এসএসসি ও সমমান : ইংরেজি-গণিত মূল নিয়ামক

ভালো ফলে আনন্দের বন্যা

  মুসতাক আহমদ ০৭ মে ২০১৯, ০০:০০ | প্রিন্ট সংস্করণ

এসএসসি

এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষায় এবার পাসের হার বেড়েছে। তবে কমেছে জিপিএ-৫ পাওয়া শিক্ষার্থীর সংখ্যা। গত বছরের তুলনায় এবার পাসের হার বেড়েছে প্রায় সাড়ে ৪ শতাংশ। জিপিএ-৫ কমেছে ৫ হাজার ৩৫টি। ইংরেজি ও গণিতই এক্ষেত্রে নায়ক ও ভিলেনের ভূমিকা রেখেছে। তুলনামূলক ভালো ফলের কারণে দেশের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোয় আনন্দের বন্যা বয়ে যায়। ফল ঘোষণার পরই শিক্ষার্থী ঢোল-ড্রামসহ নানা ধরনের বাদ্যযন্ত্র নিয়ে উল্লাসে মেতে ওঠে। কোথাও কোথাও তাদের সঙ্গে শিক্ষক এবং অভিভাবকরাও যোগ দেন।

১০ শিক্ষা বোর্ডের অধীনে অনুষ্ঠিত এসএসসি ও সমমানের এই পরীক্ষার ফল প্রকাশ হয়েছে সোমবার। এবার মাদ্রাসা ও কারিগরিসহ ১০টি শিক্ষা বোর্ডে ২১ লাখ ২৭ হাজার ৮১৫ জন শিক্ষার্থী পরীক্ষায় অংশ নেয়। তাদের মধ্যে পাস করেছে ১৭ লাখ ৪৯ হাজার ১৬৫ জন। পাসের হার ৮২ দশমিক ২০ শতাংশ। গত বছর যা ছিল ৭৭ দশমিক ৭৭ শতাংশ। ২০১৮ সালের তুলনায় পাসের হার বেড়েছে ৪ দশমিক ৪৩ শতাংশ। তবে শুধু সাধারণ শিক্ষা বোর্ডের অধীনে অনুষ্ঠিত এসএসসি পরীক্ষায় পাসের হার ৮২ দশমিক ৮০ শতাংশ, যা গত বছর ছিল ৭৯ দশমিক ৪০ শতাংশ। পাসের হার বেড়েছে ৩ দশমিক ৪০ শতাংশ। এবার এসএসসিতে অংশ নেয় ১৬ লাখ ৯৪ হাজার ৬৫২ জন, পাস করেছে ১৪ লাখ ৩ হাজার ১৫৭ জন। ১০ বোর্ডে জিপিএ-৫ পেয়েছে ১ লাখ ৫ হাজার ৫৯৪ জন, যা গত বছর ছিল ১ লাখ ১০ হাজার ৬২৯ জন। গতবারের চেয়ে এ সংখ্যা কমেছ ৫ হাজার ৩৫টি। শতাংশের হিসাবে এবার মোট পরীক্ষার্থীর মধ্যে ৪ দশমিক ৯৬ শতাংশ জিপিএ-৫ পেয়েছে। গত বছর এটি ছিল ৫ দশমিক ৪৬ শতাংশ। এবার মানবিকে বেড়েছে পাসের হার। বিজ্ঞান এবং ব্যবসায় শিক্ষায়ও পাসের হার বেশি। সব শিক্ষার্থী পাস করেছে এমন প্রতিষ্ঠানের সংখ্যাও বেশি। কমেছে শতভাগ ফেল করা প্রতিষ্ঠানও। এসব কারণে সার্বিকভাবে এবারের ফল তুলনামূলক ভালো হিসেবে চিহ্নিত করা হচ্ছে। এবার ছাত্রদের তুলনায় ছাত্রীদের পাসের হার বেশি। এছাড়া জিপিএ-৫ পাওয়ার দিক থেকেও ছাত্রীরাই এগিয়ে।

