সংসদ নির্বাচনে প্রার্থিতা নিয়ে সিপিডির মূল্যায়ন

বড় ঋণখেলাপিরা পার পেয়ে যাচ্ছে

নিয়ম-নীতিকেই দখল করে নিয়েছে ঋণখেলাপিরা * নির্বাচনী ইশতেহারে ব্যাংক ও পুঁজিবাজার সংস্কারে স্পষ্ট ঘোষণা দাবি * নির্বাচনী ব্যয় সৎ প্রার্থীদের নির্বাচন থেকে দূরে রাখছে * উন্নয়নের পাশাপাশি বেড়েছে ধনী-গরিবের বৈষম্য * প্রশাসনে স্থবিরতা কাটাতে রাজনৈতিক সংকেত নেই

  যুগান্তর রিপোর্ট ১০ ডিসেম্বর ২০১৮, ০০:০০ | প্রিন্ট সংস্করণ

বড় ঋণখেলাপিরা পার পেয়ে যাচ্ছে
প্রতীকী ছবি

নির্বাচনে প্রার্থী হওয়ার ক্ষেত্রে যেসব ঋণখেলাপির নাম এসেছে, তাদের ঋণের অঙ্ক খুব বেশি বড় নয়। বরং বড় খেলাপিরা তাদের ক্ষমতা ও বিভিন্ন মাধ্যমে যোগাযোগ করে আগেই ঋণ নিয়মিত করে নিয়েছেন। কোনো কোনো ক্ষেত্রে একটি ঋণ নিয়ে অন্য ঋণ পরিশোধ করেছেন। তাদের ক্ষেত্রে কোনো নিয়ম-নীতি প্রয়োগ হচ্ছে না। তারা নিয়ম-নীতি হাইজ্যাক করে ফেলেছে। বেসরকারি গবেষণা প্রতিষ্ঠান সেন্টার ফর পলিসি ডায়ালগ (সিপিডি) আয়োজিত ব্রিফিংয়ে রোববার এসব কথা বলা হয়।

ব্রিফিংয়ে বক্তারা বলেন, গত ১০ বছরে বেশ কিছু উন্নয়ন হয়েছে। কিন্তু গুণগত মানে ঘাটতি ছিল। আগামীতে ব্যাংক ও পুঁজিবাজারে কী ধরনের সংস্কার নেয়া হবে রাজনৈতিক দলগুলোর নির্বাচনী ইশতেহারে তার স্পষ্ট ঘোষণা দেয়ার কথা বলেন তারা। এছাড়া দেশের মধ্যে রাজনৈতিক প্রতিযোগিতা, প্রার্থীদের নির্বাচনী ব্যয় এবং বৈষম্য কমাতে সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠানগুলোর মধ্যে সমন্বয়ের তাগিদ দিয়েছে সিপিডি।

সংস্থাটির মতে, প্রশাসনে স্থবিরতা চলছে। এটি কাটানোর জন্য রাজনৈতিক সংকেত নেই। রাজনৈতিক সংকেত থাকলে প্রশাসন অন্যরকম হতো। দেশে উন্নয়নের পাশাপাশি ধনী-গরিবের বৈষম্য বেড়েছে বলেও জানায় সিপিডি।

রাজধানীর ব্র্যাক সেন্টারে এ ব্রিফিংয়ে বক্তব্য রাখেন সিপিডির বিশেষ ফেলো ড. দেবপ্রিয় ভট্টাচার্য, ড. মোস্তাফিজুর রহমান এবং সিনিয়র রিসার্স ফেলো তৌফিকুল ইসলাম খান। সঞ্চালনা করেন সিপিডির নির্বাহী পরিচালক ড. ফাহমিদা খাতুন।

ড. দেবপ্রিয় ভট্টাচার্য বলেন, ঋণখেলাপি হিসেবে যারা ধরা পড়েছেন, তাদের ঋণের অঙ্ক বেশি নয়। প্রকাশ্যভাবে আমরা জানি, সবচেয়ে বড় বড় ঋণগ্রহীতার মধ্যে যারা নির্বাচনে এসেছেন, তারা বহু আগেই, তাদের প্রভাব ও অন্যান্য সংযোগ ব্যবহার করে অথবা নতুন একটি ঋণ নিয়ে আগের খেলাপি ঋণ নিয়মিত করেছেন। অর্থাৎ খেলাপির নামে যাদের আটকানো হচ্ছে, তা লোক দেখানো একটি ব্যবস্থা। তবে ঋণের বিষয়টির প্রকৃত মূল্যায়নের দায়িত্ব নির্বাচন কমিশনের নয়। এ দায়িত্ব বাংলাদেশ ব্যাংকের।

