হাইকোর্টকে বিভ্রান্ত করায় আদেশ প্রত্যাহার

সুবর্ণচরের সেই রুহুলের জামিন বাতিল

এভাবে জামিন নেয়ার ঘটনা নজিরবিহীন-অ্যাটর্নি জেনারেল * শুনানিতে আট আসামি ও ভিকটিমের জবানবন্দির বিষয়টি গোপন করা হয় * তথ্য গোপন করায় আইনজীবীর সনদ বাতিলসহ আদালত অবমাননার আবেদন করা হচ্ছে * রুহুল আমিনসহ ১৬ জনকে অভিযুক্ত করে তৈরি হচ্ছে চার্জশিট * বাদীকে এলাকা ছাড়ার হুমকি

  মিজান মালিক ও আলমগীর হোসেন ২৪ মার্চ ২০১৯, ০০:০০ | প্রিন্ট সংস্করণ

জামিন বাতিল

আদালতকে বিভ্রান্ত করে নোয়াখালীর সুবর্ণচরে সংসদ নির্বাচনের ভোটগ্রহণের রাতে গৃহবধূকে গণধর্ষণের ঘটনায় আসামি রুহুল আমিন জামিন নিয়েছিল।

বিষয়টি রাষ্ট্রপক্ষের নজরে আসায় শনিবার সুপ্রিমকোর্টের হাইকোর্ট বিভাগের একই বেঞ্চ রুহুল আমিনের পক্ষে দেয়া ওই আদেশ প্রত্যাহার (রিকল) করে তার জামিন বাতিল করেন। এদিন সরকারি ছুটি থাকায় বিচারকরা খাসকামরায় বসে এ আদেশ দেন। ফলে আওয়ামী লীগের বহিষ্কৃত স্থানীয় পর্যায়ের এই নেতার মুক্তি মিলছে না।

আদালতকে বিভ্রান্ত করে জামিন করায় রুহুল আমিনের আইনজীবীর সনদ বাতিলসহ তার বিরুদ্ধে আদালত অবমাননার মামলা করা হবে বলে জানিয়েছেন অ্যাটর্নি জেনারেল মাহবুবে আলম। এই জাামিন নেয়ার বিষয়টি নজিরবিহীন বলেও মন্তব্য করেন তিনি।

এদিকে ধর্ষিতার স্বামী ও মামলার বাদী সিরাজুল ইসলাম যুগান্তরের কাছে অভিযোগ করে বলেছেন, ওরা (আসামি) বলছে, আমাকে এলাকাছাড়া করবে। জানতে চাইলে জাতীয় মানবাধিকার কমিশনের চেয়ারম্যান কাজী রিয়াজুল হক বলেছেন, আসামিদের স্বীকারোক্তিতে রুহুল আমিনসহ যাদের নাম এসেছে তাদের শাস্তি হওয়া উচিত। ক্ষতিগ্রস্ত পরিবার ও মামলার বাদীর নিরাপত্তা নিশ্চিত করারও দাবি জানান তিনি।

১৮ মার্চ হাইকোর্ট থেকে এক বছরের জন্য অন্তর্বর্তীকালীন জামিন পায় রুহুল আমিন। সে জামিন আদেশের অনুলিপি রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবীরা হাতে পান ২১ মার্চ। সূত্র জানায়, এর আগেও এভাবে মিথ্যা তথ্য দিয়ে কিংবা জালিয়াতির আশ্রয় নিয়ে একাধিক জামিনের ঘটনা ঘটেছে। এসব ঘটনা তদন্ত সাপেক্ষে দৃষ্টান্তমূলক ব্যবস্থা নেয়ার পরামর্শ দিয়েছেন আইন বিশেষজ্ঞরা।