ফল বিশ্লেষণে দেখা যায়, পাসের হার বেড়ে যাওয়ার নেপথ্যে মোটাদাগে তিনটি কারণ আছে। এগুলো হচ্ছে- গণিত ও ইংরেজিতে গত বছরের তুলনায় পাসের হার বেড়ে যাওয়া, প্রশ্নফাঁস না হওয়া এবং নকলের সুযোগ কমে যাওয়া। যেখানে পাসের হার বেশি, সেখানে গণিত ও ইংরেজি বিষয়ে তুলনামূলক ভালো করেছে ছাত্র-ছাত্রীরা। এছাড়া নকল ও প্রশ্নফাঁস বন্ধের ইতিবাচক প্রভাব আছে এবারের ফলাফলে। এগুলো বন্ধ হওয়ায় শিক্ষার্থীরা নকল বা প্রশ্নফাঁসের ওপর নির্ভর না করে লেখাপড়ায় মনোযোগ দিয়েছে। ফলে পাসের হার বেড়েছে।

অপরদিকে এবার ঢাকা ও বরিশাল শিক্ষা বোর্ডে গত বছরের তুলনায় পাসের হার কমেছে। এ দুই বোর্ডের শিক্ষার্থীরা গণিত ও ইংরেজিতে অন্য বোর্ডের চেয়ে সার্বিকভাবে খারাপ করেছে। জিপিএ-৫ কমে যাওয়ার নেপথ্যেও ভূমিকা আছে গণিত ও ইংরেজির। যেসব বোর্ডের শিক্ষার্থীরা এ দুই বিষয়ে খারাপ করেছে, ওই বোর্ডগুলোয় কমেছে জিপিএ-৫। এছাড়া গ্রামাঞ্চল বিশেষ করে পিছিয়ে পড়া অঞ্চলের ফল খারাপ হওয়ার কারণেও জিপিএ-৫ এবং পাসের হার আশানুরূপ বাড়েনি বলে জানান শিক্ষা সংশ্লিষ্টরা।

তবে পাসের হার বৃদ্ধির জন্য কেউ কেউ উত্তরপত্র মূল্যায়নে উদারতাকে চিহ্নিত করতে চান। যদিও এসব দাবি একেবারেই উড়িয়ে দিয়েছেন শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনি। তিনি সাংবাদিকদের বলেন, ‘আমরা চাই সব শিক্ষার্থী পাস করুক। কিন্তু পরীক্ষার সময় অসুস্থতা, প্রস্তুতির ঘাটতি, তাৎক্ষণিক সমস্যাগ্রস্ত হওয়াসহ নানা কারণে কিছু শিক্ষার্থী ভালো করতে পারে না। তাই এবার পাসের হার বেশি হওয়ার ক্ষেত্রে আমাদের (মন্ত্রী ও মন্ত্রণালয়) কোনো কৃতিত্ব নেই। খাতা দেখায় কোনো শিথিলতার ব্যাপারও নেই। সব কৃতিত্ব শিক্ষার্থী, অভিভাবক ও শিক্ষকদের। ছেলেমেয়েরা ভালো লেখাপড়া করেছে। ভালো করে প্রস্তুতি নিয়েছে পরীক্ষার জন্য। তাই ভালো ফল করেছে।’

