খালেদা জিয়ার বিরুদ্ধে রায়ের প্রতিবাদ

রাজধানীতে শান্তিপূর্ণ বিক্ষোভ সারা দেশে বাধা লাঠিচার্জ

দেশের বিভিন্ন স্থানে আহত ২৯ * বিএনপি-জামায়াতের নেতাকর্মীসহ আরও গ্রেফতার ২১০ * ঢাকায় ফখরুলের নেতৃত্বে বিক্ষোভ

  যুগান্তর রিপোর্ট ১০ ফেব্রুয়ারি ২০১৮, ০০:০০ | প্রিন্ট সংস্করণ

বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া ও সিনিয়র ভাইস চেয়ারম্যান তারেক রহমানের বিরুদ্ধে রায়ের প্রতিবাদে রাজধানীসহ সারা দেশে বিক্ষোভ মিছিল করেছে দলের নেতাকর্মীরা। ঢাকায় শান্তিপূর্ণ হলেও দেশের বিভিন্ন স্থানে বিক্ষোভ মিছিলে বাধা দিয়েছে পুলিশ। এ সময় কোথাও কোথাও পুলিশ ও নেতাকর্মীদের মধ্যে ধাওয়া-পাল্টাধাওয়া, ইট-পাটকেল নিক্ষেপ, লাঠিচার্জ ও রাবার বুলেট নিক্ষেপের ঘটনা ঘটে। এতে পুলিশসহ আহত হয়েছেন ২৯ জন। এদিকে সারা দেশে পুলিশের ধরপাকড় অব্যাহত রয়েছে। বৃহস্পতিবার রাত থেকে শুক্রবার বিকাল পর্যন্ত আরও ২০৬ জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। ঢাকায়ও চারজনকে আটক করে পুলিশ।

পূর্বনির্ধারিত কর্মসূচি অনুযায়ী শুক্রবার জুমার নামাজের পর রাজধানীর বায়তুল মোকাররম মসজিদের উত্তর গেট থেকে বিক্ষোভ মিছিল বের করেন বিএনপির নেতাকর্মীরা। মিছিলে নেতৃত্ব দেন দলের মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। মিছিলটি দৈনিক বাংলার মোড়ে গেলে একটি গাড়িতে উঠে বসেন বিএনপি মহাসচিব। মিছিলে আরও ছিলেন- দলের ভাইস চেয়ারম্যান মো. শাহজাহান, ঢাকা মহানগর দক্ষিণের সাধারণ সম্পাদক কাজী আবুল বাশার, ফজলুল হক মিলন, আবদুস সালাম আজাদ, শহীদুল ইসলাম বাবুল, আবদুল হাই, মোস্তাফিজুর রহমান বাবুল, সালাউদ্দীন আহমেদ, নেওয়াজ আলী নেওয়াজ। বিএনপির অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের নেতাদের মধ্যে সুলতান সালাহউদ্দিন টুকু, মোরতাজুল করীম বাদুরু, নুরুল ইসলাম নয়ন, গোলাম মাওলা শাহিন, শফিউল বারী বাবু, সাইফুল ইসলাম ফিরোজ, এসএম জিলানি, আবদুল হালিম খোকন, মানরুজ্জামান মনির প্রমুখ।

পুলিশের ব্যাপক উপস্থিতির মধ্যে মিছিলের শুরুতে কোথাও কোথাও নেতাকর্মীদের এলোমেলো হয়ে থাকতে দেখা গেলেও সময় গড়ানোর সঙ্গে সঙ্গে মিছিলে উপস্থিতি বাড়তে থাকে। দৈনিক বাংলা মোড় হয়ে ফকিরাপুল দিয়ে মিছিলটি নয়াপল্টনে বিএনপি কার্যালয়ের দিকে যাওয়ার সময় পুলিশের বাধার মুখে পড়ে। এ সময় মিছিলকারীদের অনেকেই বিভিন্ন গলিতে ঢুকে যান। তবে অল্প সময়ের মধ্যেই আবারও তারা জড়ো হয়ে নতুন করে মিছিল শুরু করেন। ‘খালেদা জিয়ার মুক্তি চাই, মুক্তি চাই’, ‘খালেদা জিয়ার কিছু হলে জ্বলবে আগুন সারা দেশে’- ইত্যাদি স্লোগান দিয়ে মিছিলটি নয়াপল্টন কার্যালয়ের সামনে এলে, কার্যালয়ের ওপরে ব্যালকনি থেকে হাততালি দিয়ে তাদের সমর্থন দিতে দেখা যায় সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভীকে। পরে কার্যালয়ের সামনে নেতাকর্মীদের কিছুক্ষণ অবস্থানের পর পুলিশের ধাওয়ায় ছত্রভঙ্গ হয়ে যায়। নেতাকর্মীরা বিভিন্ন গলির মধ্যে ঢুকে পড়েন। এ সময় কয়েকজনকে আটক করে পুলিশ।

