নয়াপল্টনে সংঘর্ষ

নিপুণ রায়সহ গ্রেফতার ৬৬ অগ্নিসংযোগকারী শনাক্ত

৩ মামলায় আসামি ৪৮৮ * ৩৮ জন রিমান্ডে, ২৭ জন কারাগারে * মির্জা আব্বাস, তার স্ত্রী, রিজভীসহ ৬ জন হুকুমের আসামি * ‘পুলিশ হত্যার পরিকল্পনা ছিল’-এজাহারে উল্লেখ

  যুগান্তর রিপোর্ট ১৬ নভেম্বর ২০১৮, ০০:০০ | প্রিন্ট সংস্করণ

নিপুণ রায়সহ গ্রেফতার ৬৬ অগ্নিসংযোগকারী শনাক্ত
কণ্ঠশিল্পী বেবী নাজনীন ও বিএনপির নির্বাহী কমিটির সদস্য নিপুণ রায় চৌধুরী

রাজধানীর নয়াপল্টনে পুলিশের ওপর হামলা ও গাড়িতে অগ্নিসংযোগের ঘটনায় ৪৮৮ জনকে আসামি করে তিনটি মামলা দায়ের করা হয়েছে।

এ ঘটনায় বিএনপির নির্বাহী কমিটির সদস্য নিপুণ রায় চৌধুরীসহ ৬৬ জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। রিমান্ডে নেয়া হয়েছে ৩৮ জনকে। সিসিটিভি ফুটেজ দেখে গাড়িতে অগ্নিসংযোগকারীসহ ৩০ জনকে শনাক্ত করা হয়েছে। এরা সবাই বিএনপি কর্মী বলে পুলিশ জানায়। এ ঘটনায় দায়ের করা মামলার এজাহারে ‘পুলিশ হত্যার পরিকল্পনা ছিল’ উল্লেখ করা হয়েছে।

গ্রেফতারকৃতদের জিজ্ঞাসাবাদের বরাত দিয়ে পুলিশ জানায়, জাতীয় নির্বাচনের আগে অস্থিতিশীল পরিবেশ সৃষ্টির লক্ষ্যে পুলিশের ওপর হামলা ও গাড়িতে অগ্নিসংযোগ করা হয়। গ্রেফতারকৃতরা জানিয়েছে, বিএনপি নেতা মির্জা আব্বাসের বাড়িতে ঘটনার আগের রাতে (মঙ্গলবার) পল্টন, মিরপুর, মোহাম্মদপুর ও শাহজাহানপুরসহ বিভিন্ন এলাকার বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের নেতাকর্মীরা বৈঠক করেন। ওই বৈঠক থেকে সিদ্ধান্ত হয়, বুধবার ঢাকায় নাড়া দিতে হবে। এর মাধ্যমে সরকারকে বোঝাতে হবে বিএনপির শক্তি ক্ষয় হয়ে যায়নি।

জিজ্ঞাসাবাদে তারা গোয়েন্দাদের জানায়, মির্জা আব্বাস নিজে হামলার নির্দেশনা দিয়ে বলেন, সরকারকে নাড়া দিতে যে ঘটনা প্রয়োজন তা তো সবার জানা। অস্থিতিশীল পরিবেশ না হলে সরকারকে হটানো সম্ভব হবে না। এমন নির্দেশনার পর মোহাম্মদপুর থানা ছাত্রদলের সহদফতর সম্পাদক জাহিদুজ্জামান শাওন নিজ উদ্যোগে হামলায় অংশ নিতে আগ্রহ প্রকাশ করে। মির্জা আব্বাসের বাসায় চলা বৈঠকে শাওন বলে, ‘পুলিশকে লক্ষ্য করে আমি হামলা করব। তখন আরেকজন কর্মী তাকে বলেন, তুমি হেলমেট পরে হামলা করবে। একইভাবে পল্টন থানা ছাত্রদলের আহ্বায়ক কমিটির সদস্য শাহজালাল নিজেকে দলের একনিষ্ঠ কর্মী হিসেবে মির্জা আব্বাসের কাছে জাহির করার চেষ্টা করে। সে জানায়, পুলিশের গাড়িতে আগুন দেয়া হবে। এ কাজটি সে নিজেই করবে। অন্যরা করলে ধরা পড়তে পারে। তার এ কাজে আগের অভিজ্ঞতা আছে। বুধবার এই শাহজালালই পুলিশের গাড়িতে আগুন দেয়। তাকে শনাক্ত করা গেছে।

