শ্রীলংকায় নিহত বেড়ে ৩২১

শোকের দিনেই গণশেষকৃত্য

এবার আইএসের দায় স্বীকার * ঘটনার তদন্তে সুপ্রিমকোর্টের বিচারকের নেতৃত্বে বিশেষ কমিটি * ক্রাইস্টচার্চের হামলার প্রতিশোধ -শ্রীলংকান মন্ত্রী * আত্মঘাতী হামলায় জড়িত দুই ভাই -তদন্ত কর্মকর্তা * ভিডিওতে ধরা পড়ল সন্দেহভাজন হামলাকারী * ফের হামলা হতে পারে, সতর্ক করল ভারত

  যুগান্তর ডেস্ক ২৪ এপ্রিল ২০১৯, ০০:০০ | প্রিন্ট সংস্করণ

শ্রীলংকায় নিহত বেড়ে ৩২১

আত্মঘাতী সিরিজ বোমা হামলার দু’দিন পর তিন মিনিটের নীরবতার মধ্য দিয়ে রাষ্ট্রীয় শোক পালন করেছেন শ্রীলংকাবাসী। নৃশংস এ ঘটনায় নিহতদের স্মরণে মঙ্গলবার রাষ্ট্রীয় শোক দিবসেই গণশেষকৃত্যানুষ্ঠান হয়েছে। নেগোম্বো শহরের সেইন্ট সেবাস্তিয়ান গির্জায় একযোগে অন্তত ৩০ মরদেহের শেষকৃত্য শেষে সমাহিত করা হয়।

ইস্টার সানডের উৎসবে গির্জা ও হোটেলে সিরিজ আত্মঘাতী বোমা হামলায় নিহতের সংখ্যা বেড়ে ৩২১-এ দাঁড়িয়েছে। বিভিন্ন হাসপাতাল থেকে নিহতদের মরদেহ স্বজনদের কাছে হস্তান্তর করা হচ্ছে। একের পর এক কফিনবন্দি মরদেহ হাসপাতাল থেকে সমাধিস্থলে আনা হয়।

মৃতদেহ গ্রহণ, শেষকৃত্য এবং সমাহিত করা নিয়ে প্রতিবেশীসহ স্বজনদের আহাজারিতে বাতাস ভারি হয়ে ওঠে। সমাহিত করার পর স্বজনদের বিলাপ করতে দেখা যায়। তারা সমাধির ওপর লুটিয়ে পড়ে কাঁদতে থাকে। এক টুইটবার্তায় দেশটির প্রধানমন্ত্রী রনিল বিক্রমাসিংহে বলেছেন, ‘অবর্ণনীয় এই ট্র্যাজেডির পরও আমরা শ্রীলংকানরা ঐক্যবদ্ধ আছি।’

এদিকে শ্রীলংকায় ফের হামলা চালাবে দেশটির জঙ্গিগোষ্ঠী ন্যাশনাল তৌহিদ জামায়াত (এনটিজে)। মঙ্গলবার শ্রীলংকাকে আবারও সেই সতর্কতা দিল ভারত। প্রেসিডেন্ট মাইথ্রিপালা সিরিসেনার এক উপদেষ্টা শিরাল লাকথিলাকা বিসিসিকে বলেন, এরই মধ্যে ঘটনা তদন্তের জন্য সুপ্রিমকোর্টের একজন বিচারকের নেতৃত্বে একটি বিশেষ কমিটি গঠন করা হয়েছে।

দেশটির প্রেসিডেন্ট এই কমিটি গঠন করেন। কলম্বো পুলিশের মুখপাত্র রাবন গুসাসেকারা এক বিবৃতিতে জানান, ওই হামলায় আহত পাঁচ শতাধিক মানুষের মধ্যে বেশ কয়েকজন হাসপাতালে মারা যান। এ তথ্য যখন এলো, তখন হতাহতদের স্মরণে পালিত হচ্ছিল রাষ্ট্রীয় শোক।

শোকের দিনই এ হামলার দায় স্বীকার করে বিবৃতি দিয়েছে মধ্যপ্রাচ্যভিত্তিক জঙ্গিগোষ্ঠী ইসলামিক স্টেট (আইএস)। এর আগের দিন জামাত আল-তাওহিদ আল-ওয়াতানিয়া নামের একটি জঙ্গিগোষ্ঠী এই বোমা হামলার দায় স্বীকার করে। এদিকে সিরিজ বোমা হামলাকে নিউজিল্যান্ডের ক্রাইস্টচার্চের দুই মসজিদে হামলার বদলা হিসেবে দেখছেন শ্রীলংকার এক মন্ত্রী।

