বাংলাদেশ-ব্রুনাই যৌথ বিবৃতি

সম্পর্ক নতুন উচ্চতায় নিয়ে যাওয়ার প্রত্যয়

জ্বালানি খাতে সমন্বিত অংশীদারিত্ব গড়ে তোলা হবে * প্রবাসীদের কল্যাণ নিশ্চিত করা সরকারের দায়িত্ব -প্রধানমন্ত্রী * দেশে ফিরেছেন প্রধানমন্ত্রী

  বাসস ২৪ এপ্রিল ২০১৯, ০০:০০ | প্রিন্ট সংস্করণ

বাংলাদেশ-ব্রুনাই যৌথ বিবৃতি

দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক নতুন উচ্চতায় নিয়ে যাওয়ার দৃঢ়প্রত্যয় ব্যক্ত করছে বাংলাদেশ ও ব্রুনাই। দু’দেশের যৌথ বিবৃতিতে এ প্রত্যয় ব্যক্ত করা হয়েছে। জ্বালানি খাতে সমন্বিত সহযোগিতার সম্ভাবনা কাজে লাগাতে দু’দেশ সম্মত হয়েছে বলে এক যৌথ বিবৃতিতে জানানো হয়েছে।

বিবৃতিতে বলা হয়, দ্রুত অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধির স্বার্থে ক্রমবর্ধমান জ্বালানি চাহিদার জোগান দিতে বাংলাদেশে তরল প্রাকৃতিক গ্যাস সরবরাহসহ সরকার-টু-সরকার (জিটুজি) চুক্তির আওতায় দু’দেশ জ্বালানি খাতে সমন্বিত সহযোগিতার সম্ভাবনা কাজে লাগাতে সম্মত হয়েছে।

দ্বিপক্ষীয় সম্পর্কের ৩৫তম বার্ষিকীতে সুলতান হাসানাল বলকিয়াহর আমন্ত্রণে তিন দিনের সফরে রোববার ব্রুনাই যান প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। সফরকালে তিনি সুলতানের সঙ্গে দ্বিপাক্ষিক বৈঠক করেন। প্রধানমন্ত্রীর সফরের শেষদিন মঙ্গলবার দুই নেতা যৌথ বিবৃতি দেন।

বিবৃতিতে বলা হয়, পেট্রোকেমিক্যাল, সমুদ্রে তেল ও গ্যাস অনুসন্ধান, কারিগরি সহযোগিতা ও সক্ষমতা উন্নয়নের মতো খাতে দু’দেশের সরকারি ও বেসরকারি খাতের সমন্বিত সহযোগিতায় বাণিজ্য ও বিনিয়োগের সুযোগ কাজে লাগাতে দুই নেতা একমত হয়েছেন।

এতে বলা হয়, দুই নেতা বিনিয়োগের সম্ভাবনার ব্যাপারে গুরুত্ব দিয়েছেন এবং দু’দেশের পারস্পরিক স্বার্থে বিশেষ করে খাদ্য প্রক্রিয়াজাতকরণ, জ্বালানি, আইসিটি, জাহাজ নির্মাণ, ম্যানুফ্যাকচারিং, পর্যটন অবকাঠামো, ব্লু ইকোনমি এবং পাট শিল্পের মতো খাতে পারস্পরিক বিনিয়োগে উৎসাহিত করতে সম্মত হয়েছেন।

ব্রুনাই দারুসসালাম বাংলাদেশের বিশেষ অর্থনৈতিক জোনের সুযোগ নিয়ে বিশ্বব্যাপী ‘হালাল ফুড মার্কেটে’ প্রবেশের সুযোগ কাজে লাগাতে আগ্রহ প্রকাশ করেছে। হালাল ফুড শিল্পে ব্রুনাইয়ের দক্ষতা প্রমাণিত।

পারস্পরিক চুক্তি অনুযায়ী উভয় পক্ষ প্রয়োজনীয় দক্ষতা উন্নয়নে স্বাস্থ্য খাতে সহযোগিতা আরও জোরদার করবে। বিশেষ করে প্রশিক্ষণ, হেলথ কেয়ার প্রফেশনাল নিয়োগ, ওষুধ উৎপাদন ও বাণিজ্যের পাশাপাশি বিশেষায়িত স্বাস্থ্যসেবায় সহযোগিতায় সম্মত হয়েছে।

দ্বিপক্ষীয় বাণিজ্য ও বিনিয়োগে কার্যকর সুযোগ সুবিধা দিতে আর্থিক কার্যক্রম জোরদারে দু’দেশের আর্থিক প্রতিষ্ঠানসমূহের মধ্যে ঘনিষ্ঠ সহযোগিতার প্রতি উভয় পক্ষ জোর দিয়েছে।