শাহজাহানপুর থানা ছাত্রদলের আহ্বায়ক সোহাগ ভুঁইয়া একই স্টাইলে হামলা করবে বলে বৈঠকে জানায়। তখন হামলার জন্য তাদের সব ধরনের প্রস্তুতি নিতে বলা হয়। বৈঠকে পুলিশের গাড়িতে আগুন ছাড়াও কোনো পুলিশ সদস্যকে হত্যা করা যায় কিনা, এ বিষয়ে আলোচনা হয়।

এ প্রসঙ্গে জানতে চাইলে ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশের যুগ্ম কমিশনার মাহবুব আলম যুগান্তরকে বলেন, পুলিশ সতর্ক থাকার কারণে তাদের হত্যা পরিকল্পনা ভেস্তে গেছে। ঘটনায় আটকদের কাছে হামলা ছাড়াও হত্যা পরিকল্পনা সংক্রান্ত তথ্য পাওয়া যায়। আরও কিছু স্পর্শকাতর তথ্য পাওয়া গেছে, যা তদন্ত ও নিরাপত্তার স্বার্থে এখনই বলা ঠিক হবে না। মাহবুব আলম বলেন, পল্টনে হামলার ঘটনায় প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষভাবে অনেকে জড়িত। রয়েছে পৃষ্ঠপোষক; যাদের পরিকল্পনা, নির্দেশনা, মদদ ও অর্থায়নে সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড ঘটানো হয়েছে।

পুলিশ জানায়, নয়াপল্টনে বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের সামনে পুলিশের ওপর অতর্কিত আক্রমণ ছিল পূর্বপরিকল্পিত। হামলায় পুলিশের সম্পূর্ণ নতুন দুটি গাড়ি ভস্মীভূত হয়েছে ও ৫ কর্মকর্তাসহ আহত হয়েছে ২৩ পুলিশ সদস্য।

৩০ হামলাকারী শনাক্ত : হামলায় জড়িত ৩০ জনকে সিসিটিভি ফুটেজ দেখে শনাক্ত করা হয়েছে বলে বৃহস্পতিবার দুপুরে ডিএমপি মিডিয়া সেন্টারে সংবাদ সম্মেলনে জানান ডিএমপি কমিশনার আছাদুজ্জামান মিয়া। পুলিশের ওপর হামলার ঘটনাকে অনাকাক্সিক্ষত এবং অপ্রত্যাশিত উল্লেখ করে তিনি বলেন, ৭ দিন ধরে বিএনপির নমিনেশন পেপার ক্রয় এবং জমা দেয়ার কাজ সুশৃঙ্খলভাবে ও আনন্দমুখর পরিবেশে হয়েছে। ঘটনার দিন বিএনপির মনোনয়নপ্রত্যাশীরা বড় বড় মিছিল নিয়ে পুরো রাস্তা দখল করে। এর ফলে পশ্চিমে কাকরাইল ও পূর্বে ফকিরেরপুল পর্যন্ত পুরো রাস্তা বন্ধ হয়ে যায়। নির্বাচনী আচরণবিধিতে বলা হয়েছে রাস্তা অবরোধ করা যাবে না, শোভাযাত্রা করা যাবে না, বাদ্যযন্ত্র বাজিয়ে জনগণের দুর্ভোগ তৈরি করা যাবে না। কর্তব্যরত পুলিশ সদস্যরা বিএনপির নেতাকর্মীদের অনুরোধ করেছিলেন পুরো রাস্তাটি যেন বন্ধ না হয়। শহরের কেন্দ্রস্থল ও পাশেই মতিঝিল হওয়ায় মানুষের চরম দুর্ভোগ হচ্ছিল। এ অনুরোধে সাড়া না দিয়ে পুলিশের সঙ্গে বাদানুবাদে জড়ান বিএনপির নেতাকর্মীরা। একপর্যায়ে কোনো কিছু বুঝে ওঠার আগেই পুলিশের ওপর অতর্কিত আক্রমণ করেন তারা।

