যুগান্তরকে একান্ত সাক্ষাৎকার

বাজেট প্রণয়ন ও বাস্তবায়নে স্বচ্ছতা জরুরি: আকবর আলি খান

  মনির হোসেন ০৩ জুন ২০১৯, ০০:০০ | প্রিন্ট সংস্করণ

আকবর আলি খান
আকবর আলি খান। ফাইল ছবি

একটি দেশের সরকারের সামগ্রিক কর্মকাণ্ডের আর্থিক রূপ হল বাজেট। এ বাজেটের মাধ্যমে দেশের আয়-ব্যয় এবং সরকারের কর্মসূচিতে কী গুরুত্ব পেল- তা বোঝা যায়। সে কারণে বাজেট পরিকল্পনা ও প্রণয়ন এবং তা বাস্তবায়নসহ সবকিছুতেই স্বচ্ছতা থাকা জরুরি। ২০১৯-২০ অর্থবছরের বাজেট সামনে রেখে যুগান্তরের সঙ্গে একান্ত সাক্ষাৎকারে সাবেক তত্ত্বাবধায়ক সরকারের উপদেষ্টা ড. এম আকবর আলি খান এসব কথা বলেন। তার মতে, বাংলাদেশে বাজেট প্রণয়ন প্রক্রিয়ায় যথেষ্ট সমস্যা রয়েছে। বিশেষ করে সংসদে বাজেট যেভাবে পাস হয়, তা একটি আনুষ্ঠানিকতা। এখানে জনগণের প্রতিনিধিদের আলোচনার সুযোগ কম। আসন্ন বাজেটে সরকারের চ্যালেঞ্জ, সম্ভাবনা, নতুন ভ্যাট আইন বাস্তবায়ন, সামষ্টিক অর্থনীতি, বিনিয়োগ পরিস্থিতি ও ব্যাংকিং খাতে শৃঙ্খলা নিয়ে বিস্তারিত কথা বলেন তিনি। সাক্ষাৎকার নিয়েছেন মনির হোসেন

যুগান্তর : বাজেটের সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ কী?

আকবর আলি খান : বাজেট প্রণয়নের প্রক্রিয়াটিই সবচেয়ে বড় সমস্যা। কারণ বাজেটের সাংবিধানিক মূল ভিত্তি হল প্রতিনিধিত্ব ছাড়া কর আদায় নয়। এর মানে জনগণের প্রতিনিধিদের অনুমতি ছাড়া সরকার কোনো ধরনের কর আদায় এবং ব্যয় করতে পারবে না। একমাত্র সংসদকেই বাজেট পাস করার ক্ষমতা দেয়া হয়েছে। এক্ষেত্রে এ বছর সংসদে ১৩ জুন বাজেট পেশ করা হচ্ছে। ৩০ জুন সংসদে এটি পাস হবে। অর্থাৎ বাজেটের ওপর আলোচনার জন্য সময় মাত্র ১৭ দিন।

এমনিতেই রোজার কারণে বাজেটের আগে এ নিয়ে কারও পক্ষে পুরোপুরি কাজ করা সম্ভব নয়। এরপর ১৭ দিনে বাজেট আলোচনা, সম্পূরক বাজেট আলোচনা, বরাদ্দ ও নতুন কর প্রস্তাব বিবেচনা করা অসম্ভব। এ প্রক্রিয়ায় বাজেট সংসদে ভালোভাবে আলোচনা হবে না। প্রধানমন্ত্রীর অনুমতি নিয়ে অর্থমন্ত্রী সংসদে পেশ করবেন। পরে পাস করা হবে। ফলে বাজেটের প্রক্রিয়াটি নেহায়েত একটি আনুষ্ঠানিকতা মাত্র।

