রক্তে ভেজা পাহাড়ে আতঙ্ক-উদ্বেগ

৭ সদস্যের তদন্ত কমিটি, নিহতদের পরিবারের সদস্যদের চাকরি দেয়ার আশ্বাস * হত্যাকাণ্ডের জন্য আঞ্চলিক সংগঠনগুলোকে দায়ী করেছে স্থানীয় আ’লীগ * রাঙ্গামাটিতে বিক্ষোভের ডাক, খুনিদের গ্রেফতারে চলছে যৌথ অভিযান

  রাঙ্গামাটি ও খাগড়াছড়ি প্রতিনিধি, বাঘাইছড়ি সংবাদদাতা ২০ মার্চ ২০১৯, ০০:০০ | প্রিন্ট সংস্করণ

রক্তে ভেজা পাহাড়ে আতঙ্ক-উদ্বেগ

রক্তে ভেজা সবুজ পাহাড় এখন আতঙ্কের জনপদ। বিরাজ করছে উদ্বেগ-উৎকণ্ঠা। দোকানপাট বন্ধ, সড়কে যানবাহনের সংখ্যা কম। জরুরি না হলে কেউ বাইরে বের হচ্ছেন না।

স্বজন হারানোর বুকফাটা কান্নায় ভারি সেখানকার বাতাস। নেয়া হয়েছে নিশ্ছিদ্র নিরাপত্তা ব্যবস্থা। সোমবার রাঙ্গামাটির বাঘাইছড়িতে ব্রাশফায়ারে ৭ জন নিহতের ঘটনায় পাহাড়ের আঞ্চলিক সংগঠনগুলোর আধিপত্যকে দায়ী করেছে স্থানীয় আ’লীগ। ঘাতকদের ধরতে পাহাড়ে যৌথ বাহিনীর সাঁড়াশি অভিযান শুরু হয়েছে। স্

থানীয় প্রশাসন একে বিচ্ছিন্ন ঘটনা হিসেবে আখ্যায়িত করে এ ধরনের সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডের বিরুদ্ধে কঠোর হুশিয়ারি উচ্চারণ করেছে। পুলিশ সুপার মো. আলমগীর কবির বলেছেন, অপরাধীদের ধরতে ঘটনার রহস্য উদঘাটনে জোরালো তৎপরতা চলছে। এ ঘটনায় সাত সদস্যের তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে। আজ বুধবার রাঙ্গামাটিতে বিক্ষোভের ডাক দেয়া হয়েছে।

মঙ্গলবার ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন খাগড়াছড়ির আঞ্চলিক কমান্ডার ব্রিগেডিয়ার জেনারেল হামিদুল হক, পুলিশের চট্টগ্রাম বিভাগের অতিরিক্ত ডিআইজি গোলাম ফারুক, রাঙ্গামাটি জেলা প্রশাসক একেএম মামুনুর রশিদ, পুলিশ সুপার আলমগীর কবিরসহ সামরিক ও বেসামরিক কর্মকর্তারা।

পরে তারা উপজেলা সদরে স্থানীয় জনপ্রতিনিধি ও গণ্যমান্য ব্যক্তির সঙ্গে মতবিনিময় করেন। তারা ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত, সন্ত্রাসীদের বিরুদ্ধে কঠোর পদক্ষেপ এবং নিরাপত্তা জোরদারের আশ্বাস দিয়েছেন।

জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে নিহতদের প্রতি পরিবারকে নগদ ২০ হাজার এবং আহতদের পরিবারকে ১০ হাজার করে আর্থিক সহায়তা প্রদানের ঘোষণা দেন। চট্টগ্রামের অতিরিক্ত ডিআইজি গোলাম ফারুক ওই স্থানে পুলিশ ক্যাম্প স্থাপন এবং নিহতদের প্রতি পরিবার থেকে একজনকে যোগ্যতার ভিত্তিতে সরকারি চাকরি দেয়ার আশ্বাস দেন।

ঘটনার জন্য জেএসএস (মূল) এবং ইউপিডিএফকে দায়ী করেছেন স্থানীয় আওয়ামী লীগ। পার্বত্য চট্টগ্রামবিষয়ক মন্ত্রী বীর বাহাদুর উশৈসিং বলেন, পার্বত্য শান্তিচুক্তির পর পাহাড়ে শান্তির সুবাতাস বইছে।

কিছু মহল তা নস্যাতে উঠেপড়ে লেগেছে। রাঙ্গামাটির এমপি ও জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি দীপংকর তালুকদার বলেছেন, এসব ঘটনায় জড়িত এখানকার আঞ্চলিক দলগুলো।

