ডাকসু ও হল সংসদ নির্বাচন: মনোনয়নপত্র বিতরণ শুরু আজ

প্রচারণায় সরকার সমর্থিতরা, আন্দোলনে বাম ও ছাত্রদল * দাবি না মানলে আজই ফরম নেবে না ছাত্রদল * একাডেমিক ভবনে ভোট কেন্দ্রের দাবিতে ভিসি কার্যালয় ঘেরাও * শিক্ষার্থীদের স্বতন্ত্র জোট ঘোষণা

  মাহমুদুল হাসান নয়ন ১৯ ফেব্রুয়ারি ২০১৯, ০০:০০ | প্রিন্ট সংস্করণ

দীর্ঘ বিরতির পর ডাকসু নির্বাচন।
দীর্ঘ বিরতির পর ডাকসু নির্বাচন। ফাইল ছবি

ডাকসু ও হল সংসদ নির্বাচনে আজ থেকে মনোনয়নপত্র বিতরণ শুরু হচ্ছে। সংশ্লিষ্ট হলের প্রাধ্যক্ষের অফিস থেকে ২৫ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত মনোনয়নপত্র বিতরণ করা হবে। ২৬ ফেব্রুয়ারি বেলা ১২টা পর্যন্ত হলের রিটার্নিং অফিসারের কাছে মনোনয়পত্র জমা দিতে হবে। এদিকে ছাত্রলীগ প্রচারে ব্যস্ত সময় পার করলেও ছাত্রদল ও বাম সংগঠনগুলো এখনও দাবি আদায়ে আন্দোলন চালিয়ে যাচ্ছে।

ডাকসু নির্বাচন সামনে রেখে সব ছাত্র সংগঠনই এখন ক্যাম্পাসে সক্রিয়। কেউ সক্রিয় প্রচারণায়, কোনো দল আন্দোলনে, অনেকেই বড় সংগঠনের সঙ্গে দরকষাকষিতে ব্যস্ত। ২৮ বছর পর অনুষ্ঠেয় এ নির্বাচনে জায়গা করে নিতে সক্রিয় বিশ্ববিদ্যালয়ের সামাজিক-সাংস্কৃতিক সংগঠনগুলো।

নির্বাচনে আসছে বিভিন্ন দাবিতে গড়ে ওঠা সাধারণ শিক্ষার্থীদের প্লাটফর্মগুলোও। সরকার সমর্থিত ছাত্র সংগঠন নিজেদের পক্ষে জনমত তৈরিতে কাজ করছে। আর সরকারবিরোধী ছাত্র সংগঠনগুলো ক্যাম্পাসে সহাবস্থান, হলের বাইরে ভোট কেন্দ্র স্থাপনসহ বিভিন্ন দাবিতে আন্দোলন চালিয়ে যাচ্ছে।

হলের বাইরে ভোট কেন্দ্রের দাবিতে সোমবারও উপাচার্যের কার্যালয় ঘেরাও করে বাম ছাত্র সংগঠনগুলোর মোর্চা প্রগতিশীল ছাত্রজোট ও সাম্রাজ্যবাদবিরোধী ছাত্র ঐক্য। এদিন ডাকসু নির্বাচনে অংশ নিতে সাধারণ শিক্ষার্থীদের পক্ষ থেকে আত্মপ্রকাশ ঘটেছে ‘স্বতন্ত্র জোট’-এর।

মনোনয়নপত্র বিতরণ শুরু হলেও আজই নিচ্ছে না জাতীয়তাবাদী ছাত্রদল। সোমবার বিশ্ববিদ্যালয়ের মধুর ক্যান্টিনে সংগঠনটির নেতারা জানান, হলের বাইরে ভোট কেন্দ্র ও প্রার্থিতার বয়সসীমা বাতিলসহ বেশকিছু দাবি তারা জানিয়েছেন। দাবি আদায় না হওয়ায় আজই মনোনয়নপত্র কিনছেন না। ছাত্রদল নেতারা বিষয়টি পর্যবেক্ষণ করছেন বলেও জানান।