ডিএমপি কমিশনার বলেন, আক্রমণের সময় ৪-৫ হাত লম্বা লাঠি ব্যবহার করা হয়েছে। এ লাঠি এখানে কীভাবে এলো? এ ব্যাপারে আমরা সুনিশ্চিত হয়েছি যে, পুলিশের ওপর আক্রমণ ছিল পূর্বপরিকল্পিত। পুলিশকে উত্তেজিত করে, একটি দুর্ঘটনা ঘটিয়ে নির্বাচনী পরিবেশকে ভণ্ডুল করা, অনিশ্চিত পরিবেশ সৃষ্টির অসৎ উদ্দেশ্যে এ হামলা করা হয়। হামলাকারীরা বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের নেতাকর্মী উল্লেখ করে ডিএমপি কমিশনার বলেন, গাড়িতে আগুন লাগিয়ে ও গাড়ির ওপর দাঁড়িয়ে যারা তাণ্ডব চালিয়েছে সেগুলো বিভিন্ন মিডিয়ার মাধ্যমে দেশবাসী দেখতে পেরেছে। ঘটনা পর্যবেক্ষণ করে ৩টি মামলা করা হয়েছে। মামলাটি নিরপেক্ষভাবে তদন্ত করার জন্য ডিএমপির গোয়েন্দা বিভাগ ও মতিঝিল ক্রাইম বিভাগের চৌকস কর্মকর্তাদের দায়িত্ব দেয়া হয়েছে।

পুলিশের তিন মামলায় আসামি ৪৮৮ জন : পুলিশের মতিঝিল বিভাগের অতিরিক্ত উপকমিশনার এসএম শিবলী নোমান যুগান্তরকে জানান, সংঘর্ষের ঘটনায় পুলিশ বাদী হয়ে তিনটি মামলা করেছে। পল্টন থানায় দায়ের করা মামলাগুলোর নম্বর ২১, ২২ ও ২৩। এসব মামলায় আসামি করা হয়েছে যথাক্রমে ১৯২, ১৫৬ ও ১৩৭ জনকে। রয়েছে অজ্ঞাতনামা আসামিও। গাড়ি ভাংচুর, অগ্নিসংযোগ, রাস্তা অবরোধ, পুলিশকে মারধর, সরকারি কাজে বাধার অভিযোগে এসব মামলা হয়েছে। ৬৫ জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। বিএনপির নেতাকর্মীদের সঙ্গে পুলিশের সংঘর্ষ ও আগুনের ঘটনায় করা তিন মামলায় মির্জা আব্বাসসহ ৬ নেতাকে হুকুমের আসামি করা হয়েছে। হুকুমের অন্য আসামিরা হলেন- মহিলা দলের সভাপতি আফরোজা আব্বাস, বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী, যাত্রাবাড়ী বিএনপির সভাপতি নবীউল্লাহ নবী, ভাইস চেয়ারম্যান মেজর (অব.) আকতারুজ্জামান ও বিএনপির চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা কফিল উদ্দিন। মামলায় বিএনপির যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক হাবিবুর রশিদ হাবিব, মিডিয়া উইং সামসুদ্দিন দিদার, দফতর সম্পাদক বেলাল আহমেদ, নির্বাহী কমিটির সদস্য অধ্যাপক আমিনুল ইসলাম, অ্যাডভোকেট নিপুণ রায়, যুবদলের সভাপতি রফিকুল ইসলাম মজনু, ছাত্রদল ঢাকা মহানগর দক্ষিণের সভাপতি জহির উদ্দিন তুহিন, কেন্দ্রীয় সহ-সাধারণ সম্পাদক আরিফা সুলতানাকেও আসামি করা হয়েছে।

