ছাত্রলীগের তালিকায় আরও ৮২ বিতর্কিত নেতা

১৭ জনের ২৪ ঘণ্টার আলটিমেটাম শেষ * যাদের বিরুদ্ধে মাদক সেবনের অভিযোগ, তাদের ‘ডোপ টেস্ট’ করানোর দাবি * মধুর ক্যান্টিনে হামলাকারীদের স্থায়ী বহিষ্কার চায় আন্দোলনকারীরা

  ঢাবি প্রতিনিধি ১৭ মে ২০১৯, ০০:০০ | প্রিন্ট সংস্করণ

ছাত্রলীগের তালিকায় আরও ৮২ বিতর্কিত নেতা

ছাত্রলীগের পূর্ণাঙ্গ কমিটির ১৭ জনকে ২৪ ঘণ্টার মধ্যে নিজেদের নির্দোষ প্রমাণ করতে বলা হলেও এ তালিকায় আছেন আরও ৮২ জন বিতর্কিত নেতা।

তাদের বিরুদ্ধে বিভিন্ন অপরাধ-অপকর্ম ও বিতর্কিত কর্মকাণ্ডে জড়ানোর অভিযোগ এনেছেন পদবঞ্চিত এবং প্রত্যাশিত পদ না পাওয়া নেতারা। এদেরকে সংগঠন থেকে বিতাড়িত করার দাবি জানান তারা।

পাশাপাশি পূর্ণাঙ্গ কমিটির যাদের বিরুদ্ধে মাদকাসক্তের অভিযোগ উঠেছে, তাদের ‘ডোপ টেস্ট’ করানোর দাবিও আন্দোলনকারীদের। পূর্ণাঙ্গ কমিটি নিয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করতে গিয়ে পদবঞ্চিতদের ওপর হামলার ঘটনায় জড়িতদের সংগঠন থেকে স্থায়ী বহিষ্কারেরও দাবি জানান পদবঞ্চিতরা। হামলাকারীরা বর্তমান সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদকের অনুসারী বলেও উল্লেখ করেন তারা।

বুধবার মধ্যরাতে আওয়ামী লীগ সভাপতির রাজনৈতিক কার্যালয়ে জরুরি সংবাদ সম্মেলনে ছাত্রলীগ সাধারণ সম্পাদক ১৭ জন বিতর্কিত নেতার নাম ঘোষণা করেন। তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণে ২৪ ঘণ্টা সময় নেন তিনি। এ সময় ‘আন্দোলনের নামে যারা বিশৃঙ্খলা সৃষ্টিকারী’, তাদেরকে সংগঠন থেকে স্থায়ীভাবে বহিষ্কারের হুশিয়ারি দেন ছাত্রলীগ সভাপতি রেজওয়ানুল হক চৌধুরী শোভন ও সাধারণ সম্পাদক গোলাম রাব্বানী। এর আগে একই দিন পূর্ণাঙ্গ কমিটিতে স্থান পাওয়া বিতর্কিতদের বাদ দেয়ার নির্দেশ দেন প্রধানমন্ত্রী।

বিতর্কিতদের নিয়ে সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদকের এমন বক্তব্যের প্রতিক্রিয়ায় বৃহস্পতিবার দুপুরে মধুর ক্যান্টিনে সংবাদ সম্মেলন করেন পদবঞ্চিত ও প্রত্যাশিত পদ না পাওয়া নেতারা। সেখানে ১৭ জনের বাইরে আরও বিভিন্ন অপরাধ-অপকর্ম ও বিতর্কিত ৮২ জনের নাম প্রকাশ করেন তারা। এদিকে বৃহস্পতিবার রাত ১২টায় শেষ হয়েছে ১৭ জনকে দেয়া আলটিমেটাম।