এ ঘটনায় মুসলমানদের ভেতর আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে। সরকারের পক্ষ থেকে তাদের নিরাপত্তা জোরদার করা হয়েছে। এছাড়া গির্জাগুলোয় বাড়ানো হয়েছে নিরাপত্তা। শ্রীলংকা সরকার এ ঘটনার তদন্তে আন্তর্জাতিক সহায়তা চেয়েছে। এর পরপরই সহায়তা দেয়ার জন্য আন্তর্জাতিক পুলিশ সংস্থা ইন্টারপোলের তদন্ত দল কলম্বোয় পৌঁছেছে। যুক্তরাষ্ট্রের জাতীয় গোয়েন্দা সংস্থা এফবিআই এবং ব্রিটিশ কর্মকর্তারাও শ্রীলংকাকে তদন্ত কাজে সহায়তার কথা জানিয়েছে।

বিবিসি জানায়, তিন মিনিট নীরবতার মধ্য দিয়ে সকাল সাড়ে ৮টার দিকে ভারত মহাসাগরের এ দ্বীপদেশে রাষ্ট্রীয় শোক পালনের কার্যক্রম শুরু হয়। দুই দিন আগে ঠিক একই সময়েই ইস্টার সানডের প্রার্থনা চলাকালে তিনটি গির্জা ও চারটি পাঁচ তারকা হোটেলে আত্মঘাতী বিস্ফোরণ ঘটে।

এদিন সারা দেশে সরকারি-আধা সরকারি ভবনে জাতীয় পতাকা অর্ধনমিত রাখা হয়। বোমায় ক্ষতিগ্রস্ত নেগোম্বোর সেইন্ট সেবাস্টিয়ানের গির্জায় শেষকৃত্য শেষে ৩০ মরদেহ সমাহিত করা হয়। এ ঘটনায় হতাহতের অধিকাংশই শ্রীলংকান। নিহতদের মধ্যে ৩৫ জন বিদেশি রয়েছেন বলে জানিয়েছেন দেশটির কর্মকর্তারা।

শ্রীলংকায় এক দশক আগে বিচ্ছিন্নতাবাদী তামিল টাইগাররা উৎখাত হওয়ার পর এমন ভয়াবহ হামলা আর দেখা যায়নি। এ পরিস্থিতিতে সোমবার মধ্যরাত থেকে জরুরি অবস্থা জারি হয়েছে ভারত লাগোয়া দ্বীপরাষ্ট্রটিতে। জরুরি অবস্থার ফলে পুলিশ ও সামরিক বাহিনী আদালতের নির্দেশ ছাড়াই সন্দেহভাজনদের আটক ও জিজ্ঞাসাবাদ করছে। এর আগে গৃহযুদ্ধের সময় শেষ এ ক্ষমতা ব্যবহার করেছিল দেশটির নিরাপত্তা বাহিনীগুলো।

বিস্ফোরণের পর সরকার ফেসবুক, হোয়াটসঅ্যাপ ও ইনস্টাগ্রামের মতো সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমগুলো বন্ধ করে দিয়েছে। শ্রীলংকা পুলিশ জানিয়েছে, ওই হামলায় জড়িত সন্দেহে গ্রেফতার করা হয়েছে ৪০ জনকে। এদের নাম-পরিচয় প্রকাশ করা না হলেও এদের অধিকাংশই শ্রীলংকান। আটককৃতদের জিজ্ঞাসাবাদের পর একজন সিরীয়কে গ্রেফতার করা হয় বলে রয়টার্সকে জানিয়েছে শ্রীলংকা সরকার ও সামরিক বাহিনীর তিনটি সূত্র। একটি সূত্র বলছে, ‘স্থানীয় সন্দেহভাজনদের জিজ্ঞাসাবাদের পর তাকে (সিরীয়) গ্রেফতার করা হয়।’

