দুদকের প্রতিবেদন প্রতিমন্ত্রীর কাছে হস্তান্তর

তিতাসে দুর্নীতির ২২ উৎস চিহ্নিত

অসাধু কর্মকর্তারা ঘুষের বিনিময়ে মিটার টেম্পারিং করে গ্রাহকের প্রকৃত বিল গোপন করেন * অবৈধ সংযোগ নিতে তিতাসের কর্মচারীকে ৪৫ হাজার টাকা ঘুষ দিতে হয়, এখন সেটি আরও বেশি * রাজধানীর আশপাশে ৫ এলাকায় ১ লাখ ১৮ হাজার ৪৫৫ অবৈধ সংযোগ চিহ্নিত

  যুগান্তর রিপোর্ট ১৮ এপ্রিল ২০১৯, ০০:০০ | প্রিন্ট সংস্করণ

তিতাসে দুর্নীতির ২২ উৎস চিহ্নিত

তিতাসের নানা খাতে দুর্নীতির ২২ উৎস চিহ্নিত করে তা প্রতিরোধে ১২ দফা সুপারিশ করেছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। তিতাসে গ্যাস সংযোগে সুনির্দিষ্ট নীতিমালা অনুসরণ করা হয় না। অবৈধ সংযোগ, মিটার টেম্পারিং, কম গ্যাস সরবরাহ করেও সিস্টেম লস দেখানো হয়।

বাণিজ্যিক গ্রাহককে শিল্পশ্রেণীর গ্রাহক হিসেবে সংযোগ দেয়া হয়। এভাবেই অসাধু কর্মকর্তা-কর্মচারীরা দুর্নীতির জাল বিস্তার করেছেন প্রতিষ্ঠানটি ঘিরে। দুদকের তিতাস সম্পর্কিত প্রাতিষ্ঠানিক টিম দীর্ঘ সময় ধরে অনুসন্ধানের পর একটি প্রতিবেদন তৈরি করে। এতেই তিতাসে দুর্নীতির ২২টি উৎস চিহ্নিত হয়েছে বলে উল্লেখ করা হয়। প্রতিবেদনটি বুধবার বিদ্যুৎ জ্বালানি ও খনিজসম্পদ প্রতিমন্ত্রী নসরুল হামিদের কাছে তুলে দেন দুদকের কমিশনার (অনুসন্ধান) ড. মো. মোজাম্মেল হক খান।

বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজসম্পদ প্রতিমন্ত্রী নসরুল হামিদ সাংবাদিকদের বলেন, দুদকের এই প্রতিবেদন গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করে যথাযথ ব্যবস্থা নেয়া হবে। অভিযোগগুলো আরও তদন্ত করবে মন্ত্রণালয়। জড়িতদের ছাড় পাওয়ার কোনো সুযোগ নেই। দুর্নীতির বিরুদ্ধে প্রধানমন্ত্রীর ঘোষিত শূন্য সহিষ্ণুতার নীতি এ মন্ত্রণালয় কার্যকরভাবে অনুসরণ করছে।

তিতাস গ্যাস ট্রান্সমিশন অ্যান্ড ডিস্ট্রিবিউশন কোম্পানির বিষয়ে দুদকের পরিচালক জায়েদ হোসেন খানের নেতৃত্বে টিম গঠন করা হয়। টিমটি তিতাসে দুর্নীতি নিয়ে বিস্তারিত কাজ করে। এ টিম তাদের অনুসন্ধানকালে তিতাসের অবসরপ্রাপ্ত কর্মকর্তা, বর্তমানে কর্মরত কর্মকর্তা এবং এ বিষয়ে যারা ধারণা রাখেন তাদের সঙ্গে আলোচনা ও এ সংক্রান্ত তথ্য সংগ্রহ করেন।

