সাক্ষাৎকার

কলকাতার ছবিতে অভিনয়ের প্রস্তাব পেয়েছি

  যুগান্তর ডেস্ক    ০৬ সেপ্টেম্বর ২০১৮, ০০:০০ | প্রিন্ট সংস্করণ

কলকাতার ছবিতে অভিনয়ের প্রস্তাব পেয়েছি
অভিনেতা আবদুন নূর সজল

ভিন্ন ভিন্ন চরিত্রে অভিনয় করে দর্শকদের হৃদয়ে জায়গা করে নিয়েছেন অভিনেতা আবদুন নূর সজল। গেল কোরবানি ঈদে দেড় ডজনেরও বেশি নাটকে অভিনয় করেছেন তিনি।

নাটকগুলো প্রচারের পর দর্শক সাড়াও পেয়েছেন বেশ। ঈদের পর দিনদুয়েক বিশ্রাম নিয়ে আবারও টানা শুটিং শুরু করেছেন। বর্তমান ব্যস্ততা ও সমসাময়িক প্রসঙ্গ নিয়ে কথা হয়েছে যুগান্তরের সঙ্গে। সাক্ষাৎকার নিয়েছেন সোহেল আহসান

যুগান্তর: গত ঈদে আপনার অভিনীত একাধিক নাটক টিভিতে প্রচার হয়েছে। কেমন সাড়া পেয়েছেন?

সজল: বরাবরের মতোই অনেক বেশি সাড়া পেয়েছি। এবার ঈদে বিভিন্ন ধরনের গল্পের নাটকে অভিনয় করেছি। নাটক-টেলিফিল্মগুলোর গল্পেও ভিন্নতা ছিল। আমার কাজগুলোর পাশাপাশি অন্যদের কাজও টিভিতে দেখেছি।

যুগান্তর: ঈদের পর তো আবার কাজ শুরু করেছেন। এই নাটকগুলোর গল্প কেমন?

সজল: বরাবরই গল্প ভালো না লাগলে কাজ করা হয় না। চরিত্রের চেয়েও গল্প দেখি বেশি। এখন কাজের সংখ্যাও কমিয়ে দিয়েছি। যেটা ভালো লাগে শুধু সেটাই করছি।

যুগান্তর: এখন বেশিরভাগ নাটকের গল্পই একরকম। এসব গল্পে কাজ করতে গেলে কি একঘেয়েমি আসে?

সজল: এক সময় খুব বেশি এক রকমের নাটক দেখা যেত। তবে গত কয়েক বছর ধরে অনেক রকমের বৈচিত্র্যপূর্ণ নাটকের গল্প দেখা যাচ্ছে। এখন যদি এক ধরনের গল্পের নাটক দর্শকরা পছন্দ করেন, তাহলে সেই ধরনের গল্প নিয়ে বারবার নাটক তৈরি করার প্রবণতা দেখা যায়। আমার মনে হয় এটা থেকে নির্মাতাদের বের হয়ে আসা উচিত।

যুগান্তর: আপনাকে ধারাবাহিক নাটকে দেখাই যায় না...

সজল: ধারাবাহিক নাটকে অভিনয় করি না। এ ধরনের নাটকে অভিনয়ের জন্য মনোযোগ দিতে পারি না। সময়ের হেরফের হয়। অনেক সময় দেখা যায় ধারাবাহিক তার ধারাবাহিকতাও হারিয়ে ফেলে। তাই কাজ করি না। খণ্ড নাটকে অভিনয় করেই আনন্দ পাই।

যুগান্তর: যে পরিমাণ নাটক নির্মিত হচ্ছে দর্শক কতটা গ্রহণ করছে বলে মনে করেন?

সজল: গ্রহণযোগ্যতার জায়গাটা ঠিকই আছে। আসল কথা হচ্ছে, নাটক দর্শক দেখছে বলেই পরিচালকরা নাটক নির্মাণ করছেন। তাছাড়া বর্তমানে নাটকের দর্শক টিভি থেকে ইউটিউবের দিকে ঝুঁকছেন। সেখানে কিন্তু তারা ঠিকই নাটক দেখছেন।

যুগান্তর: নতুন তো অনেকেই কাজ করছেন। তাদের সঙ্গে কাজ করতে গিয়ে কি কোনো চ্যালেঞ্জ অনুভব করেন?