এ উপলক্ষে সোমবার রাজধানীর আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা ইন্সটিটিউটে ফল হস্তান্তর ও সংবাদ সম্মেলন আয়োজন করা হয়। অন্যান্য বছর বিভিন্ন শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যানরা ফলের সারসংক্ষেপ প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার হাতে তুলে দেন। কিন্তু প্রধানমন্ত্রী লন্ডনে সফরে থাকায় এবার তা সম্ভব হয়নি। এবার চেয়ারম্যানরা শিক্ষামন্ত্রীর কাছে ফল হস্তান্তর করেন। এরপর আনুষ্ঠানিকভাবে ফল ঘোষণা করেন শিক্ষামন্ত্রী। ওই অনুষ্ঠানে লন্ডন থেকে মোবাইল ফোনের মাধ্যমে যোগ দিয়ে কথা বলেন প্রধানমন্ত্রী। এছাড়া শিক্ষার্থীদের উদ্দেশে তিনি লিখিত অভিনন্দন বার্তা পাঠান। ফল ঘোষণার আগে তা পড়ে শোনান শিক্ষামন্ত্রী। প্রধানমন্ত্রী তার বাণীতে উত্তীর্ণ শিক্ষার্থী, অভিভাবক এবং শিক্ষকদের শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানান। তিনি বলেন, যেসব শিক্ষার্থী উত্তীর্ণ হতে পারনি, আমি তোমাদের ধৈর্য ধরে, মনোযোগ সহকারে আবার প্রস্তুতি নেয়ার আহ্বান জানাচ্ছি, যাতে আগামী দিনে ভালোভাবে উত্তীর্ণ হতে পার। তিনি আরও বলেন, মানুষের অসাধ্য কিছুই নেই। একাগ্রতা, অধ্যবসায় এবং পরিশ্রম যে কোনো অসাধ্য সাধনে সহায়তা করে। তোমরা যারা যে কোনো কারণেই হোক উত্তীর্ণ হতে পারনি, তোমাদের হতাশ হওয়ার কিছু নেই। এখন থেকে চেষ্টা করলে ভবিষ্যতে নিশ্চয়ই তোমরা এ বাধা অতিক্রম করে ভালো ফল অর্জন করতে পারবে।

জানা গেছে, এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষায় নয় বছরের মধ্যে সর্বনিম্ন পাসের হার ছিল গত বছর। ২০১৭ সালের তুলনায় গত বছর পাসের হার কমেছিল আড়াই শতাংশের বেশি। কিন্তু সেই ঝড়ের মধ্যেও জিপিএ-৫ পাওয়া শিক্ষার্থীর সংখ্যা না কমে বরং বেড়েছিল পৌনে ৬ হাজার। কিন্তু এবার এর বিপরীত ঘটনা ঘটেছে। পাসের হার বাড়লেও কমেছে জিপিএ-৫ পাওয়া শিক্ষার্থীর সংখ্যা।

এসবের কারণ অনুসন্ধান করতে গিয়ে জানা যায়, শিক্ষার্থীদের কাছে এবার কঠিন বিষয় হিসেবে দাঁড়িয়েছে গণিত ও ইংরেজি। আবার পাসের হার বেড়ে যাওয়ার ক্ষেত্রেও নায়ক এ দুটি বিষয়। বিভিন্ন শিক্ষা বোর্ডের বিষয়ভিত্তিক পাসের হার পর্যালোচনায় দেখা গেছে, যে বোর্ডের শিক্ষার্থীরা এ দুটি বিষয়ে ভালো করেছে, সেখানে পাসের হার বেশি। আবার যেখানে এই দুই বিষয়ে পাসের হার কম, সেখানে বোর্ডের পাসের হারও গত বছরের তুলনায় কম।

এর প্রমাণ পাওয়া যায় বোর্ডভিত্তিক পাসের হার বিশ্লেষণে। ১০ শিক্ষা বোর্ডে এবার সবচেয়ে খারাপ করেছে সিলেট। ওই বোর্ডে পাসের হার সর্বনিম্ন ৭০ দশমিক ৮৩ শতাংশ। এর পরের অবস্থান বরিশাল বোর্ডের। এ বোর্ডে পাসের হার ৭৭ দশমিক ৪১। এরপর চট্টগ্রাম এবং চতুর্থ স্থানে ঢাকা বোর্ড। শুধু তা-ই নয়, ঢাকা ও বরিশাল বোর্ডে এবার পাসের হার গত বছরের চেয়েও কম। এই চার বোর্ডের পাসে এভাবে অবনতির কারণ হিসেবে গণিত ও ইংরেজিকে দায়ী করা হচ্ছে। সিলেট বোর্ডে এবার গণিতে পাসের হার ১০ বোর্ডের মধ্যে সর্বনিম্ন ৭৫ দশমিক ২৮ শতাংশ। ঢাকা বোর্ডে গণিতে পাসের হার দ্বিতীয় সর্বনিম্ন, ৮৫ দশমিক ২১ আর তৃতীয় সর্বনিম্ন বরিশাল ৮১ দশমিক ৬৪ শতাংশ।