এ ছাড়া তিতাসের বিভিন্ন অনিয়ম ও দুর্নীতি সম্পর্কিত বিভিন্ন দৈনিক পত্রিকায় প্রকাশিত তথ্যসহ ভুক্তভোগী সেবাগ্রহীতাদের বক্তব্য, প্রতিষ্ঠানটির বার্ষিক বিবৃতি, নিরীক্ষা প্রতিবেদনও পর্যালোচনা করে। সার্বিক পর্যালোচনার ভিত্তিতে দলটি তিতাস গ্যাস কোম্পানির দুর্নীতির উৎসের ক্ষেত্র চিহ্নিত করে তা প্রতিরোধে সুপারিশমালা প্রতিবেদন আকারে কমিশনে জমা দেন।

দুদকের এই প্রতিবেদনটি বুধবার বিদ্যুৎ জ্বালানি ও খনিজসম্পদ প্রতিমন্ত্রী নসরুল হামিদের কাছে তুলে দেয়ার পর দুদকের কমিশনার মোজাম্মেল হক খান সচিবালয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলেন। তিনি বলেন, কমিশনের এ প্রতিবেদন অনুসারে ব্যবস্থা নেয়া হলে দুর্নীতি প্রতিরোধ সহজ হবে।

দুর্নীতি সংঘটনের আগেই তা প্রতিরোধ করা গেলে, মামলা-মোকদ্দমা করার প্রয়োজন পড়বে না। তিনি আরও বলেন, সরকার দুর্নীতির বিরুদ্ধে শূন্য সহিষ্ণুতার যে ঘোষণা দিয়েছে কমিশন সে ঘোষণা বাস্তবায়নে বহুমাত্রিক কার্যক্রম বাস্তবায়ন করছে। দুর্নীতির বিরুদ্ধে সমন্বিত উদ্যোগের অংশ হিসেবেই এ প্রতিবেদন প্রণয়ন করা হয়েছে।

প্রতিবেদনের তথ্যমতে, তিতাস গ্যাসে সবচেয়ে বেশি দুর্নীতি হয় গ্যাসের অবৈধ সংযোগের মাধ্যমে। অবৈধভাবে বিভিন্ন কারখানায় গ্যাসের লোড নেয়া হয় এবং বাড়ানো হয়। পরিকল্পনা মন্ত্রণালয়ের বাস্তবায়ন পরিবীক্ষণ ও মূল্যায়ন বিভাগ (আইএমইডি) তাদের এক গবেষণা প্রতিবেদনে বলেছে- তিতাসে ৬ শতাংশ সিস্টেম লস হয় অবৈধ সংযোগের কারণে। ঢাকার আশপাশের এলাকাগুলোতে বিশেষ করে সাভার, আশুলিয়া, গাজীপুর, নরসিংদী, নারায়ণগঞ্জে বিপুল পরিমাণ অবৈধ গ্যাসলাইন সংযোগের তথ্য পাওয়া যায়।

গৃহস্থালির চেয়ে শিল্পেই বেশি অবৈধ সংযোগ রয়েছে। তিতাসের কিছু অসাধু কর্মকর্তা-কর্মচারী তিতাসে কর্মরত নয় এ রকম কিছু ব্যক্তির যোগসাজশে ঘুষের বিনিময়ে স্বাভাবিক সংযোগের পাশাপাশি চোরাই লাইনে সংযোগ দেয়। রাতের আঁধারে অবৈধ সংযোগগুলো দেয়া হয়। তিতাসে কেউ নতুন সংযোগের জন্য আবেদন করলে বা অবৈধ সংযোগ বৈধ করার জন্য আবেদন করলে সেটি সহজে অনুমোদন পায় না।

এর কারণ হিসেবে দুদক বলছে, বৈধ সংযোগের ক্ষেত্রে সিন্ডিকেট অর্থ হাতিয়ে নেয়ার সুযোগ পায় না। ২০১৩-১৪ অর্থবছরের অডিট রিপোর্টের উদ্ধৃতি দিয়ে দুদক বলছে, একটি অবৈধ সংযোগ নিতে তিতাসের কর্মচারীকে অবৈধভাবে ৪৫,০০০ টাকা ঘুষ হিসেবে দিতে হতো। এখন সেটি আরও বেশি।

