আসন্ন ডাকসু নির্বাচন: পাল্টাপাল্টি অভিযোগ সংগঠনগুলোর

ক্যাম্পাসে সহাবস্থান রয়েছে : ভিসি * হলে অবস্থান ও জনসংযোগ চালাতে দেয়া হচ্ছে না-সরকারবিরোধী ছাত্র সংগঠন * আমাদের জয় নিশ্চিত জেনে এমন অভিযোগ -ছাত্রলীগ

  মাহমুদুল হাসান নয়ন ০২ মার্চ ২০১৯, ০০:০০ | প্রিন্ট সংস্করণ

ডাকসু
ডাকসু। ছবি: সংগৃহীত

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (ডাকসু) ও হল সংসদ নির্বাচনে এখনও প্রত্যাশিত সহাবস্থান নিশ্চিত হয়নি বলে অভিযোগ করেছে সরকারবিরোধী ছাত্র সংগঠনগুলো। তারা বলছে, মনোনয়নপত্র সংগ্রহ থেকে শুরু করে নির্বাচনী প্রক্রিয়ার প্রতিটি ধাপে সরকার সমর্থিত ছাত্র সংগঠন অথবা বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের দ্বারা প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষভাবে তাদের বৈরী আচরণের শিকার হতে হচ্ছে। ক্যাম্পাসে প্রচার-প্রচারণায় কিছুটা সুযোগ পেলেও তারা হলগুলোতে অবস্থান ও জনসংযোগ চালাতে পারছেন না।

সরকারবিরোধী সংগঠনগুলোর আরও অভিযোগ- নির্বাচনী আচরণবিধি লঙ্ঘন করে প্রচার-প্রচারণা চালাচ্ছে ছাত্রলীগ। চাপ সৃষ্টি করছে স্বতন্ত্র প্রার্থীদের প্রার্থিতা প্রত্যাহারে। ফলে বেশ কয়েকটি হলে ছাত্রলীগ মনোনীত প্রার্থীর এককভাবে জয়ের ক্ষেত্র তৈরি হয়েছে। তবে ছাত্রলীগ এসব অভিযোগ অস্বীকার করে বলছে, সাধারণ শিক্ষার্থীর ব্যাপক সমর্থনের ফলে ছাত্রলীগের জয় নিশ্চিত জেনেই এমন অভিযোগ আনা হচ্ছে।

এ বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিসি ও ডাকসুর সভাপতি অধ্যাপক ড. মো. আখতারুজ্জামান যুগান্তরকে বলেন, হল প্রাধ্যক্ষরা আমাকে জানিয়েছেন সব হলে সহাবস্থান রয়েছে। এরপরও কেউ হলে থাকতে বা নির্বাচনী কাজে কোনো ধরনের প্রতিবন্ধকতার সম্মুখীন হলে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে অবহিত করতে বলা হয়েছে। যাতে সুন্দরভাবে পুরো প্রক্রিয়াটি সম্পন্ন করা যায়। এ সময় তিনি সবাইকে যথাযথভাবে নির্বাচনী আচরণবিধি অনুসরণের আহ্বান জানান।

সরকারবিরোধী ছাত্র সংগঠনগুলোর অভিযোগ- ডাকসু নির্বাচনের আলোচনা শুরু হওয়ার পর থেকে অধিকাংশ ক্ষেত্রেই তারা বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন ও ছাত্রলীগের বৈরী আচরণের শিকার হয়েছে। পরিবেশ পরিষদের প্রথম বৈঠকে ছাত্রদলকে আসতে হয়েছে প্রক্টোরিয়াল টিমের প্রহরায়। প্রার্থিতার বয়সসীমা নির্ধারণ করা হয়েছে ছাত্রলীগের প্রস্তাব অনুযায়ী। কারণ শুধু ছাত্রলীগই তাদের সংগঠনের গঠনতন্ত্রের আদলে প্রার্থীদের বয়সসীমা ৩০ করার দাবি জানিয়েছিল।

ছাত্রলীগের সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদককে প্রার্থী হওয়ার সুযোগ দিতেই এমন সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে। এর ফলে প্রার্থী হতে পারেননি অন্য ছাত্র সংগঠনগুলোর নেতারা। যারা প্রার্থী হওয়ার সুযোগ পেয়েছেন তাদেরও মনোনয়নপত্র গ্রহণ ও জমাদানের সময় নানাভাবে ভয়ভীতি দেখানো হয়েছে। ভোটারদের ‘সহাবস্থান দেখাতে’ ক্যাম্পাসে ছাত্রদলকে আসতে দিলেও হলে অবস্থান ও প্রচার-প্রচারণার সুযোগ দেয়া হচ্ছে না। সর্বশেষ বৃহস্পতিবার অমর একুশে হলে ছাত্রদলের ভিপি-জিএস প্রার্থীসহ চারজনকে মারধর ও লাঞ্ছিত করার অভিযোগ ওঠে ছাত্রলীগের বিরুদ্ধে।

