মা-মেয়েকে ধর্ষণ মামলা: আপিলের নথি গায়েব দুই আসামির

হাইকোর্টের অসন্তোষ * নথি না পাওয়ায় আপিল দুটির শুনানি আপাতত বন্ধ আছে : ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল মনিরুজ্জামান

  আলমগীর হোসেন ০৯ এপ্রিল ২০১৯, ০০:০০ | প্রিন্ট সংস্করণ

নিপীড়ন
নিপীড়ন। প্রতীকী ছবি

সিলেটের আলোচিত মা-মেয়েকে ধর্ষণ মামলায় যাবজ্জীবন দণ্ডপ্রাপ্ত দুই আসামির আপিলের দুটি নথি সুপ্রিমকোর্টে পাওয়া যাচ্ছে না। সংশ্লিষ্ট সেকশন থেকে আপিলের নথি গায়েবের ফলে হাইকোর্টের একটি বেঞ্চে দুই মাস যাবত মামলাটি শুনানি হচ্ছে না।

আদালতের তরফ থেকে বারবার তাগদা দেয়া সত্ত্বেও নথি হাজির করতে পারছেন না সেকশন কর্মকর্র্তারা। এ অবস্থায় অসন্তোষ ও উষ্মা প্রকাশ করেছেন হাইকোর্ট। বর্তমানে আপিল দুটি ওই বেঞ্চের কার্যতালিকার দুই এবং তিন নম্বরে আছে।

এ বিষয়ে জানতে চাইলে ওই বেঞ্চের ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল মনিরুজ্জামান রুবেল যুগান্তরকে বলেন, গত দুই মাস যাবত আপিল দুটির নথি পাওয়া যাচ্ছে না। বিচারপতি মো. রুহুল কুদ্দুস ও বিচারপতি এএসএম আবদুল মুবিনের বেঞ্চে মামলা দুটি কার্যতালিকায় দুই এবং তিন নম্বরে রয়েছে। আদালত মিস সেকশনের কর্মকর্তা মুজিবুর রহমানকে ডেকে বারবার তাগদা দিচ্ছেন। সোমবারও এ বিষয়ে আদালত নথিটির খোঁজ করেন। কিন্তু খোঁজ পাননি কর্মকর্তারা। ফলে আপিল দুটির শুনানি আপাতত বন্ধ আছে।

মামলার নথি থেকে জানা যায়, সিলেট জেলার জকিগঞ্জ উপজেলার মনসুরপুর গ্রামের নাজমুল ইসলাম চৌধুরীর স্ত্রী ও মেয়েকে ১৯৯৭ সালের ১০ জুলাই রাতে একই গ্রামের চার যুবক জোরপূর্বক ধর্ষণ করে। এ ঘটনায় নজরুল ইসলাম একই গ্রামের রইব আলীর ছেলে আরজান (৩৫), খালেকের ছেলে আবদুল করিম (২৫), খুর্শিদ আলীর ছেলে জয়নাল (২৮) ও কটুমনির ছেলে কালনের (২৬) বিরুদ্ধে থানায় মামলা করেন।

পুলিশ এদের চারজনকে গ্রেফতার করে জেলহাজতে পাঠায়। ২০০১ সালে সিলেট নারী ও শিশু নির্যাতন দমন বিশেষ ট্রাইব্যুনাল এ মামলায় চারজনকে যাবজ্জীবন সশ্রম কারাদণ্ড প্রদান করেন। চারজনই খালাস চেয়ে হাইকোর্টে পৃথক আপিল করেন।

গত দুই মাস আগে আসামি আবদুল করিম ও জয়নালের আপিল দুটি বিচারপতি মো. রুহুল কুদ্দুস ও বিচারপতি এএসএম আবদুল মুবিনের বেঞ্চে কার্যতালিকায় দুই এবং তিন নম্বরে ছিল। নথি না পাওয়ায় আদালত শুনানি করতে পারছেন না। এ নিয়ে হাইকোর্ট অসন্তোষ ও উষ্মা প্রকাশ করেছেন।

এ বিষয়ে হাইকোর্ট বিভাগের রেজিস্ট্রার মো. গোলাম রব্বানীর সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি জানান, বিষয়টি সম্পর্কে তিনি অবহিত নন। এ বিষয়ে তিনি জেনে ব্যবস্থা নেবেন।

আরও পড়ুন
  • সর্বশেষ
  • সর্বাধিক পঠিত
সব খবর

ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক : সাইফুল আলম, প্রকাশক : সালমা ইসলাম

প্রকাশক কর্তৃক ক-২৪৪ প্রগতি সরণি, কুড়িল (বিশ্বরোড), বারিধারা, ঢাকা-১২২৯ থেকে প্রকাশিত এবং যমুনা প্রিন্টিং এন্ড পাবলিশিং লিঃ থেকে মুদ্রিত।

পিএবিএক্স : ৯৮২৪০৫৪-৬১, রিপোর্টিং : ৯৮২৪০৭৩, বিজ্ঞাপন : ৯৮২৪০৬২, ফ্যাক্স : ৯৮২৪০৬৩, সার্কুলেশন : ৯৮২৪০৭২। ফ্যাক্স : ৯৮২৪০৬৬ 

E-mail: [email protected]

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত ২০০০-২০১৯

converter
×