এছাড়া বাংলাদেশের সংসদে বাজেটের যে বিধিবিধান রয়েছে, তা পৃথিবীর অন্য দেশের পদ্ধতির সঙ্গে অসঙ্গতিপূর্ণ। বাংলাদেশে সংসদে বাজেট পেশ করার পর কোনো সংসদীয় কমিটিতে সেটি আলোচনা করা যায় না। অথচ যুক্তরাজ্য, কানাডা, অস্ট্রেলিয়া, নিউজিল্যান্ড এবং ভারতসহ প্রায় সব দেশেই সংসদীয় কমিটিতে আলোচনার পর বাজেট পাস করার বিধান রয়েছে। ’৭০-এর দশকে সংসদে বাজেট বাস্তবায়নের যে বিধান চালু করা হয়েছিল, তখন কোনো দেশেই এটি ছিল না।

এরপর গত ৪০ বছরে সংসদীয় সরকার ব্যবস্থার দেশগুলো বিধিবিধানে পরিবর্তন এনেছে। কিন্তু বাংলাদেশে সেই বিধান অপরিবর্তিত। ফলে বাজেট নিয়ে সংসদে ও সংসদের বাইরে অত্যন্ত সীমিত আলোচনা হয়। সামগ্রিকভাবে দেশের বাজেট ব্যবস্থা অত্যন্ত কেন্দ্রীভূত। এতে জনগণের রক্ষাকবচ নিশ্চিত করা সম্ভব হবে না। ফলে এ ব্যবস্থার পরিবর্তন জরুরি। তা না হলে, এভাবে বাজেট আনুষ্ঠানিকতায়ই থেকে যাবে। দীর্ঘদিন থেকে আমি সংস্কারের কথা বলে আসছি। কিন্তু বড় রাজনৈতিক দলগুলোর কেউ এতে আগ্রহী নয়।

বোঝা যাচ্ছে এবারও বাজেট উচ্চাভিলাষী হবে। তবে এটি খারাপ কিছু নয়। কারণ উচ্চাভিলাষ না থাকলে বড় অর্জন করা যায় না। কিন্তু সেটি একেবারে অবাস্তব না হয়ে বাস্তবায়নযোগ্য হওয়া উচিত। দেশে যে বাজেট তৈরি করা হয়, তাতে ব্যয়ের সঙ্গে আয়ের কোনো সামঞ্জস্য নেই।

গত কয়েক বছরে দেখা গেছে ব্যয় অত্যন্ত বেশি। কিন্তু আয় ওই হারে বাড়ানো সম্ভব হয় না। আর বাজেট বাস্তবায়ন সম্ভব হবে না, সেটি আগে থেকেই জানা যায়। এ ধরনের বাজেটে অনেক অপ্রয়োজনীয় প্রকল্প অন্তর্ভুক্ত। পৃথিবীর অনেক দেশেই ঘাটতি বাজেট হয়। বাংলাদেশেও হচ্ছে। এটি বড় সমস্যা নয়। এক্ষেত্রে খেয়াল রাখতে হবে, ঘাটতি পূরণে যেসব ঋণ বা অনুদান নেয়া হয়, সেটি সরকার পরিচালনায় ব্যয় না করে, অবকাঠামো উন্নয়নে ব্যয় করা উচিত।

যুগান্তর : বাজেটে দুর্বলতা কী?

আকবর আলি খান : বাজেটের শুরু থেকেই একটা স্বচ্ছতা ছিল। মরহুম তাজউদ্দীন আহমদের প্রথম বাজেটের যে বক্তৃতা ছিল, তাতে কোন নীতির ফলে কত টাকা কর আসবে, আবার কোন নীতিতে কত টাকা কর ছাড় হবে উল্লেখ ছিল। সেগুলো যোগ করে বলা হতো, এ পরিমাণ টাকা আমরা কর ছাড় দিয়েছি, নতুন এবং অতিরিক্ত কর থেকে এ পরিমাণ টাকা পাব। পরে দেখা গেল প্রত্যেকটি বিষয় উল্লেখ করলে বাজেট বক্তৃতা অনেক বেশি বড় হবে। এজন্য আলাদা অনুচ্ছেদ থাকত।

