খেলাপিদের লাগাম টানতে বিশ্লেষকদের অভিমত

দ্বিতীয় দফায় ঋণ পুনর্গঠনের সুবিধা আর নয়

প্রস্তাবিত নীতিমালায় সবার আগে ভালো গ্রাহকদের মূল্যায়ন করার দাবি জোরালো হচ্ছে * কিছু বিষয়ে মন্ত্রণালয় ও বাংলাদেশ ব্যাংকের মতবিরোধ স্পষ্ট, রয়েছে ব্যাংকিং খাতে শৃঙ্খলা ভেঙে পড়ার আশঙ্কা * ৭% সুদহার নির্ধারণ থেকে পিছুটান, হিসাব হবে কস্ট অব ফান্ডের ভিত্তিতে

  দেলোয়ার হুসেন ২২ মার্চ ২০১৯, ০০:০০ | প্রিন্ট সংস্করণ

দ্বিতীয় দফায় ঋণ পুনর্গঠনের সুবিধা আর নয়

খেলাপিদের ঋণ নবায়নে বড় ধরনের আরও একটি সুযোগ দেয়া হচ্ছে।

সংশ্লিষ্ট কমিটির প্রতিবেদনে দ্বিমত পোষণ করা হলেও অর্থ মন্ত্রণালয়ের প্রস্তুতকৃত প্রস্তাবিত নীতিমালায় বলা হয়েছে, ২০১৫ সালে যেসব বড় গ্রাহক খেলাপি ঋণ নবায়নের সুবিধা নিয়েছেন তাদের মধ্যে যারা আবারও খেলাপি হয়েছেন, তাদেরকে ঋণ পুনর্গঠনের সুবিধা দেয়া হবে।

যদিও কমিটির সুপারিশ ছিল, ঋণ পুনর্গঠনের সুযোগ নিয়েও যারা পুনরায় খেলাপি হয়েছেন, তাদের আর এ সুবিধা দেয়া যাবে না।

ব্যাংকিং সেক্টরের কয়েকজন বিশ্লেষকও কমিটির এই সুপারিশের সঙ্গে একমত পোষণ করে যুগান্তরকে জানিয়েছেন, এভাবে খেলাপিদের বারবার সুযোগ দেয়া হলে তারা আরও উৎসাহিত হবে। ফলে ভবিষ্যতে কেউ আর ব্যাংক থেকে ঋণ নিয়ে টাকা দিতে চাইবে না। সবাই ইচ্ছা করে খেলাপি হবে। সেক্ষেত্রে পুরো ব্যাংক খাত একসময় ধসে পড়বে। বরং তারা মনে করেন, এ ধরনের নীতিমালায় সবার আগে ভালো গ্রাহকদের জন্য নানামুখী ছাড় দেয়ার সিদ্ধান্ত থাকা উচিত ছিল। অবস্থাদৃষ্টে মনে হচ্ছে, যারা নিয়মিত ব্যাংকের ঋণ পরিশোধ করেছেন, তারা যেন বৈমাত্রেয় ভাই। ভালো গ্রাহকরা মনে হয় ভুল করেছেন। বাস্তবিক অর্থে ভালো গ্রাহকদের উৎসাহিত করতে ঋণের সুদের হার কমানোসহ নানাভাবে ছাড় দেয়া প্রয়োজন। তাহলে দেশে যেমন ভালো উদ্যোক্তার সংখ্যা বাড়বে, তেমনি শিল্প আরও সম্প্রসারিত হবে। বিনিয়োগ বাড়বে। সংগতকারণে সরকারের কর্মসংস্থান সৃষ্টির লক্ষ্যমাত্রাও সহজে অর্জিত হবে। কিন্তু বাস্তবতা হল, সরকারের সব পলিসি আসছে ঋণখেলাপিদের পক্ষে। এটি নানা প্রশ্নের জন্ম দিচ্ছে।