সংবাদ সম্মেলনে ক্ষুব্ধ নেতারা জানান, ৮২ জনের অনেকেই মাদকসেবী ও মাদক ব্যবসায়ী, চাকরিজীবী, বিবাহিত, নিজের অথবা পরিবারের বিএনপি-জামায়াত সংশ্লিষ্টতা ও স্বাধীনতাবিরোধী অবস্থান ও হত্যা মামলার আসামি। এছাড়া তাদের কেউ কেউ পহেলা বৈশাখের কনসার্টে অগ্নিসংযোগের ঘটনায় জড়িত, দীর্ঘদিন নিষ্ক্রিয়, কেন্দ্রেই ছাত্রলীগের প্রথম পদ, প্রশ্নফাঁসে জড়িত, স্বজনপ্রীতির মাধ্যমে পদপ্রাপ্ত। আবার নতুন কমিটিতে স্থান পাওয়াদের মধ্যে আছেন অন্যের হয়ে চাকরির পরীক্ষা দেয়ায় সাজাপ্রাপ্ত, ব্যবসায়ী, চাঁদাবাজ, কোটা সংস্কার আন্দোলনের সংগঠক, যৌন হয়রানির দায়ে প্রতিষ্ঠান থেকে বহিষ্কৃত, অপকর্মের দায়ে সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠান ও ছাত্রলীগ থেকে আজীবন বহিষ্কৃত, ছাত্রলীগ করার নির্ধারিত ২৯ বছর বয়স উত্তীর্ণ এবং ঠিকাদার।

সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্যে ছাত্রলীগের সর্বশেষ কমিটির প্রচার সম্পাদক সাইফউদ্দিন বাবু বলেন, ৩০১ সদস্যবিশিষ্ট কমিটিতে শতাধিক বিতর্কিত হওয়ার পরও ছাত্রলীগের সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক মাত্র ১৭ জনের নাম উল্লেখ করেছেন। আমরা তাদের আহ্বান জানাব, প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশ মতো সবাইকে খুঁজে বের করে সংগঠন থেকে বিতাড়ন করতে হবে। মাদক ব্যবসায়ী, মাদকসেবী, গঠনতন্ত্রবহির্ভূত ব্যক্তি বঙ্গবন্ধুর আদর্শের মানুষ হতে পারে না। এরা ছাত্রলীগের টিউমার, যা একসময় ক্যান্সারে পরিণত হবে। তাদের ছাত্রলীগ থেকে বিতাড়ন করতে হবে। কারণ ছাত্রলীগ আদর্শের সংগঠন, অপকর্মকারীদের অভয়ারণ্য নয়। একই সঙ্গে যারা ১৩ মে মধুর ক্যান্টিনে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে হামলা চালিয়েছে, তাদের ছাত্রলীগ থেকে স্থায়ী বহিষ্কার করতে হবে।

সংবাদ সম্মেলন শেষে সাংবাদিকদের বিতর্কিত ৯৯ নাম এবং অভিযোগ সংবলিত একটি তালিকা দেন আন্দোলনকারীরা। এ তালিকায় যাদের নাম এসেছে, তারা হলেন- সহসভাপতি তানজিল ভুইয়া তানভীর (বয়স উত্তীর্ণ ও ঠিকাদারি ব্যবসায় জড়িত)। তার বিরুদ্ধে আরও অভিযোগ- সম্মেলনের সময় তার বয়স ২৯ বছর ৬ মাস ১৭ দিন। সেই হিসাবে তার ছাত্রলীগ করার নির্ধারিত বয়স নেই। সহসভাপতি রেজাউল করিম সুমন (চাকরিজীবী ও মাদকাসক্ত)। সহসভাপতি আতিকুর রহমান খানের বিরুদ্ধে অভিযোগ, তিনি মাদকাসক্ত, মাদক ও অস্ত্র ব্যবসায়ী এবং ক্যাম্পাসের বিভিন্ন ছিনতাইয়ের সঙ্গে সরাসরি জড়িত। দীর্ঘদিন রাজনীতিতে অনুপস্থিত। সহসভাপতি বরকত হোসেন হাওলাদার ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে স্থায়ী বহিষ্কৃত। সহসভাপতি আবু সালমান প্রধান শাওন মাদকাসক্ত ও দীর্ঘদিন ধরে রাজনীতিতে নিষ্ক্রিয়। সহসভাপতি শাহরীয়ার কবির বিদ্যুৎ মাদকাসক্ত, মাদকের সঙ্গে জড়িত ও মাদকের মামলা রয়েছে তার বিরুদ্ধে। সহসভাপতি ফুয়াদ রহমান খান বয়সোত্তীর্ণ ও দীর্ঘদিন রাজনীতিতে অনুপস্থিত। সহসভাপতি সাদিক খান বিবাহিত, মাদকাসক্ত ও দীর্ঘদিন রাজনীতিতে অনুপস্থিত। সহসভাপতি তৌহিদুল ইসলাম চৌধুরী বিএনপি ও জামায়াতঘেঁষা পরিবারের সন্তান। সহসভাপতি এসএম তৌফিকুল হাসান সাগরের বাবার বিরুদ্ধে যুদ্ধাপরাধের অভিযোগ রয়েছে। সহসভাপতি তৌহিদুর রহমান হিমেলের বিরুদ্ধে ঠিকাদারি ব্যবসায় জড়িত থাকার অভিযোগ। সহসভাপতি মাহমুদুল হাসান জামায়াত পরিবারের সন্তান। সহসভাপতি সৃজন ভুইয়া অগ্রণী ব্যাংক লিমিটেডে কর্মরত। সহসভাপতি তৌহিদুর রহমান পরশের ছাত্রলীগের প্রথম পদ এটি। সহসভাপতি কামাল খানের বিরুদ্ধে অভিযোগ- তিনি কোটা আন্দোলনকারী।