ঢাকা মহানগর পুলিশের মতিঝিল বিভাগের অতিরিক্ত উপকমিশনার শিবলী নোমান যুগান্তরকে জানান, মিছিল থেকে কোনো সমস্যা হয়নি বলে পুলিশ তাতে বাধা দেয়নি। পুলিশ ধৈর্য সহকারে শান্তিপূর্ণ মিছিলকে শান্তিপূর্ণভাবে শেষ করতে সহযোগিতা করেছে।

এদিকে ঢাকা মহানগরের বেশ কিছু থানায় বিক্ষোভ মিছিল করেছেন বিএনপি নেতাকর্মীরা। বাড্ডা থানা বিএনপির উদ্যোগে শুক্রবার মিছিল করেন নেতাকর্মীরা। মিছিলটি বাড্ডা লিংক রোড থেকে শুরু হয়ে সুবাস্তু টাওয়ারের সামনে এসে শেষ হয়। মিছিলে নেতৃত্ব দেন ঢাকা মহানগর উত্তর বিএনপির যুগ্ম সম্পাদক এজিএম শামসুল হক, মো. আবুল হোসেন, মাফুজুর রহমান চেয়ারম্যান, তহিরুল ইসলাম তুহিন, মাহবুব আলম শাহীন, আবদুল কাদের বাবু, মিরাজ উদ্দিন বাদল, আবদুল কাদির, তাজুল ইসলাম, আলী হোসেন চেয়ারম্যান প্রমুখ। কমিশনার মো. সাজ্জাদ ও বুলবুল মল্লিকের নেতৃত্বে মিছিল বের করে পল্লবী থানা বিএনপি। মিছিলে আরও উপস্থিত ছিলেন- মো. সোহরাব হোসেন, আবুল কালাম, আমান উল্লাহ আমান প্রমুখ। এছাড়া এল রহমানের নেতৃত্বে তেজগাঁও, ঢাকা মহানগর উত্তর বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক সোহেল রহমানের নেতৃত্বে মোহাম্মদপুর, ঢাকা মহানগর উত্তর বিএনপির যুগ্ম সম্পাদক সাইফুর রহমান মিহিরের নেতৃত্বে রামপুরা, ঢাকা মহানগর উত্তর বিএনপির যুগ্ম সম্পাদক মো. নাসির উদ্দিনের নেতৃত্বে বিমানবন্দর, এমএ মনির হাছানের নেতৃত্বে উত্তরা পূর্ব, মো. আফাজ উদ্দিনের নেতৃত্বে উত্তরা পশ্চিম, এসএ ছিদ্দিক সাজু ও দেলোয়ার হোসেন দুলুর নেতৃত্বে মিরপুর, এইচএম ইমরান, মো. ফারুক হোসেন, নজরুল ইসলাম ও আফজাল হোসেনের নেতৃত্বে দারুস সালাম, ফজলুল হক ফজলুর নেতৃত্বে খিলক্ষেত থানায় মিছিল করে বিএনপি ও অংঙ্গ-সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীরা। এছাড়াও বিক্ষোভ মিছিল করেছে শেরেবাংলা নগর, রূপনগর, দক্ষিণখান, তুরাগ, শাহ আলী ও কাফরুল থানা বিএনপি এবং অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীরা।

এদিকে রায়ের প্রতিবাদে বিএনপির কর্মসূচিতে সমর্থন জানিয়েছে ২০ দলীয় জোটের শরিক দল ন্যাশনাল পিপলস পার্টি (এনপিপি)।

সারা দেশে বিক্ষোভ ও গ্রেফতার : দেশের বিভিন্ন স্থান থেকে যুগান্তর রিপোর্ট, ব্যুরো ও প্রতিনিধিদের পাঠানো খবর-