ওই অনুচ্ছেদে করের বিশ্লেষণ উল্লেখ করা হতো। কিন্তু গত ১০ বছর থেকে দেখছি, এ অনুচ্ছেদ কোনো বাজেট বক্তৃতায় নেই। অর্থমন্ত্রীর বাজেট বক্তৃতা শুনে কেউ বলতে পারবে না, নতুন কর কত টাকা আদায় হবে। এটি সংসদ সদস্যরাও জানেন না। এভাবে বিষয়টি পরিষ্কারভাবে জানা না গেলে, বাজেটকে একটি আনুষ্ঠানিকতা ছাড়া আর কিছু বলার সুযোগ নেই। আমার ধারণা, এ ধরনের (অস্বচ্ছ) বাজেট পৃথিবীর খুব কম দেশেই হয়।

যুগান্তর : সরকারের আয়ের বিষয়টি কীভাবে মূল্যায়ন করছেন?

আকবর আলি খান : গত কয়েক বছরে সরকারের রাজস্ব ব্যয় অনেক বেড়েছে। কিন্তু ওই অনুপাতে কর আদায় হচ্ছে না। ফলে সরকারকে ঋণ নিয়ে ঘাটতি মেটাতে হচ্ছে। এতে ব্যয় আরও বাড়ছে। কারণ প্রতি বছর সরকারকে ঋণের বিপরীতে বড় অংকের সুদ পরিশোধ করতে হচ্ছে।

সরকারি কর্মচারীদের পেনশন, বেতন-ভাতাও অনেক বড় আকার ধারণ করেছে। গত কয়েক বছরে সরকারি চাকরিজীবীদের বেতন-ভাতা অনেক বাড়ানো হয়েছে। এটি অযৌক্তিক। কারণ বেতন বাড়ানোর আগে উৎপাদনশীলতা বাড়ানো জরুরি। কিন্তু দুর্ভাগ্যবশত বাংলাদেশে সরকারের উৎপাদনশীলতা বাড়ছে না। এতে বাজেটের মধ্যে অসামঞ্জস্যতা দেখা দেয়।

যুগান্তর : সরকারের ব্যয়ে গুণগতমান সম্পন্ন হচ্ছে কিনা?

আকবর আলি খান : দেশে অবকাঠামো খাতে বড় অংকের ব্যয় করা হয়। অবশ্যই অবকাঠামোতে ব্যয় প্রয়োজন রয়েছে। কিন্তু মনে রাখতে হবে, সব একসঙ্গে নির্মাণ করা যাবে না। এক্ষেত্রে বেশি সুফল পাওয়া যাবে, এমন প্রকল্প বাছাই করতে হবে। উদাহরণস্বরূপ দেশের রেল খাতে অনেক বেশি বরাদ্দ দেয়া হচ্ছে।

রেল এবং স্বাস্থ্য খাতের বরাদ্দ প্রায় সমান। কিন্তু এ খাতে যে বিনিয়োগ করা হয়, সেটি ফেরত আসাতো দূরের কথা, পরিচালনা ব্যয়ের খরচ মেটাতে পারছে না রেল খাত। সরকারের ভর্তুকিতে রেল ব্যবস্থা চালু আছে। ফলে রেল ব্যবস্থা পুনর্গঠনের আগে বিশাল অংকের বরাদ্দ দেয়ার বিষয়টি চিন্তা করা উচিত। অর্থাৎ প্রকল্প বাছাইয়ের ক্ষেত্রে সতর্কতা অবলম্বন করা উচিত। এছাড়া বড় প্রকল্প বাস্তবায়নেও অনেক সতর্ক হতে হবে। কারণ প্রকল্প বাস্তবায়নে দেরি হলে ব্যয় বেড়ে যায়।

পৃথিবীর সব দেশেই বড় প্রকল্পে অনেক বেশি দুর্নীতি হয়। বাংলাদেশেও এর বড় উদাহরণ আছে। ফলে এগুলোর প্রতি বিশেষ নজর দেয়া উচিত। সামগ্রিকভাবে ঘাটতি বাজেট করে এমন পরিস্থিতির সৃষ্টি করা যাবে না, যাতে ভবিষ্যৎ প্রজন্ম এর দায় পরিশোধে ব্যর্থ হয়।

যুগান্তর : সাম্প্রতিক অর্থনৈতিক পরিস্থিতি কীভাবে মূল্যায়ন করছেন?

