জিয়া অরফানেজ ট্রাস্ট দুর্নীতি মামলার রায়

আপিলে গুরুত্ব পাচ্ছে ৭ ইস্যু

ফাঁকফোকর বন্ধ করে আপিল দায়েরের নির্দেশ খালেদা জিয়ার * রায় পর্যালোচনা ও মামলা পরিচালনার জন্য ১৫ সদস্যের আইনজীবী প্যানেল * ক্ষমতার অপব্যবহার করে দুর্নীতি হয়নি, অর্থ আত্মসাৎ হয়নি এবং ভুয়া কাগজপত্রে সাজার বিষয় আপিল আবেদনে থাকবে * সুবিধা পেতে সরকারি দলের যেসব নেতা ১৩ বছরের সাজা পেয়েও মন্ত্রী, এমপি হয়েছেন তাদের উদাহরণ টানা হবে * রায়ের পক্ষে যুক্তি তুলে ধরতে প্রস্তুত দুদকের আইনজীবীরা

  মিজান মালিক ১১ ফেব্রুয়ারি ২০১৮, ০০:০০ | প্রিন্ট সংস্করণ

জিয়া অরফানেজ ট্রাস্ট দুর্নীতি মামলার রায়ের বিরুদ্ধে কমপক্ষে সাতটি গুরুত্বপূর্ণ ইস্যু সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দিয়ে আপিল দায়েরের প্রস্তুতি নেয়া হচ্ছে। এ মামলায় বিএনপি চেয়ারপারসন ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়াকে ৫ বছরের সশ্রম কারাদণ্ড দিয়েছেন বিশেষ আদালত। খালেদা জিয়ার জামিন ও রায়ের বিরুদ্ধে আপিল দায়েরের ক্ষেত্রে খুবই সতর্কতার সঙ্গে এগোচ্ছেন তার আইনজীবীরা। উচ্চ আদালতে যাওয়ার আগে তারা পেছনের কিছু বিষয় গুরুত্বের সঙ্গে মাথায় রাখছেন। রায়ের সব দিক খতিয়ে দেখে ফাঁকফোকর বন্ধ করে আপিল দায়েরের জন্য শনিবার দলের সিনিয়র আইনজীবীদের নির্দেশ দিয়েছেন খালেদা জিয়া। রায় পর্যালোচনার মাধ্যমে আপিল দায়েরসহ পরবর্তী আইনি কার্যক্রম পরিচালনার জন্য ১৫ সদস্যের আইনজীবী প্যানেল গঠন করা হয়েছে। আইনজীবীদের হাতে পৌঁছেছে খালেদা জিয়ার স্বাক্ষর করা ওকালতনামা। রায়ের কপি পাওয়া সাপেক্ষে রবি, সোম বা মঙ্গলবার নাগাদ আপিল দায়ের হতে পারে। খালেদা জিয়ার পক্ষে আপিল আবেদনে তার আইনজীবীদের প্রস্তুতির পাশাপাশি দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) আইনজীবীরাও প্রস্তুতি নিচ্ছেন বলে জানা গেছে।