গোপালপুর ও মির্জাপুর (টাঙ্গাইল) : দুপুর আড়াইটায় বিএনপির সহস্রাধিক নেতাকর্মী বিক্ষোভ মিছিল নিয়ে পৌরশহরের আভঙ্গী মোড়ে সমাবেশ শুরু করেন। পুলিশ এতে বাধা দিলে উভয়পক্ষে ধাওয়া-পাল্টাধাওয়া শুরু হয়। এ সময় পুলিশ ২২ রাউন্ড শটগানের গুলি ছোড়ে। সংঘর্ষে ৪ পুলিশ সদস্যসহ ৯ জন আহত হয়েছেন। পুলিশ ৩ নেতাকর্মীকে আটক করেছে। মির্জাপুরে মিছিলে বাধা দেয় পুলিশ।

নেত্রকোনা : বৃহস্পতিবার রাতে পারলা এলাকায় ঝটিকা মিছিল থেকে একটি মোটরসাইকেলে অগ্নিসংযোগ ও একটি প্রাইভেট কার ভাংচুর করে বিএনপি নেতাকর্মীরা। এ সময় গাড়িতে থাকা চালক আহত হন। শুক্রবার কেন্দুয়া উপজেলায় নেতাকর্মীরা সড়কে ব্যারিকেড দিয়ে বিক্ষোভ করলে পুলিশ ৪০ রাউন্ড শটগানের রাবার বুলেট ছুড়ে তাদের সরিয়ে দেয়। এ সময় ৬ নেতাকর্মীকে আটক করা হয়।

কিশোরগঞ্জ : বিক্ষোভ মিছিলের প্রস্তুতির সময় বিএনপি নেতাকর্মীদের ওপর পুলিশ বেপরোয়া লাঠিচার্জ করে তাদের ছত্রভঙ্গ করে দেয়। এ সময় জেলা আইনজীবী সমিতির সভাপতি অ্যাডভোকেট জালাল মোহাম্মদ গাউস, জেলা বিএনপির সহ-সভাপতি মো. রুহুল হোসাইনসহ ১৫ নেতাকর্মীকে আটক করা হয়। পরে গাউসকে ছেড়ে দেয়া হয়।

নিয়ামতপুর (নওগাঁ) : পুলিশের বাধায় পণ্ড হয়ে যায় বিএনপির বিক্ষোভ মিছিল। এ সময় পুলিশের লাঠিচার্জে কমপক্ষে ২০ নেতাকর্মী আহত হয়েছেন বলে দাবি করেন বিএনপি নেতা সাবেক এমপি ডা. ছালেক।

ময়মনসিংহ, ভালুকা, ফুলপুর ও ধোবাউড়া : জুমার পর শহরের নতুন বাজারে বিএনপি নেতাকর্মীরা বিক্ষোভ মিছিল বের করলে পুলিশ বাধা দেয়। মিছিল থেকে দক্ষিণ জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক আবু ওয়াহাব আকন্দসহ ১০ জনকে আটক করে পুলিশ। এর আগে আরও ২১ নেতাকর্মীকে আটক করা হয়।

দিনাজপুর : জেলা বিএনপি কার্যালয়ের সামনে পুলিশ বিএনপি নেতাকর্মীদের মিছিল করতে না দিলেও জেলা শহরের বিভিন্ন স্থানে খণ্ড খণ্ড মিছিল করেছে বিএনপির নেতাকর্মীরা। ফুলবাড়িয়ায় বিএনপি নেতাকর্মীদের সঙ্গে পুলিশের ধস্তাধস্তি ও লাঠিচার্জের ঘটনা ঘটে। এ সময় ১০ জনকে আটক করে পুলিশ

মৌলভীবাজার ও বড়লেখা : দুপুরে শহরের শমসেরনগর বাস স্ট্যান্ড ও মুসলিম কোয়ার্টার এলাকা থেকে মিছিল বের করেন বিএনপির নেতাকর্মীরা। মুসলিম কোয়ার্টার এলাকায় পুলিশ লাঠিচার্জ করে মিছিলকারীদের ছত্রভঙ্গ করে দেয়। বড়লেখায় বিএনপির বিক্ষোভ মিছিল

নোয়াখালী, কোম্পানীগঞ্জ ও চাটখিল : দুপুর ২টায় উত্তর সোনাপুর প্রধান সড়কে বিএনপি নেতাকর্মীরা বিক্ষোভ মিছিল বের করলে পুলিশ বাধা দেয়। নেতাকর্মীরা পুলিশকে ইট-পাটকেল নিক্ষেপ করলে পুলিশ ৩-৪ রাউন্ড ফাঁকা গুলি ছোড়ে এবং লাঠিচার্জ করে মিছিল পণ্ড করে দেয়। কোম্পানীগঞ্জে ৩ জনকে আটক করেছে পুলিশ।

