জানাজায় মানুষের ঢল

বনানীতে চিরনিদ্রায় সৈয়দ আশরাফ

  যুগান্তর রিপোর্ট ০৭ জানুয়ারি ২০১৯, ০০:০০ | প্রিন্ট সংস্করণ

বনানীতে চিরনিদ্রায় সৈয়দ আশরাফ
ছবি: যুগান্তর

চিরনিদ্রায় শায়িত হলেন আওয়ামী লীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক ও জনপ্রশাসনমন্ত্রী সৈয়দ আশরাফুল ইসলাম। রোববার বাদ আসর রাজধানীর বনানী কবরস্থানে তার দাফন সম্পন্ন হয়।

এর আগে সকালে জাতীয় সংসদের দক্ষিণ প্লাজায় প্রথম জানাজা, কিশোরগঞ্জের শোলাকিয়া ঈদগাহ ময়দানে দ্বিতীয় এবং ময়মনসিংহে তৃতীয় ও শেষ নামাজে জানাজা সম্পন্ন হয়।

এতে দলীয় নেতাকর্মী ছাড়াও সর্বস্তরের মানুষের ঢল নামে। অশ্রুনয়নে শোক, শ্রদ্ধা আর ভালোবাসায় তারা শেষ বিদায় জানান প্রিয় এই রাজনীতিককে। জানাজার আগে গার্ড অব অনারের মধ্য দিয়ে সম্মান জানানো হয় মহান মুক্তিযুদ্ধের এই বীরযোদ্ধাকে।

নির্বাচিত হওয়ার পর এমপি হিসেবে শপথ নেয়ার জন্য জাতীয় সংসদে আসার কথা ছিল সৈয়দ আশরাফের। সব আয়োজনও ছিল। অসুস্থতার কারণে সময়ও চেয়ে নিয়েছিলেন স্পিকারের কাছ থেকে। কিন্তু তা আর হল না। সৈয়দ আশরাফ সংসদ ভবনে এলেন ঠিকই কিন্তু শপথ নিতে নয়, আসলেন শেষ বিদায় নিতে। এলেন কফিনবন্দি হয়ে।

রোববার সকাল ১০টার দিকে সৈয়দ আশরাফের মরদেহ নেয়া হয় সংসদ ভবনের দক্ষিণ প্লাজায়। সেখানে সকাল সাড়ে ১০টায় তার প্রথম নামাজে জানাজা অনুষ্ঠিত হয়। সংসদ সচিবালয় জামে মসজিদের ইমাম আবু রায়হান জানাজা পরিচালনা করেন।

জানাজা শেষে একাত্তরের এই মুক্তিযোদ্ধাকে গার্ড অব অনার দেয়া হয়। এ সময় বিউগলে বাজানো হয় করুণ সুর। পরে জাতীয় ও দলীয় পতাকায় মোড়া কফিনে ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা জানান রাষ্ট্রপতি আবদুল হামিদ, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও স্পিকার শিরীন শারমিন চৌধুরী। পরে দলের কেন্দ্রীয় নেতাদের নিয়ে দলের পক্ষ থেকে দীর্ঘদিনের বিশ্বস্ত সঙ্গী আশরাফের প্রতি শ্রদ্ধা জানান আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ হাসিনা। রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রী ওই এলাকা ত্যাগ করার পরে সাধারণ মানুষ শেষ শ্রদ্ধা জানান।

সংসদ ভবনে মানুষের ঢল : এদিকে সৈয়দ আশরাফের জানাজায় রাজনৈতিক নেতাকর্মীদের পাশাপাশি সাধারণ মানুষের উপস্থিতিতে সংসদ ভবনের দক্ষিণ প্লাজা ছিল পরিপূর্ণ। সকাল থেকেই সংসদ ভবনের মানিক মিয়া এভিনিউয়ের গেটে ছিল দীর্ঘ লাইন। বেলা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে সেই লাইন আরও লম্বা হয়।

সকাল সাড়ে ১০টায় জানাজা শুরু হওয়ার পরেও দৌড়ে মানুষকে আসতে দেখা যায়। দক্ষিণ প্লাজার ওপরের চত্বর পূর্ণ হয়ে সিঁড়ি এবং সামনের রাস্তায় দাঁড়িয়ে জানাজায় অংশ নেন কয়েক হাজার মানুষ। মানুষের এই ভিড় সামলাতে হিমশিম খেতে হয় নিরাপত্তার দায়িত্বে থাকা আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যদের।