এদিকে গৃহবধূ গণধর্ষণ ঘটনায় দায়ের করা মামলার তদন্তও শেষ পর্যায়ে রয়েছে বলে জানা গেছে। তদন্তকালে এজাহারভুক্ত একাধিক আসামির স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দিতে আসামির তালিকায় রুহুল আমিনের নাম এসেছে। এছাড়া তার আরও কয়েকজন সহযোগীর নামও এসেছে। মামলার আসামি ছিল ৯ জন। তদন্ত শেষে রুহুল আমিনসহ অন্তত ১৫ থেকে ১৬ জনের নামে চার্জশিট প্রস্তুত হচ্ছে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে।

একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ভোটগ্রহণের রাতে সুবর্ণচরে গৃহবধূকে ধর্ষণের ঘটনায় আসামি রুহুল আমিনকে গত সোমবার জামিন দিয়েছিলেন বিচারপতি মামনুন রহমান ও বিচারপতি এসএম কুদ্দুস জামানের সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চ। এর দু’দিন পর বৃহস্পতিবার ওই বেঞ্চের ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল বিশ্বজিৎ রায় সাংবাদিকদের বলেছিলেন, আসামির আইনজীবী রাষ্ট্রপক্ষকে বিভ্রান্ত করেছেন। জামিন আবেদনে উল্লেখ আছে এনএক্স-১৭ নম্বর কোর্টের কথা।

অর্থাৎ বিচারপতি এম ইনায়েতুর রহিম ও বিচারপতি মোস্তাফিজুর রহমানের আদালতে আবেদনটি শুনানির জন্য ফাইল হয়েছে। ফলে আবেদনটির অনুলিপি গেছে ওই কোর্টের ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেলের দফতরে। যেদিন জামিন হয় সেদিন সত্যিকার অর্থে আমরা বুঝতেই পারিনি, কার জামিন হয়েছে। আদালতে রুহুল আমিনের পক্ষে আইনজীবী ছিলেন মো. আশেক-ই-রসুল। বিষয়টি রাষ্ট্রপক্ষ আদালতের নজরে আনার পর আদালত বিষয়টি গুরত্বের সঙ্গে নেন।

যে প্রক্রিয়ায় জামিন : আসামি রুহুল আমিনের পক্ষে গত ২৯ জানুয়ারি জামিন চেয়ে নোয়াখালী দায়রা জজ আদালতে আবেদন জানায় তার এক আইনজীবী। ৪ মার্চ আবেদন নামঞ্জুর করেন ওই আদালত। এরপর রুহুল আমিনের পক্ষে জামিন চেয়ে হাইকোর্টে আবেদন করেন আইনজীবী আশেক-ই-রসুল। ওই আইনজীবী জামিন আবেদনটি এনেক্স ১৭ নম্বর কোর্টে বিচারপতি এম ইনায়েতুর রহিম ও বিচারপতি মোস্তাফিজুর রহমানের আদালতে শুনানির জন্য ফাইল করা হয়। এ সংক্রান্ত নথিও দেয়া হয় অ্যাটর্নি জেনারেল অফিসকে। ফলে আবেদনটির অনুলিপি চলে যায় ওই কোর্টের ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেলের দফতরে। কিন্তু পরবর্তীকালে (১৪ নম্বর কোর্টে) বিচারপতি মামনুন রহমান ও বিচারপতি এসএম কুদ্দুস জামানের হাইকোর্ট বেঞ্চে শুনানির জন্য ওঠে। এ সময় ওই বেঞ্চের সংশ্লিষ্ট ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেলকে জামিন আবেদনের কোনো নথি সরবরাহ করা হয়নি। এরই মধ্যে আদালতে ভুল তথ্য উপস্থাপন করে জামিন আদেশ নেয়া হয়।

