশি ছিল না। তবে ঈদের দ্বিতীয় দিন আরিফ খানের পরিচালনায় ‘নুরুল আলমের বিয়ে’ নাটকে আফজাল হোসেন ও সুর্বণা মুস্তাফার অনবদ্য অভিনয় দর্শক উপভোগ করেছেন।

ঈদের তৃতীয় দিন এটিএন বাংলার চেয়ারম্যান মাহফুজুর রহমানের একক সঙ্গীতানুষ্ঠান নিয়ে দর্শকদের আগ্রহ ছিল বেশ। তবে এ অনুষ্ঠানটি নিয়ে সোশ্যাল মাধ্যমে বেশ হাসি-ঠাট্টাও করেছেন দর্শক-শ্রোতারা। একই দিন শেখ সেলিমের পরিচালনায় ‘রমজান ভাই পাবলিক ফিগার’ নাটকটি দর্শকের চোখে পড়েছে।

এসএ হক অলিকের ‘ফুটবলে প্রেম’ নাটকটিও দর্শক আকৃষ্ট করেছে। ঈদের বিশেষ ম্যাগাজিন অনুষ্ঠান ‘ঈদের বাজনা বাজেরে’ ও ‘কমেডি আওয়ার’ অনুষ্ঠান দুটিও কিছুটা দর্শক বিনোদন দিতে পেরেছে। তবে ঈদ আয়োজনে প্রতিদিন দুটি করে বাংলা ছায়াছবি প্রচার করে দর্শকদের বিনোদিত করেছে চ্যানেলটি।

চ্যানেল আই : ৭ দিনের ঈদ আয়োজনে চ্যানেল আই ৬টি নতুন চলচ্চিত্র, ১১টি টেলিফিল্ম ও ১৩টি নাটক প্রচার করেছে। শাইখ সিরাজের ‘কৃষকের ঈদ আনন্দ’ ছিল বরাবরের মতোই প্রাণবন্ত। এ ছাড়া ছোটকাকু সিরিজের ‘না জেনে নারায়ণগঞ্জ’ নাটকটি এবারও দর্শককে বিনোদন জুগিয়েছে।

এ ছাড়া কেকা ফেরদৌসীর উপস্থাপনা ও পরিচালনায় সেলিব্রিটি গেম শো ‘ঈদ আনন্দ’ এবং জিল্লুর রহমানের উপস্থাপনা ও পরিচালনায় ‘ভালোবাসার বাংলাদেশ’ অনুষ্ঠান দুটিও বেশ সাড়া জাগিয়েছে। অন্যদিকে শ্রীলংকা ও মালদ্বীপের মনোরম দৃশ্যপটে চিত্রায়িত ফেরদৌস আরার একক সঙ্গীতানুষ্ঠান ‘ছায়া হয়ে তবু পাশে রইবো’ অনুষ্ঠানটিও অলোচনায় ছিল।

এ চ্যানেলে সালাউদ্দিন লাভলু, বদরুল আনাম সৌদ, হিমেল আশরাফ, রাজিবুল ইসলাম রাজীব, আবু হায়াত মাহমুদ, চয়নিকা চৌধুরীসহ আরও কিছু নতুন পরিচালকের নাটক টেলিফিল্ম প্রচার হয়েছে। নাটকগুলো নিয়ে দর্শকদের মধ্যে ইতিবাচক প্রতিক্রিয়াই লক্ষ্য করা গেছে। চ্যানেলটির অন্যান্য অনুষ্ঠানেও ছিল উৎসবের আমেজ।

বাংলাভিশন : সাত দিনের বিশেষ আয়োজন ছিল বাংলাভিশনের পর্দায়। এর মধ্যে ছিল ৭ পর্বের ৪টি ঈদ ধারাবাহিক নাটক, ২১টি খণ্ড নাটক, ৭টি টেলিফিল্ম, ১০টি সিনেমা ও ৮টি ভিন্নধর্মী অনুষ্ঠান।

ঈদ ধারাবাহিকগুলোর মধ্যে সাগর জাহানের পরিচালনায় ‘ফ্যাটম্যান’ এবং মাসুদ সেজানের ‘চরিত্র : স্বামী’ নাটক দুটি দর্শক দারুণভাবে গ্রহণ করেছে। ফ্যাটম্যান নাটকে মোশাররফ করিমের অভিনয়শৈলী ছিল চোখে পড়ার মতো। অন্যদিকে মাসুদ সেজানের নাটকটিতে চঞ্চল চৌধুরী ও তিশার অভিনয় ছিল প্রাণবন্ত।