ডাকসু নির্বাচন নিয়ে আলোচনার শুরু থেকেই হলের বাইরে ভোট কেন্দ্র স্থাপনের দাবি জানিয়ে আসছিল ছাত্রদল এবং বাম ছাত্র সংগঠনগুলো। একই দাবি ছিল কোটা সংস্কারের দাবিতে গড়ে ওঠা শিক্ষার্থীদের প্লাটফর্ম বাংলাদেশ সাধারণ ছাত্র অধিকার সংরক্ষণ পরিষদেরও।

এ লক্ষ্যে কয়েক দফায় কর্মসূচি পালন করেছে বাম ছাত্র সংগঠনগুলোর মোর্চা প্রগতিশীল ছাত্র জোট ও সাম্রাজ্যবাদবিরোধী ছাত্র ঐক্য। সর্বশেষ সোমবার উপাচার্য কার্যালয় ঘেরাও করেন তারা। অন্যদিকে নির্বাচনের তারিখ ঘোষণার পর থেকেই ছাত্রলীগ অনানুষ্ঠানিক প্রচারণা চালিয়ে যাচ্ছে।

তারা বিভিন্ন হলে শিক্ষার্থীদের মাঝে ক্রীড়াসামগ্রী ও শিক্ষা উপকরণ বিতরণ করেছে। গণরুমে গিয়ে প্রথম বর্ষের শিক্ষার্থীদের সঙ্গে কথা বলেছে। সর্বশেষ সোমবার আধুনিক গ্রন্থাগার কমপ্লেক্সের দাবিতে মানববন্ধন করেছে সংগঠনটি।

সোমবার পৌনে ১২টার দিকে চতুর্থ দিনের মতো মধুর ক্যান্টিনে আসেন ছাত্রদলের নেতাকর্মীরা। অবস্থান করেন বেলা ১টা পর্যন্ত। এ সময় উপস্থিত ছিলেন সংগঠনটির কেন্দ্রীয় সাধারণ সম্পাদক আকরামুল হাসান, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় শাখার সভাপতি আল মেহেদী তালুকদার ও সাধারণ সম্পাদক আবুল বাসার সিদ্দিকী?

বেলা ১২টার দিকে সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলেন ছাত্রদলের সাধারণ সম্পাদক আকরামুল হাসান। এক প্রশ্নের জবাবে ছাত্রদল সাধারণ সম্পাদক বলেন, আমরা শেষ পর্যন্ত ডাকসু নির্বাচনের ব্যাপারে ইতিবাচক থাকতে চাই। আমরা এখনও টেকসই সহাবস্থান বাস্তবায়নের জন্য প্রশাসনের কাছে একটি নির্দিষ্ট সময় পর্যন্ত নির্বাচন পিছিয়ে দেয়ার দাবি জানাচ্ছি।

প্রশাসন যদি তাদের একগুঁয়ে আচরণ অব্যাহত রাখে, আমরা প্রতিবাদ জানাব। কিন্তু আমাদের সর্বশেষ অবস্থান, ডাকসু নির্বাচনের প্রতিটি ধাপে শেষ পর্যন্ত আমরা ইতিবাচক থাকতে চাই।

তিনি বলেন, টেকসই সহাবস্থান নিশ্চিতে নির্বাচন তিন মাস পেছানো, বয়সসীমা বাতিল, হলের বাইরে ভোট কেন্দ্র, নির্বাচন ঘিরে গঠিত কমিটিগুলোর পুনর্গঠন করে নিরপেক্ষ শিক্ষকদের অন্তর্ভুক্তি ও ডাকসুর পুনঃতফসিল দিতে হবে। ডাকসুকে রাষ্ট্রক্ষমতার মতো দখল করার অভিপ্রায়ে প্রশাসন জাতীয় নির্বাচন কমিশনারদের মতো আচরণ করলে সেটি হবে দুঃখজনক। দাবিগুলো নিয়ে প্রশাসনের সঙ্গে আমাদের আলোচনা অব্যাহত থাকবে।