তিনি বলেন, নির্বাচন কমিশন রাষ্ট্রের অন্যতম একটি সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠান। এ প্রতিষ্ঠানটিকে কাজ করতে হলে বিচার ব্যবস্থা, কর ব্যবস্থা, ব্যাংক ব্যবস্থা ও দুর্নীতি দমন কমিশনসহ রাষ্ট্রের অন্য প্রতিষ্ঠানগুলোর মধ্যে যে সমন্বয় থাকার কথা ছিল, সেটি দেখা যাচ্ছে না। এর কারণ, প্রশাসনিক যে স্থবিরতা সেটি কাটানোর জন্য রাজনৈতিক কোনো উদ্যোগও নেই।

রাজনৈতিক উদ্যোগ থাকলে প্রশাসন আরও বেশি সক্রিয় হতে পারত মন্তব্য করে ড. দেবপ্রিয় বলেন, প্রশাসন সক্রিয় হওয়ার ক্ষেত্রে ওই রাজনৈতিক সংকেতটি নেই। ওই ধরনের সংকেত থাকলে পরিস্থিতি আরেকটু ভিন্ন কিছু হতো।

সিপিডির বিশেষ এ ফেলো বলেন, ইংরেজিতে একটি কথা আছে রেগুলেটরি ক্যাপচার। অর্থাৎ যে নিয়ম-কানুনের মাধ্যমে বড় খেলাপিদের শৃঙ্খলায় রাখতে চাই, সে নিয়ম-নীতিকেই তারা দখল করে নিয়েছে। ফলে নিয়ম-কানুন সর্বজনীন নয়, পরিস্থিতির ওপর নির্ভর করে প্রয়োগ হচ্ছে। কিছু কিছু লোক খেলাপি ঋণকে সমন্বয় করতে পারছে। আবার কিছু কিছু প্রকৃত উদ্যোক্তা ঋণ সমন্বয় করতে না পেরে বাজার থেকে উঠে যাচ্ছে। ফলে সিপিডি বলছে, নিয়ম-নীতি সর্বজনীন প্রয়োগ না করে ব্যক্তি তা গোষ্ঠীস্বার্থে প্রয়োগের কারণে নিয়ম-নীতিগুলো হাইজ্যাক হয়ে গেছে। এ নিয়ম-নীতি ফিরিয়ে আনার নামই প্রাতিষ্ঠানিক সক্ষমতা। আর রাজনৈতিক প্রতিযোগিতা থাকলে তা ফিরিয়ে আনা সহজ হয়।

ড. দেবপ্রিয় বলেন, গত ১০ বছরে উন্নয়নের সুবিধা সমানভাবে বণ্টন হয়নি। পাশাপাশি গণতান্ত্রিক ও মানবাধিকার রক্ষাকারী প্রতিষ্ঠানগুলোর কার্যকর ভূমিকা আমরা দেখিনি। এ প্রতিষ্ঠানগুলো কার্যকর ভূমিকা রাখতে না পারলে বৈষম্য কমানোর চেষ্টা সফল হবে না। এর সঙ্গে দেশে রাজনৈতিক প্রতিযোগিতার অবাধ সুযোগ থাকতে হবে। এছাড়া মতপ্রকাশের স্বাধীনতা ও নাগরিক সমাজকে ভীতিহীনভাবে কথা বলতে দিতে হবে। তিনি বলেন, বিনিয়োগকারীদের সংগঠনগুলোকে তাদের সমস্যার কথা উচ্চস্বরে বলতে দিতে হবে। এ গণতান্ত্রিক অধিকার রক্ষা না করে বৈষম্য কমানোর উদ্যোগ সফল হবে না। এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, গণতান্ত্রিক ব্যবস্থায় জনগণের ভূমিকা রাখার সুযোগ সব সময় থাকে। ফলে জনগণের ভূমিকা নেই, এ ধরনের সুযোগ টেকসই হয় না।