সাবেক তত্ত্বাবধায়ক সরকারের উপদেষ্টা ড. এবি মির্জ্জা আজিজুল ইসলাম বৃহস্পতিবার যুগান্তরকে বলেন, ঋণখেলাপিদের বারবার এ ধরনের সুযোগ দেয়া মোটেও ঠিক হবে না। কেননা দেশে বা আন্তর্জাতিক অঙ্গনে বর্তমানে কোনো বিপর্যয় নেই। ফলে তারা বলতে পারবেন না, এমন পরিস্থিতির কারণে তারা খেলাপি হয়েছেন। এ অবস্থায় খেলাপিদের নতুন সুযোগ দেয়ার ঘোর বিপক্ষে তিনি।

এদিকে ঋণখেলাপিদের বিশেষ ছাড় দেয়ার ব্যাপারে কমিটির অপর এক সুপারিশের পরিপ্রেক্ষিতে বাংলাদেশ ব্যাংক মতামত দিয়েছে, খেলাপিদের বারবার বেশি সুযোগ দিলে ভালো গ্রাহকদের মধ্যেও ঋণখেলাপি হয়ে এ ধরনের সুযোগ নেয়ার আশঙ্কা দেখা দেবে। এতে ব্যাংকিং খাতে ঋণ শৃঙ্খলা ভেঙে পড়বে।

সূত্র জানায়, কমিটির প্রতিবেদনের বিষয়ে এরই মধ্যে বাংলাদেশ ব্যাংক ও সরকারি-বেসরকারি কয়েকটি বাণিজ্যিক ব্যাংকের চেয়ারম্যান ও ব্যবস্থাপনা পরিচালকদের মতামত নেয়া হয়েছে। এ মতামতের ভিত্তিতে ২৭ ফেব্রুয়ারি অর্থ মন্ত্রণালয়ে আর্থিক প্রতিষ্ঠান বিভাগের সচিবের নেতৃত্বে একটি বৈঠকও হয়েছে। এর ভিত্তিতে একটি নীতিমালা তৈরি করা হচ্ছে। ওই নীতিমালা তৈরি করতে গিয়ে ঋণখেলাপিদের বিভিন্ন সুবিধা দেয়ার বিষয়ে অর্থ মন্ত্রণালয় ও বাংলাদেশ ব্যাংকের মধ্যে মতবিরোধ দেখা দিয়েছে। এ বিষয়ে অনেক ক্ষেত্রে কেন্দ্রীয় ব্যাংকের মতামতকে উপক্ষো করে অর্থ মন্ত্রণালয় থেকে এককভাবে সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে। এমন অভিযোগ সংশ্লিষ্টদের।

কমিটি খেলাপি ঋণ পুনর্গঠনে সুদের হার বেসিক ব্যাংক ছাড়া সব ব্যাংকের ক্ষেত্রে ৭ শতাংশ করার সুপারিশ করেছিল। বেসিক ব্যাংকের ক্ষেত্রে এ হার ৯ শতাংশ। বাংলাদেশ ব্যাংক এতে আপত্তি করে। তাদের মতে, ৭ শতাংশ সুদে খেলাপি ঋণ নবায়নের সুযোগ দিলে ব্যাংকগুলো ক্ষতির মুখে পড়বে। এ কারণে সুদের হার সংশ্লিষ্ট ব্যাংকের কস্ট অব ফান্ডের সমান হওয়া উচিত। কোনোক্রমেই তা কস্ট অব ফান্ড বা তহবিল ব্যবস্থাপনা ব্যয়ের কম হওয়া ঠিক হবে না। তাদের এ মতামতের ভিত্তিতে সিদ্ধান্ত হয় ঋণ পুনর্গঠনের ক্ষেত্রে সুদের হার হবে ব্যাংকের কস্ট অব ফান্ডের সমান।

সূত্র বলছে, সরকারি খাতের ব্যাংকগুলো তহবিল ব্যবস্থাপনা ব্যয়ের কম সুদে খেলাপি ঋণ নবায়ন করতে পারবে বলে মতামত দিয়েছে অর্থ মন্ত্রণালয়। এক্ষেত্রে মন্ত্রণালয় থেকে জারি করা দুটি প্রজ্ঞাপন শিথিল করতে হবে। কেননা এর আগে মন্ত্রণালয়ের জারি করা প্রজ্ঞাপনে সুদ মওকুফের ক্ষেত্রে কস্ট অব ফান্ডের কম নেয়ার ব্যাপারে নিষেধাজ্ঞা আরোপ করা হয়েছিল।