অভিন্ন স্বার্থ এবং সন্ত্রাস, জঙ্গিবাদ, পরিবেশগত সুরক্ষা এবং টেকসই উন্নয়নসহ বিভিন্ন ইস্যুতে জাতিসংঘ, ইসলামিক সহযোগিতা সংস্থা (ওআইসি), কমনওয়েলথ এবং আশিয়ান আঞ্চলিক ফোরামসহ আঞ্চলিক ও আন্তর্জাতিক অঙ্গনে সহযোগিতা আরও জোরদারে উভয় পক্ষ সম্মত হয়েছে। আশিয়ানের সঙ্গে সম্পর্ক উন্নয়নে অব্যাহত চেষ্টার প্রতি দুই নেতা সমর্থন ব্যক্ত করেন এবং এই সম্পর্ক উন্নয়নে পারস্পরিক লাভবান হওয়ার যথেষ্ট সুযোগ রয়েছে বলে তারা মনে করেন।

বিবৃতিতে বলা হয়, মিয়ানমারের রাখাইন রাজ্য থেকে বাস্তুচ্যুত ১১ লাখ রোহিঙ্গাকে বাংলাদেশের মানবিক সহযোগিতা প্রদান এবং তাদের প্রত্যাবাসন উদ্যোগের প্রতি ব্রুনাই দারুসসালাম সমর্থন দিয়েছে।

এতে আরও বলা হয়, রোহিঙ্গাদের প্রতি মানবিক আচরণ ও প্রয়োজনীয় সহযোগিতা দেয়ার পাশাপাশি তাদের নিরাপদ, মর্যাদাপূর্ণ ও স্বতঃস্ফূর্ত প্রত্যাবাসন প্রচেষ্টার জন্য ব্রুনাই বাংলাদেশের প্রশংসা করেছে।

কক্সবাজারে ফিল্ড হাসপাতালে জরুরি ওষুধ ও স্বাস্থ উপকরণ সরবরাহ এবং আর্থিক সহযোগিতা দেয়ার জন্য ব্রুনাইয়ের প্রশংসা করেছে বাংলাদেশ।

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার বিচক্ষণ নেতৃত্বে বাংলাদেশের অর্থনৈতিক উন্নয়নে প্রবৃদ্ধি লাভ এবং সামাজিক খাতে অসামান্য সাফল্য অর্জন করায় ব্রুনাইয়ের সুলতান বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীর প্রশংসা করেছেন।

ব্রুনাই দারুসসালাম খাদ্য ও কৃষি খাতে বাংলাদেশের সফলতা স্বীকার করেছে এবং কৃষি, মৎস্য চাষ এবং গবাদি পশু পালন খাতে বাংলাদেশের সঙ্গে সহযোগিতার সম্ভাবনাকে স্বাগত জানিয়েছে।

নেতৃবৃন্দ দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্য বৃদ্ধির সম্ভাবনা স্বীকার করে সর্বাধিক রফতানি সুযোগ-সুবিধা কাজে লাগানোর লক্ষ্যে নিজ নিজ দেশের স্থানীয় ব্যবসায়ীদের মধ্যে সক্রিয় বিনিময় উৎসাহিত করার ওপর গুরুত্ব আরোপ করেছেন।

দুই দেশের মধ্যে বন্ধুত্বপূর্ণ ও দীর্ঘস্থায়ী সম্পর্কের বিষয়ে সন্তুষ্টি প্রকাশ করে দুই নেতা এ সম্পর্ককে নতুন উচ্চতায় নিয়ে যাওয়ার লক্ষ্যে পারস্পরিক সহযোগিতা জোরদার করার উপায় বের করার ওপর জোর দিয়েছেন।

এ ছাড়া সফর, প্রশিক্ষণ কর্মসূচি, ছাত্র ও কর্মীদের আসা-যাওয়া, তথ্য বিনিময়, গবেষণা ও উন্নয়ন প্রয়াসের মাধ্যমে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের মধ্যে ব্যাপকতর ও গভীর সহযোগিতা উৎসাহিত করতে অব্যাহত প্রয়াস চালিয়ে যেতে দুই নেতা একমত হয়েছেন।

উভয় পক্ষ দুই দেশের মধ্যে যোগাযোগ উন্নত করার বিষয়টি সক্রিয়ভাবে বিবেচনা করতে সম্মত হয়েছে এবং অবিলম্বে বিমান চলাচল চুক্তি স্বাক্ষর করার সিদ্ধান্তকে স্বাগত জানিয়েছে।

উভয় পক্ষ প্রতিরক্ষা খাতে সক্ষমতা অর্জন, জ্ঞান বিনিময়, শান্তি স্থাপন এবং মানবিক সহায়তা কর্মসূচিতে গভীর সহযোগিতা প্রদানে সম্মত হয়েছে।

