রফতানির নগদ সহায়তা আটকা পড়েছে বাকির খাতায়

রফতানি চালানের আবেদন নিষ্পত্তিতেই পার দুই বছর * ক্ষুব্ধ শিল্পোদ্যোক্তারা চান নির্ধারিত সময়ে দ্রুত সমাধান

  শাহ আলম খান ০৭ নভেম্বর ২০১৮, ০০:০০ | প্রিন্ট সংস্করণ

রফতানির নগদ সহায়তা আটকা পড়েছে বাকির খাতায়
প্রতীকী ছবি

নগদ সহায়তা রীতিমতো বাকিতে রূপ নিয়েছে। শুধু আমলাতান্ত্রিক জটিলতার মারপ্যাঁচে এ সহায়তা এখন রফতানিকারকদের নানাভাবে হয়রানির জাঁতাকলে ফেলে দিচ্ছে। উদ্দেশ্য ছিল, রফতানি খাতে নগদ সহায়তা দিয়ে দেশের রফতানিমুখী শিল্প খাতের গতি ত্বরান্বিত করা। কিন্তু যা হচ্ছে, তা অনেক ক্ষেত্রে সম্পূর্ণ বিপরীত।

সব শর্ত পূরণ করে প্রয়োজনীয় কাগজপত্র জমা দেয়ার পরও মাস নয়, ঘুরতে ঘুরতে দুই বছর পার করে দেয়া হচ্ছে। আবার প্রয়োজনীয় তহবিল না থাকার অজুহাত তো আছেই। সবমিলিয়ে ভুক্তভোগীরা এখন চরম ক্ষুব্ধ ও বিরক্ত। তারা এর সমাধান চান। অনেকে ক্ষোভ প্রকাশ করে এও বলেছেন, এটি এখন কাগুজে সহায়তায় পরিণত হয়েছে, যা রাজনৈতিক ফায়দা নেয়া ছাড়া আর কিছু নয়।

অথচ ১৫ বছর আগে সরকারি চাকরি থেকে বিদায় ও পেনশন নিয়ে গেলেও তাদের জন্য নতুন করে পেনশন সুবিধা নিশ্চিত করা হয়েছে। এভাবে তাদের সুযোগ-সুবিধার ছড়াছাড়ি অবস্থা। প্রশ্ন হল- তাহলে শিল্পপতিদের কী অপরাধ। তাদের জন্য বরাদ্দ দেয়া সামান্য এ সুবিধা পেতে এত বিলম্ব ও হয়রানি কেন?

তারা মনে করেন, সরকারের নীতিনির্ধারক মহলের উচিত হবে, সত্যিকারার্থে রফতানি খাতের মঙ্গল চাইলে আন্তরিকভাবে এগিয়ে আসা। গ্রহণযোগ্য সময়ের মধ্যে এই সহায়তা প্রাপ্তি নিশ্চিত করতে একটি সময়সীমা বেঁধে দিতে হবে।

ভুক্তভোগী উদ্যোক্তাদের কয়েকজন যুগান্তরকে জানান, চীনে বস্ত্র ও পোশাক খাতে নগদ সহায়তা দেয়া হচ্ছে ১৫-২০ শতাংশ হারে। সেটি রফতানি প্রক্রিয়া সম্পন্ন হওয়ার ১৫ দিন থেকে এক মাসের মধ্যেই তারা পেয়ে যাচ্ছেন। ব্যতিক্রম শুধু বাংলাদেশে। এখানে নগদ সহায়তার হার মাত্র ৩-৪ শতাংশের মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকলেও এটুকু পেতেই পেরিয়ে যাচ্ছে লম্বা একটা সময়।

আবার ভারতের উদ্যোক্তারা আমদানির সময় ডিউটি ড্র ব্যাকের মাধ্যমে রফতানিতে পাওয়া নগদ সহায়তা অর্থ পরিশোধ করে নেয়ার সুযোগ পাচ্ছেন। কিন্তু বাংলাদেশে নেই এ পদ্ধতি।