তাই তারা অবৈধ সংযোগকে বৈধ করতে আগ্রহী নয়। অবৈধ সংযোগ বিচ্ছিন্ন করতে অনেক সময় ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালিত হয়। আদালত অবৈধ সংযোগ বিচ্ছিন্ন করে দিলেও রাতের আঁধারে সেটি অর্থের বিনিময়ে পুনঃসংযোগ দেয়া হয়। অবৈধ সংযোগ চিহ্নিত করার পর গ্রাহকের মামলার পরিপ্রেক্ষিতে আদালতের আদেশে সংযোগ পুনঃস্থাপন করা হলেও অবৈধ সংযোগ বন্ধে কোনো আইনি ব্যবস্থা নেয়া হয় না।

প্রতিবেদনে বলা হয়, অনেক সময় অদৃশ্য হস্তক্ষেপে অবৈধ সংযোগ দেয়া হয়। ওই হস্তক্ষেপের কারণেই অবৈধ সংযোগ বন্ধও করা যায় না। উপজেলা পর্যায়ে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সভাপতি ও সংশ্লিষ্ট এলাকার তিতাস গ্যাস কর্মকর্তার (ম্যানেজার) সমন্বয়ে অবৈধ সংযোগ বিচ্ছিন্নকরণ কমিটি আছে।

জেলা পর্যায়ে জেলা প্রশাসকের নেতৃত্বে কমিটি আছে। অবৈধ সংযোগের তথ্যের আলোকে গ্যাস সংযোগ বিচ্ছিন্ন করা হয়। এ ক্ষেত্রেও অদৃশ্য প্রভাব কাজ করে। তিতাসে গ্যাস সংযোগে নির্দিষ্ট নীতিমালা অনুসরণ করা হয় না।

শিল্পকারখানায় গ্যাস সংযোগ দেয়ার জন্য জ্বালানি উপদেষ্টাকে সভাপতি এবং পেট্রোবাংলার চেয়ারম্যানকে সদস্য সচিব করে একটি কমিটি আছে। এ কমিটির সিদ্ধান্তেই গ্যাস সংযোগ দেয়া হয়। এ ক্ষেত্রে স্বচ্ছতার স্বার্থে শিল্পকারখানায় গ্যাস সংযোগের ক্ষেত্রে কমিটির পাশাপাশি একটি সুনির্দিষ্ট নীতিমালা থাকা প্রয়োজন বলে মনে করে দুদক।

তিতাসের একই কর্মকর্তা একাধিক দায়িত্ব পালন করেন। তিনি কোনো দায়িত্বই সঠিকভাবে পালন না করে দুর্নীতির আশ্রয় নেন। শিল্পশ্রেণীর গ্রাহকদের কম মূল্যে গ্যাস সংযোগ দেয়ার নিয়ম থাকায় অনেক সময় অর্থের বিনিময়ে বাণিজ্যিক শ্রেণীর গ্রাহক যেমন: হোটেল, রেস্টুরেন্ট, বেকারি, সুপার শপ ইত্যাদি প্রতিষ্ঠানকে শিল্পশ্রেণীর গ্রাহক হিসেবে সংযোগ দেয়া হয়। অবৈধ সংযোগের পাশাপাশি মিটার টেম্পারিংয়ের মাধ্যমেও তিতাসে দুর্নীতি হয়।

কিছু অসাধু কর্মকর্তা ঘুষের বিনিময়ে মিটার টেম্পারিং করে গ্রাহকের প্রকৃত বিল গোপন করে থাকেন।

ঢাকার আশপাশের এলাকাগুলোতে তিতাসের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের যোগসাজশে নির্দিষ্ট অর্থের বিনিময়ে শিল্পপ্রতিষ্ঠানগুলোতে অনুমোদনের অতিরিক্ত বয়লার ও জেনারেটর সংযোগ দেয়া হয়। যেসব শিল্পপ্রতিষ্ঠান বা আবাসিক গ্রাহক বৈধভাবে সংযোগ নিতে চান বা মিটারের নাম পরিবর্তন করতে চান তাদের কাছ থেকেও অতিরিক্ত টাকা নেয়া হয়।