সিলেট শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যান অধ্যাপক মো. আবদুল কুদ্দুছ এ প্রসঙ্গে যুগান্তরকে বলেন, গণিতই পেছনে ফেলে দিয়েছে সিলেট বোর্ডকে। দেশের সর্বনিম্ন পাসের হার আমার বোর্ডে। প্রায় ২৫ শতাংশ শিক্ষার্থী গণিতে ফেল না করলে বোর্ডের সার্বিক পাসের হার ৮০-৮২ শতাংশ হয়ে যেত। গণিতে ফেল করার কারণ উল্লেখ করতে গিয়ে তিনি বলেন, প্রথমত এবার গণিতের প্রশ্ন কঠিন হয়েছে। দ্বিতীয়ত, সৃজনশীল গণিতের সঙ্গে বিশেষ করে মানবিক এবং বিজনেস স্টাডিজের শিক্ষার্থীরা খাপ খাওয়াতে পারেনি। তৃতীয়ত, অনেক শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে বিশেষ করে গ্রামাঞ্চলের এবং নতুন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে গণিতের শিক্ষক নেই। এ বিষয়ে যোগ্য শিক্ষকেরও ঘাটতি আছে।

বিশ্লেষণে আরও দেখা গেছে, বিষয়ভিত্তিক পাসের হার কেবল বোর্ডের ফলেই নয়, জিপিএ-৫ প্রাপ্তির ওপরও নেতিবাচক প্রভাব ফেলেছে। গত বছর ঢাকা বোর্ডে ৪১ হাজার ৫৮৫ জন জিপিএ-৫ পেয়েছিল। এবার পেয়েছে ২৯ হাজার ৬৮৭ জন। ঢাকা বোর্ডে ১২ হাজার জিপিএ-৫ কমার প্রভাব পড়েছে সার্বিক সংখ্যায়। যে কারণে সারা দেশে (দশ বোর্ড মিলে) এবার গত বছরের তুলনায় ৫ হাজারের বেশি কমেছে জিপিএ-৫ পাওয়া শিক্ষার্থী। শুধু সার্বিক সংখ্যায় নয়, বিভিন্ন বোর্ডেও কমেছে। যেমন- সিলেট বোর্ডে এবার জিপিএ-৫ পেয়েছে ২ হাজার ৭৫৭ জন। গত বছর পেয়েছিল ৩ হাজার ১৯১ জন।

শুধু গণিতই নয়, ইংরেজির বিষয়ভিত্তিক পাসের হারও প্রভাব ফেলেছে ফলাফলে। গত বছরের চেয়ে পাসের হার হ্রাস পাওয়া ঢাকা ও বরিশাল বোর্ডে এবার ইংরেজিতে পাসের হারে অন্যান্য বোর্ডের চেয়ে নিচে। এই বিষয়ে সর্বনিম্ন পাস করেছে ঢাকা বোর্ডে ৯১ দশমিক ৯৫ শতাংশ। আর বরিশালে দ্বিতীয় সর্বনিম্ন পাসের হার ৯৩ দশমিক ২৬ শতাংশ।

ঢাকা শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যান অধ্যাপক মু. জিয়াউল হক যুগান্তরকে বলেন, আমাদের পাসের হার কমে যাওয়ার নেপথ্যে গণিত ও ইংরেজির ভূমিকাই প্রধান। এর কারণে জিপিএ-৫ পাওয়া শিক্ষার্থীর সংখ্যাও কমেছে। এসএসসি পরীক্ষার সময়ে পরীক্ষা নিয়ন্ত্রকের দায়িত্বে থাকা ঢাকা শিক্ষা বোর্ডের সচিব অধ্যাপক তপন কুমার সরকার বলেন, এবার ঢাকা বোর্ডের গণিত ও ইংরেজি প্রশ্ন তুলনামূলক কঠিন হয়েছে। এ কারণে ফেলের হার বেড়েছে।