সার্বিক বিষয়ে ছাত্রদলের ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় শাখার সভাপতি আল মেহেদী তালুকদার যুগান্তরকে বলেন, দীর্ঘ ২৮ বছর ডাকসু নির্বাচন হচ্ছে বিধায় এতে অংশগ্রহণের বিষয়ে আমরা শুরু থেকে ইতিবাচক থেকেছি। কিন্তু বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের দ্বিমুখী আচরণ আমাদের হতাশ করছে। হলগুলোতে ন্যূনতম সহাবস্থান নেই। হলের বাইরে ভোট কেন্দ্র স্থাপনে প্রায় সব ছাত্র সংগঠন দাবি জানালেও ছাত্রলীগকে বিশেষ সুবিধা দিতে তা করা হয়নি।

এ কারণে ছাত্রলীগের দখলে থাকা হলগুলোতে আমাদের প্রার্থীরা ভোটারদের কাছে যাওয়া তো দূরে থাক, হলের ভেতরেও প্রবেশ করতে পারছে না। সর্বশেষ একুশে হলে আমাদের প্রার্থীদের শারীরিকভাবে লাঞ্ছিত করা হয়েছে। রোকেয়া হলে মনোনয়নপত্র তুলতে গেলে একজনকে বাধা দেয়া হয়েছে। নির্বাচন ‘হালাল করতে’ ছাত্রলীগ অন্যদের ক্যাম্পাসে আসার সুযোগ দিচ্ছে।

অভিযোগ করে তিনি বলেন, বয়সের সময়সীমা দিয়ে শুরুতে আমাদের অত্যন্ত মেধাবী একদল তরুণ নেতৃত্বকে নির্বাচনে আসতে দেয়া হয়নি। এরপর বিশ্ববিদ্যালয় কমিটিতে যে ৪৭০ জনের বয়স ৩০ বছরের মধ্যে রয়েছে তাদেরও ভর্তির ক্ষেত্রে প্রশাসন সহযোগিতা করেনি। যেসব কোর্সে নির্বাচনের আগে ভর্তি সুযোগ ছিল তা বন্ধ করে দেয়া হয়। অথচ ছাত্রলীগের নেতাদের প্রার্থী করতে বিজনেস ফ্যাকাল্টির একটি কোর্সেই ছাত্রলীগের প্রায় ৩০ জনকে ভর্তি করা হয়েছে।

ছাত্রলীগ নির্বাচনী প্রচার-প্রচারণায় আচরণবিধি লঙ্ঘন করলেও কোনো ব্যবস্থা নেয়া হচ্ছে না। সব মিলিয়ে আমরা বুঝতে পারছি, পরিস্থিতি একটি একপেশে নির্বাচনের দিকেই যাচ্ছে। বিশ্ববিদ্যালয়ের গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগের শিক্ষার্থী এবং জিএস পদে স্বতন্ত্র প্রার্থী এআরএম আসিফুর রহমান যুগান্তরকে বলেন, এখন পর্যন্ত ক্যাম্পাসে সহাবস্থানের পরিবেশ নেই। যতটুকু আছে তা শুধুই লোক দেখানো।

তিনি আরও বলেন, উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে অনেক প্রার্থীর মনোনয়নপত্র বাতিল করা হয়েছে। কাউকে বিশেষ সুবিধা দেয়ার জন্য এটি করা হয়েছে। আমরা প্রশাসনের এমন দ্বিমুখী আচরণের তীব্র নিন্দা জানাই।

বাম জোটের জিএস পদপ্রার্থী ও ছাত্র ফেডারেশনের বিশ্ববিদ্যালয় শাখার সাধারণ সম্পাদক উম্মে হাবিবা বেনজির যুগান্তরকে বলেন, ক্যাম্পাসে এখনও সহাবস্থান নেই। সহাবস্থান মানে মধুর ক্যান্টিনে চা খেতে পারা নয়, কিংবা ক্যাম্পাসে প্রবেশ করতে পারা নয়। এর মানে হল- হল প্রশাসন কর্তৃক প্রতিটি হলে ছাত্রদের সিট বরাদ্দ দেয়া হবে, প্রতিটি শিক্ষার্থীর মতপ্রকাশের স্বাধীনতা থাকবে।