বুধবার রাতে ২১নং মামলাটি দায়ের করা হয় বিস্ফোরক ও বাংলাদেশ দণ্ডবিধি আইনে। ১৯২ জনের নাম উল্লেখ ও অজ্ঞাত সহস্রাধিক বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের নেতা কর্মীকে ওই মামলায় আসামি করা হয়। মামলায় ইতিমধ্যে ১৬ জনকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। বিশেষ আইনে করা ২২নং মামলায় আসামি করা হয়েছে ১৫৯ জনকে। এ মামলায় গ্রেফতার করা হয়েছে ২৩ জনকে। বাংলাদেশ দণ্ডবিধি আইনে করা ২৩নং মামলায় ১৩৭ জনের নাম উল্লেখ করা হয়েছে। এ মামলায় গ্রেফতার দেখানো হয়েছে ২৬ জনকে। ২১নং মামলার বাদী পল্টন থানার এসআই সোমেন কুমার বড়ুয়া। মামলার এজাহারে বলা হয়- নির্বাচনী আচরণবিধির নিষেধাজ্ঞা সত্ত্বেও প্রথমে জাতীয়তাবাদী মহিলা দলের সভাপতি আফরোজা আব্বাসের নেতৃত্বে ব্যান্ড পার্টি ব্যানার-ফেস্টুনসহ শোডাউন নিয়ে বিএনপির পল্টন কার্যালয়ে আসে। এরপর নবী উল্লাহ নবী ও কফিল উদ্দিনের নেতৃত্বে পৃথক মিছিল আসে। পরে মির্জা আব্বাসের নেতৃত্বে ৮-১০ হাজার নেতাকর্মীর মিছিল আসে। তারা নয়াপল্টনের ভিআইপি সড়ক বন্ধ করে জনদুর্ভোগ তৈরি ও যান চলাচল বন্ধ করে দেয়। তাদের রাস্তার এক লেন ছেড়ে দিতে অনুরোধ করা হলে তারা ক্ষিপ্ত হয়। আচরণবিধি লঙ্ঘনের বিষয়টি রুহুল কবির রিজভীকেও জানানো হয়। মাইকেও বলা হয়। এরপর দুপুর ১২টা ৫৫ মিনিটে মির্জা আব্বাসের নেতৃত্বে নেতাকর্মীরা কার্যালয়ের পাশের সড়কে অবস্থান নেয়। তারা পার্টি অফিস থেকে লাঠিসোটা নিয়ে রাস্তায় পুলিশকে হত্যার উদ্দেশ্যে আক্রমণ ও ককটেল বিস্ফোরণ ঘটায়। গাড়িতে আগুন দেয়। প্রায় একই ধরনের অভিযোগ বাকি দুই মামলার এজাহারেও করা হয়েছে।

পুলিশের ওপর হামলাকে ‘নগ্ন ও পৈশাচিক’ বলে উল্লেখ করেছেন ডিএমপি কমিশনার আছাদুজ্জামান মিয়া। তিনি বলেছেন, অসৎ উদ্দেশ্যে একটি ইস্যু তৈরির জন্য এ হামলা চালানো হয়েছে। এটি শুধু পুলিশের ওপর হামলা না। এটি বড় ধরনের একটি হামলার পূর্বপরিকল্পনা। ঘটনা পর্যালোচনা করে এরই মধ্যে মামলা গ্রহণ করা হয়েছে। ৬০ জনকে চিহ্নিত করে গ্রেফতার করা হয়েছে।

