যেমন ছিল এবারের ঈদের নাটক

  যুগান্তর ডেস্ক    ৩০ আগস্ট ২০১৮, ০০:০০ | প্রিন্ট সংস্করণ

যেমন ছিল এবারের ঈদের নাটক

বছর ঘুরে আবারও উদযাপিত হল খুশির ঈদ। নানা বিড়ম্বনার মাঝেও আনন্দের আয়োজন ছিল বিনোদন মিডিয়ায়। তবে টেলিভিশনে বিজ্ঞাপন যন্ত্রণা থাকা সত্ত্বেও দর্শকের নজরে এসেছে বেশ কিছু নাটক-টেলিফিল্ম। কে এগিয়ে, কে পিছিয়ে সেসব নিয়েই বিস্তারিত প্রতিবেদন তৈরি করেছেন সোহেল আহসান

বাংলাদেশ টেলিভিশন : রাষ্ট্রীয় মালিকানাধীন একমাত্র টেলিভিশন চ্যানেল এটি। ৫ দিনের অনুষ্ঠানমালা নিয়ে ঈদ আয়োজন সাজিয়েছে চ্যানেলটি। এবারের নাটক টেলিফিল্মগুলোতে আগের চেয়ে বৈচিত্র্য আনার চেষ্টা করা হয়েছে। বিশেষ করে ঈদের দিন প্রচারিত ‘নবাব সাহেবের চিকনগুনিয়া’ নাটকটি দর্শক আকৃষ্ট করতে সক্ষম হয়েছিল। পাশাপাশি আরও কয়েকটি নাটক ভালো ছিল।

তবে কিছু গতানুগতিক অনুষ্ঠানও দেখা গেছে এ চ্যানেলে। বিশেষ করে প্রায় সব অনুষ্ঠানের পরিকল্পক হিসেবে বিশেষ একজনের নামই বারবার দেখা গেছে। মনে হয়েছে বিটিভিতে আলাদা কোনো অনুষ্ঠান পরিকল্পক নেই। বিষয়টি নিয়ে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ নিশ্চয়ই ভাববেন। ঈদ আয়োজনের প্রতিদিনই এ চ্যানেলে গানের অনুষ্ঠানের আধিক্য দেখা গেছে। তবে সবমিলিয়ে এবারের আয়োজন ভালোই ছিল।

চ্যানেল আই : সাত দিনব্যাপী ঈদ আয়োজন প্রচার করেছে চ্যানেল আই। এতে ঈদের প্রতিদিনই প্রচারিত ফরিদুর রেজা সাগরের গল্প ছোট কাকু অবলম্বনে ‘কাকু যখন কুমিল্লায়’ নাটকটি দর্শকের কাছে সমাদৃত হয়েছে।

এ ছাড়া ভাই ব্রাদার এক্সপ্রেসের পরিচালনায় প্রচারিত ৮ নাটক নতুন মাত্রা যোগ করেছিল। এ প্রজেক্টের মাধ্যমে নির্মাতা মোস্তফা সরয়ার ফারুকী দীর্ঘ সময় পর নাটক নির্মাণ করেন।

এ চ্যানেলে ঈদের দ্বিতীয় দিন প্রচারিত চয়নিকা চৌধুরীর পরিচালনায় ‘গল্পটি হতেও পারত ভালোবাসার’, তৃতীয় দিন আরিফ রহমানের ‘হিটলারে মৃত্যু চাই’, ঈদের ৫ম দিন আরিফ খানের পরিচালনায় প্রচারিত টেলিফিল্ম ‘ভুলে ভরা গল্প’, ঈদের ষষ্ঠ দিন সাজ্জাদ সুমনের পরিচালনায় নাটক ‘কলুর বলদ-২’ বেশ প্রশংসা কুড়িয়েছে।