মামলা বাতিল, মামলার বিচারক বদল, তদন্ত কর্মকর্তা বদলসহ বিচারসংক্রান্ত নানা বিষয় চ্যালেঞ্জ করে খালেদা জিয়ার আইনজীবীরা অন্তত ১৪ দফা উচ্চ আদালতের শরণাপন্ন হয়েছিলেন। তবে সব ইস্যুতে সমান সুবিধা পাননি। আদালত মামলাটি খারিজ করেননি। এক্ষেত্রে তেমন সুবিধা না পেয়ে অবশেষে মামলার বিচার শুনানিতে মনোযোগ দেন আইনজীবীরা। এখন মামলার রায় খালেদা জিয়ার বিপক্ষে যাওয়ায় আপিল আবেদন নিয়ে আইনজীবীদের উচ্চ আদালতেই যেতে হচ্ছে। এর আগে যতবার তারা উচ্চ আদালতের দ্বারস্থ হয়েছেন ততবারই খালেদা জিয়া বা মামলায় তার পক্ষে অকাট্য যুক্তি তুলে ধরেছেন। তারপরও অনেক সময় খালি হাতে ফেরার অভিজ্ঞতা আছে। সেই অভিজ্ঞতা ছাড়াও মামলায় যেসব ধারায় তাকে সাজা দেয়া হয়েছে সেগুলোসহ অন্তত সাতটি ইস্যু মাথায় রেখে আপিলের প্রস্তুতি নিচ্ছেন তারা। রায় পর্যালোচনা করে আপিল দায়েরসহ পরবর্তী আইনি কার্যক্রম সঠিকভাবে প্রতিপালনের জন্য গঠন করা হয়েছে ১৫ সদস্যের আইনজীবী প্যানেল। আইনজীবীরা বলছেন, একদিকে সরকার তাদের প্রতিপক্ষ। অন্যদিকে মামলার রায় তাদের বিরুদ্ধে। এ দুটি কারণ ছাড়াও মামলা চালাতে গিয়ে ঘাটে ঘাটে তারা যে অভিজ্ঞতা সঞ্চয় করেছেন সেগুলো মাথায় রাখছেন। বিবেচনায় নিচ্ছেন সরকারদলীয় দু’জন মন্ত্রীর মামলা বাতিলসংক্রান্ত রায়ের বিষয়টিও।

বৃহস্পতিবার রায় ঘোষণার পরপরই সার্টিফায়েড কপির জন্য বিচারিক আদালতের কাছে আবেদন করা হয়েছে। আবেদনে বলা হয়েছে, সার্টিফায়েড কপি সরবরাহে বিলম্ব হলে রোববারের মধ্যে অন্তত রায়ের সত্যায়িত কপি যেন দেয়া হয়। রায়ের কপি হাতে পাওয়ার পর আইনজীবীরা খালেদা জিয়ার পক্ষে ন্যায়বিচার চেয়ে হাইকোর্টে আপিল ও জামিন আবেদন করবেন। আপিল আবেদনে খালেদা জিয়ার সাজা বাতিল ও জামিন আবেদনের পক্ষে কি কি বিষয় তুলে ধরা হবে তারও একটি ধারণা পাওয়া গেছে তার আইনজীবীদের সঙ্গে কথা বলে। তারা জানিয়েছেন, আবেদনের শুরুতেই বলবেন ভুয়া কাগজপত্রের ভিত্তিতে করা মামলায় সাবেক প্রধানমন্ত্রীকে সাজা দেয়া হয়েছে। দণ্ডবিধির যে ধারায় (অর্থ আত্মসাৎ সংক্রান্ত ৪০৯ ধারা) সাজা দেয়া হয়েছে ওই ধারায় তিনি (খালেদা জিয়া) অপরাধ করেননি। অর্থাৎ ক্ষমতায় থাকার সময় তিনি ওই ধারায় সংঘটিত অপরাধ করেননি। জিয়া অরফানেজ ট্রাস্ট একটি প্রাইভেট প্রতিষ্ঠান। এটি সরকারি নয়। খালেদা জিয়া ট্রাস্টের কোনো অর্থ তছরূপ করেননি। অর্থ তছরূপ না হওয়ায় দুর্নীতিও হয়নি। খালেদা জিয়া ক্ষমতার অপব্যবহার করেননি। রায়েও ক্ষমতার অপব্যবহারের অভিযোগে আলাদাভাবে দণ্ড দেয়া হয়নি। যদিও দুদকের মামলায় ১৯৪৭ সালের দুর্নীতি প্রতিরোধ আইনের ৫(২) ধারা ছিল। এ ধারায় সর্বোচ্চ সাজা ৭ বছর। আদালত ৪০৯ ধারায় খালেদা জিয়াকে ৫ বছরের কারাদণ্ড দিয়েছেন। এ ধারায় সর্বোচ্চ সাজার বিধান আছে যাবজ্জীবন। আইনজীবীরা তাদের আবেদনে আরও যেসব বিষয় অন্তর্ভুক্ত করছেন তার মধ্যে রয়েছে, মামলার কোনো সারবত্তা নেই। ডকুমেন্টারি এভিডেন্সের ওপর ভিত্তি করে সাজা দেয়া হয়নি। বিশেষ আদালত খালেদা জিয়া বা তার আইনজীবীদের বক্তব্য বিবেচনায় নিলে ৫ বছরের সাজা হতো না। বরং রায়ে তাকে খালাস দেয়া হতো। তারা আশা করেন, উচ্চ আদালতে খালেদা জিয়া ন্যায়বিচার পাবেন ।

