ডিএনসিসি মেয়র পদে উপনির্বাচন

আ’লীগে এগিয়ে আতিক বিএনপি এলে তাবিথ

আ’লীগে মনোনয়ন ফরম বিক্রি শুরু, মেয়র পদে তুলেছেন তিনজন * কাউন্সিলর পদে সমর্থন পেতে চলছে লবিং তদবির

  হাবিবুর রহমান খান ও হাসিবুল হাসান ২৪ জানুয়ারি ২০১৯, ০০:০০ | প্রিন্ট সংস্করণ

আ’লীগে এগিয়ে আতিক বিএনপি এলে তাবিথ
আ’লীগে এগিয়ে আতিক বিএনপি এলে তাবিথ। ফাইল ছবি

ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশনের মেয়র পদে উপনির্বাচনে প্রার্থী বাছাইয়ে ব্যস্ত ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগ। ইতিমধ্যে মেয়র ও কাউন্সিলর প্রার্থীদের কাছে মনোনয়ন ফরম বিক্রি শুরু করেছে দলটি।

এর আগে নির্ধারিত দলীয় প্রার্থী আতিকুল ইসলামের পাশাপাশি আরও কয়েকজন এবার ভোটে নামার প্রস্তুতি নিচ্ছেন। আতিকুলকে সামনে রেখে দলের ভেতর থেকেও যোগ্য প্রার্থী খোঁজা হচ্ছে। তবে এগিয়ে আছেন আতিকুল ইসলাম।

অন্যদিকে বিএনপি বর্তমান সরকার ও ইসির অধীনে নির্বাচনে না যাওয়ার নীতিগত সিদ্ধান্ত নিয়েছে। তবে দলটি যদি উত্তর সিটির উপনির্বাচনে অংশ নেয় সেক্ষেত্রে আগের প্রার্থী তাবিথ আউয়ালকেই মনোনয়ন দেবে বিএনপি।

এদিকে উত্তর ও দক্ষিণের ৩৬টি সাধারণ এবং ১২টি সংরক্ষিত নারী কাউন্সিলর পদে প্রার্থী চূড়ান্ত করতে ব্যস্ত আওয়ামী লীগের সংশ্লিষ্ট নেতারা। এজন্য প্রতিটি ওয়ার্ড থেকে সম্ভাব্য তিনজনের একটি তালিকা কেন্দ্রে পাঠানোর নির্দেশ দেয়া হয়েছে। কেন্দ্রের নির্দেশে মহানগর নেতারা প্রতিটি ওয়ার্ডে তিনজনের তালিকা তৈরির কাজ শুরু করেছেন। সেখান থেকে একজনকে মনোনয়ন দেয়া হবে।

উত্তর ও দক্ষিণ সিটির কাউন্সিলর পদে দলীয় সমর্থন দেয়া হবে। বিএনপি কাউন্সিলর পদে প্রার্থী বাছাই শুরু করেনি। এক্ষেত্রেও মেয়রের মতো কাউন্সিলর পদে তাদের একটি তালিকা তৈরি করা আছে। গত বছরের জানুয়ারি মাসে নির্বাচন স্থগিত হওয়ার আগে বিএনপির নেতারা কাউন্সিলর পদেও তালিকা করেছিলেন। এবার ভোটে অংশ নিলে সেই তালিকা ধরেই কাউন্সিলর পদের প্রার্থীদের দলীয় সমর্থন দেবে বিএনপি।

সদ্যসমাপ্ত একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে অনিয়ম ও কারচুপির অভিযোগ এনে ফলাফল প্রত্যাখ্যান করে বিএনপি। বর্তমান সরকার ও নির্বাচন কমিশনের অধীনে আর কোনো নির্বাচনে অংশ না নেয়ার নীতিগত সিদ্ধান্ত নিয়েছে দলটি।