হলের বাইরে ভোট কেন্দ্রের দাবিতে উপাচার্য কার্যালয় ঘেরাও : এদিকে আবাসিক হলের বাইরে একাডেমিক ভবনগুলোয় ডাকসু নির্বাচনের ভোট কেন্দ্র স্থাপনসহ ছয় দফা দাবিতে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য কার্যালয় ঘেরাও করেছে বাম ছাত্র সংগঠনগুলোর মোর্চা প্রগতিশীল ছাত্রজোট ও সাম্রাজ্যবাদবিরোধী ছাত্র ঐক্য।

সোমবার বেলা পৌনে ১টার দিকে এ ঘেরাও কর্মসূচি শুরু করে। এর আগে সাড়ে ১২টার দিকে বিশ্ববিদ্যালয়ের মধুর ক্যান্টিন থেকে মিছিল নিয়ে ক্যাম্পাসের বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষিণ করে উপাচার্য কার্যালয়ে আসেন আন্দোলনকারীরা।

দুই জোটের ছয়টি দাবি হল- ‘ক্যাম্পাস ও হলগুলোকে সন্ত্রাস-দখলদারিত্বমুক্ত করে সংগঠনগুলোর সহাবস্থান ও শিক্ষার্থীদের মত প্রকাশের স্বাধীনতা নিশ্চিত’ ‘গেস্টরুম-গণরুমে নির্যাতন বন্ধ ও আগের সব নির্যাতনের বিচার’, ‘প্রয়োজন ও মেধার ভিত্তিতে প্রশাসনিক তত্ত্বাবধানে প্রথম বর্ষ থেকেই বৈধ সিটের ব্যবস্থা করা’, ‘ডাকসু ও হল সংসদ ফি প্রদানকারী শিক্ষার্থীদের ভোটার ও প্রার্থী হওয়ার অধিকার নিশ্চিত করা’, ‘হলে অবস্থানরত ও সংযুক্ত সব শিক্ষার্থীর ভোটাধিকার সুরক্ষায় ভোট কেন্দ্র একাডেমিক ভবনসমূহে স্থাপন’, ‘শ্রেণীকক্ষে প্রচারণা, নির্বাচনী সমাবেশে জাতীয় নেতৃবৃন্দের অংশগ্রহণে বাধাসহ আচরণবিধি অগণতান্ত্রিক বিধানসমূহ বাতিল করা।

গণমাধ্যমকর্মীদের সঙ্গে মতবিনিময় : সোমবার বিকাল সাড়ে ৩টার দিকে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় সাংবাদিক সমিতিতে গণমাধ্যমকর্মীদের সঙ্গে মতবিনিময় করে প্রগতিশীল ছাত্রজোট ও সাম্রাজ্যবাদবিরোধী ছাত্র ঐক্য।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন প্রগতিশীল ছাত্র জোটের সমন্বয়ক ইকবাল কবীর, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় সাংবাদিক সমিতির সভাপতি আসিফ ত্বাসীন ও সাধারণ সম্পাদক মাহমুদুল হাসান নয়নসহ বাম ছাত্র সংগঠনগুলোর শীর্ষ নেতারা।

এ সময় জোট সভাপতি বলেন, অধিকাংশ ছাত্র সংগঠনের প্রত্যাশার বিরুদ্ধে গিয়ে শুধু ছাত্রলীগের দাবি অনুযায়ী হলে ভোট কেন্দ্র রেখেছে প্রশাসন। যেন বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ বসেছিল, ছাত্রলীগ কী বলে তা মেনে নেয়ার জন্য। দাবি না মানলে পরবর্তী সময়ে কঠোর কর্মসূচি দেয়া হবে।

এ সময় জোটের পক্ষ থেকে ভোট কেন্দ্রে অপর্যাপ্ত বুথ এবং নির্বাচনী কাজে ছাত্রলীগের বাধার বিষয়ে গণমাধ্যমে কথা বলেন।