অন্যদিকে সরকার এ বিকল্প সহায়তা চালু করলেও রফতানি প্রক্রিয়া শেষে উদ্যোক্তার সংশ্লিষ্ট ব্যাংক অ্যাকাউন্টে তা কত সময়ের মধ্যে জমা হবে, সে বিষয় সুনির্দিষ্ট করা হয়নি। এ কারণে প্রতি রফতানি চালানের বিপরীতে নগদ সহায়তার একটি আবেদন বিভিন্ন দফতর হয়ে নিষ্পত্তি হতে লেগে যাচ্ছে দুই থেকে আড়াই বছর। অথচ বাধ্যবাধকতা জুড়ে দেয়া হয়েছে সর্বোচ্চ ৬ মাসের নগদ সহায়তা চেয়ে আবেদন জমা দেয়ার জন্য। এ প্রক্রিয়ায় আবেদন করলেও তা সময়মতো হাতে পাওয়া হয়ে উঠছে না- এমন অভিযোগ উদ্যোক্তাদের অহরহ। তারা বলছেন, সবকিছু ঠিক থাকার পরও তাদের দীর্ঘসূত্রতার মুখে পড়তে হচ্ছে এই অর্থ পেতে। আবার পেতে গিয়েও পদে পদে চরম হয়রানি তো আছেই।

এ প্রসঙ্গে জানতে চাইলে বাংলাদেশ ব্যাংকের নির্বাহী পরিচালক ও মুখপাত্র মো. সিরাজুল ইসলাম যুগান্তরকে বলেন, প্রতিবছর নির্ধারিত একটি অঙ্কের বাজেট দেয় সরকার। সেখান থেকে রফতানির বিপরীতে নগদ সহায়তা প্রদান করা হয়। যদি বাজেট ফুরিয়ে যায়, তখন কিছু পেন্ডিং থাকে। সেটা আবার নতুন বাজেট এলে সমন্বয় করা হয়।

সংশ্লিষ্ট উদ্যোক্তারাও এর জন্য সরকারি বাজেট ব্যবস্থাপনায় নগদ সহায়তার বিপরীতে প্রয়োজনীয় অর্থছাড়ের অপর্যাপ্ততাকে দায়ী করেছেন। তারা বলছেন, সরকার একদিকে নগদ সহায়তার ক্ষেত্র সম্প্রসারিত করছে, অন্যদিকে অর্থছাড় করার ক্ষেত্রে প্রয়োজনীয় অর্থের বরাদ্দ ঠিকঠাকভাবে রাখছে না। আবার বরাদ্দকৃত অর্থ যখন ছাড় করা হচ্ছে, তখন একটি নির্দিষ্ট সময়ে জমা পড়া সব আবেদনের নিষ্পত্তি করা হচ্ছে না। ফলে নগদ সহায়তার অর্থ কেউ পাচ্ছে, কেউ পাচ্ছে না।

সংশ্লিষ্টরা দাবি করেন, ছাড়ের ক্ষেত্রে এ দ্বৈত ব্যবস্থা একদিকে দুর্নীতির বিস্তর সুযোগ তৈরি করছে, অন্যদিকে এককেন্দ্রিক আমলাতন্ত্রের হয়রানিও চরমভাবে বাড়ছে। এক্ষেত্রে যারা বাধ্য হয়ে গোপনে ঘুষ-কমিশন দিয়ে লিয়াজোঁ করতে পারছে, তাদের আবেদনই আগে বিবেচনা করা হচ্ছে। ফলে নগদ সহায়তার এই অর্থ কোনো উদ্যোক্তার সক্ষমতা বাড়াতে কার্যকর ভূমিকা রাখছে না।