সহসভাপতি আবু সাঈদ ছাত্রলীগ থেকে আজীবন বহিষ্কার হয়েছেন এবং শিক্ষককে অপমান করার কারণে বিশ্ববিদ্যালয় থেকে বহিষ্কৃত। বয়সোত্তীর্ণ ও মেডিকেলের প্রশ্নফাঁসের সঙ্গে জড়িত, ডাকাতি মামলার বর্তমান আসামি সহসভাপতি খালিদ হাসান নয়ন। সহসভাপতি আমিনুল ইসলাম বুলবুল হত্যা মামলার চার্জশিটভুক্ত আসামি এবং ৬টি মামলার আসামি। সহসভাপতি রুহুল আমিন সাবেক ছাত্রদল নেতা ও বিবাহিত। সহসভাপতি সোহানী হাসান তিথীর একাধিক বিয়ে। সহসভাপতি এসএম হাসান আতিক বিবাহিত এবং ৩৯তম বিসিএসে সুপারিশপ্রাপ্ত। সহসভাপতি সুরঞ্জন ঘোষ বয়সোত্তীর্ণ। সহসভাপতি সোহেল রানার প্রথম পদ এটি। সহসভাপতি মুনমুন নাহার বৈশাখী জামায়াত পরিবারের সন্তান ও বিবাহিত। সহসভাপতি তরিকুল ইসলাম চার্জশিটভুক্ত ৬টি মামলার আসামি এবং নিয়োগ বাণিজ্যের নামে প্রতারণা।

