এডিবির সহায়তা অব্যাহত থাকবে: অর্থমন্ত্রী

  যুগান্তর রিপোর্ট ০৬ ফেব্রুয়ারি ২০১৯, ০০:০০ | প্রিন্ট সংস্করণ

এডিবির সহায়তা অব্যাহত থাকবে

নতুন সরকারের সময় এশীয় উন্নয়ন ব্যাংকের (এডিবি) চলমান সহযোগিতা অব্যাহত থাকবে। উন্নয়ন কাজের নতুন অঞ্চলেও সহায়তা দেয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন এডিবির কান্ট্রি ডিরেক্টর মনমোহন প্রকাশ।

মঙ্গলবার আগারগাঁওয়ে নতুন অর্থ মন্ত্রণালয়ের দফতরে এডিবির কান্ট্রি ডিরেক্টরের সঙ্গে বৈঠক শেষে এসব কথা সাংবাদিকদের জানান অর্থমন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামাল।

অর্থমন্ত্রী বলেন, এশীয় উন্নয়ন ব্যাংক বাংলাদেশের অন্যতম সহযোগী পার্টনার। অর্থনৈতিক দৃষ্টিভঙ্গি থেকে এটি আগামীতে আরও উন্নয়ন করতে হবে। নতুন সরকারের সময় সহায়তা অব্যাহত থাকবে। পাশাপাশি নতুন এলাকায় আরও সহযোগিতা করার আশ্বাস দিয়েছেন মনমোহন প্রকাশ।

আশা করি, এ সরকারের সময়ও তাদের সাহায্য-সহযোগিতা অব্যাহত থাকবে। যেসব প্রকল্পে আমরা তাদের সহযোগিতা পাচ্ছিলাম এগুলো চলমান থাকবে। পাশাপাশি নতুন এলাকায়ও আমরা তাদের সহযোগিতা পাব।

এডিবির কান্ট্রি ডিরেক্টর মনমোহন প্রকাশ বলেন, ‘আমরা একসঙ্গে কাজ করার সিদ্ধান্ত নিয়েছি। আমরা আরও ঘনিষ্ঠভাবে কাজ করব। আমাদের কিছু প্রকল্প কাজ চলছে। এগুলো খুব দ্রুত সম্পন্ন হবে। সেগুলোর সুফল খুব দ্রুতই মানুষ পাবেন।’

তিনি আরও বলেন, অর্থমন্ত্রী একজন অভিজ্ঞ ব্যক্তি। তিনি অর্থ মন্ত্রণালয়ে এসেছেন। আশা করি, অনেক দ্রুত প্রকল্প বাস্তবায়নে তার সহযোগিতা পাব। আমরা বৃহৎ অর্থনৈতিক বিষয়গুলো নিয়েও আলোচনা করেছি। বাংলাদেশ খুবই ভালো করছে। আমরা আরও নিবিড়ভাবে কাজ করতে চাই।

বাংলাদেশ উদীয়মান অর্থনৈতিক শক্তি : অর্থমন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামাল বলেছেন, বাংলাদেশ উদীয়মান অর্থনৈতিক শক্তি। বর্তমান বিশ্ব অর্থনীতিতে বাংলাদেশ ‘নেক্সট ইলেভেন (এন-১১)’ দেশের অন্তর্ভুক্ত। বিশ্বে পোশাক রফতানিকারক দেশের তালিকায় বাংলাদেশের অবস্থান দ্বিতীয়। দেশে কৃষি ক্ষেত্রে যান্ত্রিক পদ্ধতির ব্যবহার আগেই শুরু হয়েছে। শিল্প ও সেবা খাত ক্রমান্বয়ে সম্প্রসারিত হচ্ছে। আমাদের মানব সম্পদ দেশের ভেতরে ও বাইরে থেকে অর্থনীতিতে ব্যাপক অবদান রাখছে। তিনি আরও বলেন, একটি দক্ষ, স্বচ্ছ ও নিরপেক্ষ পুঁজিবাজার যে কোনো দেশের শিল্পায়ন ও অর্থনৈতিক উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।

মঙ্গলবার জাতীয় সংসদে ‘বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ ও এক্সচেঞ্জ কমিশনের বার্ষিক প্রতিবেদনে তিনি একথা জানান। এর আগে তিনি ‘বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ ও এক্সচেঞ্জ কমিশনের বার্ষিক প্রতিবেদন-২০১৬-১৭’ উপস্থাপন করেন।

প্রতিবেদনে অর্থমন্ত্রী জানান, বাংলাদেশ বিশ্ব অর্থনীতিতে এন-১১ দেশের অন্তর্ভুক্ত হলেও এ দেশের আর্থসামাজিক উন্নয়নে পুঁজিবাজারের সম্ভাবনাকে কাজে লাগানোর ব্যাপক সুযোগ এখনও অব্যবহৃত রয়ে গেছে। কারণ বর্তমানে বাজার মূলধন ও জিডিপির অনুপাত মাত্র ১৯.৪৩ শতাংশ- যা অনেক উন্নত দেশে শতভাগেরও বেশি।

সংসদে উপস্থাপিত প্রতিবেদনে অর্থমন্ত্রী জানান, বর্তমানে ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের মোট শেয়ারহোল্ডার সংখ্যা ২৫০, যাদের মধ্যে ২৪১টি স্টেকহোল্ডার কমিশন থেকে সিকিউরিটিজ লেনদেনের জন্য নিবন্ধন সনদপ্রাপ্ত। তিনি জানান, ২০১৭ সালের ৩০ জুন পর্যন্ত ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের তালিকাভুক্ত সিকিউরিটির সংখ্যা ৫৬৩টি, যার বিপরীতে ইস্যুকৃত মূলধন ১১৬৫৫১.০৮ কোটি টাকা।

আরও পড়ুন
  • সর্বশেষ
  • সর্বাধিক পঠিত
সব খবর

ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক : সাইফুল আলম, প্রকাশক : সালমা ইসলাম

প্রকাশক কর্তৃক ক-২৪৪ প্রগতি সরণি, কুড়িল (বিশ্বরোড), বারিধারা, ঢাকা-১২২৯ থেকে প্রকাশিত এবং যমুনা প্রিন্টিং এন্ড পাবলিশিং লিঃ থেকে মুদ্রিত।

পিএবিএক্স : ৯৮২৪০৫৪-৬১, রিপোর্টিং : ৯৮২৪০৭৩, বিজ্ঞাপন : ৯৮২৪০৬২, ফ্যাক্স : ৯৮২৪০৬৩, সার্কুলেশন : ৯৮২৪০৭২। ফ্যাক্স : ৯৮২৪০৬৬ 

E-mail: [email protected]

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত ২০০০-২০১৯

converter
×