সামাজিক-সাংস্কৃতিক কর্মকাণ্ডের স্বাধীনতাও মতপ্রকাশের অংশ। অথচ এর কোনোটিই এখনও ক্যাম্পাসে বিদ্যমান নয়। সবকিছুতেই নিয়ন্ত্রণ ছাত্রলীগের। তিনি আরও বলেন, একটি ছাত্র সংগঠনকে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন বিশেষ সুবিধা দিচ্ছে। তারা ক্রমাগতভাবে আচরণবিধি লঙ্ঘন করছে।

এসব অভিযোগের বিষয়ে কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক ও ডাকসুর জিএস প্রার্থী গোলাম রাব্বানী যুগান্তরকে বলেন, ছাত্রদল তো শিক্ষার্থীদের থেকে বিচ্ছিন্ন একটি সংগঠন। দীর্ঘদিন শিক্ষার্থী সম্পৃক্ততা না থাকায় তাদের সঙ্গে শিক্ষার্থীদের এক ধরনের মানসিক দূরত্ব তৈরি হয়েছে। এর ফলে তারা কোনো হলেই পূর্ণাঙ্গ প্যানেল দিতে পারেনি। সেখানে তাদের বাধা দেয়ার প্রশ্নই ওঠে না।

সাধারণ শিক্ষার্থীদের নিরঙ্কুশ সমর্থনের ফলে ছাত্রলীগের জয় নিশ্চিত জেনেই তারা এ ধরনের অভিযোগ আনছে। তবুও আমি ছাত্রদলের ভিপি-জিএস প্রার্থীকে আমাদের নম্বর দিয়েছি। তাদের বলেছি, যেখানে সমস্যা হবে আমাদের জানাতে। আমরা ইতিবাচক মানসিকতা নিয়ে তাদের সহযোগিতা করব। আচরণবিধি লঙ্ঘনের বিষয়ে তিনি বলেন, দেয়ালে রঙিন পোস্টার লাগানোর ঘটনাটি আমাদের অগোচরে হয়েছে।

হয়তো কেউ আমাদের খুশি করার জন্য এমনটি করেছে। আমরা নির্দেশ দিয়েছি সব পোস্টার উঠিয়ে নিতে। এ বিষয়ে ডাকসুর প্রধান রিটার্নিং কর্মকর্তা অধ্যাপক এসএম মাহফুজুর রহমান যুগান্তরকে বলেন, সবার জন্য আমরা আচরণবিধি প্রণয়ন করেছি। এখানে কাউকে বিশেষ সুবিধা দেয়ার প্রশ্নই ওঠে না। আইন সবার জন্য সমান। এরপরও কারও কিছু বলার থাকলে লিখিতভাবে জানালে আমরা ব্যবস্থা নেব। হলে অবস্থানের বিষয়ে অভিযোগ থাকলে প্রাধ্যক্ষদের জানানোর পরামর্শও দেন তিনি।

ছাত্রলীগের বিরুদ্ধে আচরণ বিধিমালা লঙ্ঘনের অভিযোগ : এদিকে শুধু অন্যদের প্রচারণায় বাধা দেয়াই নয়, নিজেদের প্রচারণার ক্ষেত্রে আচরণ বিধিমালা লঙ্ঘনের অভিযোগ উঠেছে ছাত্রলীগের বিরুদ্ধে। আচরণবিধি লঙ্ঘন করে ছাত্রলীগের সহ-সভাপতি (ভিপি) প্রার্থী রেজওয়ানুল হক চৌধুরী শোভনের রঙিন ছবি সংবলিত পোস্টার ক্যাম্পাসের বিভিন্ন দেয়ালে লাগানো হয়েছে। বিশ্ববিদ্যালয়ের টিএসসি, স্মৃতি চিরন্তন চত্বরসহ বেশ কিছু স্থানের দেয়াল ও স্থাপনায় এ পোস্টার দেখা গেছে।

এ বিষয়ে জানতে রেজওয়ানুল হক চৌধুরী শোভনকে একাধিকবার কল করা হলেও তিনি তা রিসিভ করেননি। তবে ছাত্রলীগ সাধারণ সম্পাদক গোলাম রাব্বানী যুগান্তরকে জানান, তারা পোস্টারগুলো সরাতে নির্দেশ দিয়েছেন। ডাকসু নির্বাচনের প্রধান রিটার্নিং কর্মকর্তা অধ্যাপক এসএম মাহফুজুর রহমান যুগান্তরকে বলেন, এটি অবশ্যই আচরণবিধির লঙ্ঘন। আমরা বিষয়টি দেখব। প্রক্টর অধ্যাপক ড. একেএম গোলাম রব্বানী বলেন, আচরণবিধি সবার জন্য। অভিযোগ এলে ব্যবস্থা নেয়া হবে।