এ কারণে বিগত সময়ে সব স্থানীয় সরকার নির্বাচনে অংশ নিলেও এবার তেমন আগ্রহ দেখা যাচ্ছে না। সংসদ নির্বাচনের অনিয়ম সংক্রান্ত অভিযোগগুলো ইসি আমলে না নেয়ায় তাদের মধ্যে সুষ্ঠু নির্বাচন নিয়ে হতাশার সৃষ্টি হয়েছে। স্থানীয় সরকার নির্বাচনে ক্ষমতাসীনরা কারচুপির আশ্রয় নিলে বর্তমান কমিশন কার্যকর ভূমিকা পালন করতে পারবে না বলে মনে করছেন তারা।

তাই নির্বাচনে অংশ নিয়ে বর্তমান সরকার ও নির্বাচন কমিশনকে বৈধতা না দেয়ার পক্ষে দলটির বেশির ভাগ নেতাকর্মী। এসব বিবেচনায় নির্বাচনে অংশ নেয়ার সম্ভাবনা কম। তবে এখনও চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেয়নি দলের নীতিনির্ধারকরা।

কয়েকদিনের মধ্যে এ বিষয়ে সিদ্ধান্ত নিতে বৈঠকে বসবেন তারা। সেখানেই নির্বাচনে যাওয়া না যাওয়ার বিষয় চূড়ান্ত হবে। তবে শেষ পর্যন্ত নির্বাচনে অংশ নিলে মেয়র পদে প্রার্থীর ক্ষেত্রে কোনো পরিবর্তন হবে না। স্থগিত হওয়ার আগে তাবিথই ছিল বিএনপির প্রার্থী।

এবারের উপনির্বাচনেও তাবিথ আউয়ালকেই মেয়র পদে মনোনয়ন দেবে দলটি। একইভাবে কাউন্সিলর পদেও দলের সমর্থন দেয়া হবে। প্রসঙ্গত স্থগিত হওয়ার আগে এ পদে আওয়ামী লীগের প্রার্থী ছিলেন আতিকুল ইসলাম। এবারও তিনিই এগিয়ে আছেন।

২০১৭ সালের ৩০ নভেম্বর ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশনের মেয়র আনিসুল হক মারা গেলে ওই পদটি শূন্য হয়। মেয়র পদে উপনির্বাচনসহ দুই সিটিতে নতুন যুক্ত হওয়া ৩৬টি ওয়ার্ড এবং সংরক্ষিত নারী কাউন্সিলর নির্বাচনের তফসিল দেয় ইসি। এতে গত বছরের ২৬ ফেব্রুয়ারি নির্বাচনের দিন নির্ধারণ করেছিল। কিন্ত এর বিরুদ্ধে রিট করলে আদালত নির্বাচন স্থগিত ঘোষণা করেন। গত ১৬ জানুয়ারি উচ্চ আদালত রিট খারিজ করে দিলে নির্বাচনের সুযোগ তৈরি হয়। এরপর ২২ জানুয়ারি নির্বাচন কমিশন ফের তফসিল ঘোষণা করে।

জয় পেতে যোগ্য প্রার্থী দেবে আওয়ামী লীগ : ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশন (ডিএনসিসি) নির্বাচনে আওয়ামী লীগের প্রস্তুতি প্রায় শেষ। ২০১৮ সালে তফসিলের পরে দলীয়ভাবে প্রস্তুতি নিতে শুরু করে দলটি। সে সময় মেয়র পদে ১৮ প্রার্থীর মধ্যে থেকে যাচাই-বাছাই শেষে বিজিএমইএ’র সাবেক সভাপতি আতিকুল ইসলামকে মনোনয়ন দেয়া হয়। একই সঙ্গে সেসময় ওয়ার্ড কাউন্সিলর পদেও প্রার্থিতা চূড়ান্ত করে রেখেছিল দলটি। কিন্তু নির্বাচন বাতিলের রিট আবেদন করায় সে তালিকা আর প্রকাশ করা হয়নি।

এদিকে আইনি জটিলতা কেটে যাওয়ার পরে আবারও নতুন করে ঢাকা উত্তর সিটির নির্বাচনের জোর প্রস্তুতি শুরু করেছেন শাসক দলের নেতারা। দলীয় মনোনয়ন প্রত্যাশীদের কাছে ফরম বিক্রির কাজ শুরুও করেছে দলটি।