খালেদা জিয়ার আইনজীবীরা উচ্চ আদালত থেকে আইনি সুরক্ষা পেতে আরও কিছু বিষয় নিয়েও ভাবছেন। সেসব বিষয়ও আবেদনের আওতায় নিয়ে আসার চিন্তাভাবনা চলছে। এর মধ্যে সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ও সরকারদলীয় সংসদ সদস্য মহীউদ্দীন খান আলমগীর এবং ত্রাণ ও দুর্যোগ ব্যবস্থাপনামন্ত্রী মোফাজ্জল হোসেন চৌধুরী মায়ার অবৈধ সম্পদের মামলা। তারা দু’জনই বিশেষ আদালত থেকে দুদকের করা অবৈধ সম্পদের মামলায় ১৩ বছর করে সাজাপ্রাপ্ত হয়েছিলেন। পরে হাইকোর্টে সাজার বিরুদ্ধে আপিল করে তারা যে সুবিধা পেয়েছেন তার দৃষ্টান্ত কাজে লাগাতে চান খালেদা জিয়ার আইনজীবীরা। মহীউদ্দীন খান আলমগীরের মামলা বাতিল করে দেয়া হয়েছিল। পরে আপিল করা হয়। আপিলেও তিনি নিজের পক্ষে রায় পেয়েছিলেন। ওয়ান-ইলেভেনের সময় তার বিরুদ্ধে করা মামলাটি রায়সহ বাতিল হয়ে যায় বলে জানা যায়। অন্যদিকে মোফাজ্জল হোসেন চৌধুরী মায়ার বিরুদ্ধে বিশেষ আদালতের দেয়া ১৩ বছরের সাজার বিরুদ্ধে আপিল করলে তা গৃহীত হয় এবং মামলাটি বাতিল করা হয়। পরে দুদকের পক্ষ থেকে হাইকোর্টের আদেশের বিরুদ্ধে আপিল বিভাগে গেলে মামলাটি পুনরায় শুনানির জন্য হাইকোর্টে পাঠানো হয়। জামিনে আছেন মোফাজ্জল হোসেন চৌধুরী মায়া। অন্যদিকে সরকারদলীয় সংসদ সদস্য আবদুর রহমান বদিও বিশেষ আদালত থেকে ৩ বছরের সাজাপ্রাপ্ত হয়েছিলেন ২০১৬ সালের ২ নভেম্বর। রায়ের পর তাকে জেলে নেয়া হয়। এর ১৪ দিনের মাথায় বদি আপিল করে জামিন পান। বিএনপির আইনজীবীরা শুনানির সময় উচ্চ আদালতের এসব নজিরও তুলে ধরতে চান।

বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ব্যারিস্টার মওদুদ আহমদ দলের চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার জামিন ও আপিল আবেদনের বিষয়ে শনিবার যুগান্তরকে বলেন, রায়ের কপি পওয়ার পর আমরা আবেদন দাখিল করব। আপিল আবেদনের সঙ্গে জামিনের দরখাস্তও থাকবে। তিনি বলেন, নিু আদালতের দেয়া রায়ে ৩ বছর পর্যন্ত কারও সাজা হলে তাকে উচ্চ আদালত জামিন দিতে পারেন। ৫ বছরও খুব বড় সাজা নয়। আদালত চাইলে সাবেক প্রধানমন্ত্রী বিবেচনায় জামিন দিতে পারেন। তিনি বলেন, দুর্নীতির অভিযোগে কিন্তু তাকে (খালেদা জিয়া) শাস্তি দেয়া হয়নি। তাকে শাস্তি দেয়া হয়েছে দণ্ডবিধির ১০৯ ও ৪০৯ ধারা অনুযায়ী, সেটা হলো ক্রিমিনাল ব্রিচ অব কন্ট্রাক্ট। করাপশনের চার্জে তার শাস্তি হয়নি। তাকে শাস্তি দেয়া হয়েছে ক্রিমিনাল ব্রিচ অব ট্রাস্ট-এ। মওদুদ আহমেদ আরও বলেন, রায়ে তো খালেদা জিয়ার যাবজ্জীবন সাজা হয়নি। তাই কোর্ট আমাদের আবেদন বিবেচনায় নিতে পারেন। তিনি জানান, এ বিষয়ে কাজ করার জন্য একটা টিম করে দেয়া হয়েছে। একজন আইনজীবীকে দায়িত্ব দেয়া হয়েছে আপিল আবেদন লেখার জন্য।