তিনি অবিলম্বে হত্যাকাণ্ডে জড়িতদের বিরুদ্ধে কঠোর পদক্ষেপ নেয়ার দাবি জানান। জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক মুছা মাতব্বর বলেছেন, এ ঘটনায় আঞ্চলিক দল জেএসএস ও ইউপিডিএফ জড়িত। অবিলম্বে তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে হবে। হত্যাকাণ্ডের প্রতিবাদে আজ সকালে রাঙ্গামাটিতে বিক্ষোভ হবে। বাঘাইছড়ি উপজেলার নবনির্বাচিত চেয়ারম্যান জেএসএস (এমএন লারমা) গ্রুপের শীর্ষ নেতা সুদর্শন চাকমা বলেন, হত্যার ঘটনায় গোটা এলাকায় জনমনে আতঙ্ক তৈরি হয়েছে। আমি নিজেও আতঙ্কে। এ ঘটনায় জেএসএস (মূল) এবং ইউপিডিএফ (মূল) জড়িত। জড়িতদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেয়া না হলে বারবার এ ধরনের ন্যক্কারজনক হত্যাকাণ্ড ঘটানোর সাহস পাবে সন্ত্রাসীরা।

ইউপিডিএফের নিন্দা : তবে ইউনাইটেড পিপল ডেমোক্রেটিক ফ্রন্টের (ইউপিডিএফ) কেন্দ্রীয় নেতা মাইকেল চাকমা তাদের বিরুদ্ধে অভিযোগ অস্বীকার করেছেন। তিনি বলেছেন, বাঘাইছড়ির ঘটনা নির্বাচনী সহিংসতা। সেখানে আমাদের কোনো প্রার্থী ছিল না। আমাদের দায়ী করা সম্পূর্ণ অমূলক, ভিত্তিহীন, বানোয়াট ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত।

আমাদের জড়িত থাকার প্রশ্নই ওঠে না। এক বিবৃতিতে হত্যাকাণ্ডের নিন্দা জানিয়ে সঠিক তদন্ত করে দায়ীদের বিরুদ্ধে আইনানুগ কঠোর ব্যবস্থা নেয়ার দাবি করা হয়েছে।

খাগড়াছড়ি হাসপাতালে গুলিবিদ্ধ ৮ : ঘটনার রাতে বাঘাইছড়ি উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি ৮ জনকে মঙ্গলবার সকালে খাগড়াছড়ি সদর হাসপাতালে নেয়া হয়েছে। তাদের মধ্যে ৪ পুলিশ সদস্যরা হলেন- এসআই রজব আলী, এএসআই বিল্লাল, সিপাহি আলীম ও এনামুল। অন্য আহতরা হলেন- প্রিসাইডিং অফিসার শিজক কলেজের প্রভাষক, আবদুল হান্নান আরব, কৃষি কর্মকর্তা বদিউল আলম, শিক্ষক মো. মাহবুব, মো. জাফর আলী, আনসার-ভিডিপি সদস্য মো. কবির হোসেন, মো. হাবিবুর রাহমান, মো. মামুন, সারমিন আক্তার, কহিনুর বেগম, কাঞ্চন, নিরু চাকমা, সোহেল চাকমা, স্ট্রং চাকমা ও গাড়ির হেলপার মো. সাদ্দাম। ভোট শেষে নির্বাচনী সরঞ্জাম নিয়ে সদরে ফেরার পথে এলোপাতাড়ি ঘটনাস্থলে ৬ জন এবং চট্টগ্রাম সম্মিলিত সামরিক হাসপাতালে নেয়ার পথে আরেকজন মারা যান।

ওই ঘটনায় অল্পের জন্য বেঁচে যাওয়া এবং বাম আঙুলে গুলি লাগা আনসার-ভিডিপি সদস্য মো. হাবিবুর রহমান বলেন, ফেরার পথে পাহাড়ের ওপর এবং দুই পাশ থেকে অতর্কিতভাবে বৃষ্টির মতো গুলি আসছিল। ভেতরের সবাই গুলিবিদ্ধ হওয়ায় আমাদের হাতে অস্ত্র থাকলেও পাল্টা জবাব দেয়ার সুযোগ হয়নি। আমার বাম আঙুলে গুলি লাগে। ভাগ্যের জোরে বেঁচে গেছি।