যেসব তথ্য গোপন করা হয় : জামিন আবেদনে ভুল তথ্য উপস্থাপন করা হয়েছে বলে জানান সংশ্লিষ্ট বেঞ্চের ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল বিশ্বজিৎ রায়। তিনি যুগান্তরকে বলেন, জামিন আবেদনের সঙ্গে বলা হয়, আসামি রুহুল আমিন এফআইআরভুক্ত আসামি নয়। শুনানির সময় এ মামলায় গ্রেফতারকৃত ৮ আসামির ১৬৪ ধারায় দেয়া জবানবন্দি এবং ২২ ধারায় দেয়া ধর্ষিতার জবানবন্দির বিষয়টি গোপন করা হয়। শুনানির সময় আইনজীবী আশেক-ই-রসুল বলেন, আসামি রুহুল আমিন ঘটনার সঙ্গে জড়িত নয়। সম্পূর্ণ রাজনৈতিক কারণে তাকে এ মামলায় জড়ানো হয়েছে।

অ্যাটর্নি জেনারেল মাহবুবে আলম বলেছেন, ‘সুবর্ণচরের গণধর্ষণের ঘটনার মূল হোতা রুহুল আমিনের জামিন নজিরবিহীন ঘটনা। যেখানে পুরো জাতি ধর্ষণ মামলার ব্যাপারে উদ্বিগ্ন এবং ক্ষুব্ধ, সেখানে জামিন হওয়ায় সবাই হতবাক।’ রুহুল আমিনের জামিন বাতিলের আদেশের পর শনিবার দুপুরে অ্যাটর্নি জেনারেলের কার্যালয়ে তাৎক্ষণিক প্রতিক্রিয়ায় এসব কথা বলেন তিনি।

অ্যাটর্নি জেনারেল বলেন, সুবর্ণচরের আলোচিত গণধর্ষণ মামলার আসামি মো. রুহুল আমিনের জামিনের জন্য তার একজন আইনজীবী হাইকোর্টে আবেদন জানিয়েছিলেন। সে আইনজীবীর নাম আশেক-ই-রসুল। তিনি আমাদের অফিসকে (অ্যাটর্নি জেনারেলের কার্যালয়) জানিয়েছিলেন, তার আবেদনটি বিচারপতি এম ইনায়েতুর রহিমের বেঞ্চে শুনানি হবে। কিন্তু তিনি আবেদনটি বিচারপতি মামনুন রহমানের বেঞ্চে শুনানি করেন এবং এই মামলার স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি ও ভিকটিমের জবানবন্দি সন্নিবেশিত না করে আদালতকে ভুল বুঝিয়ে ওই আইনজীবী জামিন নেন। পরে আমাদের অফিস থেকে সংশ্লিষ্ট কোর্টের বিচারপতিদের যখন বিষয়টি অবহিত করা হয় তখন শনিবার সকালে তারা চেম্বারে বসে এই জামিন আদেশটি রিকল করে বাতিল করেছেন। এর ফলে ওই আসামিকে দেয়া আগের জামিন আদেশটি বাতিল হয়ে গেল।

তার অন্তর্বর্তীকালীন জামিনও আর কার্যকর থাকল না। এখন আমরা বিষয়টি সংশ্লিষ্টদের জানিয়ে দেব, আসামি যাতে জেল থেকে বের হতে না পারে। তিনি আরও বলেন, আমরা বিষয়টি প্রধান বিচারপতির নজরে আনব। যদি আদালতের সামনে সব তথ্যপ্রমাণ সন্নিবেসিত হতো তবে অবশ্যই আদালত ওই আসামির জামিন দিতেন না।