‘বর্তমানে নির্বাচন অনেক ক্ষেত্রে বিনিয়োগে পরিণত হয়েছে’ মন্তব্য করে দেবপ্রিয় ভট্টাচার্য বলেন, এখানে যত না মানুষের ভোটাধিকারের প্রশ্ন, তার চেয়ে বেশি বিনিয়োগের বিষয়টি সামনে চলে আসছে। তাই ব্যয়ের কারণে অনেক যোগ্য ও সৎ প্রার্থীকে নির্বাচন থেকে দূরে রাখতে বাধ্য করছে। এ পরিমাণে ব্যয় করে নির্বাচনে অংশ নেয়ার সামর্থ্য তাদের নেই। ফলে নির্বাচনী ব্যয়টিই গণতান্ত্রিক প্রতিবন্ধকতায় পরিণত হচ্ছে কিনা, সেটি বড় প্রশ্ন।

তিনি বলেন, এর আগেও আমরা বলেছি, রাষ্ট্রীয় ব্যয়ের মাধ্যমে নির্বাচন ব্যয়কে সমন্বয় করা যায় কিনা সেটি বিবেচ্য বিষয়। অথবা ব্যয়ের ক্ষেত্রে আরও স্বচ্ছতা বাড়ানো জরুরি। তিনি আরও বলেন, প্রার্থীরা কী পরিমাণ অর্থ ব্যয় করল নির্বাচনের পর তার সত্যতা কেউ যাচাই করে না। সেই সক্ষমতা বা আগ্রহ নির্বাচন কমিশনের আছে কিনা সেটি আমাদের কাছে মনে হয়নি। সিপিডির সম্মানিত এ ফেলো বলেন, প্রার্থী সম্পদের যে ঘোষণা দেয়, সেটি দলিল হিসেবে নিয়ে পরবর্তীকালে এর স্বচ্ছতা ওইভাবে যাচাই করার উদ্যোগ কেউ নেয় না। বিষয়টি নিয়ে জাতীয় রাজস্ব বোর্ড কাজ করতে পারে।

গত দশ বছরে ধারাবাহিকভাবে অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি হয়েছে মন্তব্য করে ড. দেবপ্রিয় বলেন, ভৌত অবকাঠামোতে বড় ধরনের বিনিয়োগের ফলে জ্বালানি সংকট অনেকটা নিরসন হয়েছে। শিক্ষা ও স্বাস্থ্য খাত বিস্তৃত হয়েছে। সামাজিক সুরক্ষার ক্ষেত্রে রাজনৈতিক সদিচ্ছাও কিছুটা প্রকাশ পেয়েছে। সামগ্রিকভাবে এ সময়ে বড় ধরনের উন্নয়ন হয়েছে। প্রশ্ন হল- এসব কাজের গুণগত মান নিয়ে। অর্থাৎ পরিমাণগত উন্নয়ন হয়েছে। আগামী ১০ বছরে গুণগত উন্নয়ন নিশ্চিত করতে হবে। তিনি বলেন, দেশের সবচেয়ে পিছিয়ে পড়া মানুষ উন্নয়নের সুফল পেলেই গুণগত মান বোঝা যাবে।

গত ১০ বছরের প্রথম ৫ বছরের চেয়ে দ্বিতীয় ৫ বছরে কাঠামোগত সংস্কার, নীতি পর্যালোচনা ও নীতি বাস্তবায়নের ক্ষেত্রে গতি কমে এসেছে বলেও মন্তব্য করেন ড. দেবপ্রিয়। তিনি বলেন, এক্ষেত্রে অর্থনীতির ব্যবস্থাপনায় গুণগত মানের পতন ঘটেছে। দ্বিতীয়ত, অর্থনৈতিক ও সামাজিক বৈষম্য বেড়েছে। এছাড়া শেষের ৫ বছরে সরকারের নীতি প্রণয়নের ক্ষেত্রে নতুন উদ্যোগে ভাটা পড়েছে।