তাদের মতে, নগদ সহায়তার অর্থছাড়ে সরকারের আন্তরিকতার ঘাটতি পরিলক্ষিত হচ্ছে, যখন সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের সরকার দুই হাতে ঠিকই খুশি করে চলেছে। এ লক্ষ্যে সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের বেতন-ভাতা দ্বিগুণ করা হয়েছে। আবার ১৫ বছর আগে ২০ হাজার সরকারি চাকরিজীবী সব সুযোগ-সুবিধা নিয়ে পেনশনে যাওয়া সত্ত্বেও তাদের নতুন করে পেনশন দেয়ার উদ্যোগ নেয়া হয়েছে। অন্যদিকে শিক্ষক কর্মচারীদের বকেয়া পেনশনের টাকাও পরিশোধ করা হয়েছে। সে সময়েও সরকার দেশের অর্থনীতির কারিগর শিল্পোদ্যোক্তাদের জন্য নগদ সহায়তার অর্থছাড়ে কার্পণ্য দেখাচ্ছে। এ পরিস্থিতিতে রফতানিতে সার্বিক নগদ সহায়তার চিত্রটি বাস্তবিক অর্থে সরকারের একটি রাজনৈতিক বক্তব্যে পরিণত হয়েছে বলেই তারা মনে করছেন।

এ প্রসঙ্গে তুসুকা ফ্যাশন লিমিটেডের চেয়ারম্যান আরশাদ জামাল দিপু বলেন, বাংলাদেশের প্রেক্ষাপটে এটি নতুন কোনো ঘটনা না হলেও নগদ সহায়তা ছাড়ের বর্তমান পরিস্থিতি ও দীর্ঘসূত্রতা অতি বাড়াবাড়ি পর্যায়ে চলে গেছে। এ টাকা পেতে হলে অনেক মধ্যস্থতাকারীর মুখোমুখি হতে হয়। যেখানে অনেক যন্ত্রণার বিষয় থাকে। সব ভুক্তভোগীই এ বাস্তবতার কথা বলতে পারবেন। কেন এই দীর্ঘসূত্রতা- এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, সরকারের নগদ অর্থ ব্যবস্থাপনার অপ্রতুলতা আর জটিলতাই দায়ী। প্রসঙ্গ টেনে তিনি বলেন, সরকারের না হয় নগদ অর্থের সংকট আছে, এক্ষেত্রে সহায়তার এই অর্থটি ডিউটি ড্র ব্যাক পদ্ধতির মাধ্যমেও পুষিয়ে দেয়া যায়। কিন্তু সেটিও নেই বাংলাদেশে। ফলে যা হওয়ার তা হচ্ছে।

জানা গেছে, বর্তমানে দেশীয় সুতা ব্যবহার করে তৈরিপণ্য রফতানির ওপর, ক্ষুদ্র ও মাঝারি শিল্পের ক্ষেত্রে যার বাৎসরিক লেনদেন সাড়ে তিন মিলিয়ন ডলার, সেক্ষেত্রে ৪ শতাংশ হারে নগদ সহায়তা দেয়া হচ্ছে। এছাড়া প্রচলিত বাজারের বাইরে নতুন বাজারে পণ্য রফতানির ক্ষেত্রেও ৩ শতাংশ নগদ সহায়তা প্রদানের রীতি রয়েছে। আর প্রচলিত বাজার ইইউ এবং আমেরিকায় রফতানির ক্ষেত্রে দেয়া হয় ২ শতাংশ নগদ সহায়তা। বর্তমান সরকারের আমলেই ১৯৯৭ সালে ২৫ শতাংশ দিয়ে এই নগদ সহায়তা শুরু হয়েছিল। ফলে এরই মধ্যে বাংলাদেশের রফতানিমুখী পোশাক খাতের বিশেষ করে বস্ত্র ও নিটওয়্যার সেক্টরের একটি শক্তিশালী পশ্চাৎ সংযোগ শিল্প গড়ে উঠেছে। দেশেই তৈরি হচ্ছে বিশ্বমানের সুতাসহ আনুষঙ্গিক উপকরণ। কিন্তু বিভিন্ন সময়ে জারীকৃত নগদ সহায়তা সংক্রান্ত সার্কুলারগুলোর অস্পষ্টতা ও সমন্বয়হীনতায় রফতানিকারকদের ধৈর্যের সীমা ছাড়িয়েছে। কারণ নগদ সহায়তা ছাড়ে সংশ্লিষ্ট ব্যাংক, অডিট ফার্ম, বাংলাদেশ ব্যাংকের অডিট, স্থানীয় ও রাজস্ব অডিট অধিদফতর ইত্যাদি প্রতিষ্ঠানগুলোর সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা এ সংক্রান্ত সার্কুলার নিজেদের মতো করে বিভিন্ন সময়ে বিভিন্ন ধরনের ব্যাখ্যা বা অপব্যাখ্যা প্রদান করছে। এতে নানাবিধ জটিলতার সৃষ্টি হচ্ছে। ফলে রফতানিকারকরা নগদ সহায়তা পেতে বিড়ম্বনা ও হয়রানির শিকার হচ্ছেন। কোনো কোনো ক্ষেত্রে ন্যায্য পাওনা থেকেও বঞ্চিত হচ্ছেন। এতে পুরো কারখানার পুঁজি এবং উৎপাদন প্রক্রিয়ার ওপর একটি নেতিবাচক প্রভাব পড়ছে।