কেন্দ্রীয় গ্রন্থাগারকে ‘কমপ্লেক্স’ করার দাবি ছাত্রলীগের : আধুনিক, যুগোপযোগী, মানসম্মত, ডিজিটাল ও ৪৩ হাজার শিক্ষার্থীর চাহিদা পূরণে সক্ষম কেন্দ্রীয় গ্রন্থাগারকে কমপ্লেক্স করার দাবি জানিয়েছে বাংলাদেশ ছাত্রলীগ।

সোমবার দুপুরে কেন্দ্রীয় গ্রন্থাগারের সামনে এক মানববন্ধনে এই দাবি জানিয়েছে সংগঠনটি। মানববন্ধনে ছাত্রলীগের কেন্দ্রীয় সভাপতি রেজওয়ানুল হক চৌধুরী শোভন, সাধারণ সম্পাদক গোলাম রাব্বানী, ঢাবি ছাত্রলীগের সভাপতি সনজিত চন্দ্র দাস, সাধারণ সম্পাদক সাদ্দাম হোসেনসহ ছাত্রলীগের কয়েকশ’ নেতাকর্মী উপস্থিত ছিলেন।

বাংলাদেশ সাধারণ ছাত্র অধিকার সংরক্ষণ পরিষদের প্রচারণা : অবাধ, সুষ্ঠু ও গ্রহণযোগ্য ডাকসু নির্বাচনের দাবিতে শিক্ষার্থীদের জনমত গড়ে তুলতে ক্যাম্পাসে লিফলেট বিলি করেছেন কোটা সংস্কার আন্দোলনের প্লাটফর্ম ‘বাংলাদেশ সাধারণ ছাত্র অধিকার সংরক্ষণ পরিষদ’-এর নেতারা।

সোমবার বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসের কলা, সামাজিক বিজ্ঞান, ব্যবসায় শিক্ষা ও কার্জন হলের বিভিন্ন অনুষদে লিফলেট বিলি করেছেন। একই সঙ্গে ডাকসু নির্বাচন সম্পর্কে শিক্ষার্থীদের মাঝে সচেতনতা বাড়াতেও কাজ করেছেন তারা। আগামী ২৪ ফেব্রুয়ারি পরিষদের পক্ষ থেকে ডাকসু নির্বাচনের প্যানেল ঘোষণা করা হবে বলেও সাধারণ ছাত্র অধিকার সংরক্ষণ পরিষদের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে।

স্বতন্ত্র জোটের আত্মপ্রকাশ : এদিকে ডাকসু নির্বাচনে অংশ নিতে সাধারণ শিক্ষার্থীদের পক্ষ থেকে আত্মপ্রকাশ ঘটেছে ‘স্বতন্ত্র জোট’। সোমবার দুপুর ২টায় টিএসসি ক্যাফেটেরিয়ায় এক সংবাদ সম্মেলনের মাধ্যমে এ জোটের আত্মপ্রকাশ ঘটে। কোনো রাজনৈতিক ছাত্র সংগঠনের অধীনে না গিয়ে স্বতন্ত্রভাবে নির্বাচনে অংশ নেয়ার কথা জানান তারা। সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের জিন প্রকৌশল ও জীবপ্রযুক্তি বিভাগের মাস্টার্সের শিক্ষার্থী অরণি সেমন্তি খান।

অরণি বলেন, ডাকসু নির্বাচনে আমরা শিক্ষার্থীরা ‘স্বতন্ত্র জোট’ হিসেবে আত্মপ্রকাশ করছি এবং একটি পূর্ণাঙ্গ প্যানেল নিয়ে নির্বাচন করার প্রত্যয় ব্যক্ত করছি। আমরা শুনেছি, হল ও বিভাগগুলোতে নির্দলীয় সাধারণ ছাত্ররা বিভিন্ন পদে ডাকসু নির্বাচনে স্বতন্ত্রভাবে অংশগ্রহণের পরিকল্পনা করছে। তবে ছাত্রলীগের কারণে তারা ভয় পাচ্ছে। এই প্লাটফর্মের মাধ্যমে আমরা তাদেরকে আমাদের সঙ্গে সম্পৃক্ত হওয়ার আহ্বান জানাচ্ছি। আমরা কোনো রাজনৈতিক সংগঠনের অধীনে না গিয়ে স্বতন্ত্রভাবে ডাকসু নির্বাচনে অংশ নিতে চাই।