বাংলাদেশ ব্যাংকের মতে, কমিটির সুপারিশ করা কিছু খাতে খেলাপিদের স্বল্প সুদে সুবিধা দেয়া হলে ব্যাংক তাদের আয়ের যে অংশ থেকে বঞ্চিত হবে, তা পুষিয়ে নিতে অন্যান্য খাতের ভালো ঋণগ্রহীতাদের ওপর অতিরিক্ত সুদ আরোপসহ নানামুখী চাপ বাড়িয়ে দেবে। তাহাড়া পুনঃতফসিল ঋণের জন্য স্বল্প সুদ আরোপ করা হলে ওই সুবিধা গ্রহণ করার জন্য ভালো গ্রাহকও ইচ্ছাকৃতভাবে ঋণখেলাপি হওয়ার চেষ্টা করবে। এমন আশঙ্কাও রয়েছে। ব্যাংক ব্যবসায় কস্ট অব ফান্ড একটি গুরুত্বপূর্ণ নির্দেশক। ঋণ নবায়ন ও সুদহার নির্ধারণের ক্ষেত্রে প্রচলিত নীতিমালার পাশাপাশি ব্যাংকের দায়-দেনার সম্পদ, কস্ট অব ফান্ড, তারল্য ব্যবস্থাপনা বিবেচনায় নিতে হবে।

এ প্রসঙ্গে অগ্রণী ব্যাংকের চেয়ারম্যান, বিশিষ্ট অর্থনীতিবিদ ও কমিটির চেয়ারম্যান ড. জায়েদ বখত বলেন, কোনো ব্যাংক যাতে ক্ষতিগ্রস্ত না হয়, সেজন্য কস্ট অব ফান্ড হারে সুদহার নির্ধারিত হবে। তা অবশ্যই হবে সরল হার সুদে।

সূত্র জানায়, বর্তমানে বেসিক ব্যাংকে কস্ট অব ফান্ড ১০ শতাংশ, কৃষি ব্যাংকে ১০ শতাংশ, সরকারি ব্যাংকগুলোয় ৯ থেকে ১০ শতাংশ। বেসরকারি ব্যাংকগুলোয় ৯ থেকে ১২ শতাংশ পর্যন্ত রয়েছে।

কমিটির মতে, পুনর্গঠন করা ঋণ শোধের ক্ষেত্রে গ্রাহকরা ১ থেকে ২ বছরের গ্রেস পিরিয়ডসহ সর্বোচ্চ ১৫ বছরের সুযোগ পাবেন। বাংলাদেশ ব্যাংকের মতে, ঋণ পুনর্গঠণে চলতি মূলধন ঋণের মেয়াদ সর্বোচ্চ ছয় বছর এবং মেয়াদি ঋণের মেয়াদ সর্বোচ্চ ১০ বছর করার পরামর্শ দিয়েছিল। কিন্তু সেটি আমলে নেয়া হয়নি। এই সুবিধা নেয়ার পর গ্রাহক সংশ্লিষ্ট ব্যাংক থেকে শুধু চলতি মূলধন হিসাবে নতুন ঋণ নিতে পারবেন। এক্ষেত্রে ৫০ শতাংশ জামানত দিতে হবে। বাকি ৫০ শতাংশ জামানতের বিপরীতে ব্যবসায়িক তহবিল সৃষ্টি করে আমানত হিসাবে জামানত রাখতে হবে। কমিটির সুপারিশে বলা হয়, কৃষি খাতের খেলাপি ঋণ কোনো রকম ডাউন পেমেন্ট ছাড়াই নবায়ন করা যাবে। বেসিক ব্যাংকের ক্ষুদ্রঋণে ২ শতাংশ ডাউন পেমেন্ট দিতে হবে। বাংলাদেশ ব্যাংকের মতে, ডাউন পেমেন্ট প্রদানের মাধ্যমে গ্রাহকের ঋণ পরিশোধের সদিচ্ছা প্রকাশ পায়। বিনা ডাউন পেমেন্টে ঋণ নবায়নের সুযোগ দেয়া হলে ইচ্ছাকৃত খেলাপিরা তা অপব্যবহার করতে পারেন। ঋণ শৃঙ্খলার স্বার্থে ঋণ স্থিতির সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে স্বল্পমাত্রায় হলেও বিভিন্ন হারে ডাউন পেমেন্ট ধার্য করা সমীচীন হবে।