কোন কোন গ্রাউন্ডে আপিল আবেদন করা হচ্ছে তার ধারণা দিয়ে সুপ্রিমকোর্ট আইনজীবী সমিতির সভাপতি ও বিএনপি চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা অ্যাডভোকেট জয়নুল আবেদীন যুগান্তরকে বলেন, আমরা আপিল আবেদনের ক্ষেত্রে পুরো মনোনিবেশ করছি। খালেদা জিয়া নির্দেশ দিয়েছেন আইনগতভাবে মোকাবেলা করার জন্য। আমরা সেভাবেই প্রস্তুতি নিচ্ছি। আশা করি উচ্চ আদালতে আমরা আইনগত সুবিধা পাব। যেটা নিম্ন আদালত থেকে পাইনি। তিনি জানান, আপিল আবেদনের সঙ্গে জামিন আবেদনও করা হবে। ৬৩২ পৃষ্ঠার রায়ের নকল পেতে বিলম্ব হলে রায়ের সত্যায়িত কপি দিতে আদালতের কাছে আবেদন করেছি।

খালেদা জিয়ার পক্ষে উচ্চ আদালতে আপিল আবেদনটি লিখছেন সুপ্রিমকোর্ট আইনজীবী সমিতির সাধারণ সম্পাদক ব্যারিস্টার মাহবুব উদ্দিন খোকন। উচ্চ আদালত থেকে যেসব গ্রাউন্ডে ১৩ বছরের সাজা প্রাপ্ত মহীউদ্দীন খান আলমগীর ও মোফাজ্জল হোসেন চৌধুরী মায়া আইনি সুবিধা পেয়েছেন সেই উদাহরণ টেনে তিনি যুগান্তরকে বলেন, আমরাও এ বিষয়টি সামনে আনব। তাদের মামলাও ওয়ান-ইলেভেনের সরকারের সময়ে করা। খালেদা জিয়ার মামলাটিও ওই একই সময়ে করা। আমরা রায়ের কপি পাওয়ার পরই আবেদন দাখিল করব। আশা করি, আদালত আমাদের আপিল বিবেচনায় নেবেন।

খালেদা জিয়ার মামলার আইনজীবী অ্যাডভোকেট সানাউল্লাহ মিয়া যুগান্তরকে বলেন, ‘রায়ের পর ম্যাডাম আমাদের বলেছেন, তার প্রতি অবিচার করা হয়েছে। শন্তিপূর্ণ উপায়ে তার পক্ষে যেন উচ্চ আদালতে আইনি লড়াই চালিয়ে যাই। আমরা সেভাবেই প্রস্তুতি নিচ্ছি।’

এদিকে খালেদা জিয়ার বিরুদ্ধে নিম্ন আদালতের দেয়া রায়ের আপিল প্রসঙ্গে জানতে চাইলে বিশিষ্ট আইনজীবী ড. শাহদীন মালিক বলেন, তাদের (খালেদা জিয়া) আইনজীবীরা আগে বিভিন্ন আদেশের বিরুদ্ধে উচ্চ আদালতে গিয়েছিলেন। এখন তাদের যেতে হবে রায়ের বিরুদ্ধে। ৬৩২ পৃষ্ঠার রায় পুরোটা পড়ে তার মধ্যে কি আছে, সেটা পর্যালোচনা করেই তাদের আপিল করা উচিত। কারণ ৬৩২ পৃষ্ঠার রায়ে সাক্ষীরা কি বলেছেন, কি ফিরিস্তি দিয়েছেন সেগুলো পর্যালোচনার বিষয়।