বাংলাদেশ ছাত্রলীগ (বিসিএল)-এর প্যানেল ঘোষণা : এদিকে প্রথম কোনো সংগঠন হিসেবে ডাকসু নির্বাচনের প্যানেল ঘোষণা করেছে বাংলাদেশ ছাত্রলীগ-বিসিএল (জাসদ আম্বিয়া)। সোমবার দুপুর ১২টায় বিশ্ববিদ্যালয়েল মধুর ক্যান্টিনে এক সংবাদ সম্মেলনে এ প্যানেল ঘোষণা করে সংগঠনটি।

সংগঠনের ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় শাখার সভাপতি মাহফুজুর রহমান রাহাতকে ভিপি, সাধারণ সম্পাদক শাহরিয়ার রহমান বিজয়কে জিএস, নাঈম হাসান হৃদয়কে এজিএস প্রার্থী করে ২৫ সদস্যের প্যানেল ঘোষণা করা হয়। এতে লিখিত বক্তব্য পাঠ, প্যানেল ঘোষণা ও সাংবাদিকদের বিভিন্ন প্রশ্নের উত্তর দেন বাংলাদেশ ছাত্রলীগ (বিসিএল)-এর সভাপতি মো. শাহজাহান আলী সাজু।

বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের বক্তব্য : অন্যদিকে ডাকসু নির্বাচনে নিয়ে নিজ কার্যালয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রোভিসি অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ সামাদ। সোমবার দুপুরে তিনি সার্বিক বিষয়ে কথা বলেন।

অধ্যাপক সামাদ বলেন, আগামীকাল (আজ মঙ্গলবার) থেকে যারা ডাকসু নির্বাচনে অংশ নেবে তারা হল থেকে মনোনয়নপত্র সংগ্রহ করবেন। আমরা মনে করি, এটি উৎসবমুখর পরিবেশে অনুষ্ঠিত হবে। সামান্য ঘাটতিও যদি থাকে এটির শুভ সূচনা হোক। পরবর্তী সময়ে নির্বাচিতরা এর সংস্কার করতে পারবে।

অধিকাংশ ছাত্র সংগঠন ভোট কেন্দ্র হলের বাইরে করার দাবি জানিয়েছে- এমন প্রশ্নের উত্তরে তিনি বলেন, আমরা শিক্ষকরা নির্বাচন পরিচালনা করব। এ ধরনের প্রশ্ন শিক্ষকদের নৈতিকতাকে প্রশ্নবিদ্ধ করে। এট আমরা কখনও গ্রহণ করব না। এটি আমাদের জন্য শুভ হবে না।

ঘটনাপ্রবাহ : ডাকসু নির্বাচন

আরও
  • সর্বশেষ
  • সর্বাধিক পঠিত
সব খবর

ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক : সাইফুল আলম, প্রকাশক : সালমা ইসলাম

প্রকাশক কর্তৃক ক-২৪৪ প্রগতি সরণি, কুড়িল (বিশ্বরোড), বারিধারা, ঢাকা-১২২৯ থেকে প্রকাশিত এবং যমুনা প্রিন্টিং এন্ড পাবলিশিং লিঃ থেকে মুদ্রিত।

পিএবিএক্স : ৯৮২৪০৫৪-৬১, রিপোর্টিং : ৯৮২৪০৭৩, বিজ্ঞাপন : ৯৮২৪০৬২, ফ্যাক্স : ৯৮২৪০৬৩, সার্কুলেশন : ৯৮২৪০৭২। ফ্যাক্স : ৯৮২৪০৬৬ 

E-mail: [email protected]

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত ২০০০-২০১৯

converter
×