আন্দেলনকারীদের দেয়া তালিকায় যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক প্রদীপ চৌধুরীর বিরুদ্ধে অভিযোগ, পহেলা বৈশাখের অনুষ্ঠানে মল চত্বরে আগুন-সন্ত্রাসের সঙ্গে জড়িত এবং নকলের দায়ে বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ৩ বছরের জন্য বহিষ্কৃত। যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মো. শাকিল ভুইয়ার বাবা খোকন ভুইয়া মাদারীপুর পৌর ওয়ার্ড বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক বলে অভিযোগ। যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মোর্শেদুল হাসান রূপম ছাত্রদলের রাজনীতির সঙ্গে জড়িত ছিল বলে অভিযোগ। সাংগঠনিক সম্পাদক ফেরদৌস আলম রাজাকার পরিবারের সন্তান, যৌন হয়রানিকারী এবং বিশ্ববিদ্যালয় থেকে বহিষ্কৃত। প্রচারবিষয়ক উপসম্পাদক সিজাদ আরেফিন শাওন বিবাহিত এবং সন্তান রয়েছে। গ্রন্থনা ও প্রকাশনাবিষয়ক উপসম্পাদক সৌরভনাথ চাঁদাবাজির দায়ে তিন মাসের সাজাপ্রাপ্ত আসামি। সাংস্কৃতিক উপসম্পাদক আফরীন লাবণী একাধিক বিবাহিত। আন্তর্জাতিকবিষয়ক উপসম্পাদক ফুয়াদ হাসান বয়সোত্তীর্ণ ও মাদক ব্যবসায়ী। পাঠাগারবিষয়ক উপসম্পাদক রুশী চৌধুরী বিবাহিত। ধর্মবিষয়ক সম্পাদক তাজউদ্দিন শিবির নেতা বলে অভিযোগ তাদের। গণশিক্ষাবিষয়ক উপসম্পাদক মনিরুজ্জামান তরুণের প্রথম পদ এটি। সালেকুর রহমান শাকিলের প্রথম পদ ত্রাণ ও দুর্যোগবিষয়ক উপসম্পাদক। স্বাস্থ্যবিষয়ক উপসম্পাদক ডা. শাহজালালের প্রথম পদ এটি। তার বিরুদ্ধে শিবির সংশ্লিষ্টতারও অভিযোগ রয়েছে। গণযোগাযোগবিষয়ক উপসম্পাদক সালাউদ্দিন জসিম ওয়ারী ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের প্রচার সম্পাদক ও বিবাহিত। একই পদের আরেকজন সুশোভন অর্ক একটি সংবাদমাধ্যমের স্টাফ রিপোর্টার। বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়বিষয়ক সম্পাদক আসিফ ইকবাল অনিক বিবাহিত। বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়বিষয়ক উপসম্পাদক মো. তুষারের প্রথম পদ এটি। একই পদের আরেকজন রাকিবুল ইসলাম সাকিব বিবাহিত। আপ্যায়নবিষয়ক উপসম্পাদক শাহরিয়ার মাহমুদ রাজু জসীমউদ্দীন হলের ৩২১নং রুম থেকে ইয়াবা সেবনকালে হল প্রোভোস্টের সহায়তায় পুলিশ আটক করে। মানবসম্পদবিষয়ক উপসম্পাদক হিরণ ভুইয়া ঢাকা কলেজ ছাত্রলীগ থেকে স্থায়ী বহিষ্কৃত। কৃষিশিক্ষা সম্পাদক এসএম মাসুদুর রহমান মিঠু বিবাহিত। কর্মসংস্থানবিষয়ক উপসম্পাদক অভমিন্যু বিশ্বাস অভি ইউনানী ওষুধ ব্যবসায়ী।

এছাড়া আরও যাদের বিরুদ্ধে আন্দোলনকারীরা অভিযোগ এনেছেন তারা হলেন- সহসম্পাদক জাফর আহমেদ ইমন ছাত্রদল নেতা এবং এটিই প্রথম পদ। একই পদের তানভীর আবদুল্লাহ ব্যবসায়ী এবং ছাত্রলীগে তার প্রথম পদ এটি। একই পদের সামিহা সরকার বিবাহিত এবং তার বাবা গাজীপুর সিটি কর্পোরেশনের বিএনপি মনোনীত ওয়ার্ড কাউন্সিলর। সহসম্পাদক ফারজানা ইসলাম রাখি বিবাহিত। একই পদের তামান্না তাসনিম তমা বিবাহিত ও তার প্রথম পদ এটি। মো. মেহেদী হাসান রাজু সহসম্পাদক হয়েছেন। তিনি পুলিশের এসআই পরীক্ষায় অন্যের হয়ে অংশগ্রহণ করে পুলিশের হাতে ধরা পড়েন। সহসম্পাদক আঞ্জুমান আরা অণু বিবাহিত এবং প্রশ্নফাঁসের অভিযোগ তার বিরুদ্ধে। একই পদের আসিফ রায়হানের বাবা চাঁদপুরের একটি ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি। শফিকুল ইসলাম কোতয়ালের ছাত্রলীগের প্রথম পদ সহসম্পাদক। এই পদের আরেকজন শেখ আরজু বিবাহিত। সদস্য ফয়সাল করিম দাউদ খানের প্রথম পদ এটি। কর্মসংস্থানবিষয়ক উপসম্পাদক আল ইমরানের বাবা জামায়াতের রাজনীতিতে জড়িত বলে অভিযোগ। তার প্রথম পদ এটি। আন্তর্জাতিকবিষয়ক উপসম্পাদক ওয়াহিদুজ্জামান লিখনের প্রথম পদ এটি। সহসম্পাদক সোহেল রানা শান্ত সংগঠন থেকে আজীবন বহিষ্কৃত। মানবসম্পদবিষয়ক উপসম্পাদক বেলাল হোসেন মুন্না বিবাহিত।