মার্কিন এক সংবাদমাধ্যমে প্রচারিত একটি ভিডিও ফুটেজে দেখা গেছে, সন্দেহভাজন হামলাকারীদের একজন পিঠে ভারি ব্যাগ বহন করছে। সেইন্ট সেবাস্টিয়ান গির্জায় প্রবেশের আগে সে একটি শিশুর মাথা স্পর্শ করছে। ওই গির্জায়ও আত্মঘাতী হামলা হয়েছে। যদিও এ ফুটেজের ব্যাপারে কিছু জানায়নি শ্রীলংকা সরকার।

গত সোমবার জামাত আল-তাওহিদ আল-ওয়াতানিয়া নামের একটি জঙ্গিগোষ্ঠী শ্রীলংকায় রোববারের ভয়াবহ বোমা হামলার দায় স্বীকার করে। দুবাইভিত্তিক আল অ্যারাবিয়া টেলিভিশন চ্যানেলকে উদ্ধৃত করে এ কথা জানিয়াছে রুশ বার্তা সংস্থা তাস। আল অ্যারাবিয়া টুইটারে সোমবার এই দায় স্বীকারের বিষয়টি জানায়।

এদিকে হামলার পেছনে প্রাথমিকভাবে ন্যাশনাল তাওহীদ জামায়াত (এনটিজে) নামে স্থানীয় একটি ইসলামী সংগঠন জড়িত বলে সন্দেহ প্রকাশ করে শ্রীলংকা সরকার। তবে সরকারের ধারণা, যে সংগঠনই ওই হামলা চালিয়ে থাকুক, তারা শ্রীলংকার বাইরে থেকে সহযোগিতা পেয়েছে। এ বিষয়ে তদন্তে আন্তর্জাতিক সহায়তাও চাওয়া হয়েছে শ্রীলংকা সরকারের তরফ থেকে।

যুক্তরাষ্ট্রের গোয়েন্দা সূত্রগুলো জানিয়েছে, এসব হামলায় জঙ্গিগোষ্ঠী ইসলামিক স্টেটের (আইএস) কিছু বৈশিষ্ট্যের ছাপ রয়েছে। সন্ত্রাসবিরোধী বিশেষজ্ঞ অ্যাল্টো লাবেতুবন বলেন, ‘শ্রীলংকায় এমন সমন্বিত হামলা সাধারণ কোনো হামলা নয়। মধ্যপ্রাচ্য এবং দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ায় এ ধরনের ঘটনার সঙ্গে তুলনা করলে দেখা যায়, শ্রীলংকায় হামলার ধরন আইএস এবং আল-কায়দার চালানো হামলার সঙ্গেই মিলে যায়।’

বিশ্লেষকদের এসব মতের মধ্যেই মঙ্গলবার এ হামলার দায় স্বীকার করে বিবৃতি দিয়েছে আইএস। গোষ্ঠীটির বার্তা সংস্থা আমাক-এ মঙ্গলবার হামলার দায় স্বীকার করে আরবিতে লেখা একটি বার্তা আসে। তবে সেখানে এ দাবির পক্ষে কোনো প্রমাণ দেখানো হয়নি বলে জানিয়েছে রয়টার্স।

আত্মঘাতী হামলায় দুই ভাই : গোয়েন্দা কর্মকর্তাদের বরাতে এএফপি জানায়, শ্রীলংকার এক মুসলিম ধনী মসলা ব্যবসায়ীর দুই পুত্রও এ আত্মঘাতী হামলায় জড়িত। তাদের নাম প্রকাশ করা হয়নি। তবে ওই দুই ভাইয়ের বয়স ২০-এর আশপাশে বলে জানিয়েছেন কর্মকর্তারা।

তারা জানিয়েছেন, দুই ভাই এনটিজের অন্যতম সদস্য। হামলার একদিন আগে এক ভাই সিনামন গ্রান্ড হোটেলে ও অন্যজন শাংগ্রি লা হোটেলে ওঠে। এ দুই হোটেলও আত্মঘাতী হামলা হয়েছে।

ক্রাইস্টচার্চের বদলা নিতে ইস্টার সানডের হামলা -শ্রীলংকার মন্ত্রী : রয়টার্স জানিয়েছে, ইস্টার সানডেতে বোমা হামলা নিউজিল্যান্ডের মসজিদে চালানো হামলার প্রতিশোধ হিসেবে ঘটানো হয়েছে বলে মন্তব্য করেছেন শ্রীলংকার এক মন্ত্রী। মঙ্গলবার শ্রীলংকার পার্লামেন্টে এ মন্তব্য করেছেন দেশটির প্রতিরক্ষা প্রতিমন্ত্রী রাভন বিজয়বর্ধনে।