এটিএন বাংলা : ঈদের দিন থেকে ১০ দিন ঈদ আয়োজন ছিল এটিএন বাংলায়। এই চ্যানেলে নাটকের পাশাপাশি ভিন্নধর্মী বেশ কিছু অনুষ্ঠান প্রচার হয়েছে। ঈদের দিন রাতে প্রচার হয় হানিফ সংকেতের রচনা ও পরিচালনায় বিশেষ নাটক ‘বিশ্বাসের নিঃশ্বাস নাই’। নাটকটি দর্শক মহলে বেশ প্রশংসিত হয়। এ ছাড়া বেশ কিছু খণ্ড নাটক দর্শকের নজরে আসে।

তবে এ চ্যানেলে প্রচারিত বেশিরভাগ খণ্ড নাটকই গড়পড়তা ছিল। কয়েকটি কমেডি ধাঁচের ঈদ ধারাবাহিক নাটক প্রচার হয়। এগুলো হল ‘চুটকি ভাণ্ডার-৬’, ‘অতি ভক্তি চোরের লক্ষণ’, ‘সময়টা আমাদের’। তবে এই চ্যানেলে ছোটদের জন্য বেশ কিছু অনুষ্ঠান প্রচার করা হয়েছে। বাংলায় ডাবিং করে বিশ্বখ্যাত কয়েকটি ছবি প্রচার করেছে। যা প্রশংসিত হয়েছে। চ্যানেলটিতে প্রচারিত মাহফুজুর রহমানের সঙ্গীতানুষ্ঠান নিয়ে দর্শকদের মধ্যে আগ্রহ ছিল বেশ। অনুষ্ঠানটি নিয়ে সোশ্যাল মিডিয়ায় বেশ ট্রলও হয়েছে।

বাংলাভিশন : ৭ দিনের ঈদ অনুষ্ঠান ছিল বাংলাভিশনে। এ চ্যানেলের বেশিরভাগ নাটক-টেলিফিল্মই দর্শকের নজরে এসেছে। বিশেষ করে মাসুদ সেজানের পরিচালনায় ঈদ ধারাবাহিক ‘চরিত্র : স্ত্রী’ এবং সাগর জাহানের পরিচালনায় ‘ফ্যান্টাস্টিক ফ্যাটম্যান’ নাটক দুটি প্রশংসিত হয়েছে। এর পাশাপাশি সালাউদ্দিন লাভলুর পরিচালনায় ‘চিরকুমারের শপথ’ এবং আবু হায়াত মাহমুদের ‘পলিসি কাসেম’ নাটক দুটিও ভালো ছিল।

ঈদের ২য় দিন প্রচারিত ইমরাউল রাফাতের পরিচালনায় টেলিফিল্ম ‘গোপনে’, ঈদের চতুর্থ দিন প্রচারিত গোলাম সোহরাব দোদুলের ‘গল্লির মাস্টার মিয়া ভাই’, ঈদের ৫ম দিন অনিমেষ আইচের পরিচালনায় ‘ছায়াগাছ’ এবং ঈদের ষষ্ঠ দিন সুমন আনোয়ারের ‘জুনিয়র আর্টিস্ট লতিফ’ টেলিফিল্মগুলো বেশ দর্শক টেনেছে।

এ চ্যানেলে এক খণ্ডের নাটকগুলোও বিষয় বৈচিত্র্যে এগিয়ে ছিল। এসএ হক অলিকের পরিচালনায় নাটক ‘আহারে একটুসখানি প্রেম’, জাহিদ হাসানের ‘মি. জ্যাক্স রিটার্ন’, সাজ্জাদ সুমনের ‘মানিক চিপা’, সাগর জাহানের ‘কথা রেখেছিলাম’ নাটকগুলো ভালো লেগেছে দর্শকের। এ ছাড়া আইয়ুব বাচ্চুর অংশগ্রহণে ‘সাত সুরে বাঁধা’ গানের অনুষ্ঠানটি ছিল উপভোগ্য। অন্যদিকে ‘হৃদয়পুরের গান’ শিরোনামের অনুষ্ঠানটিও উপভোগ্য ছিল।