এ প্রসঙ্গে জানতে চাইলে বাংলাদেশ নিটওয়্যার ম্যানুফ্যাকচারার্স অ্যান্ড এক্সপোর্টার্স অ্যাসোসিয়েশনের সাবেক ঊর্ধ্বতন সহসভাপতি মোহাম্মদ হাতেম যুগান্তরকে বলেন, পোশাক শিল্পোদ্যোক্তাদের নগদ সহায়তা প্রাপ্তির অভিজ্ঞতা মোটেও ভালো নয়। সরকার রফতানিকারকদের উৎসাহিত করতে এ প্রণোদনা দিয়ে এলেও তা ছাড় ও বাস্তবায়ন পর্যায়ে বহুমাত্রিক আমলাতন্ত্র এবং দুর্নীতি ও হয়রানির কারণে নগদ সহায়তা চেয়ে আবেদন করার আগেও বেশ ভাবতে হয়। তিনি বলেন, এর অর্থছাড়ে প্রতিটি উইন্ডোতে হয়রানি এবং দুর্নীতি আছে। এর সঙ্গে যারা আপস করতে পারেন তাদের আবেদন যাই-ই থাক, তা দ্রুত মঞ্জুর হয়। অন্যথায় বাংলাদেশ প্রেক্ষাপটে যা হওয়ার তা-ই হচ্ছে।

তিক্ত অভিজ্ঞতার কথা জানিয়ে মোহাম্মদ হাতেম বলেন, রফতানি বাড়ানোর উদ্দেশ্যেই আমরা নগদ সহায়তা চাই। একই সঙ্গে চাই তা ছাড় করার ক্ষেত্রে দুর্নীতি ও হয়রানির যেসব ফাঁকফোকর রয়েছে, তা দ্রুত কাটিয়ে উঠুক। নইলে নগদ সহায়তা বন্ধ করে দেয়া হোক।

বাংলাদেশ রফতানিকারক সমিতির (ইএবি) সভাপতি আবদুস সালাম মুর্শেদী যুগান্তরকে বলেন, উদ্যোক্তাদের সক্ষমতা বাড়াতেই সরকার নগদ সহায়তা দিচ্ছে। আর যেহেতু এটা দিচ্ছেই, তা প্রদানের প্রক্রিয়ায় যাতে কোনোরকম কালক্ষেপণ করা না হয়, সে দাবি আমরা বরাবরই বিভিন্ন মাধ্যমে জানিয়ে আসছি। তাছাড়া নগদ সহায়তার বিষয়টি লুকোচুরির কিছু নেই। এর জন্য রফতানিকারকের সব তথ্যই অথরাইজড ডিলার ব্যাংক এবং কেন্দ্রীয় ব্যাংকের কাছে থাকে। সেক্ষত্রে অডিটে এটা-ওটা চেয়ে কালক্ষেপণ একেবারেই অযৌক্তিক। তিনি বলেন, যে অর্থ দেয়া হয় তা যদি উদ্যোক্তার কাজেই না লাগে তাহলে দিয়েইবা লাভ কী?