গত ১৫ মার্চে ওই হামলায় ৫০ মুসল্লি নিহত হন। বিজয়বর্ধনে বলেন, ‘প্রাথমিক তদন্তে বের হয়েছে এটি নিউজিল্যান্ডের মসজিদে চালানো হামলার প্রতিশোধ হিসেবে করা হয়েছে। শ্রীলংকায় হামলার ঘটনায় দুটি স্থানীয় ইসলামী সংগঠন দায়ী, এমন ধারণা করা হচ্ছে বলেও জানিয়েছেন তিনি।

মন্ত্রী বলেন, ‘জমিয়াতুল মিল্লাতু ইব্রাহিমের (জেএমআই) সঙ্গে মিলে এনটিজে এ হামলা চালিয়েছে।’ তবে ক্রাইস্টচার্চের মসজিদে হামলার সঙ্গে শ্রীলংকায় হামলার কোনো মিল দেখছে না নিউজিল্যান্ড। মঙ্গলবার দেশটির প্রধানমন্ত্রী জাসিন্দা আরদার্নের কার্যালয় জানায়, নিউজিল্যান্ড হামলার কোনো গোয়েন্দা তথ্যের সঙ্গে শ্রীলংকার হামলার সংশ্লিষ্টতা আমরা দেখছি না। প্রধানমন্ত্রীর মুখপাত্র বলেন, ‘আমরা বুঝতে পারছি, শ্রীলংকা হামলার তদন্ত এখনও প্রাথমিক পর্যায়ে রয়েছে। তবে এর সঙ্গে ক্রাইস্টচার্চ হামলার কোনো সাদৃশ্য নেই।’

‘বড় ধরনের গোয়েন্দা ব্যর্থতা’: বিবিসি বাংলা জানায়, মন্ত্রিপরিষদ মুখপাত্র রাজিথা সেনারত্নে এক সংবাদ সম্মেলনে বলেছেন নিরাপত্তা বিষয়ক আগাম তথ্য সম্পর্কে অবহিত ছিলেন না প্রধানমন্ত্রী রনিল বিক্রমাসিংহে। মিস্টার সেনারত্নে বলেন, নিরাপত্তা সংস্থাগুলো গত ৪ এপ্রিল থেকেই সতর্কবার্তা ইস্যু করতে শুরু করে।

এর আগেই প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় থেকে সতর্কবার্তার বিস্তারিত পুলিশ প্রধানের কাছে পাঠিয়েছিল। ১১ এপ্রিল নিরাপত্তা সংক্রান্ত বিভিন্ন বিভাগের প্রধানদের কাছে একটি বার্তা পাঠানো হয়। তিনি বলেন, সম্ভাব্য হামলার বিষয়ে হামলাকারী গোষ্ঠী ও তাদের সদস্যদের নামও বিদেশি গোয়েন্দা সংস্থার কাছ থেকে পাওয়ার পর তা পুলিশকে দেয়া হয়েছিল।

যুক্তরাষ্ট্রের গণমাধ্যমে ইতিমধ্যেই খবর এসেছে যে যুক্তরাষ্ট্র ও ভারতীয় গোয়েন্দা সংস্থা শ্রীলংকা সরকারকে এ বিষয়ে সতর্ক করেছিল। তবে এটা পরিষ্কার নয় যে মিস্টার সিরিসেনাকে এসব সতর্কবার্তার বিষয়ে জানানো হয়েছিল কিনা।

দেশটির নগর পরিকল্পনা বিষয়কমন্ত্রী রাউফ হাকিম এ ঘটনাকে ‘বড় গোয়েন্দা ব্যর্থতা’ হিসেবে উল্লেখ করেছেন। ‘এটা আমাদের সবার জন্য লজ্জাজনক। আমরা সবাই লজ্জিত’। টেলিযোগাযোগমন্ত্রী হারিন ফার্নান্দো টুইট বার্তায় লিখেছেন : ‘কিছু গোয়েন্দা কর্মকর্তা এ বিষয়ে জানতেন। তারপরেও ব্যবস্থা নিতে বিলম্ব হয়েছে। কেন সতর্কতাকে এড়িয়ে গেল সেজন্য কঠিন ব্যবস্থা নেয়া উচিত’।