এদিকে জানাজার আগে সৈয়দ আশরাফকে নিয়ে স্মৃতিচারণ করেন আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মাহবুবউল-আলম হানিফ। পরিবারের পক্ষ থেকে বক্তব্য দেন আশরাফের ছোট ভাই সৈয়দ মনজুরুল ইসলাম।

আওয়ামী লীগের পক্ষে স্মৃতিচারণ করতে গিয়ে হানিফ বলেন, সৈয়দ আশরাফের মৃত্যুতে বাঙালি মেধাবী ও প্রজ্ঞাবান একজন রাজনীতিবিদকে হারিয়েছে। তিনি ছিলেন আওয়ামী লীগের দুঃসময়ের কাণ্ডারি। ওয়ান ইলেভেনের সময় চরম বৈরী পরিবেশে দলের হাল ধরে তিনি জাতিকে পৌঁছে দিয়েছেন মুক্তির বন্দরে।

হানিফ বলেন, সৈয়দ আশরাফুল ইসলাম ছিলেন মুজিব আদর্শের ত্যাগী, নিবেদিতপ্রাণ রাজনীতিক। বিশ্বাস-অনুভূতির গভীর স্পর্শে তিনি ছিলেন আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীদের পরম আপনজন। আজও মহাসিন্ধুর ওপার থেকে ভেসে আসে তার সে অমর বাণী- ‘আওয়ামী লীগ তো আওয়ামী লীগই, এটা একটা দল, এটা কোনোদিনও ভাবি নাই। আওয়ামী লীগ একটা অনুভূতির নাম।’

অসাম্প্রদায়িক রাজনৈতিক চর্চার অগ্রদূত সৈয়দ আশরাফুল ইসলামকে আত্মপ্রচার, স্বজনপ্রীতি, দুর্নীতি, ভেদ-বৈষম্য কখনও স্পর্শ করতে পারেনি বলেও মন্তব্য করেন হানিফ। তিনি বলেন, উদারনৈতিক মানবিক দৃষ্টিভঙ্গির কারণে তিনি ছিলেন অত্যন্ত জনপ্রিয়, শ্রদ্ধাভাজন।

দল গোষ্ঠীর মতাদর্শের ঊর্ধ্বে সবার কাছে তিনি ছিলেন একজন দেশপ্রেমিক মহৎপ্রাণ রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব। সৈয়দ আশরাফুল ইসলামের নীতি আদর্শ, বিনয়ী ও মার্জিত চিত্তের গুণাবলি আমাদের জন্য চির পাথেয় হয়ে থাকবে।

এ সময় আওয়ামী লীগের উপদেষ্টা পরিষদের সদস্য আবুল মাল আবদুল মুহিত, আমির হোসেন আমু, তোফায়েল আহমেদ, সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য মোহাম্মদ নাসিম, মতিয়া চৌধুরী, লে. কর্নেল (অব.) মুহম্মদ ফারুক খান, সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক জাহাঙ্গীর কবির নানক, কেন্দ্রীয় কার্যনির্বাহী কমিটির সদস্য কামরুল ইসলাম, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল, পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শাহরিয়ার আলম, সংসদ সদস্য আবুল হাসানাত আবদুল্লাহ, ইলিয়াস মোল্লা, আসলামুল হক, সাদেক খান প্রমুখ। এছাড়াও প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা, বেসামরিক-সামরিক কর্মকর্তা এবং বিভিন্ন শ্রেণী-পেশার মানুষ অংশ নেয় সৈয়দ আশরাফের জানাজায়।

সংসদ ভবনের দক্ষিণ প্লাজায় জানাজার পর হেলিকপ্টারে করে সৈয়দ আশরাফের মরদেহ নেয়া হয় তার গ্রামের বাড়ি কিশোরগঞ্জে। এ সময় ঢাকা থেকে মরদেহের সঙ্গে সৈয়দ আশরাফের মেয়ে, তিন ভাই ছিলেন। এছাড়া আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মাহবুবউল আলম হানিফ, সাংগঠনিক সম্পাদক মহিবুল হাসান চৌধুরী নওফেল ছিলেন।