সুনামগঞ্জ : দুপুর ২টায় পুরাতন বাস স্ট্যান্ড দলীয় কার্যালয় থেকে বিক্ষোভ মিছিল বের হয়ে শহরের ট্রাফিক মোড়ের দিকে যেতে চাইলে পুলিশ বাধা দেয়। ক্ষুব্ধ কর্মীরা ব্যারিকেড ভাঙতে চাইলে নেতারা তাদের শান্ত করেন। পরে তারা প্রতিবাদ সমাবেশ করেন।

শেরপুর : দুপুরে শহরে বিক্ষোভ মিছিল বের করার প্রস্তুতির অভিযোগে জেলা বিএনপির সাবেক যুগ্ম আহ্বায়ক মামুনুর রশিদ পলাশসহ ৪ জনকে গ্রেফতার করে পুলিশ।

বগুড়া : দুপুরে শহরে নবাববাড়ি সড়কে দলীয় কার্যালয়ের সামনে পুলিশ বেষ্টনীর মধ্যে জেলা বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের নেতাকর্মীরা বিক্ষোভ মিছিল এবং সমাবেশ করেছেন। পরে মিছিল নিয়ে দলীয় কার্যালয়ে যাওয়ার সময় পুলিশ লাঠিচার্জ করে ব্যানার কেড়ে নেয়।

জয়পুরহাট : বিকালে বিক্ষোভ মিছিলে পুলিশ বাধা দিলে বাধ্য হয়ে দলীয় কার্যালয়েই প্রতিবাদ সমাবেশ করেছেন বিএনপি নেতাকর্মীরা।

টাঙ্গাইল : দুপুরে বিএনপি কার্যালয় থেকে মিছিল বের হলে পুলিশ বাধা দেয়। পরে সেখানেই সংক্ষিপ্ত সমাবেশে বক্তব্য রাখেন জেলা বিএনপির সভাপতি সামছুল আলম তোফা ও সাধারণ সম্পাদক ফরহাদ ইকবাল।

বান্দরবান : জেরী ও মাম্যাচিং বিএনপির দু’গ্রুপের নেতাকর্মীরা পুরাতন রাজবাড়ির সামনে, ওয়াপদা ব্রিজ, চৌধুরী মার্কেট, বাজারের দুই নাম্বার গলিসহ কয়েকটি স্থানে অবস্থান নেয়। কিন্তু শহরের মোড়ে মোড়ে পুলিশের অবস্থান ও কড়া নিরাপত্তার কারণে রাজপথে নামতে পারেননি বিএনপিসহ সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীরা।

গাইবান্ধা : সাদুল্যাপুরে জেলা বিএনপি সভাপতি ডা. মইনুল হাসান সাদিক ও গাইবান্ধা শহর বিএনপির সভাপতি শহীদুজ্জামান শহীদের নেতৃত্বে মিছিল বের করার চেষ্টা করলে পুলিশ বাধা দেয়।

খুলনা : মহানগর বিএনপির সভাপতি নজরুল ইসলাম মঞ্জুসহ ২৮ নেতার নাম উল্লেখ করে নাশকতার মামলা করেছে পুলিশ। মামলায় বৃহস্পতিবার আটক হওয়া ১১ জনকে গ্রেফতার দেখানো হয়েছে।

নারায়ণগঞ্জ ও রূপগঞ্জ : জেলার বিভিন্ন স্থানে বিএনপি নেতাকর্মীরা পুলিশের বাধা উপেক্ষা করে বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশ করেছে। কোথাও কোথাও পুলিশের সঙ্গে ধাওয়া-পাল্টাধাওয়ার ঘটনাও ঘটেছে। ৩ জনকে আটক করেছে পুলিশ।

সিলেট : সিলেটে শান্তিপূর্ণ বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশ করেছে বিএনপি ও অঙ্গ-সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীরা। সমাবেশে বক্তব্য রাখেন জেলা বিএনপির সভাপতি আবুল কাহের শামীম। এছাড়া শান্তিপূর্ণ মিছিল ও সমাবেশ করে স্বেচ্ছাসেবক দল ও মহিলা দল।