৩৮ জন রিমান্ডে, জামিন নাকচ করে ২৭ জনকে কারাগারে প্রেরণ : ৩ মামলায় গ্রেফতার ২৭ জনকে জামিন আবেদন নাকচ করে কারাগারে প্রেরণ এবং ৩ কার্যদিবসে জেলগেটে জিজ্ঞাসাবাদের নির্দেশ দিয়েছেন আদালত। মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা পৃথক ৩ মামলায় ২৭ জনকে সিএমএম আদালতে হাজির করে ৭ দিন করে মোট ২১ দিনের রিমান্ড চান। অপরদিকে আসামি পক্ষে রিমান্ড বাতিল করে জামিন দেয়ার জন্য আবেদন করা হয়। ঢাকার মহানগর হাকিম সরফুজ্জামান আনসারী রাষ্ট্র ও আসামিপক্ষের বক্তব্য শুনে জামিন আবেদন নাকচ করে কারাগারে প্রেরণের নির্দেশ এবং মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তাদের ৩ কার্যদিবসের মধ্যে জেলগেটে জিজ্ঞাসাবাদের নির্দেশ দেন। এসব মামলায় আসামি মানিক সরকারসহ ৯ জনকে ১০ দিনের রিমান্ড, অপর মামলায় আবুল কালামসহ ১৫ জনকে ১০ দিনের রিমান্ড এবং অন্য মামলায় মনজ সরকারসহ ১৪ জনকে ১০ দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন আদালত।

নিপুণ রায় গ্রেফতার : বিএনপির নির্বাহী কমিটির সদস্য নিপুণ রায় চৌধুরীকে গ্রেফতার করেছে ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি)। বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় রাজধানীর কাকরাইল এলাকা থেকে তাদের গ্রেফতার করা হয়। ডিবির যুগ্ম কমিশনার আলম যুগান্তরকে জানান, পুলিশের ওপর হামলা ও গাড়ি পোড়ানোর মামলায় কাকরাইলের নাইটিংগেল মোড় থেকে নিপুণ রায়কে গ্রেফতার করা হয়। এ সময় নিপুণের সঙ্গে গাড়িতে কণ্ঠশিল্পী বেবী নাজনীনও ছিলেন। পুলিশ জানায়, একটি মামলার এজাহারভুক্ত ১২ নম্বর আসামি নিপুণ রায় চৌধুরী। তিনি বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য গয়েশ্বর চন্দ্র রায়ের পুত্রবধূ ও বিএনপির সাবেক প্রতিমন্ত্রী নিতাই রায় চৌধুরীর মেয়ে। বুধবার নয়াপল্টনে বিএনপি কার্যালয়ের সামনে পুলিশ ও নেতাকর্মীদের মধ্যে সংঘর্ষ হয়। এতে পুলিশের ২১ জন, দুইজন আনসার ও বিএনপির অর্ধশতাধিক নতাকর্মী আহত হন। বিএনপি কার্যালয়ের পাশে থাকা পুলিশের দুটি গাড়িতে আগুন ধরিয়ে দেয় বিক্ষুব্ধরা।

ঘটনাপ্রবাহ : একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন

  • সর্বশেষ
  • সর্বাধিক পঠিত
সব খবর

ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক : সাইফুল আলম, প্রকাশক : সালমা ইসলাম

প্রকাশক কর্তৃক ক-২৪৪ প্রগতি সরণি, কুড়িল (বিশ্বরোড), বারিধারা, ঢাকা-১২২৯ থেকে প্রকাশিত এবং যমুনা প্রিন্টিং এন্ড পাবলিশিং লিঃ থেকে মুদ্রিত।

পিএবিএক্স : ৯৮২৪০৫৪-৬১, রিপোর্টিং : ৯৮২৪০৭৩, বিজ্ঞাপন : ৯৮২৪০৬২, ফ্যাক্স : ৯৮২৪০৬৩, সার্কুলেশন : ৯৮২৪০৭২। ফ্যাক্স : ৯৮২৪০৬৬ 

E-mail: [email protected]

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত ২০০০-২০১৮

converter
×