চোখের জলে শেষ বিদায় কিশোরগঞ্জবাসীর : আমাদের কিশোরগঞ্জ ব্যুরো জানায়, বেলা ১১টার পরে হেলিকপ্টারে সৈয়দ আশরাফের মরদেহ কিশোরগঞ্জে পৌঁছে। এর আগেই লাখো মানুষের উপস্থিতিতে শোলাকিয়া ঈদগাহ ময়দান কানায় কানায় পূর্ণ হয়ে ওঠে। প্রাণপ্রিয় নেতাকে শেষবারের মতো এক নজর দেখতে হুমড়ি খেয়ে পড়েন শোককাতর কিশোরগঞ্জবাসী। দুপুর ১২টার দিকে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর একটি চৌকস দল তাকে গার্ড অব অনার প্রদান করে। তারপর উপস্থিত মুসল্লিদের উদ্দেশে বক্তব্য রাখেন সৈয়দ আশরাফুল ইসলামের ছোট ভাই মনজুরুল ইসলাম, চাচাতো ছোট ভাই জেলা আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক সৈয়দ আসফাকুল ইসলাম টিটু, আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মাহবুবউল আলম হানিফ প্রমুখ। এ সময় অন্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের সভাপতি নাজমুল হাসান পাপন, আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক ব্যারিস্টার মহিবুল হাসান চৌধুরী নওফেল, রাষ্ট্রপতি আবদুল হামিদের ছেলে রেজোয়ান আহমেদ তৌফিক এমপি, আফজাল হোসেন এমপি, জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান অ্যাডভোকেট জিল্লুর রহমান, জেলা প্রশাসক সারোয়ার মুর্শেদ চৌধুরী, পুলিশ সুপার মাশরুকুর রহমান বিপিএম, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) তরফদার মো. আক্তার জামীল, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (শিক্ষা ও আইসিটি) আবদুল্লাহ আল মাসউদ, পৌরসভা মেয়র মাহমুদ পারভেজ, জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি অ্যাডভোকেট কামরুল ইসলাম শাহজাহান, সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট এমএ আফজল, পাবলিক প্রসিকিউটর অ্যাডভোকেট শাহ আজিজুল হকসহ জেলা প্রশাসন, বিভিন্ন রাজনৈতিক দল ও সামাজিক সংগঠন ও বিভিন্ন শ্রেণী-পেশার মানুষ।

শোলাকিয়া মাঠের স্মরণকালের এ সর্ববৃহৎ নামাজে জানাজায় ঐতিহাসিক শহীদি মসজিদের খতিব মাওলানা আনোয়ার শাহ মরহুমের আত্মার মাগফিরাত কামনা করে বক্তব্য রাখেন। ঐতিহাসিক পাগলা মসজিদের খতিব মাওলানা মো. খলিলুর রহমান মরহুমের নামাজে জানাজা পরিচালনা করেন। জানাজা শেষে দুপুর পৌনে ১টার দিকে সৈয়দ আশরাফুল ইসলামের মরদেহ হেলিকপ্টারে ময়মনসিংহের উদ্দেশে নিয়ে যাওয়া হয়।

ময়মনসিংহের জানাজায় জনসমুদ্র : ময়মনসিংহ ব্যুরো জানান, বেলা আড়াইটায় হেলিকপ্টারে করে সৈয়দ আশরাফুল ইসলামের মরদেহ ময়মনসিংহের সার্কিট হাউসে নিয়ে আসা হয়। বিভাগীয় কমিশনার মাহমুদ হাসান, জেলা প্রশাসক ড. সুভাষ চন্দ্র বিশ্বাস ও পুলিশ সুপার শাহ আবিদ হোসেন এবং জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট মোয়াজ্জেম হোসেন বাবুল সৈয়দ আশরাফের মরদেহ গ্রহণ করেন। সেখান থেকে লাশবাহী গাড়িতে তার মরদেহ আঞ্জুমান ঈদগাহ ময়দানে নেয়া হয়। সেখানে অস্থায়ী বেদিতে আওয়ামী লীগসহ বিভিন্ন সংগঠন ও প্রতিষ্ঠান তার মরদেহে ফুল দিয়ে শেষ শ্রদ্ধা জানান। বেলা ২টা ৫২ মিনিটে নামাজে জানাজা শুরুর আগে গার্ড অব অনার প্রদান করা হয়। জানাজায় ইমামতি করেন ঈদগাহ মসজিদের ইমাম মাওলানা আবদুল্লাহ আল মামুন।