চট্টগ্রাম : বিকালে মহানগর বিএনপির কার্যালয়ের সামনে বিক্ষোভ সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়। নগর বিএনপির সিনিয়র সহ-সভাপতি আবু সুফিয়ানের সভাপতিত্বে এতে প্রধান অতিথি ছিলেন বিএনপির কেন্দ্রীয় সাংগঠনিক সস্পাদক মাহবুবের রহমান শামীম। পুলিশ বিএনপি-জামায়াতের ৫৩ নেতাকর্মীকে গ্রেফতার করে।

হবিগঞ্জ ও বানিয়াচং : পুলিশের বাধায় বিএনপির বিক্ষোভ কর্মসূচি পণ্ড হয়ে যায়। বৃহস্পতিবার রাত থেকে শুক্রবার সকাল পর্যন্ত বিএনপির ১২ নেতাকর্মীকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। বানিয়াচংয়ে ২০৫ নেতাকর্মীর বিরুদ্ধে মামলা করেছে পুলিশ।

ঝিনাইদহ : বিএনপি-জামায়াত নেতাকর্মীসহ ৫৩ জনকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। পুলিশ সুপার মিজানুর রহমান জানান, জেলাব্যাপী নাশকতাবিরোধী অভিযান চলছে।

বরুড়া (কুমিল্লা) : বরুড়া সরকারি হসপিটাল রোডে বিএনপি নেতাকর্মীরা মিছিল বের করার চেষ্টা করলে পুলিশ লাঠিচার্জ ও টিয়ার শেল নিক্ষেপ করে তাদের ছত্রভঙ্গ করে দেয়।

হাটহাজারী : গ্রেফতার আতঙ্কে ঘর-বাড়ি ছেড়েছে বিএনপি নেতাকর্মীরা। বৃহস্পতিবার রাতে বিএনপির ১১ নেতাকর্মীকে আটক করা হয়েছে। শুক্রবার সকালে তাদের আদালতে পাঠানো হয়।

মধুখালী (ফরিদপুর) : বাদ জুমা বিএনপির নেতাকর্মীরা রেল গেটের পার্টি কার্যালয় থেকে বিক্ষোভ মিছিল নিয়ে ঢাকা-খুলনা মহাসড়কে উঠতে গেলে পুলিশ বাধা দিয়ে মিছিল পণ্ড করে দেয়।

চাঁদপুর ও ফরিদগঞ্জ : চাঁদপুর ও ফরিদগঞ্জে বিএনপি নেতাকর্মীদের একাধিক বিক্ষোভ মিছিলের চেষ্টা পুলিশের বাধায় পণ্ড হয়ে যায়।

জাবি : নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছে জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় জাতীয়তাবাদী শিক্ষক ফোরাম। শুক্রবার সকালে এক লিখিত বক্তব্যের মাধ্যমে তারা এ প্রতিবাদ জানান।

আরও গ্রেফতার : এছাড়া টাঙ্গাইলের নাগরপুর ১, বাগেরহাটের মোরেলগঞ্জে ৪, রাজশাহীতে ১, দামুড়হুদায় ৮, ময়মনসিংহের নান্দাইলে ১ জনকে আটক করেছে পুলিশ। সুনামগঞ্জের ধর্মপাশায় পুলিশের ওপর হামলার ঘটনায় বিএনপির ১৮ নেতাকর্মীর নামোল্লেখসহ অজ্ঞাতনামা ১২০ জনের বিরুদ্ধে মামলা হয়েছে।

  • সর্বশেষ
  • সর্বাধিক পঠিত

 

ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক : সাইফুল আলম, প্রকাশক : সালমা ইসলাম

প্রকাশক কর্তৃক ক-২৪৪ প্রগতি সরণি, কুড়িল (বিশ্বরোড), বারিধারা, ঢাকা-১২২৯ থেকে প্রকাশিত এবং যমুনা প্রিন্টিং এন্ড পাবলিশিং লিঃ থেকে মুদ্রিত।

পিএবিএক্স : ৮৪১৯২১১-৫, রিপোর্টিং : ৮৪১৯২২৮, বিজ্ঞাপন : ৮৪১৯২১৬, ফ্যাক্স : ৮৪১৯২১৭, সার্কুলেশন : ৮৪১৯২২৯। ফ্যাক্স : ৮৪১৯২১৮, ৮৪১৯২১৯, ৮৪১৯২২০

E-mail: [email protected], [email protected]

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত ২০০০-২০১৮

converter