দেবপ্রিয় বলেন, প্রশ্ন আসতে পারে এর সঙ্গে রাজনৈতিক সংশ্লিষ্টতা আছে কিনা। এক্ষেত্রে আমাদের পরিষ্কার বক্তব্য। রাজনৈতিক দলগুলোর নিজেদের মধ্যে গণতান্ত্রিক পরিবেশের অভাব। একই সময়ে অর্থনৈতিক প্রতিযোগিতাও কমে গেছে। রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠানগুলোর সক্ষমতা কমেছে। তবে এ দুটির সঙ্গে কোনো যোগসূত্র আছে কিনা, তা আরেকটি গবেষণার বিষয়। তিনি বলেন, সরকারের উন্নয়ন প্রকল্পগুলো নিয়ে কথা আসছে। বিভিন্ন মহল থেকে বলা হচ্ছে বড় প্রকল্পে বড় কমিশন। সিপিডি মনে করছে, এসব প্রকল্প অতিমূল্যায়ন হয়েছে। ফলে প্রকল্পগুলো বন্ধ নয়, পুনর্বিবেচনা করতে হবে।

আগামী নির্বাচনী আলোচনায় এখন পর্যন্ত কোনো অর্থনৈতিক বিষয় আসেনি বলে মন্তব্য করেন দেবপ্রিয়। তিনি বলেন, নির্বাচনী প্রক্রিয়া যেভাবে এগোচ্ছে তাতে নির্বাচন কিভাবে হবে, কারা করবে, কিভাবে করবে সেই আলোচনা হচ্ছে। কিন্তু সাধারণ মানুষের জীবন-জীবিকার বিষয়গুলো আলোচনায় স্থান পায়নি। এটি অত্যন্ত পরিতাপের বিষয়। তাই সিপিডির বক্তব্য হল- রাজনৈতিক বিষয়গুলো যেন সাধারণ মানুষের উন্নয়ন ও জীবনমানের বিষয়কে বিচ্ছিন্ন করে না ফেলে। তিনি বলেন, অর্থনৈতিক উন্নয়নের ক্ষেত্রে সব সরকারেরই সমমনোভাব লক্ষ্য করা যাচ্ছে। মূলধারার রাজনৈতিক দলগুলোর অর্থনৈতিক ক্ষেত্রে অভিন্ন দৃষ্টিভঙ্গি রয়েছে।

ড. দেবপ্রিয় বলেন, সব দলই সামষ্টিক অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতা, মানবসম্পদ উন্নয়ন, ভৌত অবকাঠামো, শিল্পায়ন ও কৃষির উন্নয়ন, পরিবেশ দূষণ রোধ ও সামাজিক সুরক্ষার কথা বলে। তবে কী পদ্ধতিতে এগুলো বাস্তবায়ন হবে, সেক্ষেত্রে দলগুলোর কর্মসূচিতে পার্থক্য রয়েছে। ফলে নির্বাচনী ইশতেহারে রাজনৈতিক যেসব প্রতিশ্রুতি দেবে, সেগুলো তারা কিভাবে বাস্তবায়ন করবে, তার পরিষ্কার ব্যাখ্যা থাকা উচিত। দ্বিতীয়ত, রাজনৈতিক দলগুলোর ইশতেহারে গগনস্পর্শী প্রতিশ্রুতি থাকবে। কিন্তু এটি বাস্তবায়নে যে সম্পদ ও অর্থ লাগবে সেগুলো কোথা থেকে আসবে তা স্পষ্ট করে বলতে হবে। তৃতীয়ত, প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়নে কী পরিমাণ প্রাতিষ্ঠানিক সংস্কার থাকবে, ইশতেহারে সেসব বিষয় বলতে হবে। গণতান্ত্রিক প্রতিষ্ঠানগুলোর স্বচ্ছতা ও জবাবহিদিতা নিশ্চিত করতে হবে।