বুধবার প্রথম দিন মেয়র পদে আতিকুল ইসলাম ছাড়াও বিশিষ্ট ব্যবসায়ী আদম তমিজি হক এবং সাবেক সেনা কর্মকর্তা ইয়াদ আলী ফকির আওয়ামী লীগের দলীয় মনোনয়ন তুলেছেন। মনোনয়ন বিক্রির এই কার্যক্রম চলবে শুক্রবার পর্যন্ত। প্রতিদিন সকাল ১০টা থেকে বিকাল ৫টা পর্যন্ত আওয়ামী লীগ সভাপতির ধানমণ্ডির রাজনৈতিক কার্যালয় দলীয় মনোনয়নের আবেদনপত্র সংগ্রহ করা যাবে। মনোনয়ন ফরম জমা দেয়ার শেষ সময় ২৫ জানুয়ারি বিকাল ৫টা।

এছাড়া ঢাকা উত্তর ও দক্ষির সিটি কর্পোরেশনের নতুন ওয়ার্ডের কাউন্সিলর নির্বাচনে সম্ভাব্য প্রার্থীদের একটি প্যানেল তৈরির জন্য ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের কার্যনির্বাহী সদস্যদের নিয়ে সভা করতে বলা হয়েছে।

সভায় আলাপ-আলোচনার মাধ্যমে কমপক্ষে তিনজনের একটি প্যানেল সুপারিশ করবে। প্যানেলটি মহানগর, থানা ও ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদকের যৌথ স্বাক্ষরে প্রার্থীদের যোগ্যতা, নেতৃত্বের গুণাবলি ও জনপ্রিয়তা ইত্যাদি বিষয় উল্লেখ করে আওয়ামী লীগ সভাপতির ধানমণ্ডির রাজনৈতিক কার্যালয়ে আগামী ২৫ জানুয়ারির মধ্যে পাঠাতে বলা হয়েছে। সংরক্ষিত মহিলা ওয়ার্ডের কাউন্সিলর নির্বাচনেও একই নিয়ম প্রার্থী বাছাই করবে দলটি।

ঢাকা উত্তর সিটি নির্বাচনে আওয়ামী লীগের বিগত সময়ের মনোনীত প্রার্থী আতিকুল ইসলামের আশা দল আবারও তাকেই মনোনয়ন দেবেন। মনোনয়নপত্র ওঠানোকে তিনি বলছেন, ‘আনুষ্ঠানিকতা মাত্র’। এ বিষয়ে আতিকুল ইসলাম বুধবার যুগান্তরকে বলেন, নিয়ম অনুযায়ী আমাকে দলীয় মনোনয়নপত্র তুলতে হয়েছে।

এবার আপনি কতটা আশাবাদী- এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, আমার জন্য এটা নতুন করে শুরু নয়। আমি এক বছর সময় পেয়েছিলাম। এই সময়ে অনেক নেতা, নেত্রী, কর্মীর সঙ্গে আমার পরিচয় আরও মজবুত হয়েছে। অনেকে বন্ধু হয়ে গেছে। রক্তের আত্মীয় হয়তো হয়নি, কিন্তু আত্মার আত্মীয় হয়ে গেছে। আমি জনসভা করেছি, পথসভা করেছি। এটা আমার জন্য আরও পজেটিভ (ইতিবাচক) হয়েছে। আমি মাঠটা গোছানোর সুযোগ পেয়েছি।

আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের বলেন, ২৬ জানুয়ারি দলের মনোনয়ন বোর্ডের সভায় ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশন উপ-নির্বাচনের প্রার্থী ঠিক করা হবে। মেয়র পদে আগের প্রার্থী থাকবেন কিনা, সে সিদ্ধান্ত মনোনয়ন বোর্ডেই নেয়া হবে বলেও জানান তিনি। কাদের বলেন, এরই মধ্যে সিটি কর্পোরেশন ওয়ার্ডে দলীয় প্রার্থী ঠিক করা হচ্ছে। আগামী ২৬ জানুয়ারির বৈঠকেই ঢাকা মহানগরীর সব ওয়ার্ডের দলীয় প্রার্থীও ঠিক করা হবে।

