জোট বেঁধে উপজেলা নির্বাচন নয়: ওবায়দুল কাদের

  যুগান্তর রিপোর্ট ১৬ জানুয়ারি ২০১৯, ০০:০০ | প্রিন্ট সংস্করণ

ওবায়দুল কাদের
আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের। ছবি: ফাইল ফটো

আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের বলেছেন, জোটগতভাবে উপজেলা নির্বাচন হবে না।

আমরা স্থানীয় সরকার নির্বাচন সব সময় দলীয়ভাবে করি, জোটগতভাবে করি না। ফেব্রুয়ারি মাসে নির্বাচন কমিশন উপজেলা নির্বাচনের তফসিল ঘোষণা করবে।

মঙ্গলবার দুপুরে ধানমণ্ডির হোয়াইট হল কনভেনশন সেন্টারে ঢাকা মহানগর উত্তর আওয়ামী লীগের বর্ধিত সভায় তিনি এসব কথা বলেন। আগামী ১৯ জানুয়ারি রাজধানীর সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে আওয়ামী লীগের মহাসমাবেশ সফল করতে এই বর্ধিত সভার আয়োজন করা হয়।

এ সময় উপজেলা নির্বাচনে দলীয় মনোনয়নপ্রত্যাশীদের উদ্দেশে ওবায়দুল কাদের বলেন, যারা মনোনয়ন চাইবেন তাদের প্রথমে তৃণমূল পর্যায় থেকে সুপারিশ আনতে হবে। জেলা-উপজেলার সভাপতি-সাধারণ সম্পাদক তিনজনের নাম আমাদের কাছে দেবেন।

সেখান থেকে জরিপের মাধ্যমে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা যোগ্য প্রার্থীদের মনোনয়ন দেবেন। শাসক দলের সাধারণ সম্পাদক বলেন, আমাদের নেত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে দল ঐক্যবদ্ধ।

পঁচাত্তর-পরবর্তী সময়ে এবারের নির্বাচনে সবচেয়ে কমসংখ্যক বিদ্রোহী প্রার্থী ছিল আমাদের। শেষ পর্যন্ত আপনারা দেখেছেন মাত্র দু’জন বিদ্রোহী প্রার্থী ছিল।

এটা আওয়ামী লীগের বৃহত্তর ঐক্যের ফসল। তিনি বলেন, যাদের দলে কোনো পদ নেই তাদের যোগ্যতা অনুযায়ী পদায়ন করা হবে। বঞ্চিত নেতারা যেন হতাশ না হন সে ব্যাপারে আমাদের খেয়াল রাখতে হবে। তাদের খোঁজখবর রাখতে হবে। কেউ অসুস্থ হলে চিকিৎসার ব্যবস্থা করতে হবে।

বিজয় উদযাপন করতে ১৯ তারিখের মহাসমাবেশ নিয়ে দলীয় নেতাকর্মীদের প্রতি নির্দেশনা দেন ওবায়দুল কাদের। তিনি বলেন, সমাবেশে আপনারা যাবেন, সেখানে সবার দায়িত্ব পালন করতে হবে।

এর মাধ্যমে প্রমাণ করতে হবে আমরা সুশৃঙ্খল একটি দল। উৎসবমুখরভাবে সমাবেশে উপস্থিত হবেন। তবে সমাবেশস্থলে ঢোকার আগে ফেস্টুন-ব্যানার বাইরে রাখতে হবে। গেটের সংখ্যা বাড়ানো হয়েছে। নারীদের জন্য আলাদা গেট থাকবে।

বেলা ২টার মধ্যে সমাবেশস্থলে পৌঁছতে হবে। সমাবেশ শেষ না হওয়া বা প্রধানমন্ত্রীর ভাষণ শেষ না হওয়া পর্যন্ত সমাবেশস্থল ত্যাগ করবেন না। তিনি বলেন, রাস্তায় যখন মিছিল করবেন পুরো রাস্তা দখল করবেন না।

এক সাইড ফাঁকা রাখবেন। রাস্তা দিয়ে চলতে গিয়ে মহাবিজয়ের মহাদাপট দেখাচ্ছেন এমন যেন না হয়। সহিষ্ণু হতে হবে। বড় বিজয়ের সঙ্গে এটাও বড় দায়িত্ব।

বর্ধিত সভায় বিএনপির গায়েবি মামলার অভিযোগের জবাবে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল বলেন, গায়েবি মামলা বলতে কিছু নেই। সুনির্দিষ্ট অভিযোগের ভিত্তিতেই অপরাধীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়া হচ্ছে।

গ্রেফতারের পর তদন্ত হবে, সেখানে কেউ যদি নিরাপদ হন, তা হলে তিনি আইনি ব্যবস্থায়ই মুক্তি পাবেন। গায়েবি বলে কোনো মামলা নেই।

আসাদুজ্জামান খান কামাল বলেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে বাংলাদেশ ঘুরে দাঁড়িয়েছে। মানুষ শেখ হাসিনার নেতৃত্বে উন্নত সমৃদ্ধির পথে এগিয়ে যেতে চায়। যারা জঙ্গি-সন্ত্রাসকে প্রশ্রয় দিয়েছিল, তাদের মানুষ ভোটের মাধ্যমে প্রত্যাখ্যান করেছে। ভোটের মাধ্যমে মানুষ বুঝিয়ে দিয়েছে, তারা জঙ্গি-সন্ত্রাস পছন্দ করে না।

ঢাকা মহানগর উত্তর আওয়ামী লীগের সভাপতি একেএম রহমতুল্লাহ এমপির সভাপতিত্ব সভায় বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন ঢাকা মহানগর উত্তর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক সাদেক খান এমপি, আসলামুল হক এমপি, ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের (ডিএনসিসি) ভারপ্রাপ্ত মেয়র জামাল মোস্তফা প্রমুখ।

আরও পড়ুন
  • সর্বশেষ
  • সর্বাধিক পঠিত
সব খবর

ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক : সাইফুল আলম, প্রকাশক : সালমা ইসলাম

প্রকাশক কর্তৃক ক-২৪৪ প্রগতি সরণি, কুড়িল (বিশ্বরোড), বারিধারা, ঢাকা-১২২৯ থেকে প্রকাশিত এবং যমুনা প্রিন্টিং এন্ড পাবলিশিং লিঃ থেকে মুদ্রিত।

পিএবিএক্স : ৯৮২৪০৫৪-৬১, রিপোর্টিং : ৯৮২৪০৭৩, বিজ্ঞাপন : ৯৮২৪০৬২, ফ্যাক্স : ৯৮২৪০৬৩, সার্কুলেশন : ৯৮২৪০৭২। ফ্যাক্স : ৯৮২৪০৬৬ 

E-mail: [email protected]

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত ২০০০-২০১৯

converter
×