সংবাদ সম্মেলনে সাইফউদ্দিন বাবু বলেন, তিন দিন আগে ছাত্রলীগের পূর্ণাঙ্গ কমিটি হয়েছে, যা অত্যন্ত ত্রুটিপূর্ণ। সেসব ত্রুটির বিরোধিতা করে আমরা প্রতিবাদ করেছিলাম। কিন্তু সেদিন আমাদের ভাই-বোনদের মেরে জখম করা হয়েছে। অনেককে প্রাণনাশের হুমকি পর্যন্ত দেয়া হয়েছে। ছাত্রলীগে প্রত্যেক নেতাকর্মীর কথা বলার পূর্ণ স্বাধীনতা রয়েছে। পদ-পদবি পাওয়ার পর একজন কর্মী যেমন আনন্দ-উল্লাস করতে পারে, তেমনি দীর্ঘদিন পর গঠিত কমিটিতে পদায়ন না হলে তার অভিব্যক্তি প্রকাশ করার পূর্ণ স্বাধীনতা আছে বলে আমরা বিশ্বাস করতে চাই।

তিনি বলেন, ছাত্রলীগের একমাত্র অভিভাবক দেশরত্ন শেখ হাসিনার প্রতি বিতর্কিতদের বাদ দিয়ে একটি অর্থবহ ও সুন্দর কমিটি উপহার দেয়ার আকুল আবেদন জানিয়েছিলাম। প্রাণপ্রিয় নেত্রী ইতিমধ্যে বিতর্কিতদের বাদ দিয়ে কমিটি পুনর্গঠনের নির্দেশ দিয়েছেন। আমরা শেখ হাসিনার যে কোনো সিদ্ধান্ত মাথা পেতে নিতে প্রস্তুত। তবে কমিটি পুনর্গঠনের নামে যদি ফের প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশ অমান্য করা হয়, তাহলে এর যথোপযুক্ত জবাব দিতে আমরা প্রস্তুত। সাইফ বলেন, ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক বারবার একটি কথাই বলেন, ছাত্রলীগের কমিটি চুলচেরা বিশ্লেষণ করে করা হয়েছে। চুলচেরা বিশ্লেষণের পরও যদি তারা ১৭ জনের নাম পায়, তাহলে আরেকটু বিশ্লেষণ করলে সেটা একশ’র বেশি হতে পারে। তাই বিতর্কিত ১৭ জন নয়, আরও বেশি হবে।

তদন্ত প্রতিবেদন দিতে পারেনি কমিটি : এদিকে মধুর ক্যান্টিনে ডাকসু ও ছাত্রলীগের পদবঞ্চিত নেতানেত্রীদের ওপর হামলার ঘটনায় গঠিত তদন্ত কমিটি নির্ধারিত সময়ের মধ্যে তদন্ত প্রতিবেদন জমা দিতে পারেনি। বৃহস্পতিবার সকালের মধ্যে তদন্ত প্রতিবেদন জমা দেয়ার কথা থাকলেও কিছুটা সময় বেশি লাগছে বলে জানিয়েছেন কমিটির প্রধান ও ছাত্রলীগের সিনিয়র সহসভাপতি আল-নাহিয়ান খান জয়। তিনি যুগান্তরকে বলেন, যেহেতু বিষয়টি স্পর্শকতার, তাই তদন্তে একটু বেশি সময় লেগেছে। আমরা ভিডিও ফুটেজ দেখে ৫-৬ জন হামলাকারীকে ইতিমধ্যে শনাক্ত করেছি। আশা করছি, খুব দ্রুত তদন্ত শেষ করব।

আরও পড়ুন
  • সর্বশেষ
  • সর্বাধিক পঠিত
সব খবর

ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক : সাইফুল আলম, প্রকাশক : সালমা ইসলাম

প্রকাশক কর্তৃক ক-২৪৪ প্রগতি সরণি, কুড়িল (বিশ্বরোড), বারিধারা, ঢাকা-১২২৯ থেকে প্রকাশিত এবং যমুনা প্রিন্টিং এন্ড পাবলিশিং লিঃ থেকে মুদ্রিত।

পিএবিএক্স : ৯৮২৪০৫৪-৬১, রিপোর্টিং : ৯৮২৪০৭৩, বিজ্ঞাপন : ৯৮২৪০৬২, ফ্যাক্স : ৯৮২৪০৬৩, সার্কুলেশন : ৯৮২৪০৭২। ফ্যাক্স : ৯৮২৪০৬৬ 

E-mail: [email protected]

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত ২০০০-২০১৯

converter
×