এদিকে এবার দশ বোর্ডের মধ্যে সবচেয়ে বেশি পাসের হার রাজশাহী শিক্ষা বোর্ডের, ৯১ দশমিক ৬৪ শতাংশ। দেখা গেছে, ওই বোর্ডে গণিত ও ইংরেজিতে ১০ বোর্ডের মধ্যে পাসের হার শীর্ষে। বোর্ডটিতে পাসের হার ইংরেজিতে ৯৮.১৬ এবং গণিতে ৯৩.৯২ শতাংশ। চেয়ারম্যান অধ্যাপক মো. আবুল কালাম আজাদ বলেন, ‘সবচেয়ে বেশি পাসের হার আমার বোর্ডে: কিন্তু এরপর প্রায় ৯ শতাংশ শিক্ষার্থী অকৃতকার্য হয়েছে। এর কারণ গণিত ও ইংরেজি। যদি গণিতে আরও ৫-৬ শতাংশ বেশি পাস করত, তাহলে পাসের হার ৯৬-৯৭ শতাংশে পৌঁছে যেত।’ তিনি আরও বলেন, ‘যারা ফেল করেছে, তাদের বেশির ভাগ গ্রামাঞ্চলের প্রতিষ্ঠানের। ওইসব প্রতিষ্ঠানে গণিত, ইংরেজি ও বিজ্ঞানের শিক্ষকের খুবই সংকট। অনেক প্রতিষ্ঠানে এসব বিষয়ে শিক্ষকই নেই।’

চার সূচকের তিনটিই ঊর্ধ্বমুখী : ভালো ফলের সূচক হিসেবে চারটি দিক ধরা হয়। এগুলো হচ্ছে- পাসের হার, মোট জিপিএ-৫ প্রাপ্ত শিক্ষার্থীর সংখ্যা, শতভাগ ও শূন্য পাস প্রতিষ্ঠানের সংখ্যা। এর মধ্যে এবার কেবল জিপিএ-৫ পাওয়া শিক্ষার্থী কমেছে। এছাড়া বাকি তিনটি সূচকই ঊর্ধ্বমুখী। এ কারণে এবারের ফলকে ভালো হিসেবে চিহ্নিত করা হচ্ছে।

তিন বিভাগের ফলই ভালো : মানবিক, বিজ্ঞান ও ব্যবসায় শিক্ষা বিভাগের তিনটিতেই এবার ৮ শিক্ষা বোর্ডের এসএসসির শিক্ষার্থীরা ভালো করেছে। সাধারণত মানবিকে শিক্ষার্থীরা খারাপ করে; কিন্তু এবার এই বিভাগে গত বছরের চেয়ে পাস বেড়েছে ৪ দশমিক ৩২ শতাংশ। এই বিভাগে গত বছর জিপিএ-৫ পেয়েছিল ১৩১৯ জন। এবার পেয়েছে ১৪৩৬ জন। বিজ্ঞানে গত বছরের চেয়ে পাসের হার বেড়েছে ১.৬৫ শতাংশ। এবার এই বিভাগে পাসের হার ৯৪.৭২ শতাংশ। আর বিজনেস স্টাডিজে গত বছর পাস করেছিল ৮০.৯১ শতাংশ, এবার সেখানে পাসের হার ৮৩.০৩ শতাংশ। আট বোর্ডে বিজ্ঞান ও বিজনেস স্টাডিজে এবার জিপিএ-৫ পেয়েছে যথাক্রমে ৯১০৩৩ ও ২০৮৭ শিক্ষার্থী।

ঘটনাপ্রবাহ : এসএসসি পরীক্ষা-২০১৯

আরও
  • সর্বশেষ
  • সর্বাধিক পঠিত
সব খবর

ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক : সাইফুল আলম, প্রকাশক : সালমা ইসলাম

প্রকাশক কর্তৃক ক-২৪৪ প্রগতি সরণি, কুড়িল (বিশ্বরোড), বারিধারা, ঢাকা-১২২৯ থেকে প্রকাশিত এবং যমুনা প্রিন্টিং এন্ড পাবলিশিং লিঃ থেকে মুদ্রিত।

পিএবিএক্স : ৯৮২৪০৫৪-৬১, রিপোর্টিং : ৯৮২৪০৭৩, বিজ্ঞাপন : ৯৮২৪০৬২, ফ্যাক্স : ৯৮২৪০৬৩, সার্কুলেশন : ৯৮২৪০৭২। ফ্যাক্স : ৯৮২৪০৬৬ 

E-mail: [email protected]

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত ২০০০-২০১৯

converter
×