তৈরি পোশাক শিল্প মালিকদের সংগঠন বিজিএমইএ’র সহসভাপতি (অর্থ) মোহাম্মদ নাছির জানান, রফতানি বাড়াতে নগদ সহায়তা প্রদানের সিদ্ধান্ত অবশ্যই ভালো দিক। এর সুফলও পেয়েছে দেশ। শুধু নগদ সহায়তার ওপর ভর করেই দেশের ৪ বিলিয়ন মার্কিন ডলার মূল্যের পোশাক রফতানি বেড়েছে। ভবিষ্যতে এটা আরও বাড়বে যদি তা রফতানিকারকের অনুকূলে ছাড়করণের ক্ষেত্রে বিদ্যমান জটিলতা ও হয়রানি দূর করা হয়। সবার ক্ষেত্রে এটি প্রযোজ্য না হলেও অনেকের ক্ষেত্রেই তা বাস্তবতা। সংশ্লিষ্টদের বিষয়টি অনুধাবন করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেয়ার দাবি জানান তিনি।

রোজান সুয়েটার লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক সাব্বির মোস্তফা যুগান্তরকে জানান, নগদ সহায়তা অব্যাহত রাখার ঘোষণা দিলেও তার বিপরীতে ছাড় করার জন্য প্রয়োজনীয় অর্থ বাজেট রাখা হচ্ছে না। আবার যে টাকা রাখা হচ্ছে, তা যথাসময়ে ছাড় করার উদ্যোগ নেয়া হচ্ছে না। এ থেকেই তৈরি হচ্ছে যত সমস্যা। সুযোগ নিচ্ছে মধ্যস্থতাকারীরা। তিনি নিজের ব্যবসার তিক্ত অভিজ্ঞতার কথা তুলে ধরে বলেন, সহজে এ অর্থ পাওয়া যায় না। খুব দ্রুত পেলেও সেটা কমপক্ষে এক বছর লেগে যায়। তার জন্য বিশেষ তদবির বা সুপারিশ লাগে। আবার স্বাভাবিক প্রক্রিয়ায় এ অর্থ পাওয়ার নির্ধারিত কোনো দিনক্ষণ রাখা হয়নি। এভাবে নগদ সহায়তা পেতে গিয়ে এর পেছনে যে সময় এবং অর্থ ব্যয় হয়, তা শেষ পর্যন্ত পাওয়া-না পাওয়ার সমান হয়ে যাচ্ছে। এর থেকে উদ্যোক্তা কোনো উপকৃত হচ্ছেন না।

  • সর্বশেষ
  • সর্বাধিক পঠিত
সব খবর

ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক : সাইফুল আলম, প্রকাশক : সালমা ইসলাম

প্রকাশক কর্তৃক ক-২৪৪ প্রগতি সরণি, কুড়িল (বিশ্বরোড), বারিধারা, ঢাকা-১২২৯ থেকে প্রকাশিত এবং যমুনা প্রিন্টিং এন্ড পাবলিশিং লিঃ থেকে মুদ্রিত।

পিএবিএক্স : ৯৮২৪০৫৪-৬১, রিপোর্টিং : ৯৮২৪০৭৩, বিজ্ঞাপন : ৯৮২৪০৬২, ফ্যাক্স : ৯৮২৪০৬৩, সার্কুলেশন : ৯৮২৪০৭২। ফ্যাক্স : ৯৮২৪০৬৬ 

E-mail: [email protected]

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত ২০০০-২০১৮

converter
×