এর আগে সংক্ষিপ্ত বক্তব্য রাখেন মাহবুবউল আলম হানিফ, সৈয়দ আশরাফের ছোট ভাই সৈয়দ মনজুরুল ইসলাম, ময়মনসিংহ জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি অ্যাডভোকেট জহিরুল হক, সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট মোয়াজ্জেম হোসেন বাবুল, মহানগর আওয়ামী লীগের সভাপতি এহতেশামুল আলম, জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান অধ্যাপক ইউসুফ খান পাঠান, সিটি কর্পোরেশনের প্রশাসক ইকরামুল হক টিটু, জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক আবু ওয়াহাব আকন্দ, জেলা সিপিবির সভাপতি অ্যাডভোকেট এমদাদুল হক মিল্লাত, জাপা মহানগর সভাপতি জাহাঙ্গীর আহম্মেদ, জেলা জাসদ নেতা অ্যাডভোকেট নজরুল ইসলাম চুন্নু, জামালপুর জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি অ্যাডভোকেট বাকী বিল্লাহ, নেত্রকোনা জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি মতিউর রহমান খান, শেরপুর জেলা আওয়ামী লীগের সহসভাপতি গোলাম রব্বানী। এছাড়া ময়মনসিংহ-৩ (গৌরীপুর) আসনের সংসদ সদস্য অ্যাডভোকেট নাজিম উদ্দিন আহমেদ, ময়মনসিংহ-১০ (গফরগাঁও) আসনের সংসদ সদস্য ফাহমি গোলন্দাজ বাবেল, মহানগর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক মোহিত উর রহমান শান্ত প্রমুখ।

তৃতীয় জানাজা শেষে সৈয়দ আশরাফের মরদেহ আবার হেলিকপ্টারে করে ঢাকায় নিয়ে আসা হয়। বিকালে বনানী কবরস্থানের এ ব্লকে দাফন করা হয় বঙ্গবন্ধুর ঘনিষ্ঠ সহচর সৈয়দ নজরুল ইসলামের ছেলে সৈয়দ আশরাফকে। এর আগে তাকে শেষ শ্রদ্ধা জানাতে বনানী কবরস্থানে উপস্থিত ছিলেন প্রধানমন্ত্রীর জ্বালানি উপদেষ্টা তৌফিক-ই-এলাহী চৌধুরীসহ আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীরা। এছাড়া সৈয়দ আশরাফের পরিবারের সদস্যরাও উপস্থিত ছিলেন।

দোয়া ও মিলাদ কাল : এদিকে সৈয়দ আশরাফুল ইসলামের পবিত্র আত্মার মাগফিরাত কামনায় আগামীকাল মঙ্গলবার দোয়া ও মিলাদ মাহফিলের আয়োজন করেছে আওয়ামী লীগ। বিকাল ৫টায় রাজধানীর ২১ বেইলি রোডস্থ তার সরকারি বাসভবনে দোয়া ও মিলাদ মাহফিল অনুষ্ঠিত হবে। আওয়ামী লীগের দফতর সম্পাদক ড. আবদুস সোবহান গোলাপ স্বাক্ষরিত সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে। আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের সংশ্লিষ্ট সবাইকে যথাসময়ে উপস্থিত থাকার অনুরোধ জানিয়েছেন।

ঘটনাপ্রবাহ : সৈয়দ আশরাফ আর নেই

আরও
আরও পড়ুন
  • সর্বশেষ
  • সর্বাধিক পঠিত
সব খবর

ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক : সাইফুল আলম, প্রকাশক : সালমা ইসলাম

প্রকাশক কর্তৃক ক-২৪৪ প্রগতি সরণি, কুড়িল (বিশ্বরোড), বারিধারা, ঢাকা-১২২৯ থেকে প্রকাশিত এবং যমুনা প্রিন্টিং এন্ড পাবলিশিং লিঃ থেকে মুদ্রিত।

পিএবিএক্স : ৯৮২৪০৫৪-৬১, রিপোর্টিং : ৯৮২৪০৭৩, বিজ্ঞাপন : ৯৮২৪০৬২, ফ্যাক্স : ৯৮২৪০৬৩, সার্কুলেশন : ৯৮২৪০৭২। ফ্যাক্স : ৯৮২৪০৬৬ 

E-mail: [email protected]

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত ২০০০-২০১৮

converter
×