এনটিভি : ৭ দিনব্যাপী ঈদ অনুষ্ঠান প্রচার করেছে এনটিভি। নাটক টেলিফিল্মের পাশাপাশি এই টেলিভিশন চ্যানেলে শিশুতোষ অনুষ্ঠান প্রচারেও মনোযোগী দেখা গেছে। বিশেষ করে নাটক-টেলিফিল্মের গল্প নির্বাচনেও মুনশিয়ানার পরিচয় দিয়েছে এ চ্যানেলটি। ঈদের দিন সাগর জাহানের পরিচালনায় ‘মাধবীলতা’, ঈদের পরের দিন মোস্তফা কামাল রাজের ‘বীথির বানান ভুল’, হিমেল আশরাফের ‘ওগো বধূ সুন্দরী’, ৩য় দিন আরিফ খানের পরিচালনায় ‘যাত্রাপথের গল্প’ নাটক প্রচার হয়। বিশেষ করে ‘যাত্রাপথের গল্প’ নাটকের মাধ্যমে শমী কায়সার অনেকদিন পর অভিনয়ে ফিরেছেন।

এতে তার সাবলীল অভিনয় দর্শকের মনোযোগ আকর্ষণ করে। ঈদের সপ্তম দিন চয়নিকা চৌধুরী পরিচালনায় ‘চাঁদের আলো’ টেলিফিল্মটিও দর্শকের নজর কেড়েছে। অন্যদিকে নৃত্যানুষ্ঠান, গানের অনুষ্ঠান, সেলিব্রেটি আড্ডানুষ্ঠান নিয়ে ভালোভাবেই ঈদ আয়োজন সম্পন্ন করেছে এই টেলিভিশন চ্যানেলটি।

আরটিভি : আট দিন একটানা ঈদের অনুষ্ঠান প্রচার করেছে বেসরকারি টেলিভিশন চ্যানেল আরটিভি। নাটক-টেলিফিল্ম প্রচারের ক্ষেত্রে বেশ দক্ষতার পরিচয় দিয়েছে চ্যানেলটি। এ চ্যানেল জনপ্রিয় অভিনেতা মোশাররফ করিম অভিনীত ৭টি নাটক নিয়ে ‘মোশাররফ উৎসব’ আয়োজন করে। যেগুলো ঈদের দিন থেকে ঈদের সপ্তম দিন পর্যন্ত প্রচার হয়।

এ ছাড়া মিলন ভট্টাচার্য, সাফায়েত মনসুর রানা, সাগর জাহানের ঈদ ধারাবাহিক নাটকগুলো দর্শকের ভালো লেগেছে। ঈদের দ্বিতীয় দিন প্রচারিত মাবরুর রশীদ বান্নাহর ‘কতদিন পরে দেখা হল’ নাটকটিতে অপূর্বর অভিনয় প্রশংসিত হয়েছে। ঈদের ৫ম দিন সাগর জাহানের পরিচালনায় প্রচারিত নাটক ‘মাখন মিয়ার শিক্ষিত বউটা’ নাটকে জাহিদ হাসান ও তিশার অভিনয়শৈলী চোখে পড়েছে দর্শকের।

ঈদের চতুর্থ দিন মীর সাব্বিরের রচনা ও পরিচালনায় ‘মকবুল এখন’ নাটকটিতে নাম ভূমিকায় মীর সাব্বিরের অভিনয় প্রশংসিত হয়েছে। এ ছাড়া ঈদকেন্দ্রিক অনুষ্ঠানগুলোয়ও চমক ছিল। নিরব, আইরিন, হিমিকে নিয়ে ‘ফেইম অ্যান্ড গেইম’, মেহজাবিন, তানজিন তিশা, সাবিলা নূর, সাফা কবির ও টয়াকে নিয়ে বিশেষ নৃত্যানুষ্ঠান ‘ড্যান্স ইউনিভার্স’ এবং কমেডি অনুষ্ঠান ‘ফান ডট কম কম’ অনুষ্ঠানগুলো দর্শককে বিনোদিত করেছে।