সজল: আমি বলব এখন কাজের পরিধি বড়, জায়গা বেশি। এজন্য আরও অনেক নতুন মুখ আসা উচিত। এতে করে কাজেরও সুষম বণ্টন হয়। আমি ১০ বছর আগে যে চরিত্রটিতে অভিনয় করেছি, সেটা নিশ্চয়ই এখন করতে ভালো লাগবে না। গল্প অনুযায়ী আরও অনেক নতুন অভিনয়শিল্পীর অভিনয়ে আসা উচিত।

যুগান্তর: অভিনয় নিয়ে আপনি কি কোনো পরিকল্পনা করে কাজ করেন?

সজল: আমার আসলে কোনো পরিকল্পনা নেই। আগামী এক সপ্তাহ কিংবা ১০ দিন কী করব সেটাই ভাবি। সেই ভাবনা অনুযায়ী সিরিয়াসলি কাজ করি। পাশাপাশি এটাও বলব, আমি প্রফেশনালি কাজ করলেও সেটা পুরো বছরব্যাপী নয়। বিভিন্ন উৎসবকেন্দ্রিক কাজ করি মূলত।

যুগান্তর: উপস্থাপনাও করেছেন ক্যারিয়ারের শুরুর দিকে। এ নিয়ে নতুন কোনো ভাবনা আছে?

সজল: সময়ের অভাবেই আসলে উপস্থাপনা করা হচ্ছে না। দুই বছর আগে ঈদের ‘আনন্দমেলা’ উপস্থাপনা করেছিলাম। এই রকম উৎসবকেন্দ্রিক কোনো উপস্থাপনার কাজ আসলে সেটা করার ইচ্ছা আছে।

যুগান্তর: ‘হারজিৎ’ শিরোনামের একটি সিনেমায় অভিনয় করছেন। এর অগ্রগতি কী?

সজল: বদিউল আলম খোকন পরিচালিত এই ছবির আর মাত্র একটি গানের কাজ বাকি আছে। এটির শুটিং শেষ হলেই মুক্তির মিছিলে আসবে। এতে আমার সহশিল্পী মাহিয়া মাহি। এছাড়া কলকাতার একটি ছবিতে অভিনয়ের প্রস্তাব পেয়েছি। যদি সব কিছু ঠিক থাকে, তাহলে শিগগিরই আনুষ্ঠানিকভাবে সবাইকে জানাব।

যুগান্তর: সমসাময়িক অনেকেই সংসার জীবনে প্রবেশ করেছেন। আপনি কবে সংসারী হচ্ছেন?

সজল: আমিও এটা নিয়ে ভাবছি। জীবনের এই নতুন অধ্যায়ে প্রবেশ করার জন্য আমিও প্রস্তুতি নিচ্ছি। লুকিয়ে এই কাজটি করার ইচ্ছা নাই। সবাইকে জানিয়েই শুভ কাজটি সম্পন্ন করতে চাই।

 

 

আরও পড়ুন
  • সর্বশেষ
  • সর্বাধিক পঠিত
সব খবর

ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক : সাইফুল আলম, প্রকাশক : সালমা ইসলাম

প্রকাশক কর্তৃক ক-২৪৪ প্রগতি সরণি, কুড়িল (বিশ্বরোড), বারিধারা, ঢাকা-১২২৯ থেকে প্রকাশিত এবং যমুনা প্রিন্টিং এন্ড পাবলিশিং লিঃ থেকে মুদ্রিত।

পিএবিএক্স : ৯৮২৪০৫৪-৬১, রিপোর্টিং : ৯৮২৪০৭৩, বিজ্ঞাপন : ৯৮২৪০৬২, ফ্যাক্স : ৯৮২৪০৬৩, সার্কুলেশন : ৯৮২৪০৭২। ফ্যাক্স : ৯৮২৪০৬৬ 

E-mail: [email protected]

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত ২০০০-২০১৮

converter
.