আদালতকে ভুল বুঝিয়ে জামিন নেয়া হয়েছিল, যা আদালত বুঝতে পেরে আদেশটি রিকল করে জামিন বাতিল করেছেন। রুহুল আমিনের আইনজীবীর বিষয়টি প্রথমে প্রধান বিচারপতির নজরে আনব। পরে প্রয়োজনে বার কাউন্সিলের নজরে আনা হবে। মাহবুবে আলম আরও বলেন, আগামী ২৫ মার্চ আমি আদালতের কাছে ওই আইনজীবীর বিরুদ্ধে আদালত অবমাননার রুল জারির আরজি জানাব। এদিকে রুহুল আমিনের জামিনের ঘটনাটি দুঃখজনক উল্লেখ করে সাবেক আইনমন্ত্রী ব্যারিস্টার শফিক আহমেদ যুগান্তরকে বলেন, ‘আমি শুনেছি হাইকোর্টে নাকি এখন ৪০ সেকেন্ডে একটি মামলা নিষ্পত্তি হচ্ছে। একটা মামলায় উভয়পক্ষের বক্তব্য শুনে তারপর আদালত আদেশ দেবেন। উভয়পক্ষের বক্তব্য শুনতে হলে কি এক মিনিট পর্যাপ্ত সময়?

তিনি বলেন, ধর্ষণের মামলায় আসামির জামিনের ঘটনাটি আমি শুনেছি। এমন গুরুত্বপূর্ণ এবং স্পর্শকাতর মামলার ক্ষেত্রে আদালতকে আরও সতর্কতার সঙ্গে কাজ করতে হবে বলেও জানান তিনি। অপরদিকে সংশ্লিষ্ট আসামির আইনজীবীর বিরুদ্ধে বার কাউন্সিল প্রশাসনিক ব্যবস্থা নিতে পারে বলে মনে করেন বিশিষ্ট সংবিধান বিশেষজ্ঞ ড. শাহদীন মালিক। তিনি বলেন, এমন একটি আলোচিত ধর্ষণ মামলার আসামির জামিন প্রত্যাহার করেছেন হাইকোর্ট, এটা নিঃসন্দেহে প্রশংসনীয়।

আদালতে রুহুল আমিনের পক্ষের আইনজীবী মো. আশেক-ই-রসুলের বক্তব্য জানতে শনিবার বিকাল সাড়ে ৪টার দিকে একাধিকবার তার মোবাইল ফোনে ডায়াল করা হয়। রিং পড়লেও তিনি ফোন রিসিভ করেননি।

নিরাপত্তাহীনতায় বাদী : ধর্ষিতার স্বামী ও মামলার বাদী সিরাজুল ইসলাম শনিবার যুগান্তরকে বলেন, ওরা বলছে আমাকে এলাকাছাড়া করবে। কে কে হুমকি দিয়েছে জানতে চাইলে তিনি বলেন, রুহুলের কয়েকজন সহযোগী অনেক বাড়াবাড়ি করছে। আমি মামলার খোঁজ নিতে ২১ মার্চ মাইজদির সোনাপুর হয়ে বাসে করে ঢাকা যাওয়ার জন্য স্টেশনে গেলে তার (রুহুল) ৭-৮ জন সহযোগী আমাকে অনুসরণ করে। আমার গাড়ি ‘চেক দেয়’। আমি ভয়ে পরে অন্য রোডে দত্তের হাট থেকে গাড়ি করে ঢাকায় যাই। তিনি বলেন, রুহুল আমিন ও তার সহযোগীদের জামিন হলে বা বিচার না হলে আমাদের মতো ভুক্তভোগী এই মাটিতে বাঁচতে পারবে না বলেও মন্তব্য করেন তিনি।