বৈশাখী টেলিভিশন : ৭ দিনব্যাপী অনুষ্ঠান প্রচার করেছে বৈশাখী টেলিভিশন। নাটকের পাশাপাশি বেশ কিছু বৈচিত্র্যপূর্ণ অনুষ্ঠান প্রচার করেছে চ্যানেলটি। ঈদ ধারাবাহিক নাটক ‘কিপ্টা দুলা ভাই’, ‘ব্রেক ফেইল-৪’, ‘কিড সোলায়মান-২’, ‘লাল দালান’ এবং ‘বউয়ের দোয়া পরিবহন’ নাটকগুলো দর্শকের নজরে এসেছে। এ ছাড়া ঈদকেন্দ্রিক গানের অনুষ্ঠানগুলো উপভোগ্য ছিল। ঈদের এক খণ্ডের নাটকগুলোতেও বৈচিত্র্য দেয়ার চেষ্টা করা হয়েছে।

দেশ টিভি : এই চ্যানেলে ঈদের আয়োজন ছিল সাত দিনের। নাটকই ছিল এই চ্যানেলের ঈদের প্রধান আকর্ষণ। প্রতিদিনই একটি করে বাংলা ছবি প্রচার করেছে চ্যানেলটি। লাইভ গানের অনুষ্ঠান ছিল প্রতিদিনই। বামবার আয়োজনে ব্যান্ড সঙ্গীতের অনুষ্ঠান ছিল উপভোগ্য। ঈদ ধারাবাহিকের পাশাপাশি প্রতিদিনই নাটক প্রচার করেছে এ চ্যানেলটি। বিশেষ করে লাইভ গানের অনুষ্ঠানগুলোয় দর্শকের চোখ ছিল বেশি।

একুশে টেলিভিশন : এই চ্যানেলে ৭ দিনব্যাপী ঈদ অনুষ্ঠান প্রচার হয়েছে। নাটক টেলিফিল্মের পাশাপাশি বেশ কিছু সেলিব্রেটি শো দর্শকের কাছে সাড়া জাগিয়েছে। ঈদের বিশেষ ধারাবাহিক নাটক ‘দারোগা সাহেবের বিষয় কি’ নাটকটিতে জাহিদ হাসানের সাবলীল অভিনয় দর্শকের ভালো লেগেছে। এ ছাড়া ‘চাঁদের দাদা’, ‘দাদা গাইড লাগবে’ ধারাবাহিক দুটিও কিছুটা আলোচনায় ছিল।

ভারতের শিল্পী আলিফ লায়লার পরিবেশনায় গজল গানের অনুষ্ঠানটি প্রশংসিত হয়েছে। সেলিব্রেটি শো ‘তারকার হাট’ অনুষ্ঠানটির সঙ্গে প্রতিদিন লাইভ গানের অনুষ্ঠান দর্শকের বিনোদনের ক্ষুধা মিটিয়েছে। ঈদের চতুর্থ দিন মাহমুদ দিদারের পরিচালনায় ‘সিনেমা সিনেমা খেলা’ নাটকটি প্রশংসা কুড়িয়েছে।

গাজী টিভি : ৭ দিন ঈদের বিশেষ অনুষ্ঠান প্রচার করেছে গাজী টেলিভিশন। প্রতিদিনই এই চ্যানেলে বাংলা সিনেমা প্রচার করা হয়েছে। কয়েকটি সেলিব্রেটি শোয়ের পাশাপাশি গেম শোও প্রচার হয়েছে এখানে।