ময়নাতদন্ত শেষে লাশ হস্তান্তর : খাগড়াছড়ি সদর হাসপাতালে ময়নাতদন্ত শেষে ৭ জনের লাশ মঙ্গলবার বিকালে স্বজনের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন বাঘাইছড়ি থানার ওসি এমএ মঞ্জুর। তারা হলেন- আনসার ভিডিপি সদস্য আল আমিন (১৮), বাবা সেলিম উদ্দিন, বাঘাইছড়ি, মিহির কান্তি দত্ত (৩৮) গ্রাম-করেঙ্গাতলি, বাঘাইছড়ি, আনসার ভিডিপি সদস্য বিলকিছ আক্তার (৪০), স্বামী মজিবর রহমান, গ্রাম- পশ্চিম লাইলাঘোনা, বাঘাইছড়ি, আনসার ভিডিপি সদস্য জাহানারা বেগম (৩৫), স্বামী- তপসি, গ্রাম- কাচালং বাজার, বাঘাইছড়ি, সহকারী শিক্ষক মো. আমির হোসেন ( ৩৮), বাবা মৃত আবু তাহের, গ্রাম- কাচালং বাজার কলোনি, বাঘাইছড়ি, সহকারী শিক্ষক আবু তৈয়ব (৪২), নিউ লাইলাঘোনা, বাবা মৃত আবদুল কুদ্দুস মেম্বার, গ্রাম- পূর্ব লাইলাঘোনা, বাঘাইছড়ি এবং মিন্টু চাকমা (৩৪), বাবা তপতি চাকমা, গ্রাম- মেরুং, দীঘিনালা, খাগড়াছড়ি।

৭ সদস্যের তদন্ত কমিটি : চট্টগ্রাম ব্যুরো জানায়, বাঘাইছড়ি হত্যাকাণ্ড তদন্তে স্থানীয় সরকার চট্টগ্রাম বিভাগের পরিচালক দীপক চক্রবর্তীকে প্রধান এবং রাঙ্গামাটি জেলা ম্যাজিস্ট্রেট মোহাম্মদ নজরুল ইসলামকে সদস্য সচিব করে ৭ সদস্যের কমিটি করা হয়েছে। চট্টগ্রাম বিভাগীয় কমিশনার বলেছেন, কমিটিকে ১০ কার্যদিবসের মধ্যে প্রতিবেদন জমা দিতে বলা হয়েছে।

কমিটির অপর সদস্যের মধ্যে চট্টগ্রাম অঞ্চলের অতিরিক্ত ডিআইজি পদমর্যাদার একজন, পার্বত্য চট্টগ্রাম উন্নয়ন বোর্ডের যুগ্ম সচিব পদমর্যাদার একজন প্রতিনিধি, চট্টগ্রাম ৩০ আনসার ব্যাটালিয়নের পরিচালক ও ব্যাটালিয়ন অধিনায়ক, রাঙ্গামাটি বিজিবি সেক্টর সদর দফতরের মেজর পদমর্যাদার প্রতিনিধি ও রাঙ্গামাটি জেলা পরিষদের মুখ্য নির্বাহী কর্মকর্তাকে রাখতে বলা হয়েছে।

বাঘাইছড়ির ঘটনা পূর্বপরিকল্পিত -সিইসি : এদিকে মঙ্গলবার দুপুরে চট্টগ্রাম সার্কিট হাউসে প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) ব্রাশফায়ারের ঘটনাকে পূর্বপরিকল্পিত হিসেবে আখ্যায়িত করেছেন। বলেছেন, তবে নিরাপত্তার কোনো গাফিলতি ছিল না। দুষ্কৃতকারীরা সুযোগ বুঝে এ হামলা চালিয়েছে।

পুলিশসহ আইন প্রয়োগকারী সংস্থাকে এ ব্যাপারে দ্রুত ব্যবস্থা নিতে হবে। এ আগে সিইসি চট্টগ্রাম সম্মিলিত সামরিক হাসপাতালে চিকিৎসাধীন আহতদের দেখতে যান। সিইসি বলেন, বেশ কিছুদিন ধরেই পাহাড় অশান্ত। নির্বাচন ঘিরে সেটি আরও বেড়ে যাবে- এমন আশঙ্কাই করা হচ্ছিল।

সম্প্রতি চট্টগ্রামে নির্বাচন কমিশনার কবিতা খানম পাহাড়ে অতিরিক্ত নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদারের তাগিদ দেন। এরই মধ্যে এই হামলার ঘটনা ঘটল।

পর্যাপ্ত নিরাপত্তা ব্যবস্থা ও সতর্কতা ছিল আমাদের। সেনাবাহিনী, বিজিবি, র‌্যাব, পুলিশসহ নিরাপত্তাবাহিনী ভোটের দায়িত্বে ছিল। কিন্তু বহরে একাধিক গাড়ি ছিল। সামনে বিজিবির গাড়ি ছিল। কিন্তু পেছনের গাড়িটি হামলার শিকার হয়েছে। সেখানকার রাস্তাগুলো সংকীর্ণ। বহরে নিরাপত্তা বাহিনীর যে গাড়ি ছিল, সেটি সামনে চলে গিয়েছিল।