তিনি বলেন, দেশের উন্নয়নে সবচেয়ে বড় সমস্যা হল, সামগ্রিক উন্নয়নের পাশাপাশি বিভাজিত বৈষম্য বেড়েছে। এ বৈষম্য সবচেয়ে বেশি হল ধনী ও দারিদ্র্যে। এছাড়া গ্রামে ও শহরে, নারী ও পুরুষে এবং ধর্মীয় সংখ্যালঘুসহ সবক্ষেত্রে বৈষম্য বাড়ছে। ফলে আগামী সরকারের কাছে প্রত্যাশা হল প্রবৃদ্ধির ধারা অব্যাহত রেখে বৈষম্য কমাতে হবে। এটিকেই অর্থনীতিতে অন্তর্ভুক্তিমূলক উন্নয়ন বলা হয়। আর এ অন্তর্ভুক্তিমূলক উন্নয়নের জন্য বিনিয়োগ কর্মসংস্থান বৃদ্ধির মাধ্যমে মানুষের আয় বাড়াতে হবে। এক্ষেত্রে বাংলাদেশে শ্রমঘন শিল্প প্রতিষ্ঠান গড়ে তুলতে হবে। রফতানি নয়, অভ্যন্তরীণ বাজারকে লক্ষ্য রেখে ক্ষুদ্র ও মাঝারি শিল্পে জোর দিতে হবে। অন্যদিকে খাদ্য নিরাপত্তার জন্য কৃষিপণ্যে ভর্তুকি দিতে হবে। এছাড়া মানসম্পন্ন শিক্ষা ও সবার জন্য স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করতে হবে। ভৌত অবকাঠামোর ক্ষেত্রে আন্তঃখাত সমন্বয় অন্যতম ইস্যু। কারণ উৎপাদন বাড়ানোর জন্য ক্ষমতা বাড়ানো হচ্ছে। কিন্তু বিতরণের ক্ষেত্রে তেমন কোনো কার্যকর উদ্যোগ নেই। উদাহরণস্বরূপ বিদ্যুৎ আমরা পাচ্ছি, কিন্তু কী মূল্যে নেব এটি বড় বিষয়।

দেবপ্রিয় বলেন, শিল্পায়নে পুঁজি সংগ্রহে অন্যতম উপাদান হল ব্যাংকিং খাত ও পুঁজিবাজার। এ দুই খাতে প্রাতিষ্ঠানিক সংস্কারে আগামীতে কী উদ্যোগ থাকবে, রাজনৈতিক দলগুলো তাদের ইশতেহারে সে ব্যাপারে পরিষ্কার ব্যাখ্যা দিতে হবে। সেক্ষেত্রে বিনিয়োগকারীদের স্বার্থ সংরক্ষণে কী পদক্ষেপ নেয়া হবে, সেটি খুবই গুরুত্বপূর্ণ। প্রবাসী আয় বাড়ানোর ক্ষেত্রে আরও বেশি দক্ষ কর্মী কিভাবে পাঠানো যায়, সেটি নিশ্চিত করতে হবে। পাশাপাশি পরিবেশ সুরক্ষায় সুনির্দিষ্ট পদক্ষেপ জরুরি। অর্থনীতিতে বড় একটি বিষয় হল সম্পদ আহরণ। এক্ষেত্রে কর বাড়ানো ও বৈদেশিক বিনিয়োগের মাধ্যমে সম্পদ আহরণ বাড়াতে হবে। অর্থাৎ সম্পদের সমাবেশ আগামী দিনে বড় চ্যালেঞ্জ। পাশাপাশি প্রত্যক্ষ কর বাড়াতে হবে। এক্ষেত্রে আয় করের পাশাপাশি সম্পদ কর বাড়াতে হবে। এ ব্যাপারে ইশতেহারে পরিষ্কার ঘোষণা দিতে হবে।

আরও পড়ুন
  • সর্বশেষ
  • সর্বাধিক পঠিত
সব খবর

ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক : সাইফুল আলম, প্রকাশক : সালমা ইসলাম

প্রকাশক কর্তৃক ক-২৪৪ প্রগতি সরণি, কুড়িল (বিশ্বরোড), বারিধারা, ঢাকা-১২২৯ থেকে প্রকাশিত এবং যমুনা প্রিন্টিং এন্ড পাবলিশিং লিঃ থেকে মুদ্রিত।

পিএবিএক্স : ৯৮২৪০৫৪-৬১, রিপোর্টিং : ৯৮২৪০৭৩, বিজ্ঞাপন : ৯৮২৪০৬২, ফ্যাক্স : ৯৮২৪০৬৩, সার্কুলেশন : ৯৮২৪০৭২। ফ্যাক্স : ৯৮২৪০৬৬ 

E-mail: [email protected]

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত ২০০০-২০১৮

converter
×