অন্যদিকে খালেদা জিয়ার পক্ষে আপিল আবেদনে তার আইনজীবীদের প্রস্তুতির পাশাপাশি দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) আইনজীবীরাও প্রস্তুতি নিচ্ছেন বলে জানা গেছে। দুদকের প্রধান আইন কর্মকর্তা খুরশিদ আলম খান শনিবার যুগান্তরকে বলেন, বিশেষ আদালত যেসব বিবেচনায় রায় দিয়েছেন এবং সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়াকে সাজা দিয়েছেন সেসব বিষয় আমরাও যুক্তি হিসেবে উচ্চ আদালতে তুলে ধরব। দুর্নীতির মামলায় ২-৩ বছর সাজা হলে আসামির জামিনের বিষয়টি আদালত বিবেচনা করেন। তিনি বলেন, খালেদা জিয়ার মামলার ক্ষেত্রে কি আদেশ হয় তা নির্ভর করছে উভয়পক্ষের শুনানি ও আইনি ব্যাখ্যা এবং মামলার ‘মেরিটের’ ওপর।

এক প্রশ্নের উত্তরে তিনি বলেন, অবৈধ সম্পদের মামলায় মন্ত্রী মোফাজ্জল হোসেন চৌধুরী মায়া হাইকোর্ট থেকে খালাস পেয়েছিলেন। আমরা তার বিরুদ্ধে আপিলে গেলে মামলাটি রিমান্ডে পাঠানো হয়। অর্থাৎ হাইকোর্টে আবার শুনানি হবে। মহীউদ্দীন খান আলমগীরকে অবৈধ সম্পদের মামলায় ১৩ বছর সাজা দেয়া হলেও মামলাটি ‘একুইটাল’ হয়েছে উল্লেখ করে তিনি বলেন, তাকে আবার নতুন করে নোটিশ দেয়া যাবে।

৮ ফেব্রুয়ারি জিয়া অরফানেজ ট্রাস্ট দুর্নীতি মামলায় বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়াকে ৫ বছরের সশ্রম কারাদণ্ড দেন পুরান ঢাকার বকশিবাজারে স্থাপিত বিশেষ জজ আদালতের বিচারক ড. আক্তারুজ্জামান। ওই মামলায় খালেদা জিয়ার বড় ছেলে তারেক রহমানসহ ৫ আসামিকে ১০ বছরের সশ্রম কারাদণ্ড ও প্রত্যেককে ২ কোটি ১০ লাখ টাকা করে জরিমানা করেন আদালত। তিন বারের সাবেক প্রধানমন্ত্রীর বিরুদ্ধে বিচারের রায় বাংলাদেশে এটাই প্রথম। জিয়া অরফানেজ ট্রাস্ট নামীয় ২ কোটি টাকা সুদসহ ২ কোটি ১০ লাখ ৭১ হাজার ৬৪৩ টাকা আত্মসাৎ করা বা আত্মসাৎ করার অভিযোগে ২০০৮ সালের ৩ জুলাই (ওয়ান-ইলেভেনের সরকারের সময়) খালেদা জিয়াসহ ৭ জনের বিরুদ্ধে মামলাটি করে দুদক।

 

 

  • সর্বশেষ
  • সর্বাধিক পঠিত

ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক : সাইফুল আলম, প্রকাশক : সালমা ইসলাম

প্রকাশক কর্তৃক ক-২৪৪ প্রগতি সরণি, কুড়িল (বিশ্বরোড), বারিধারা, ঢাকা-১২২৯ থেকে প্রকাশিত এবং যমুনা প্রিন্টিং এন্ড পাবলিশিং লিঃ থেকে মুদ্রিত।

পিএবিএক্স : ৯৮২৪০৫৪-৬১, রিপোর্টিং : ৯৮২৪০৭৩, বিজ্ঞাপন : ৯৮২৪০৬২, ফ্যাক্স : ৯৮২৪০৬৩, সার্কুলেশন : ৯৮২৪০৭২। ফ্যাক্স : ৯৮২৪০৬৬ 

E-mail: [email protected]

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত ২০০০-২০১৮

converter
.