এ ছাড়া সালাউদ্দিন লাভলুর ‘চিরকুমার মনে মনে’ নাটকটি অলোচনায় ছিল। ঈদের দ্বিতীয় দিন প্রচারিত জাকারিয়া সৌখিনের নাটক ‘জলসাঘর’ ভালো করেছে। এতে অপূর্ব, মেহজাবিন ও মমর অভিনয় রসায়ন ছিল ভালো। এ ছাড়া তৃতীয় দিন অনিমেষ আইচের ‘গুলনেহার’ টেলিফিল্মটিও নজর কেড়েছে। ঈদের সপ্তম দিন মাহমুদ দিদারের পরিচালনায় প্রচারিত ‘জেনিফার তুমি রক্ত গোলাপ’ টেলিফিল্মে নুসরাত ইমরোজ তিশার অভিনয় ছিল দেখার মতো। ঈদের দিন রাতে প্রচারিত তৌকীর আহমেদের পরিচালনায় ‘খোঁজ’ নাটকটি দর্শক আগ্রহ নিয়েই দেখেছেন। একই দিন শাকিব খান ও বুবলীর অংশগ্রহণে আড্ডানুষ্ঠানটি অনেক দর্শকই উপভোগ করেছেন। ঈদের তৃতীয় দিন কলকাতার অঞ্জন দত্তকে নিয়ে প্রচারিত ভিন্ন স্বাদের এই অনুষ্ঠানটি সঙ্গীতপ্রেমী দর্শকদের বিনোদনের কেন্দ্রে ছিল।

আরটিভি : এই চ্যানেলে ঈদের অনুষ্ঠান প্রচার হয়েছে ঈদের সপ্তম দিন পর্যন্ত। ৩টি ৭ পর্বের ধারাবাহিক নাটক প্রচার হয়েছে এ চ্যানেলে। প্রায় প্রতিটি ঈদ ধারাবাহিকই ছিল দর্শকপ্রিয়। এগুলো হল মিলন ভট্টাচার্যের পরিচালনায় ‘হার্টফেল ফয়েজ’, সাজ্জাদ সুমনের পরিচালনায় ‘ফুটবল ফারুক’ এবং সাগর জাহানের পরিচালনায় ‘মাহিনের লাল ডায়েরি’।

এই চ্যানেলে মোশাররফ করিম অভিনীত নাটক নিয়ে ৭ দিনব্যাপী প্রচার হয় ‘মোশাররফ উৎসব’। এতে প্রতিদিন সন্ধ্যায় একটি করে নাটক প্রচার হয়। এ ছাড়া এই চ্যানেলে মোশাররফ করিম অভিনীত ‘যমজ ৯’ নাটকটি টিভি ও ইউটিউবে প্রচুর দর্শক দেখেছে।

ঈদের ৫ম দিন জাহিদ হাসানের পরিচালনায় ‘যে মাসে সুখ থাকে’ এবং শামীম জামানের ‘ঘাউড়া মজিদ’ নাটক দুটি বিশেষভাবে উল্লেখ্য। এ ছাড়া গানের অনুষ্ঠানে বৈচিত্র্য আনার চেষ্টা ছিল এই চ্যানেলটির।

দেশ টিভি : দেশ টেলিভিশনে ঈদের আয়োজন সাজানো হয়েছিল ৭ দিনের। নাটক, টেলিফিল্ম, সিনেমার পাশাপাশি এতে সরাসরি প্রচারিত গানের অনুষ্ঠানগুলো ছিল মূল আকর্ষণ। এই চ্যানেলে একমাত্র ঈদ ধারাবাহিক ‘সন্দেহ’ গড়পড়তা ছিল। তবে একক নাটকগুলোর ক্ষেত্রে কিছুটা ভিন্নতা দেয়ার চেষ্টা ছিল চ্যানেলটির।

ঈদের দিন প্রচারিত ‘শ্রাবণে বৃষ্টির ঘনঘটা’ নাটকটিতে অপূর্ব ও মমর অভিনয় প্রদর্শন ভালো ছিল। একই দিন সুমন আনোয়ার পরিচালিত ‘লাইলি মজনুর ঈদ’ নাটকটি উপভোগ্য ছিল। ঈদের দ্বিতীয় দিন ন্যান্সি, পরের দিন সোলস ব্যান্ডের লাইভ গানের অনুষ্ঠান প্রাণবন্ত ছিল। স্বল্প পরিসরে হলেও দর্শক আকৃষ্ট করার চেষ্টা করে গেছে এই টেলিভিশন চ্যানেলটি।