এদিকে ঢাকা উত্তর ও দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশনের নবগঠিত ৩৬টি ওয়ার্ডের সাধারণ কাউন্সিলর এবং ১২টি সংরক্ষিত নারী কাউন্সিলর পদে দল-সমর্থিত প্রার্থী হতে লবিং তদবির শুরু করেছেন আগ্রহীরা। বিগত সময়ে আওয়ামী লীগ প্রার্থী তালিকা চূড়ান্ত করলেও তা প্রকাশ না করায় কেউ সেখানে দলীয় প্রার্থী হিসেবে নিজেকে দাবি করতে পারছেন না। ফলে নিজ নিজ এলাকায় পোস্টার ব্যানার-ফেস্টুন দিয়ে আগেই জানান দিয়েছেন প্রার্থী হওয়ার দৌড়ে আছেন তারাও।

এ বিষয়ে আওয়ামী লীগের প্রেসিডিয়াম সদস্য এবং বিগত সময়ে ঢাকা উত্তর সিটি নির্বাচনে দলের সমন্বয়ক লে. কর্নেল (অব.) মুহম্মদ ফারুক খান যুগান্তরকে বলেন, ঢাকা উত্তর সিটি নির্বাচন নিয়ে আমরা আগে থেকেই প্রস্তুতি নিয়ে রেখেছি। দলের নেতাকর্মীরাও প্রস্তুত ও ঐক্যবদ্ধ। দলীয় প্রার্থী বাছাই প্রসঙ্গে তিনি বলেন, দলের মনোনয়ন বোর্ডের সভায় এ বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেয়া হবে।

নির্বাচন ও প্রার্থী চূড়ান্তে আগ্রহ নেই বিএনপিতে : নির্বাচনে অংশ নেয়া ও প্রার্থী বাছাইয়ে আগ্রহ নেই বিএনপিতে। তফসিল ঘোষণা হলেও এ ব্যাপারে এখনও কোনো পদক্ষেপ দেখা যাচ্ছে না। জানতে চাইলে বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান আবদুল আউয়াল মিন্টু যুগান্তরকে বলেন, আদালতের নির্দেশের পর দলীয় ফোরামে বিষয়টি নিয়ে আলোচনা হয়নি। তবে আমি মনে করি এই সরকারের অধীনে আর কোনো নির্বাচনে যাওয়া উচিত হবে না।

কারণ এই সরকার গণতন্ত্র বলতে শুধু চুরি আর ভোট ডাকাতি বুঝে। তিনি বলেন, সর্বশেষ সুষ্ঠু নির্বাচন হয়েছিল উপজেলা নির্বাচনের প্রথম দুই ধাপ। সেখানে যখন আওয়ামী লীগ দেখেছে অধিকাংশতেই তাদের প্রার্থীদের ভারাডুবি হচ্ছে, তারপর থেকে তারা এই ভোট ডাকাতি শুরু করেছে। এরপর আর কোনো নির্বাচনই সুষ্ঠু করেনি। সদ্যসমাপ্ত একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে আওয়ামী লীগ প্রমাণ করে দিয়েছে তাদের অধীনে নির্বাচনের নমুনা কী হতে পারে।

এদিকে এ মুহূর্তে ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশনের নির্বাচন নিয়ে বিএনপি নেতারা অনেকেই প্রশ্ন তুলেছেন। বিএনপির স্থায়ী কমিটির এক সদস্য যুগান্তরকে বলেন, উত্তর সিটি কর্পোরেশনের মেয়াদ প্রায় শেষ পর্যায়ে। এ সময় নতুন নির্বাচন দিতে হবে কেন।