ডাকসু নির্বাচনের আচরণবিধির ৬ (ক) ধারায় বলা হয়েছে, নির্বাচনী প্রচারণায় কোনো প্রার্থী নিজের সাদাকালো ছবি ছাড়া লিফলেট বা হ্যান্ডবিলে অন্য কারও ছবি বা প্রতীক ব্যবহার করতে পারবেন না। লিফলেট ছাপানো ও বিলি করা যাবে। আর ৬(খ) ধারায় বলা হয়, বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাস ও হল এলাকায় অবস্থিত কোনো প্রকার স্থাপনা, দেয়াল, যানবাহন, বেড়া, গাছপালা, বিদ্যুৎ ও টেলিফোনের খুঁটি বা অন্য কোনো দণ্ডায়মান বস্তুতে লিফলেট বা হ্যান্ডবিল লাগানো যাবে না।

ড. মুহম্মদ শহীদুল্লাহ হলসহ বিভিন্ন হলে শুক্রবার ছাত্রলীগের শীর্ষ নেতারা স্বতন্ত্র প্রার্থীদের প্রার্থিতা প্রত্যাহারে চাপ সৃষ্টি করেছেন বলে উঠেছে। এর আগে বৃহস্পতিবারও একই ধরনের অভিযোগ ওঠে তাদের বিরুদ্ধে, যা ডাকসু ও হল সংসদ নির্বাচনের আচরণ বিধিমালার সুস্পষ্ট লঙ্ঘন। এ বিষয়ে ছাত্রলীগ সাধারণ সম্পাদক গোলাম রাব্বানী যুগান্তরকে বলেন, ছাত্রলীগ অনেক বড় একটি সংগঠন। এখানে সবাই একযোগে কাজ করবে। অনেকের মধ্যেই বিভিন্ন মান-অভিমান থাকতে পারে। তাদের ডেকে আমরা কথা বলেছি, রাগ-ক্ষোভের কথা শুনেছি এবং পরবর্তী সময়ে তাদের মূল্যায়নের আশ্বাস দিয়েছি। তবে প্রার্থিতা প্রত্যাহারে চাপ সৃষ্টি করা হয়নি।

প্রার্থিতার বিষয়ে প্রশাসনের ‘দ্বিমুখী আচরণ’-এর অভিযোগ : ডাকসু নির্বাচনে প্রার্থিতার বিষয়ে প্রশাসনের বিরুদ্ধে ‘দ্বিমুখী আচরণ’-এর অভিযোগ এনেছেন বেশ কয়েকজন প্রার্থী। ছাত্রত্ব না থাকা সত্ত্বেও কয়েকজন প্রার্থীর নাম প্রাথমিক তালিকায় রাখার অভিযোগও আনা হয়েছে। প্রার্থিতা বাতিল হওয়া ইশাত কাসফিয়া ইলা (ইরা) যুগান্তরকে বলেন, আসন্ন ডাকসু নির্বাচনে অংশগ্রহণের জন্য ব্যাংকিং অ্যান্ড ইন্স্যুরেন্স বিভাগের ‘মাস্টার্স অব ট্যাক্স ম্যানেজমেন্ট’ কোর্সে একই সময়ে আমরা ৩০ জনের মতো শিক্ষার্থী ভর্তি হই। সে অনুযায়ী সবাই ভোটার হন। অথচ একই প্রক্রিয়ায় ভর্তি সম্পন্ন করেও আমি প্রার্থী হতে পারিনি। ছাত্রলীগের ২৫ সদস্যের প্যানেলে আমার নাম থাকলেও আমি বাদ পড়েছি। এ দায় বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের। এ দ্বিমুখী আচরণের তীব্র নিন্দা জানাই।

ঘটনাপ্রবাহ : ডাকসু নির্বাচন

আরও
আরও পড়ুন
  • সর্বশেষ
  • সর্বাধিক পঠিত
সব খবর

ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক : সাইফুল আলম, প্রকাশক : সালমা ইসলাম

প্রকাশক কর্তৃক ক-২৪৪ প্রগতি সরণি, কুড়িল (বিশ্বরোড), বারিধারা, ঢাকা-১২২৯ থেকে প্রকাশিত এবং যমুনা প্রিন্টিং এন্ড পাবলিশিং লিঃ থেকে মুদ্রিত।

পিএবিএক্স : ৯৮২৪০৫৪-৬১, রিপোর্টিং : ৯৮২৪০৭৩, বিজ্ঞাপন : ৯৮২৪০৬২, ফ্যাক্স : ৯৮২৪০৬৩, সার্কুলেশন : ৯৮২৪০৭২। ফ্যাক্স : ৯৮২৪০৬৬ 

E-mail: [email protected]

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত ২০০০-২০১৯

converter
×