টাকা না দিলে তাদের নানাভাবে হয়রানি করা হয়। ঢাকা এবং এর আশপাশের অনেক কোম্পানির মিটার বাইপাস করে অবৈধ সংযোগ আছে বলে দুদক জেনেছে। তিতাসের কর্মীরা ঘুষের বিনিময়ে এরূপ বাইপাসের মাধ্যমে গ্যাসের সংযোগ দেয়। ইচ্ছাকৃতভাবে তিতাসের কর্মচারীরা গৃহস্থালিতে গ্যাসের চাপ কমিয়ে দিয়ে ওই সময়ে বিভিন্ন শিল্পপ্রতিষ্ঠানে বাইপাস করে থাকেন।

তিতাসসহ অন্যান্য কোম্পানি অনেক সময় ইচ্ছাকৃতভাবে গ্রাহক পর্যায়ে অনুমোদনের কম/বেশি গ্যাস সরবরাহ করে। কিন্তু সরবরাহের পরিমাপ করার জন্য ইভিসি (ইলেকট্রনিক ভলিউম কারেক্টর) করে না। ওই মিটারের মাধ্যমে প্রবাহিত গ্যাসের তাপ ও চাপ সংক্রান্ত তথ্যাদি সার্বক্ষণিকভাবে রেকর্ড হয়।

এতে ৮০-৯০ শতাংশ সঠিক হিসাব আসে। কিন্তু তিতাসের কর্মীরা ইচ্ছাকৃতভাবে গরমিল করেন। তিতাসের কিছু কর্মকর্তা-কর্মচারী দীর্ঘদিন ধরে অর্থের বিনিময়ে শিল্প এলাকায় পোস্টিং নিয়ে আছেন, যার কারণে তারা খুব সহজেই সিন্ডিকেটের মাধ্যমে দুর্নীতি করেন।

অনুমিত পরিমাণের চেয়ে গ্যাস কম সরবরাহ করেও সিস্টেম লস দেখানোর অভিযোগ আছে তিতাসে। ২০১৫-১৬ অর্থবছরের অডিট রিপোর্ট পর্যালোচনা করে দুদক দেখেছে, ওই বছর আবাসিক খাতে অনুমিত প্রবাহ ছিল ১০ হাজার ৩১৭ কোটি ৬৯ লাখ ৩৫ হাজার ৫৬৮ ঘনফুট।

কিন্তু ব্যবহার হয়েছে ৮ হাজার ৮৩৯ কোটি ৭৪ লাখ ৯৬ হাজার ৮৯৯ ঘনফুট। অনুমিত সরবরাহ থেকে ১ হাজার ৪৭৭ কোটি ৯৪ লাখ ৩৮ হাজার ৬৬৯ ঘনফুট গ্যাস কম ব্যবহার হয়েছে। যার মূল্য ২৯২ কোটি ৯৫ লাখ ৪৬ হাজার ৯২১ টাকা। তারপরও সিস্টেম লস দেখানো হয়েছে। অনুসন্ধানে দুদক জেনেছে, বিভিন্ন শিল্পকারখানায় অবৈধ সংযোগ বা বাইপাস করে তা গৃহস্থালিতে সিস্টেম লস হিসেবে দেখানো হয়।

অবৈধ চুলার জন্য বৈধ চুলার সমান টাকা আদায় করে আত্মসাৎ করার তথ্যও পেয়েছে দুদক। ২০১৫-২০১৬ অর্থবছরে জিনজিরা, ফতুল্লা, সোনারগাঁও, নরসিংদী ও গাজীপুর এই ৫ এলাকায় ১ লাখ ১৮ হাজার ৪৫৫ টি অবৈধ চুলা বা সংযোগ চিহ্নিত করা হয়। প্রতিমাসে প্রতি চুলা বাবদ ৬৫০ টাকা হারে ওই গ্যাসের দাম হয় ৯২ কোটি ৩৯ লাখ ৪৯ হাজার টাকা। কিন্তু উক্ত অবৈধ সংযোগসমূহ চিহ্নিত করে বিচ্ছিন্ন না করায় ওই টাকা আত্মসাৎ করা হয়েছে মর্মে দুদক মনে করছে।