তদন্তের সর্বশেষ অবস্থা : সুবর্ণচরের গণধর্ষণ মামলা তদন্তের সর্বশেষ অবস্থা কি জানতে চাইলে তদন্ত কর্মকর্তা এসআই জাকির হোসেন শনিবার যুগান্তরকে বলেন, আমি যে মামলাটি তদন্তের জন্য পাই তাতে ৯ জনের নাম ছিল। রুহুল আমিনের নাম ছিল না। তবে ধর্ষিতা আদালতের কাছে কার্যবিধির ১২২ ধারায় জবানবন্দি দিয়ে রুহুল আমিনসহ অপরাপর অপরাধীদের নাম প্রকাশ করেছে। একই সঙ্গে মামলার আসামিদের মধ্যে ৮ জন গ্রেফতার হয়েছে। তাদের মধ্যে কয়েকজন ফৌজদারি কার্যবিধির ১৬৪ ধারায় দেয়া স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দিতে রুহুল আমিনের অপরাধের কথা বলেছে। তারা স্বীকার করেছে রুহুল আমিনই প্রধান অভিযুক্ত। তদন্তে এজাহারের বাইরেও ৬-৭ জনের নাম এসেছে বলে জানান তিনি। যাদের মধ্যে রুহুল আমিনের নামও রয়েছে। মামলার আসামিদের বিরুদ্ধে চার্জশিট দিতে কতদিন সময় লাগতে পারে জানতে চাইলে তদন্ত কর্মকর্তা বলেন, আশা করি স্বল্প সময়ের মধ্যেই আদালতে চার্জশিট দিতে পারব। কারণ আমার তদন্ত প্রায় শেষ পর্যায়ে রয়েছে। তদন্তে নতুন যেসব আসামির নাম এসেছে তা তিনি তার ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকেও জানিয়েছেন।

প্রসঙ্গত, রুহুল আমিন সুবর্ণচর উপজেলা আওয়ামী লীগের প্রচার সম্পাদক ছিলেন। ধর্ষণের আসামি হওয়ার পর তাকে বহিষ্কার করা হয় দল থেকে। তিনি চরজুবিলী ইউনিয়ন পরিষদের ৪ নম্বর ওয়ার্ডের সাবেক সদস্য। গত ৩০ ডিসেম্বর সুবর্ণচরের মধ্যবাগ্যা গ্রামে রুহুল আমিনের সহযোগীরা স্বামী-সন্তানকে বেঁধে রেখে চল্লিশোর্ধ্ব ওই নারীকে ধর্ষণ করে বলে অভিযোগ এসেছে। একাদশ জাতীয় সংসদের ভোটের রাতে এই ধর্ষণের ঘটনা ঘটে। আলোচিত এই মামলায় রুহুল আমিনসহ ১০ জনকে গ্রেফতার করে পুলিশ। ওই গৃহবধূর স্বামীর করা এই মামলার এজাহারে মোট নয়জনকে আসামি করা হয়েছিল। রুহুল আমিনকে আসামি করতে না পারায় চট্টগ্রাম রেঞ্জের ডিআইজি খন্দকার গোলাম ফারুকের কাছে হতাশা প্রকাশ করেছিলেন ওই নারী। পরে রুহুল আমিনকেও আসামি হিসেবে গ্রেফতার করা হয়। অন্য আসামিরা হলেন- মো. সোহেল (৩৫), মো. হানিফ (৩০), মো. স্বপন (৩৫), মো. চৌধুরী (২৫), মো. বেচু (২৫), বাদশা আলম ওরফে কুড়াইল্যা বাসু (৪০), আবুল (৪০), মোশারফ (৩৫) ও সালাউদ্দিন (৩৫)।

আরও পড়ুন
  • সর্বশেষ
  • সর্বাধিক পঠিত
সব খবর

ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক : সাইফুল আলম, প্রকাশক : সালমা ইসলাম

প্রকাশক কর্তৃক ক-২৪৪ প্রগতি সরণি, কুড়িল (বিশ্বরোড), বারিধারা, ঢাকা-১২২৯ থেকে প্রকাশিত এবং যমুনা প্রিন্টিং এন্ড পাবলিশিং লিঃ থেকে মুদ্রিত।

পিএবিএক্স : ৯৮২৪০৫৪-৬১, রিপোর্টিং : ৯৮২৪০৭৩, বিজ্ঞাপন : ৯৮২৪০৬২, ফ্যাক্স : ৯৮২৪০৬৩, সার্কুলেশন : ৯৮২৪০৭২। ফ্যাক্স : ৯৮২৪০৬৬ 

E-mail: [email protected]

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত ২০০০-২০১৯

converter
×