বিমান ছিনতাইয়ের চেষ্টা: পিস্তল নিয়ে ফের রহস্য

  চট্টগ্রাম ব্যুরো ০২ মার্চ ২০১৯, ০০:০০:০০ | প্রিন্ট সংস্করণ

বিমান ছিনতাইয়ের চেষ্টা: পিস্তল নিয়ে ফের রহস্য। ছবি: যুগান্তর

বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের উড়োজাহাজ ময়ূরপঙ্খি ছিনতাইয়ের চেষ্টার সময় ছিনতাইকারীর হাতে সত্যিকারের পিস্তল না খেলনা পিস্তল ছিল তা নিয়ে নতুন করে প্রশ্ন দেখা দিয়েছে। ওই ফ্লাইটের যাত্রী মার্কেন্টাইল ব্যাংকের সাবেক ব্যবস্থাপনা পরিচালক কাজী মশিউর রহমান ঘটনার বর্ণনা দিয়ে তার ফেসবুকে একটি স্ট্যাটাস দিয়েছেন। স্ট্যাটাসের পরপরই পিস্তল নিয়ে নতুন প্রশ্ন দেখা দিল।

স্ট্যাটাসে কাজী মশিউর দাবি করেন, উড়োজাহাজটি ছিনতাইয়ের চেষ্টাকারী যুবক শৌচাগারের দরজায় হ্যান্ডগান থেকে গুলি করেছিল। দ্বিতীয়বার যুবকটি ফাঁকা গুলি করে। মশিউরের বর্ণনা অনুযায়ী যুবকটি দু’বার গুলি করেছে।

২৪ ফেব্রুয়ারি ঢাকা থেকে চট্টগ্রাম হয়ে দুবাইগামী বিমানের একটি ফ্লাইট উড্ডয়ন অবস্থায় ছিনতাইকারীর কবলে পড়ে। এক যুবক উড়োজাহাজটি ছিনতাইয়ের চেষ্টা করে। এ অবস্থায় পাইলট উড়োজাহাজটি চট্টগ্রাম শাহ আমানত আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে অবতরণ করান। এ সময় যাত্রী ও ক্রুরা নিরাপদে নেমে যেতে পারলেও ভেতরে ছিলেন ছিনতাইকারী যুবক ও ক্রু সাগর। সাগর বেরিয়ে এলে এক পর্যায়ে কমান্ডো অভিযানে যুবকটি প্রথমে আহত হয়। এরপর সে মারা যায়। পরদিন তার পরিচয় শনাক্ত হয়। তার নাম পলাশ আহমেদ (২৮)। বাড়ি নারায়ণগঞ্জে। এ ঘটনার পর চট্টগ্রাম বিমানবন্দরে যৌথ বাহিনীর সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয়, যুবকটিকে প্রথমে আত্মসমর্পণ করতে বলা হয়েছিল। আত্মসমর্পণ না করে আক্রমণাত্মক হয়ে ওঠায় এক পর্যায়ে গোলাগুলিতে সে আহত হয়। এরপর মারা যায়। সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয়, যুবকটির কাছে একটি পিস্তল ছিল।

পরবর্তী সময়ে পুলিশের পক্ষ থেকে বলা হয়, ছিনতাইকারীর কাছে যে পিস্তলটি পাওয়া গেছে তা খেলনা পিস্তল। ঘটনার পর পতেঙ্গা থানায় একটি মামলা হয়। মামলার তদন্ত কর্মকর্তা পুলিশের কাউন্টার টেরোরিজম ইউনিটের পরিদর্শক রাজেশ বড়–য়া আলামত হিসেবে ওই খেলনা পিস্তল জব্দ করেছেন।

ব্যাংক কর্মকর্তা কাজী মশিউর রহমানের স্ট্যাটাসে বিমানের ভেতরে গুলি করার বিষয় উঠে আসায় প্রশ্ন দেখা দিয়েছে- খেলনা পিস্তল থেকে ছিনতাইকারী গুলি করল কিভাবে? মামলার এজাহারেও গুলি করার কথা উল্লেখ নেই। এতে বলা হয়েছে, দুষ্কৃতকারী ওই সময় দুটি ফটকা জাতীয় বস্তুর বিস্ফোরণ ঘটায়। তার কাছে বোমা ও অস্ত্রসদৃশ বস্তু ছিল বলে এজাহারে উল্লেখ করা হয়। এ বিষয়ে কথা বলতে মামলার তদন্ত কর্মকর্তা পরিদর্শক রাজেশ বড়–য়ার মোবাইল ফোনে শুক্রবার একাধিকবার কল করা হলেও তিনি রিসিভ করেননি।

 

সম্পাদক : সাইফুল আলম, প্রকাশক : সালমা ইসলাম

প্রকাশক কর্তৃক ক-২৪৪ প্রগতি সরণি, কুড়িল (বিশ্বরোড), বারিধারা, ঢাকা-১২২৯ থেকে প্রকাশিত এবং যমুনা প্রিন্টিং এন্ড পাবলিশিং লিঃ থেকে মুদ্রিত।

পিএবিএক্স : ৯৮২৪০৫৪-৬১, রিপোর্টিং : ৯৮২৪০৭৩, বিজ্ঞাপন : ৯৮২৪০৬২, ফ্যাক্স : ৯৮২৪০৬৩, সার্কুলেশন : ৯৮২৪০৭২। ফ্যাক্স : ৯৮২৪০৬৬ 

E-mail: [email protected]

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত