ছাত্রলীগের পূর্ণাঙ্গ কমিটি

তালিকায় আসামি বিবাহিত অছাত্র চাকরিজীবীরা

ঢাবি ক্যাম্পাসে পদবঞ্চিতদের বিক্ষোভ, মারামারি, আহত ৭ * বাদ পড়েছেন গত কমিটির প্রথম সারির শতাধিক নেতা

  মাহমুদুল হাসান নয়ন ১৪ মে ২০১৯, ০০:০০ | প্রিন্ট সংস্করণ

তালিকায় আসামি বিবাহিত অছাত্র চাকরিজীবীরা
সোমবার ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের মধুর ক্যান্টিনে সংঘর্ষে আহদ ছাত্রলীগের নারী কর্মী। ছবি: সংগৃহীত

দীর্ঘ নাটকীয়তা শেষে সম্মেলনের এক বছর পর ছাত্রলীগের পূর্ণাঙ্গ কমিটি ঘোষণা করা হয়েছে। এতে পদ দেয়া হয়েছে বিবাহিত, অছাত্র, হত্যা ও মাদক মামলার আসামিদের।

অতীতে আওয়ামী লীগ ও ছাত্রলীগবিরোধী অবস্থান ছিল এমন অনেকে পদ পেয়েছেন। ৩০১ সদস্যের এই কমিটিতে স্থান হয়নি বিগত কমিটির প্রথম সারির শতাধিক নেতার। সর্বশেষ সম্মেলনে আলোচিত সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক পদপ্রার্থী ছিলেন এমন অনেকের ভাগ্যেও জোটেনি কোনো পদ।

এদিকে ছাত্রলীগের কেন্দ্রীয় কমিটিতে এমন বেশ কয়েকজন রয়েছেন যারা এই প্রথম পদ পেলেন। এ অবস্থায় কমিটিকে বিতর্কিত আখ্যা দিয়ে তা প্রত্যাখ্যান করে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে বিক্ষোভ করেছেন পদবঞ্চিত শতাধিক নেতা।

কমিটি পুনর্গঠন না করলে কঠোর কর্মসূচির হুঁশিয়ারিও দিয়েছেন তারা। ডাকসুর দুই নেত্রীকে (ছাত্রলীগের কেন্দ্রীয় নেত্রী) লাঞ্ছনার অভিযোগ উঠেছে বর্তমান শীর্ষ নেতৃত্বের অনুসারীদের বিরুদ্ধে। হামলায় আহত হয়েছেন চার ডাকসু নেতাসহ অন্তত সাত জন।

এর আগে সোমবার দুপুরের দিকে কমিটির তালিকা নিয়ে গণভবনে যান ছাত্রলীগের সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক। তারা ৩০১ সদস্যবিশিষ্ট কমিটির সদস্যদের সম্পর্কে আওয়ামী লীগ সভাপতি ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে অবহিত করেন।

গণভবন থেকে বের হয়ে ছাত্রলীগ সাধারণ সম্পাদক গোলাম রাব্বানী যুগান্তরকে জানান, প্রধানমন্ত্রী ও আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ হাসিনা কমিটির অনুমোদন দিয়েছেন। এরপর ফেসবুকে কমিটি প্রকাশ করা হয়।

যদিও প্রকাশিত কমিটির ওপরে তারিখ লেখা রয়েছে ১১ মে। ফলে এ নিয়ে কিছুটা বিভ্রান্তি তৈরি হয় প্রথম। কমিটি প্রকাশের পরই ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে জড়ো হতে থাকে পদবঞ্চিত ও প্রত্যাশিত পদ না পাওয়া নেতা-নেত্রীরা।

তারা কমিটি প্রত্যাখ্যান করে ইফতারের পূর্বেই বিক্ষোভ শুরু করেন। ওই বিক্ষোভে অংশ নেয়া নারী নেত্রীদের ওপর পদপ্রাপ্ত নেতারা হামলা করেছে বলে অভিযোগ করা হয়েছে।

সূত্র জানায়, ছাত্রলীগের ৩০১ সদস্যের কমিটির অন্তত অর্ধশতের বিরুদ্ধে বিভিন্ন অভিযোগ রয়েছে। এদের মধ্যে একজন সহসভাপতি হত্যা মামলার আসামি। ছাত্রলীগ করার নির্ধারিত বয়স ২৯ পার হওয়ার পরও পদ পেয়েছেন এমন অন্তত পাঁচজন রয়েছেন।

সহসভাপতি সোহানী হাসান তিথি, সহসম্পাদক আঞ্জুমানারা অনু এবং আরও দুইজন সহসভাপতিসহ অন্তত ৬ জন বিবাহিত রয়েছেন কমিটিতে। পরিবার বিএনপি-জামায়াতের রাজনীতির সঙ্গে জড়িত এবং স্বাধীনতা যুদ্ধের বিরোধিতাকারী ছিল এমন অন্তত ১৩ জন রয়েছেন কমিটিতে।

এদের মধ্যে সহসভাপতি, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক, সাংগঠনিক সম্পাদক পদ পেয়েছেন এমন রয়েছেন অন্তত ৬ জন। অস্ত্র নিয়ে সংবাদের শিরোনাম হয়েছেন এমন একজন হয়েছেন সহসভাপতি। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে পহেলা বৈশাখের কনসার্টে আগুন দেয়ার অভিযোগে অভিযুক্ত অন্তত ২০ জন গুরুত্বপূর্ণ পদ পেয়েছেন।

এছাড়া সরকারি চাকরিতে যোগ দিয়েছেন এমনও আছেন কমিটিতে। কক্ষে মাদক রাখার অভিযোগে হলচ্যুত একজন হয়েছেন সহসভাপতি। আন্তর্জাতিক বিষয়ক সম্পাদক রাকিনুল হক চৌধুরী ছোটন বর্তমান কেন্দ্রীয় সভাপতি রেজওয়ানুল হক চৌধুরীর আপন ছোট ভাই। ভুক্তভোগী ও

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, ছাত্রলীগের নব ঘোষিত ৩০১ সদস্যবিশিষ্ট কমিটির বিরুদ্ধে ছাত্রলীগের একটি অংশ বিক্ষোভ মিছিল বের করে। মিছিলটি বিশ্ববিদ্যালয়ের হাকিম চত্বর থেকে শুরু হয়ে ক্যাম্পাসের বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষিণ করে মধুর ক্যান্টিনের সামনে গেলে নতুন কমিটিতে পদ পাওয়া একজন সহ-সভাপতি ও দুইজন যুগ্ম সাধারণ সম্পাদকের নেতৃত্বে মিছিলে হামলা চালানো হয়।

লাঞ্ছিত করা হয় ডাকসুর সদস্য, ছাত্রলীগের সাবেক কেন্দ্রীয় অর্থ বিষয়ক উপ-সম্পাদক ও ঢাবির সুফিয়া কামাল হলের প্রতিষ্ঠাতা সাধারণ সম্পাদক তিলোত্তমা শিকদার এবং ডাকসুর কমনরুম ও ক্যাফেটেরিয়া সম্পাদক এবং রোকেয়া হল ছাত্রলীগের সভাপতি বিএম লিপি আক্তারকে। পরে তারা সেখান থেকে বিক্ষোভ করে রাজু ভাস্কর্যের সামনে জড়ো হন।

মিছিলে পদবঞ্চিত অর্ধশতাধিক নেতাকর্মী অংশ নেয়। পদবঞ্চিত নেতারা সবাই সাবেক সভাপতি সাইফুর রহমান সোহাগ ও সাধারণ সম্পাদক এসএম জাকির হোসাইনের অনুসারী। যাদের অধিকাংশই সর্বশেষ সম্মেলনে সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক পদপ্রত্যাশী ছিলেন। ইফতারের পর ফের মধুর ক্যান্টিনের উত্তর পাশে জড়ো হন পদবঞ্চিতরা।

সেখানে তারা কমিটি পুনর্গঠন করে সবার সমন্বয়ে তা গঠনের দাবি জানান। তারা সংবাদ সম্মেলনের মাধ্যমে অবস্থান তুলে ধরবেন বলে জানান। অন্যদিকে মধুর ক্যান্টিনের দক্ষিণ পাশে ও ক্যান্টিনের বাইরে অবস্থান নেন বর্তমান সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদকের অনুসারীরা।

পরে সদ্য বিদায়ী কমিটির প্রচার সম্পাদক সাইফ উদ্দিন বাবু সংবাদ সম্মেলনে বক্তব্য শুরু করলে বর্তমান নেতাদের অনুসারীরা ব্যানার ছিঁড়ে নেয় এবং চেয়ার উঠিয়ে হামলা চালায়। এরপর শুরু হয় দুই পক্ষের হাতাহাতি।

এ সময় বর্তমান নেতৃত্বের অনুসারীদের হামলায় আহত হন- ডাকসুর কমনরুম ও ক্যাফেটেরিয়া সম্পাদক বিএম লিপি আক্তার, ক্রীড়া সম্পাদক তানভীর শাকিল, সদস্য তিলোত্তমা শিকদার, সদস্য নিপো ইসলাম তন্বী, সদ্য বিদায়ী কমিটির কর্মসূচি ও পরিকল্পনা সম্পাদক রাকিব হোসেন, রোকেয়া হল ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক শ্রাবণী দিশা, বাংলাদেশ-কুয়েত মৈত্রী হলের সাধারণ সম্পাদক শ্রাবণী শায়লা।

রাত পৌনে ৯টায় এই খবর লেখার সময় তাদেরকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেয়া হয়েছে। এদের মধ্যে শ্রাবণী দিশার বাম চোখে মারাত্মক জখম হয়েছে। মাথায় গুরুতর আঘাতপ্রাপ্ত হয়েছেন তানভীর শাকিল এবং তিলোত্তমা শিকদার।

এদিকে কমিটি প্রত্যাখ্যান করে ডাকা বিক্ষোভে অন্যদের মধ্যে অংশ নেন সাবেক প্রচার সম্পাদক সাঈফ বাবু, কর্মসূচি ও পরিকল্পনা বিষয়ক সম্পাদক রাকিব হোসেন, সাবেক পরিবেশ বিষয়ক সম্পাদক হাবিবুল্লাহ বিপ্লব, ছাত্রবৃত্তি বিষয়ক সম্পাদক শেখ সাগর আহমেদ, স্কুলছাত্র বিষয়ক সম্পাদক জয়নাল আহমেদ, ক্রীড়া সম্পাদক চিন্ময় রায়, সমাজসেবা সম্পাদক রানা হামিদ, স্কুল ছাত্র বিষয়ক উপ-সম্পাদক সৈয়দ আরাফাত, সাবেক আন্তর্জাতিক বিষয়ক উপ-সম্পাদক ইমদাদ হোসেন সোহাগ, প্রচার বিষয়ক উপ-সম্পাদক খন্দকার রবি, পরিবেশ বিষয়ক উপ-সম্পাদক ইফতেখার আহমেদ চৌধুরী সজিব, সাবেক সদস্য তানভীর হাসান সৈকত প্রমুখ।

এছাড়া ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন হলের অন্তত ১৫ জন সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক বিক্ষোভে অংশ নেন।

এদিকে আহত ছাত্রীদের দেখতে ঢাকা মেডিকেলে গেলে বঞ্চিত নেতাকর্মীদের বাধার সম্মুখীন হন ছাত্রলীগ সভাপতি রেজওয়ানুল হক চৌধুরী শোভন ও সাধারণ সম্পাদক গোলাম রব্বানী।

দীর্ঘক্ষণ দাঁড়িয়ে থেকেও তারা আহত ছাত্রীদের দেখতে পারেননি। এসময় বিক্ষুব্ধ ছাত্রলীগ নেতাকর্মীরা তাদের উদ্দেশে মিছিল দিতে থাকে। আজ দুপুর ১২টায় মধুর ক্যান্টিনে সংবাদ সম্মেলন করার কথা রয়েছে পদবঞ্চিত ছাত্রলীগ নেতাকর্মীরা।

এই বিষয়ে সাবেক প্রচার সম্পাদক সাঈফ উদ্দিন বাবু যুগান্তরকে বলেন, ৩০১ সদস্যের পূর্ণাঙ্গ কমিটিতে অনেক ত্যাগী নেতা বঞ্চিত হয়েছে। যারা ছাত্রলীগের কোনো কর্মসূচিতে কোনোদিন থাকেনি তাদের গুরুত্বপূর্ণ পদ দেয়া হয়েছে। এছাড়াও বিবাহিত ও বয়স না থাকাদের পদ দেয়া হয়েছে। নিজেদের পছন্দের লোক দিয়ে কমিটি করা হয়েছে।

যারা সম্মেলনে সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক পদপ্রত্যাশী ছিল তাদের অধিকাংশকেই পদ দেয়া হয়নি। আমরা এই বিতর্কিত কমিটি মানি না। আমরা এই বিষয়ে নেত্রীর সুদৃষ্টি আশা করছি।

তিলোত্তমা শিকদার যুগান্তরকে বলেন, এমন কোনো কর্মসূচি ছিল না যেখানে আমি উপস্থিত হইনি। অথচ আমাকে উপ-সম্পাদক করা হয়েছে। আমি গত কমিটিতেও উপসম্পাদক ছিলাম। সাধারণ ছাত্রদের ভোটে ডাকসুর সদস্য হয়েছি। তার আগে হলের প্রতিষ্ঠাতা সাধারণ সম্পাদক ছিলাম। বলা হচ্ছে আমাকে পদ দেয়া হয়েছে। কিন্তু এই পদ আমার জন্য অপমানের।

রাজনীতিতে আমার চেয়ে ৫ বছরের জুনিয়ররাও আমার থেকে বড় পদ পেয়েছে। তাই আমি পদ থেকে পদত্যাগ করছি। তিনি বলেন, কমিটির বিষয়ে ক্ষোভ জানাতে গেলে আমাদের গায়ে হাত দেয়া হয়েছে। আমার মাথায় ক্রমাগত আঘাত করা হয়েছে। কাচের গ্লাস দিয়ে মাথায় মারা হয়েছে। আমি নেত্রীর কাছে এই ঘটনার বিচার চাই।

এসব অভিযোগের বিষয়ে ছাত্রলীগ সাধারণ সম্পাদক গোলাম রাব্বানী যুগান্তরকে বলেন, এই কমিটি নেত্রী (শেখ হাসিনা) দিয়েছেন। যারা এই কমিটির বিরোধিতা করছেন তারা নেত্রীর বিরোধিতা করছেন।

কমিটি গঠন করা হয়েছে আওয়ামী লীগের চারজন সিনিয়র নেতা এবং ছাত্রলীগের সদ্য সাবেক সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদকের সঙ্গে সমন্বয় করে। সেখানে যারা যোগ্য তাদেরকেই পদ দেয়া হয়েছে।

যারা দীর্ঘদিন নিষ্ক্রিয় ছিল এবং যাদের বিরুদ্ধে বিভিন্ন অভিযোগ রয়েছে তাদেরকে বাদ দেয়া হয়েছে। হামলার অভিযোগ অস্বীকার করে তিনি বলেন, যারা নেত্রীর কমিটির বিরোধিতা করে সংবাদ সম্মেলন করছিল তারাই হামলার অভিযোগ করছে। কারও ওপর হামলা হয়নি। তবে সংবাদ সম্মেলনে তারা কুরুচিপূর্ণ মন্তব্য করছিল বিধায় তাদেরকে এসব করতে নিষেধ করা হয়েছে। সেজন্য তারাই হামলা করেছে। এতে আমাদের অর্থ সম্পাদক আহত হয়েছেন। এরপরেও যদি তাদের কেউ আহত হয়, তাহলে ঘটনা তদন্ত করে আমরা ব্যবস্থা নেব।

ছাত্রলীগ সাধারণ সম্পাদক বলেন, সবাইকে সুযোগ দেয়া তো সম্ভব নয়। সদ্য সাবেক সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক যেই নাম দিয়েছেন তার থেকে সরাসরি ৯০ জনকে কমিটিতে রাখা হয়েছে। কাউকে উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে বাদ দেয়া হয়নি।

বিতর্কিতদের কমিটিতে রাখার বিষয়ে তিনি বলেন, কারও বিরুদ্ধে সুনির্দিষ্ট অভিযোগের প্রমাণ থাকলে ব্যবস্থা নেয়া হবে। বিবাহিতদের বিষয়ে তিনি বলেন, মেয়েদের ক্ষেত্রে বিয়ের বিষয়ে শৈথিল্য রয়েছে। অতীতে আওয়ামী লীগ ও ছাত্রলীগবিরোধী অবস্থান কিংবা রাজনৈতিক ভিন্ন মতাদর্শের বিষয়ে তিনি বলেন, এমন কেউ থাকলে ব্যবস্থা নেয়া হবে।

প্রসঙ্গত, গত বছরের ১১ ও ১২ মে নতুন নেতৃত্ব নির্বাচন ছাড়াই ছাত্রলীগের দুই দিনব্যাপী ২৯তম জাতীয় সম্মেলন শেষ হয়। আর ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সম্মেলন হয় ২৯ এপ্রিল।

ঢাকা মহানগর দক্ষিণ ও উত্তরের সম্মেলন হয় যথাক্রমে ২৫ ও ২৬ এপ্রিল। সম্মেলনের আড়াই মাস পর ৩১ জুলাই রেজওয়ানুল হক চৌধুরী শোভনকে সভাপতি এবং গোলাম রাব্বানীকে সাধারণ সম্পাদক মনোনীত করেন আওয়ামী লীগ সভানেত্রী ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

৩০১ সদস্যের পূর্ণাঙ্গ কমিটি : কমিটিতে সভাপতি রেজওয়ানুল হক চৌধুরী শোভনের সঙ্গে সহসভাপতি পদে রয়েছেন ৬১ জন। তারা হলেন- আল নাহিয়ান খান জয়, তানজিল ভূঁইয়া তানভীর, রেজাউল করিম সুমন, সোহান খান, আরেফিন সিদ্দিক সুজন, আতিকুর রহমান খান, বরকত হোসেন হাওলাদার, আবু সালমান প্রধান শাওন, ইয়াজ আল রিয়াদ, শওকতুজ্জামান সৈকত, এম সাজ্জাদ হোসেন, ইমরুল হাসান নিশু, শাহরিয়ার কবির বিদ্যুৎ, সরকার জহির রায়হান, ফুয়াদ রহমান খান, সাদিক খান, ইসরাত কাসফিয়া ইরা, তৌহিদুল ইসলাম চৌধুরী, এসএম তৌফিকুল হাসান সাগর, মো. তৌহিদুর রহমান হিমেল, মাহমুদুল হাসান, নাসির উদ্দিন, মনজুর মোর্শেদ অসীম, সাইফুল ইসলাম জনি, শহিদুল ইসলাম, সুজন ভূঁইয়া, ফরহাদ হোসেন তপু, তৌহিদুর রহমান পরশ, আপেল মাহমুদ, কামাল খান, আলিমুল হক, আওলাদ খান, সৈয়দ আরিফ হোসেন, মাজহারুল ইসলাম শামীম, আসাদুজ্জামান সোহেল, খালিদ হাসান নয়ন, জাহাঙ্গীর মঞ্জিল পিপাস, আবু সাঈদ, আমিনুল ইসলাম বুলবুল, নুরে-আলম আশিক, তানজিদুল ইসলাম শিমুল, রুহল আমিন, ইসমাইল হোসেন তপু, মহিউদ্দিন শিকদার লিপু, নজরুল ইসলাম, সোহানী হাসান তিথি, মাহমুদুল হাসান তুষার, এসএম হাসান আতিক, সুরঞ্জন ঘোষ, মাজহারুল ইসলাম মিরাজ, জিয়ান আল রশিদ, হাফিজুর রহমান, আরিফুল ইসলাম আরিফ, রাকিব উদ্দিন, সোহেল রানা, আয়নাল সর্দার, নিশাত সাদিয়া খান মিলি, মুনমুন নাহার বৈশাখী, আসীম কুমার বৈদ্য, তরিকুল ইসলাম ও সাইদুর রহমান সম্রাট।

সাধারণ সম্পাদক গোলাম রাব্বানীর সঙ্গে যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক রয়েছেন ১১ জন। তারা হলেন- লেখক ভট্টাচার্য, প্রদীপ চৌধুরী, আরিফুজ্জামান আল ইমরান, শামস-ই-নোমান, মো. শাকিল ভূঁইয়া, মহিউদ্দিন আহম্মেদ, মোর্শেদুল হাসান রূপম, মাহাবুব খান, বেনজীর হোসেন নিশি, বেলাল হোসেন বিদ্যুৎ ও তাহসান আহম্মেদ রাসেল।

১১ জন সাংগঠনিক সম্পাদক হলেন- মামুন বিন সাত্তার, সাজ্জাদ হোসেন, ফেরদৌস আলম, মুজাহিদুল ইসলাম সোহাগ, সাদ বিন কাদের, সোহানুর রহমান সোহান, শেখ ওয়ালী আসিফ ইনান, নাজিম উদ্দিন, নাজমুল সিদ্দিকি নাজ, বরিকুল ইসলাম বাঁধন ও সাবরিনা ইতি। এছাড়া অর্থ সম্পাদক হয়েছেন রাকিব হোসেন।

উপ-অর্থ সম্পাদক মেহেদী হাসান, বোরহান উদ্দিন, তড়িৎ চৌধুরী ও মহসিন খন্দকার। আইন সম্পাদক ফুয়াদ হোসেন শাহাদাত। উপ-আইন সম্পাদক মো. সুজন শেখ, শাহাদুল হাসান আল মুরাদ, বিএম শরিফুল ইসলাম সবুজ ও আপন দাস। পরিবেশ সম্পাদক শামীম পারভেজ। উপ-পরিবেশ সম্পাদক কেএম রাসেল, মোস্তাক আহম্মেদ সোহাগ ও বাদশা শাওন।

স্কুল ছাত্রবিষয়ক সম্পাদক পুতুল চন্দ্র রায়। উপ-স্কুল ছাত্রবিষয়ক রোকনুজ্জামান রোকন, আবদুল কাইউম হীরা ও পলাশ কুমার দাস। ক্রীড়াবিষয়ক সম্পাদক আল-আমীন সিদ্দিক সুজন, উপ-ক্রীড়া মেহেদি হাসান, এনামুল হক তানান ও বায়েজিদ কোতয়াল। বিজ্ঞানবিষয়ক সম্পাদক সাদুন মোস্তফা, উপবিজ্ঞান আবু সাইদ কনক, সবুর খান কলিন্স, খন্দকার হাবিব আহসান ও মো. মাহফুজুর রহমান।

আন্তর্জাতিকবিষয়ক সম্পাদক মোহাম্মদ রাকিনুল হক চৌধুরী, উপ-আন্তর্জাতিক বিষয়ক সম্পাদক ফুয়াদ হাসান, মিহির রঞ্জন দাস, এমএম মাহবুবুর রহমান সালেহী, ওয়াহিদুজ্জামান লিখন ও এমএম শওকত হোসেন। পাঠাগার সম্পাদক হয়েছেন জাভেদ হোসেন। তার সঙ্গে উপসম্পাদক হিসেবে রয়েছেন পাঁচজন। তথ্য ও গবেষণা সম্পাদক পল্লব কুমার বর্মণ। এবিষয়ক উপসম্পাদক হয়েছেন আরও তিনজন।

তথ্যপ্রযুক্তিবিষয়ক সম্পাদক হয়েছেন শাকিল আহমেদ জুয়েল। এ বিষয়ে উপসম্পাদক রয়েছেন পাঁচজন। ধর্মবিষয়ক সম্পাদক তাজ উদ্দিন। তার সঙ্গে রয়েছেন চার উপসম্পাদক। গণশিক্ষা বিষয়ে সম্পাদক হয়েছেন আবদুল্লাহিল বারী। উপসম্পাদক রয়েছেন তিন জন। ত্রাণ ও দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা সম্পাদক হয়েছেন ইমরান জমাদ্দার। সঙ্গে উপসম্পাদক রয়েছেন চারজন।

স্বাস্থ্য ও চিকিৎসাসেবাবিষয়ক সম্পাদক হয়েছেন শাহরিয়ার ফেরদৌস হিমেল। সঙ্গে রয়েছেন চার উপসম্পাদক। সাহিত্যবিষয়ক সম্পাদকের দায়িত্ব পেয়েছেন আসিফ তালুকদার। সঙ্গে রয়েছেন তিন উপসম্পাদক। প্রশিক্ষণবিষয়ক সম্পাদক হয়েছেন হায়দার মোহাম্মদ জিতু। সঙ্গে রয়েছেন তিন উপসম্পাদক।

কর্মসংস্থানবিষয়ক সম্পাদক পদে দায়িত্ব পেয়েছেন মোহাম্মদ রনি। তার সঙ্গে উপসম্পাদক রয়েছেন চারজন। নাট্য ও বিতর্কবিষয়ক সম্পাদক হয়েছেন জুয়েল মোল্লা। তার সঙ্গে রয়েছেন তিন উপসম্পাদক। বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়বিষয়ক সম্পাদক হয়েছেন আসিফ ইকবাল অনিক। সঙ্গে রয়েছেন পাঁচ উপসম্পাদক।

আপ্যায়ন সম্পাদক হয়েছেন আশরাফুল ইসলাম ফাহাদ। সঙ্গে রয়েছেন চার উপসম্পাদক। মেহেদী হাসান তাপস পেয়েছেন মুক্তিযুদ্ধ ও গবেষণাবিষয়ক সম্পাদকের দায়িত্ব। সঙ্গে রয়েছেন চার উপসম্পাদক। মানবসম্পদ উন্নয়ন সম্পাদক হয়েছেন নাহিদ হাসান শাহিন। সঙ্গে রয়েছেন চার উপসম্পাদক। ছাত্র-বৃত্তি সম্পাদক হয়েছেন আতাউল গনি কৌশিক। সঙ্গে রয়েছেন চার উপসম্পাদক।

কৃষিশিক্ষাবিষয়ক সম্পাদকের দায়িত্ব পেয়েছেন মাকসুদুর রহমান মিঠু। সঙ্গে রয়েছেন তিন উপসম্পাদক। কর্মসূচি ও পরিকল্পনা সম্পাদক হয়েছেন সাদ্দাম হোসেন। সঙ্গে রয়েছেন চার উপসম্পাদক। ঘোষিত কমিটিতে সহসম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পেয়েছেন মোট ২৩ জন। কমিটির কার্যনির্বাহী সদস্যের সংখ্যা ১২ জন।

  • সর্বশেষ
  • সর্বাধিক পঠিত
সব খবর

ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক : সাইফুল আলম, প্রকাশক : সালমা ইসলাম

প্রকাশক কর্তৃক ক-২৪৪ প্রগতি সরণি, কুড়িল (বিশ্বরোড), বারিধারা, ঢাকা-১২২৯ থেকে প্রকাশিত এবং যমুনা প্রিন্টিং এন্ড পাবলিশিং লিঃ থেকে মুদ্রিত।

পিএবিএক্স : ৯৮২৪০৫৪-৬১, রিপোর্টিং : ৯৮২৪০৭৩, বিজ্ঞাপন : ৯৮২৪০৬২, ফ্যাক্স : ৯৮২৪০৬৩, সার্কুলেশন : ৯৮২৪০৭২। ফ্যাক্স : ৯৮২৪০৬৬ 

E-mail: [email protected]

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত ২০০০-২০১৯

converter
×