একুশে টিভি : একুশে টিভিতে ৭ দিনের ঈদ অনুষ্ঠান প্রচার হয়েছে। শিশুদের জন্যও অনুষ্ঠান প্রচার করেছে এই চ্যানেলটি। এ ছাড়া এ চ্যানেলে নাটক, টেলিফিল্মের পাশাপাশি অন্য অনুষ্ঠানগুলো দিয়েও দর্শক ধরে রাখার চেষ্টা করা হয়েছে।

ঈদের দিন মৌসুমীর এবং পরের দিন আরিফিন শুভর উপস্থাপনায় ‘আমার ছবি, আমার গান’ অনুষ্ঠানটি উপভোগ্য ছিল। ঈদ ধারাবাহিক নাটক ‘আমার বউ নায়িকা’ দর্শকের আকর্ষণের কেন্দ্রে ছিল। ঈদের দিন রাতে প্রচারিত লোকগানে ঈদ আনন্দ অনুষ্ঠানটির দর্শক ছিল অনেক। ‘আমার ছবি আমার গান’ অনুষ্ঠানটির মাধ্যমে দীর্ঘ সময় পর চিত্রনায়ক শাকিল খান আবারও দর্শকের সামনে আসেন। সাজিন আহমেদ বাবুর পরিচালনায় ঈদের ধারাবাহিক নাটক ‘সারপ্রাইজ’ আলোচনায় ছিল।

বৈশাখী টেলিভিশন : এই চ্যানেলটি ৭ দিনব্যাপী ঈদ অনুষ্ঠানমালা সাজিয়েছিল। ৭টি একক নাটক, ৪টি ঈদ ধারাবাহিক নাটক, ১৪টি ছায়াছবিসহ সঙ্গীতানুষ্ঠান ছিল এই টিভির পর্দায়। ঈদের দ্বিতীয় দিন অনন্য ইমনের পরিচালনায় ‘মায়া গাছ’ নাটকে সুমাইয়া শিমু ও রওনক হাসানের অভিনয় দর্শকের ভালো লেগেছে।

লিটু সোলায়মানের পরিচালনায় ‘বিয়া হইতে সাবধান’ কমেডি ধাঁচের এ নাটকটিও দর্শকপ্রিয়তা পেয়েছে। এ নাটকে হাসান জাহাঙ্গীর ও নাজিরা মৌয়ের অভিনয় উপভোগ করেছেন দর্শকরা। এই চ্যানেলে ঈদে প্রতিদিন বেলা ১১টায় প্রচারিত ‘সোনালি দিনের স্বর্ণালি গান’ সঙ্গীতানুষ্ঠানটি গানপ্রেমী দর্শক-শ্রোতাদের বিনোদিত করেছে। এ ছাড়া বেশ কিছু বিনোদনমূলক অনুষ্ঠান প্রচার করেছে এই টেলিভিশন চ্যানেল।

এসএ টেলিভিশন : ৬ দিনের ঈদের অনুষ্ঠানমালা সাজিয়েছিল এসএ টেলিভিশন। এর মধ্যে ছিল ছোটদের বিশেষ অনুষ্ঠান, বাংলা ছায়াছবি, টেলিফিল্ম, নাটক, সেলিব্রিটি গেম শো, ঈদ ধারাবাহিক নাটক, নৃত্যানুষ্ঠান ও বিশেষ সঙ্গীতানুষ্ঠান। সব কিছু মিলিয়ে চ্যানেলটি চেষ্টা করেছে দর্শককে আকৃষ্ট করতে।

 

 

আরও পড়ুন
  • সর্বশেষ
  • সর্বাধিক পঠিত
সব খবর

ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক : সাইফুল আলম, প্রকাশক : সালমা ইসলাম

প্রকাশক কর্তৃক ক-২৪৪ প্রগতি সরণি, কুড়িল (বিশ্বরোড), বারিধারা, ঢাকা-১২২৯ থেকে প্রকাশিত এবং যমুনা প্রিন্টিং এন্ড পাবলিশিং লিঃ থেকে মুদ্রিত।

পিএবিএক্স : ৯৮২৪০৫৪-৬১, রিপোর্টিং : ৯৮২৪০৭৩, বিজ্ঞাপন : ৯৮২৪০৬২, ফ্যাক্স : ৯৮২৪০৬৩, সার্কুলেশন : ৯৮২৪০৭২। ফ্যাক্স : ৯৮২৪০৬৬ 

E-mail: [email protected]

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত ২০০০-২০১৮

converter