এ বিষয়ে অর্থ মন্ত্রণালয়ের মতামত হচ্ছে, ডাউন পেমেন্টর ক্ষেত্রে বাংলাদেশ ব্যাংকের নিয়ম পরিপূর্ণভাবে পালন করলে ক্ষতিগ্রস্ত ঋণগ্রহীতারা ঋণ পরিশোধে অনাগ্রহ প্রকাশ করবেন। এক্ষেত্রে ১ শতাংশ বা ১ কোটি টাকা যেটি কম, তা নির্ধারণ করা যেতে পারে। ফলে তাদের মতামতের ভিত্তিতেই সিদ্ধান্ত হয় ডাউন পেমেন্ট ঋণ স্থিতির ১ শতাংশ বা ১ কোটি টাকার যেটি কম, সেটি জমা দিয়ে আবেদন করতে হবে।

কমিটি ঋণ নবায়নের বাংলাদেশ ব্যাংক থেকে সিদ্ধান্ত প্রাপ্তির পর থেকে সর্বোচ্চ ২ বছর গ্রেস পিরিয়ড পাবে। অর্থাৎ ওই সময়ে কোনো ঋণ শোধ করতে পারবে না। এ বিষয়ে বাংলাদেশ ব্যাংক বলেছে, গ্রেস পিরিয়ডের সময় নির্ভর করে ঋণগ্রহীতার ব্যবসার ধরনের ওপর। এটি প্রকল্প ভেদে নির্ধারণ একেক রকম করতে হবে। বিশেষ করে প্রকল্পের মেয়াদি ঋণ হলে ২ বছর বিবেচনা করা যেতে পারে। অন্য খাতে এক বছর। এর পরিপ্রেক্ষিতে গ্রেস পিরিয়ড ব্যবসার ধরন ভেদে ১ থেকে ২ বছর করা হয়েছে।

কমিটির মতে, ত্রৈমাসিক ভিত্তিতে ঋণের কিস্তি পরিশোধিত হবে। কিস্তির মধ্যে মোট আসল ও সুদ আনুপাতিক হারে আদায়যোগ্য হবে। ত্রৈমাসিক বা তিন মাস পর পর ২টি কিস্তি এবং মাসিক কিস্তি হলে পর পর ৬টি কিস্তি খেলাপি হলে বিবেচ্য সুবিধা বাতিল বলে গণ্য হবে। এ সুবিধা পেতে গ্রাহকের আগাম তারিখ যুক্ত এবং স্বাক্ষরিত প্রয়োজনীয় সংখ্যক চেক ব্যাংকের কাছে জমা রাখতে হবে। এসব বিষয়ে বাংলাদেশ ব্যাংকও একমত পোষণ করেছে।

কমিটির মতে, এ সুবিধা নিলে অনারোপিত সুদের শতভাগ আয় খাত না নিয়ে সুদবিহীন আলাদা একটি ব্লক অ্যাকাউন্টে স্থানান্তর করতে হবে। ঋণটি সম্পূর্ণ পরিশোধের পর বিবেচ্য ব্লক অ্যাকাউন্টে রক্ষিত সুদের অংশ চূড়ান্ত মওকুফ হিসেবে বিবেচেনা করতে হবে।