এসব দুর্নীতি প্রতিরোধে ১২ দফা সুপারিশও দিয়েছে সংস্থাটি। এর মধ্যে রয়েছে- মিটার টেম্পারিং রোধ এবং গ্রাহক পর্যায়ে গ্যাসের অপচয় বন্ধ করতে ডিস্ট্রিবিউশন এবং গ্রাহক উভয় ক্ষেত্রে প্রি-পেইড মিটার চালু করা। অবৈধ সংযোগ রয়েছে, এমন তথ্যের ভিত্তিতে আকস্মিক পরিদর্শনের ব্যবস্থা করা।

পরিদর্শনে অবৈধ সংযোগ পাওয়া গেলে ওই এলাকার তিতাসের পরিদর্শকের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণ এবং সংযোগ বিচ্ছিন্ন করে প্রতিটি অবৈধ গ্রাহকের কাছ থেকে উচ্চ হারে জরিমানা আদায়ের ব্যবস্থা করা। অবৈধ সংযোগ বিচ্ছিন্ন করার পরে নিয়মিত ফলোআপের ব্যবস্থা করা।

তিতাসের যেসব কর্মচারীর দীর্ঘদিন শিল্প এলাকায় পোস্টিং আছে, তাদের বদলির ব্যবস্থা করা। কোনো কর্মকর্তা বা কর্মচারীকে শিল্প এলাকায় এবং একই বিভাগে ১ থেকে ২ বছরের বেশি পোস্টিং না রাখার নীতি গ্রহণ করা। প্রতিবছর বিদ্যমান জনবলের দক্ষতা যাচাই করা।

বিভিন্ন অনিয়মের সঙ্গে জড়িত কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের বিরুদ্ধে বিভাগীয় শাস্তি নিশ্চিত করা। অবৈধ সম্পদ অর্জনকারী ট্রুথ কমিশনে যাওয়া তিতাস গ্যাসের কর্মকর্তা-কর্মচারীরা অভ্যাসগতভাবে অপরাধী বলে দুদকের কাছে মনে হয়েছে। তাই তিতাসের যেসব কর্মকর্তা-কর্মচারী ট্রুথ কমিশনে গিয়েছিলেন তাদের পদোন্নতি ও কোনো গুরুত্বপূর্ণ জায়গায় পদায়ন না করা।

২০১০-১১ থেকে ২০১৫-১৬ অর্থবছরের সরকারি অডিট রিপোর্ট পর্যালোচনা করে প্রচুর অডিট আপত্তি পেয়েছে দুদক। এসব আপত্তি দ্রুত নিষ্পত্তি করা। আর যেসব আপত্তিতে ফৌজদারি উপাদান আছে, সে ক্ষেত্রে আইনি ব্যবস্থা নেয়া। বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের কাছে বড় অঙ্কের বকেয়া থাকলে তা আদায় করা। তিতাসের সিস্টেম লসের সর্বোচ্চ হার ২ শতাংশ পর্যন্ত গ্রহণ করা। তিতাসের বর্তমান সিস্টেম লস ৬ শতাংশ, যা খুব বেশি।

আরও পড়ুন
  • সর্বশেষ
  • সর্বাধিক পঠিত
সব খবর

ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক : সাইফুল আলম, প্রকাশক : সালমা ইসলাম

প্রকাশক কর্তৃক ক-২৪৪ প্রগতি সরণি, কুড়িল (বিশ্বরোড), বারিধারা, ঢাকা-১২২৯ থেকে প্রকাশিত এবং যমুনা প্রিন্টিং এন্ড পাবলিশিং লিঃ থেকে মুদ্রিত।

পিএবিএক্স : ৯৮২৪০৫৪-৬১, রিপোর্টিং : ৯৮২৪০৭৩, বিজ্ঞাপন : ৯৮২৪০৬২, ফ্যাক্স : ৯৮২৪০৬৩, সার্কুলেশন : ৯৮২৪০৭২। ফ্যাক্স : ৯৮২৪০৬৬ 

E-mail: [email protected]

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত ২০০০-২০১৯

converter
×