ঈদের দিন চয়নিকা চৌধুরীর পরিচালনায় ‘তোমার আমার কথা’ নাটকটিতে সুবর্ণা মুস্তাফার অভিনয় ছিল চোখে পড়ার মতো। এ চ্যানেলে বিভিন্ন অঞ্চলের আঞ্চলিক ভাষার নাটক প্রচার হয়েছে। যা ছিল উপভোগ্য। নাটকগুলো পরিচালনা করেছেন মীর সাব্বির, দীপু হাজরা, অরন্য আনোয়ার, শামীম জামান, দেবাশীষ বড়ুয়া দীপ, কচি খন্দকার ও হাসান শিকদার। এ ছাড়া প্রতি রাতে সরাসরি প্রচারিত গানের অনুষ্ঠানে দর্শকের অংশগ্রহণ ছিল বেশি।

দীপ্ত টিভি : ৫ দিনের ঈদ অনুষ্ঠান প্রচার করেছে দীপ্ত টিভি। বাংলা ছায়াছবির পাশাপাশি এই চ্যানেলটিতে প্রতিদিনই একাধিক নাটক প্রচার হয়েছে। ‘উল্টো দেশে উল্টো বেশে’ শিরোনামের একটি ঈদ ধারাবাহিক নাটক প্রচার হয়েছে এতে। তবে তেমন কোনো সেলিব্রেটি অনুষ্ঠান প্রচার করেনি এ চ্যানেলটি।

এসএ টিভি : ৬ দিনের ঈদ আয়োজন ছিল এই চ্যানেলে। নৃত্যানুষ্ঠান, টকশো ও সঙ্গীতানুষ্ঠানের পাশাপাশি অ্যাডভেঞ্চার অনুষ্ঠানও প্রচার করেছে চ্যানেলটি। ‘নেয়ামত সাহেবের নতুন বউ’ ও ‘ক্রসকানেকশন’ শিরোনামের দুটি ঈদ ধারাবাহিক প্রচার করেছে। তবে অনুষ্ঠান প্রচারের প্রতিযোগিতায় খুব বেশি আলোচনায় আসতে পারেনি এই টেলিভিশন চ্যানেল।

নাগরিক টিভি : এই চ্যানেলে ঈদ আয়োজন ছিল ৭ দিন। প্রয়াত চিত্রনায়ক সালমান শাহ অভিনীত ছবি নিয়ে ‘সালমান শাহ উৎসব’ প্রচার হয় এই চ্যানেলের। আয়োজনটির প্রশংসা করেছে অনেকেই। হলিউডের বিখ্যাত ছবি বাংলায় ডাবিং করে প্রচার করা হয়েছে। এ ছাড়া বেশ কিছু নাটক টেলিফিল্মের পাশাপাশি গানের অনুষ্ঠানের মাধ্যমে দর্শক ধরে রাখার চেষ্টা করেছে নতুন এই টেলিভিশন চ্যানেল।

 

 

আরও পড়ুন
  • সর্বশেষ
  • সর্বাধিক পঠিত
সব খবর

ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক : সাইফুল আলম, প্রকাশক : সালমা ইসলাম

প্রকাশক কর্তৃক ক-২৪৪ প্রগতি সরণি, কুড়িল (বিশ্বরোড), বারিধারা, ঢাকা-১২২৯ থেকে প্রকাশিত এবং যমুনা প্রিন্টিং এন্ড পাবলিশিং লিঃ থেকে মুদ্রিত।

পিএবিএক্স : ৯৮২৪০৫৪-৬১, রিপোর্টিং : ৯৮২৪০৭৩, বিজ্ঞাপন : ৯৮২৪০৬২, ফ্যাক্স : ৯৮২৪০৬৩, সার্কুলেশন : ৯৮২৪০৭২। ফ্যাক্স : ৯৮২৪০৬৬ 

E-mail: [email protected]

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত ২০০০-২০১৮

converter