বাংলাদেশ ব্যাংকের মতে, নীতিমালা অনুযায়ী ব্যাংক-গ্রাহক সম্পর্কের ভিত্তিতে কোনো ব্যাংকের পর্ষদ সুদ মওকুফ করতে পারে। এক্ষেত্রে কোনোভাবেই আয় খাত ডেবিট করে বা কস্ট অব ফান্ড ঘাটতি দিয়ে সুদ মওকুফ করা সমীচীন হবে না। কস্ট অব ফান্ড ঘাটতি দিয়ে বিশেষ খাতের ঋণগ্রহীতাদের সুদ মওকুফ করা হলে আমানতকারীদের স্বার্থ যেমন ক্ষুণ্ণ হবে, তেমনি ব্যাংকের মুনাফায়ও নেতিবাচক প্রভাব পড়বে। তবে সরকারি ব্যাংকের সুদ মওকুফের ক্ষেত্রেও কস্ট অব ফান্ডে ঘাটতি রেখে ছাড় দেয়ার সুযোগ নেই। এটি করতে হলে সরকারি প্রজ্ঞাপন সংশোধন করতে হবে।

এদিকে সরকার চাচ্ছে, আর্থিক প্রতিষ্ঠান বিভাগ থেকে জারি করা প্রজ্ঞাপন সংশোধন করে কস্ট অব ফান্ডের চেয়ে কম হারে অর্থ নিয়ে সুদ মওকুফের সুবিধা বাস্তবায়ন করতে।

এ প্রসঙ্গে বাংলাদেশ ব্যাংকের সাবেক গভর্নর ড. সালেহউদ্দিন আহমেদ বলেন, দেশের অর্থনীতির স্বার্থে কৃষি, ক্ষুদ্রশিল্পসহ কিছু খাতে কস্ট অব ফান্ডের চেয়ে কম সুদ নেয়া যেতে পারে। কিন্তু এটি সব খাতে নেয়া ঠিক হবে না। কেননা এতে ব্যাংকের আয় কমে যাবে। তখন ব্যাংক বিপদে পড়বে।

কমিটির মতে, সুদ মওকুফের পর যদি অবশিষ্ট অংশ থাকে তবে সেগুলো সুদবিহীন আলাদা ব্লক হিসাবে (যে হিসাবে সুদের ওপর কোনো ধরনের সুদ আরোপ হবে না) রেখে তা থেকে ২ বছর গ্রেস পিরিয়ডসহ সর্বোচ্চ ১৫ বছরের ত্রৈমাসিক কিস্তিতে পরিশোধ করতে হবে। বাংলাদেশ ব্যাংকের মতে, এ বিষয়ে মূল ঋণের পরিশোধ সূচির সঙ্গে সংগতি রেখে সুদ পরিশোধ সূচি ঠিক করতে হবে।

কমিটির মতে, এই ধরনের সুবিধা গ্রহণের ক্ষেত্রে যদি গ্রাহকের বিরুদ্ধে আগে থেকে ব্যাংকের দায়ের করা মামলা থাকে তবে সে মামলার সমুদয় খরচ ঋণ পুনঃতফসিল সুবিধা পাওয়ার ১৫ দিনের মধ্যে গ্রাহককে পরিশোধ করতে হবে। কোনো গ্রাহক ঋণ নবায়নের শর্ত ভঙ্গ করলে ব্যাংকের দায়ের করা স্থগিত মামলা পুনরায় চালু হবে। এ বিষয়ে বাংলাদেশ ব্যাংকও একমত পোষণ করেছে।

আরও পড়ুন
  • সর্বশেষ
  • সর্বাধিক পঠিত
সব খবর

ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক : সাইফুল আলম, প্রকাশক : সালমা ইসলাম

প্রকাশক কর্তৃক ক-২৪৪ প্রগতি সরণি, কুড়িল (বিশ্বরোড), বারিধারা, ঢাকা-১২২৯ থেকে প্রকাশিত এবং যমুনা প্রিন্টিং এন্ড পাবলিশিং লিঃ থেকে মুদ্রিত।

পিএবিএক্স : ৯৮২৪০৫৪-৬১, রিপোর্টিং : ৯৮২৪০৭৩, বিজ্ঞাপন : ৯৮২৪০৬২, ফ্যাক্স : ৯৮২৪০৬৩, সার্কুলেশন : ৯৮২৪০৭২। ফ্যাক্স : ৯৮২৪০৬৬ 

E-mail: [email protected]

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত ২০০০-২০১৯

converter
×