এতে পেছনের গাড়িটির সঙ্গে দূরত্ব সৃষ্টি হয়। সে সুযোগে দুষ্কৃতকারীরা হামলা চালিয়ে দ্রুত চলে যায়। এক প্রশ্নের জবাবে কেএম নুরুল হুদা বলেন, পেছনের গাড়িতে সশস্ত্র পুলিশ ছিল। তারাও হামলার শিকার হয়েছে। পুলিশের নিরাপত্তার ঘাটতি ছিল না। অপর এক প্রশ্নের জবাবে সিইসি বলেন, রাজনৈতিক দলগুলোর বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়ার সুযোগ নির্বাচন কমিশনের নেই। তবে দোষীদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে।

ইসির ৪৮ বছরের ইতিহাসে সবচেয়ে মর্মান্তিক ঘটনা -মাহবুব তালুকদার : বাঘাইছড়ির ঘটনার তীব্র নিন্দা জানিয়েছেন নির্বাচন কমিশনার মাহবুব তালুকদার। তিনি বলেন, পার্বত্য চট্টগ্রামের বাঘাইছড়িতে যা ঘটেছে, বাংলাদেশ নির্বাচন কমিশনের ৪৮ বছরের ইতিহাসে তা সবচেয়ে মর্মান্তিক ও শোকাবহ।

এই কাপুরুষোচিত আক্রমণ ও নিরপরাধ মানুষ হত্যার বিষয়ে নিন্দা জানানোর ভাষা আমার জানা নেই। মঙ্গলবার নিজ দফতরে এক লিখিত বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। তিনি নিহতদের আত্মার মাগফিরাত, আহতদের দ্রুত আরোগ্য ও সুস্থতা কামনা করেন।

রাঙ্গামাটির হত্যাকাণ্ড ‘সুপরিকল্পিত’ -ফখরুল : বাঘাইছড়িতে নির্বাচনী কর্মকর্তাদের ওপর আক্রমণ ও হত্যাকাণ্ডকে ‘সুপরিকল্পিত’ বলে দাবি করেছেন বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। মঙ্গলবার সহ-দফতর সম্পাদক তাইফুল ইসলাম টিপু স্বাক্ষরিত এক বিবৃতিতে মির্জা ফখরুল বলেন, আমরা নিহতদের আত্মার মাগফিরাত কামনা করছি এবং আহতদের সুচিকিৎসা নিশ্চিত করে আশু সুস্থতা কামনা করছি।

একই সঙ্গে এ ঘটনার সঙ্গে জড়িতদের খুঁজে বের করে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির জোর দাবি জানাচ্ছি। বিএনপি মহাসচিব বলেন, ভোটারবিহীন উপজেলা নির্বাচনে দখলদারিত্ব নিয়ে ক্ষমতাসীন দলের লোকেরা নিজেরাই খুনখারাপিতে লিপ্ত হয়ে পড়েছে। গণতন্ত্রহীনতা ও অবাধ, সুষ্ঠু নির্বাচনের অনুপস্থিতির কারণেই নির্বাচন নিয়ে দুর্বৃত্তদের দৌরাত্ম্য বেড়েই চলেছে।

হিংসা-বিদ্বেষ ক্ষমতাসীনদের রাজনৈতিক কর্মসূচি হওয়ার কারণে মানুষ হত্যার মতো নারকীয় ঘটনা ঘটছে মন্তব্য করে তিনি বলেন, উপজেলা নির্বাচনকে কেন্দ্র করে জনপদের পর জনপদে রক্তগঙ্গা বইছে।

সরকার হুমকি ও আতঙ্ক সৃষ্টি করেই ক্ষমতায় টিকে থাকতে চায়। এখন সন্ত্রাসের ব্যাধিতে আক্রান্ত বাংলাদেশ। অপর এক বিবৃতিতে বিএনপি মহাসচিব নেদারল্যান্ডসের ইউট্রেখট শহরে একটি ট্রামে বন্দুকধারীদের গুলিতে তিনজন নিহত ও নয়জন আহত হওয়ার ঘটনার তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছেন।

  • সর্বশেষ
  • সর্বাধিক পঠিত
সব খবর

ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক : সাইফুল আলম, প্রকাশক : সালমা ইসলাম

প্রকাশক কর্তৃক ক-২৪৪ প্রগতি সরণি, কুড়িল (বিশ্বরোড), বারিধারা, ঢাকা-১২২৯ থেকে প্রকাশিত এবং যমুনা প্রিন্টিং এন্ড পাবলিশিং লিঃ থেকে মুদ্রিত।

পিএবিএক্স : ৯৮২৪০৫৪-৬১, রিপোর্টিং : ৯৮২৪০৭৩, বিজ্ঞাপন : ৯৮২৪০৬২, ফ্যাক্স : ৯৮২৪০৬৩, সার্কুলেশন : ৯৮২৪০৭২। ফ্যাক্স : ৯৮২৪০৬৬ 

E-mail: [email protected]

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত ২০০০-২০১৯

converter
×