দুই নেতা উভয় রাষ্ট্রের অর্থনৈতিক উন্নয়নে প্রবাসী শ্রমিকদের মূল্যবান অবদান স্বীকার করেন এবং আলোচনার মাধ্যমে শ্রম সহযোগিতা সম্পর্কিত একটি সমঝোতা স্মারক (এমওইউ) স্বাক্ষরের সম্ভাবনা খুঁজে দেখার জন্য কর্মকর্তাদের উৎসাহ প্রদান করেন।

ব্রুনাই দারুসসালামের প্রশংসিত অগ্রগতিতে অবদান রাখার জন্য সুলতানকে অভিনন্দন জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেন, ‘সুলতানের অবদান ব্রুনাই দারুসসালামে শান্তি, স্থিতিশীলতা ও সমৃদ্ধি রক্ষা করেছে।’

সুলতান প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে বিশ্বব্যাপী শান্তি, অভিবাসন, পরিবেশ সুরক্ষা, উন্নয়ন এবং মানবিক কর্মসূচির পাশাপাশি জাতিসংঘের নেতৃত্বাধীন শান্তিরক্ষা মিশনে ব্যাপক অংশগ্রহণ প্রভৃতি ক্ষেত্রে বাংলাদেশ সরকারের ভূমিকার প্রশংসা করেন।

প্রধানমন্ত্রী তাকে ও তার সফরসঙ্গীদের উষ্ণ অভ্যর্থনা ও আতিথেয়তা প্রদর্শন করার জন্য সুলতান, ব্রুনাই দারুসসালামের ইয়াং ডি-পারতুয়ান ও জনগণের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন এবং নিকটতম সুবিধাজনক সময়ে বাংলাদেশ সফর করার জন্য সুলতানকে আমন্ত্রণ জানান।

উভয় দেশের মধ্যে স্বাক্ষরিত বিভিন্ন চুক্তি এবং কূটনৈতিক ও অফিশিয়াল পাসপোর্টধারীদের জন্য ভিসামুক্ত সফর সুবিধা চালুর বিনিময় নোট স্বাক্ষরকে স্বাগত জানান দুই নেতা। তারা দৃঢ়প্রত্যয় ব্যক্ত করেন যে, দ্বিপক্ষীয় চুক্তিগুলো ভবিষ্যতে দু’দেশের মধ্যকার সম্পর্ককে নতুন উচ্চতায় নিয়ে যাবে।

প্রবাসীদের কল্যাণ নিশ্চিত করা সরকারের দায়িত্ব : প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা মঙ্গলবার সকালে ব্রুনাইয়ের রাজধানীর জালান কেবাংসান কূটনৈতিক জোনে চ্যান্সেরি ভবনের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করেন। এ উপলক্ষে আয়োজিত অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ বৃদ্ধিতে প্রবাসী বাংলাদেশিদের বিশেষ অবদান রয়েছে। বিশেষ করে এ ক্ষেত্রে শ্রমিকদের অবদান অনেক বেশি। এ জন্য তাদের সুযোগ-সুবিধার বিষয়টি দেখা আমাদের দায়িত্ব।’

তিনি বলেন, ‘প্রবাসী বাংলাদেশির সংখ্যা বেশি এমন সব দেশে নিজস্ব মিশন নির্মাণের ওপর অগ্রাধিকার দেয়া হয়েছে। পর্যায়ক্রমে প্রতিটি দেশে নিজস্ব মিশন ভবন নির্মিত হবে।’

প্রধানমন্ত্রী আরও বলেন, ‘প্রবাসীদের সংখ্যা বেশি এমন দেশগুলোতে তাদের ছেলেমেয়েদের যথাযথ শিক্ষার জন্য অন্তত একটি করে বাংলাদেশি স্কুল প্রতিষ্ঠার নির্দেশ ইতিমধ্যে দেয়া হয়েছে।’

তিনি বলেন, ‘জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান যুদ্ধবিধ্বস্ত দেশ পুনর্গঠনকালে বাংলাদেশ মিশনের জন্য কিছু ভবন কিনেছিলেন। কিন্তু তার হত্যাকাণ্ডের পর এ ব্যাপারে আর কেউ কোনো উদ্যোগ নেয়নি। ২১ বছর পর আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় এসে যুক্তরাষ্ট্র, ভারত ও জাপানসহ বিভিন্ন দেশে নিজস্ব মিশন তৈরির উদ্যোগ নেয়। আমরা বিভিন্ন দেশে নিজস্ব মিশন ভবন তৈরির জন্য জমি ক্রয় করি।’