কলম্বোয় ঢুকেছে বিস্ফোরকবাহী যানবাহন, আরও হামলার সতর্কতা : শ্রীলংকায় ফের হামলা চালাবে দেশটির জঙ্গিগোষ্ঠী ন্যাশনাল তৌহিদ জামায়াত (এনটিজে)। মঙ্গলবার শ্রীলংকাকে আবারও সেই সতর্কতা দিল ভারত। রোববার হামলার দুই ঘণ্টা আগেও দেশটিকে সতর্ক করেছিল নয়াদিল্লি।

মঙ্গলবার ভারতের হিন্দুস্তান টাইমসের প্রতিবেদনের বরাতে এ খবর প্রকাশ করেছে শ্রীলংকার প্রভাবশালী গণমাধ্যম সানডে টাইমস। প্রতিবেদনটিতে বলা হয়, এনটিজের প্রতিষ্ঠাতা জাহরান হাশিম ওরফে আবু উবাইদার শ্যালক নৌফার মৌলভি সম্প্রতি কাতার থেকে শ্রীলংকায় ফিরে সংগঠনটির দায়িত্ব গ্রহণ করেছে।

শ্রীলংকায় দ্বিতীয় আরেকটি হামলার প্রস্তুতি নিচ্ছে। একই দিন সানডে টাইমসের আরেক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, শ্রীলংকার রাজধানী কলম্বোয় বিস্ফোরকবাহী একটি ভ্যান, একটি লরি এবং কিছু মোটরসাইকেল প্রবেশ করায় দেশটির নিরাপত্তা বাহিনীকে সতর্ক থাকতে বলেছে রাষ্ট্রীয় গোয়েন্দা সংস্থা।

পুলিশের মুখপাত্র এসপি রুয়ান গুনাসেকারার বরাত দিয়ে প্রতিবেদনে বলা হয়, এদিন সকালেই কলম্বো হারবারের ডিরেক্টর অব সিকিউরিটি চিঠি পাঠিয়ে দেশটির সব পুলিশ স্টেশন এবং সংশ্লিষ্টদের জানানো হয়েছে। এতে আরও বলা হয়, যে যানবাহনগুলোতে বিস্ফোরক আছে বলে মনে করা হচ্ছে, সেগুলোর নম্বর প্লেট পুলিশকে দিয়েছে গোয়েন্দা সংস্থা।

যানবাহনগুলো খুঁজতে অভিযান শুরু করে দিয়েছে কলম্বো হারবারের পুলিশ। সতর্ক বার্তায় বলা হয়, শনাক্ত করা যায়নি এমন একটি কনটেইনার ট্রাক এবং একটি সম্ভাব্য বিস্ফোরক ডিভাইস বহনকারী ভ্যান কলম্বোয় প্রবেশ করেছে বলে জানিয়েছে গোয়েন্দা সংস্থা।

সংশোধনী : মঙ্গলবার প্রথম পৃষ্ঠায় প্রকাশিত শ্রীলংকায় হামলার ঘটনায় অন্য একটি ছবি ছাপানো হয়। এ ভুলের জন্য আমরা দুঃখিত।

ঘটনাপ্রবাহ : শ্রীলংকায় গির্জা ও হোটেলে সিরিজ হামলা

আরও
আরও পড়ুন
  • সর্বশেষ
  • সর্বাধিক পঠিত
সব খবর

ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক : সাইফুল আলম, প্রকাশক : সালমা ইসলাম

প্রকাশক কর্তৃক ক-২৪৪ প্রগতি সরণি, কুড়িল (বিশ্বরোড), বারিধারা, ঢাকা-১২২৯ থেকে প্রকাশিত এবং যমুনা প্রিন্টিং এন্ড পাবলিশিং লিঃ থেকে মুদ্রিত।

পিএবিএক্স : ৯৮২৪০৫৪-৬১, রিপোর্টিং : ৯৮২৪০৭৩, বিজ্ঞাপন : ৯৮২৪০৬২, ফ্যাক্স : ৯৮২৪০৬৩, সার্কুলেশন : ৯৮২৪০৭২। ফ্যাক্স : ৯৮২৪০৬৬ 

E-mail: [email protected]

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত ২০০০-২০১৯

converter
×