২০১৭ সালের ৩০ নভেম্বর প্রায় ১৪ মাস আগে আনিসুল হকের মৃত্যুর কারণে যখন মেয়র পদ শূন্য হল, তখন নির্বাচন হল না কেন? ওই নীতিনির্ধারক আরও বলেন, আমরা এটাও মনে করছি, একাদশ সংসদ নির্বাচনে যে ‘অনিয়ম’ ও ‘ভোট কারচুপি’ হয়েছে, তা নিয়ে এখন দেশে-বিদেশে সব জায়গাই আলোচনা চলছে। এই ইস্যুটি আড়াল করতেই ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশনের নির্বাচন দিতে চাইছে সরকার।

বিএনপি নেতারা বলেন, উত্তর সিটি কর্পোরেশনে গতবারের মেয়র নির্বাচন কেমন হয়েছিল, তা আমরা ভুলে যাইনি। এর সঙ্গে রয়েছে সর্বশেষ জাতীয় নির্বাচনের বাস্তবতা। এটা স্পষ্ট- মানুষের ভোটাধিকার প্রয়োগের ক্ষমতা এখন আর নেই। দলের নেতাকর্মীরাও মনে করেন, ‘নিয়ন্ত্রিত’ নির্বাচনে গিয়ে মামলা-হামলার সংখ্যা আর বাড়িয়ে লাভ নেই।

এ ব্যাপারে জানতে চাইলে বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী আহমেদ যুগান্তরকে বলেন, এ সরকার এবং সিইসির অধীনে নির্বাচনে যে ভোট কারচুপি হয়, তা দেশ-বিদেশে সবার কাছে পরিষ্কার। তাই আওয়ামী লীগের অধীনে নির্বাচনে যাওয়ার কোনো কারণ দেখছি না।

নির্বাচনে প্রার্থী বাছাইসহ সার্বিক কার্যক্রমে কোনো আগ্রহ দেখা যাচ্ছে না বিএনপিতে। মেয়রের পাশাপাশি দুই সিটির ওয়ার্ড কাউন্সিলর পদে দলীয় মনোনয়ন চূড়ান্ত করতেও কোনো কার্যক্রম নেই দলটিতে। এ ব্যাপারে মহানগর নেতাদের কোনো বার্তাও দেয়া হয়নি। কেন্দ্রের বার্তা না পেয়ে মহানগর নেতারাও কাউন্সিলর পদে প্রার্থী বাছাইয়ে কোনো আগ্রহ দেখাচ্ছেন না। তবে স্থগিত হওয়া এ উপনির্বাচনে কাউন্সিলর পদে সম্ভাব্য তালিকা করেছিল দলটি। শেষ মুহূর্তে নির্বাচনে অংশ নিলে সেই তালিকা ধরে প্রার্থী চূড়ান্ত করা হতে পারে।

জানতে চাইলে ঢাকা মহানগর দক্ষিণের সাধারণ সম্পাদক কাজী আবুল বাশার বলেন, জাতীয় সংসদ নির্বাচনে কারচুপি ও অনিয়মের পর বর্তমান সরকার ও কমিশনের অধীনে নির্বাচনে যাওয়ার মানে নেই। তারপরও দলের নীতিনির্ধারকরা এ ব্যাপারে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেবেন।

ঘটনাপ্রবাহ : ঢাকা উত্তর সিটি নির্বাচন

আরও
  • সর্বশেষ
  • সর্বাধিক পঠিত
সব খবর

ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক : সাইফুল আলম, প্রকাশক : সালমা ইসলাম

প্রকাশক কর্তৃক ক-২৪৪ প্রগতি সরণি, কুড়িল (বিশ্বরোড), বারিধারা, ঢাকা-১২২৯ থেকে প্রকাশিত এবং যমুনা প্রিন্টিং এন্ড পাবলিশিং লিঃ থেকে মুদ্রিত।

পিএবিএক্স : ৯৮২৪০৫৪-৬১, রিপোর্টিং : ৯৮২৪০৭৩, বিজ্ঞাপন : ৯৮২৪০৬২, ফ্যাক্স : ৯৮২৪০৬৩, সার্কুলেশন : ৯৮২৪০৭২। ফ্যাক্স : ৯৮২৪০৬৬ 

E-mail: [email protected]

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত ২০০০-২০১৯

converter
×