মিশন ভবনের সুন্দর নকশা তৈরির জন্য প্রধানমন্ত্রী স্থপতি রোজাইন মেরি যান্তি ও তার টিমকে ধন্যবাদ জানান। রোজাইন মেরি একজন আইন প্রণেতা এবং তিনি কয়েকবার বাংলাদেশ সফর করেছেন।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘এই চ্যান্সেরি ভবনের মাধ্যমে প্রবাসী বাংলাদেশিরা অনেক সেবা পাবেন এবং যা তাদেরকে এ দেশে স্বচ্ছন্দে চলাফেরায় সহায়তা করবে।’ তিনি বলেন, ‘নির্মাণের পর ভবনটি উদ্বোধনে আবারও ব্রুনাই সফর করব।’

ব্রুনাইকে একটি সুন্দর দেশ অভিহিত করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘ব্রুনাইয়ের মতো এখনও আরও অনেক সুন্দর স্থান রয়েছে, যার খোঁজ এখনও বাংলাদেশি ব্যবসায়ীরা পাননি। এই স্থানগুলো আমাদের ব্যবসা-বাণিজ্যের নতুন গন্তব্য হতে পারে।’

অনুষ্ঠানে পররাষ্ট্রমন্ত্রী এ কে আবদুল মোমেন ও ব্রুনাইয়ে বাংলাদেশের হাইকমিশনার এয়ার ভাইস মার্শাল (অব.) মাহমুদ হোসেইন অনুষ্ঠানে বক্তৃতা করেন। অনুষ্ঠানের পর প্রধানমন্ত্রী রয়েল রেজালিয়া মিউজিয়াম পরিদর্শন করেন।

দেশে ফিরেছেন প্রধানমন্ত্রী : প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ব্রুনাইয়ে তিন দিনের সরকারি সফর শেষে মঙ্গলবার সন্ধ্যায় দেশে ফিরেছেন। বাংলাদেশ বিমানের একটি বিশেষ ফ্লাইট প্রধানমন্ত্রী এবং তার সফরসঙ্গীদের নিয়ে স্থানীয় সময় ৫টা ১৫ মিনিটে বন্দর সেরি বেগাওন থেকে রওনা দেয়।

ব্রুনাইয়ের প্রাথমিক সম্পদ এবং পর্যটন বিষয়কমন্ত্রী দাতো সেরি সেথিয়া আওয়াঙ্গ হাজী আলী বিন হাজী আপং এবং ব্রনাইয়ে বাংলাদেশের হাইকমিশনার এয়ার ভাইস মার্শাল (অব.) মাহমুদ হুসেইন বিমানবন্দরে প্রধানমন্ত্রীকে বিদায় জানান। বিমানবন্দরে প্রধানমন্ত্রীকে গার্ড অব অনার প্রদান করা হয়। সফরকালে প্রধানমন্ত্রী ব্রুনাইয়ের সুলতান হাজী হাসানাল বলকিয়ার সঙ্গে দ্বিপক্ষীয় বৈঠক, বাংলাদেশ-ব্রুনাই বিজনেস ফোরামের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানসহ বেশকিছু কর্মসূচিতে যোগ দেন।

সফরের দ্বিতীয় দিন সোমবার দু’দেশের মধ্যে কৃষি, মৎস্য, পশুসম্পদ, ক্রীড়া ও সংস্কৃতি এবং এলএনজি সরবরাহ সংক্রান্ত ৭টি চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়। এদিন প্রধানমন্ত্রী জামে আসর মসজিদ পরিদর্শন এবং সেখানে আসরের নামাজ আদায় করেন। তিনি ব্রুনাইয়ে বসবাসরত বাংলাদেশ কমিউনিটির সংবর্ধনায় যোগ দেন।

ব্রুনাইয়ের সুলতানের সঙ্গে বৈঠকে প্রধানমন্ত্রী দক্ষিণ ও দক্ষিণ-পূর্ব এশীয় অঞ্চলে ইসলামি সহযোগিতা সংস্থার (ওআইসি) সদস্য পাঁচটি দেশের সমন্বয়ে আঞ্চলিক অর্থনৈতিক ফোরাম গঠনের প্রস্তাব দেন।

আরও পড়ুন
  • সর্বশেষ
  • সর্বাধিক পঠিত
সব খবর

ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক : সাইফুল আলম, প্রকাশক : সালমা ইসলাম

প্রকাশক কর্তৃক ক-২৪৪ প্রগতি সরণি, কুড়িল (বিশ্বরোড), বারিধারা, ঢাকা-১২২৯ থেকে প্রকাশিত এবং যমুনা প্রিন্টিং এন্ড পাবলিশিং লিঃ থেকে মুদ্রিত।

পিএবিএক্স : ৯৮২৪০৫৪-৬১, রিপোর্টিং : ৯৮২৪০৭৩, বিজ্ঞাপন : ৯৮২৪০৬২, ফ্যাক্স : ৯৮২৪০৬৩, সার্কুলেশন : ৯৮২৪০৭২। ফ্যাক্স : ৯৮২৪০৬৬ 

E-mail: [email protected]

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত ২০০০-২০১৯

converter
×