আকবর আলি খান : অর্থনীতিতে অন্যতম একটি বড় সমস্যা বিনিয়োগের অভাব। বাজেটে সরকারি বিনিয়োগ বাড়ানো হয়, কিন্তু বেসরকারি বিনিয়োগ বাড়াতে কার্যকর উদ্যোগ নেয়া হয় না। ফলে কয়েক বছর পর্যন্ত বিনিয়োগ স্থবির হয়ে আছে। বিশ্বায়নের যুগে আমাদের সামনে আগাতে হলে বেসরকারি বিনিয়োগকে উন্নয়নের বাহন করতে হবে। দুর্ভাগ্যবশত এ কাজটি এখন পর্যন্ত হয়নি। আর যেসব কারণে বিনিয়োগ বাড়ছে না, এর অন্যতম হল পুঁজির সমস্যা।

দেশে পুঁজির দুটি খাত। এটি হল ব্যাংক ও পুঁজিবাজার। কিন্তু পুঁজিবাজারের প্রতি মানুষের আস্থা নেই। অন্যদিকে পুঁজির অন্যতম উৎস ব্যাংকিং খাতে বিশৃঙ্খলা চলছে। ব্যাংকে খেলাপি ঋণ অস্বাভাবিক হারে বেড়েছে। ঋণ নিয়ে পরিশোধ না করার সংস্কৃতি ব্যাপক আকার ধারণ করেছে।

বিশেষ করে সরকারি ব্যাংকগুলো খেলাপির ভারে জর্জরিত। এটি দেশের অর্থনীতির জন্য বড় অশনি সংকেত। কিন্তু দুভার্গ্যবশত এ ব্যাপারে কোনো কাজ করা হচ্ছে বলে মনে হচ্ছে না। বাংলাদেশ ব্যাংকেরও উল্লেখযোগ্য তৎপরতা চোখে পড়ছে না।

সরকারি ব্যাংকের পরিচালনা পর্ষদে রাজনৈতিক লোকজন নিয়োগ দেয়া হচ্ছে। এটি অযৌক্তিক। কারণ রাজনীতিবিদরা রাজনীতি ভালো জানেন। তারা ব্যবসা-বাণিজ্য বোঝেন না। অন্যদিকে বাংলাদেশের সব দলের রাজনীতিবিদদের বিরুদ্ধে দুর্নীতির অভিযোগ আছে। তার প্রভাব ব্যাংকগুলোর ওপরে পড়ছে। সে জন্য সরকারি ব্যাংকগুলোতে শৃঙ্খলা নেই। অন্যদিকে প্রয়োজনের তুলনায় দেশে বেসরকারি ব্যাংক অনেক বেশি অনুমোদন দেয়া হয়েছে।

আর অনুমোদনের ক্ষেত্রেও উদ্যোক্তা সঠিকভাবে বাছাই করা হয়নি। এমন উদ্যোক্তাদের দেয়া হয়েছে, যারা ব্যাংককে ব্যক্তিগত সম্পত্তি মনে করেন। কিন্তু উদ্যোক্তারা ব্যাংকের আসল মালিক নন। আসল মালিক আমানতকারীরা। কারণ এদের অর্থেই ঋণ দেয়া হয়। আর এই আমানতকারীদের সুরক্ষা না দিলে ব্যাংকগুলো বিপর্যয়ের মুখে পড়বে।

ইতিমধ্যে কয়েকটি ব্যাংক সম্পর্কে অত্যন্ত অপ্রীতিকর সংবাদ দেখতে পেয়েছি। ফলে ব্যাংকের ব্যাপারে সরকারের ঊর্ধ্বতন মহল থেকে উদ্যোগ নিতে হবে। সরকার যদি এখানে কোনো অনিয়ম প্রশ্রয় না দেয়, তাহলেই এখানে পরিবর্তন হতে পারে।

বাংলাদেশের ইতিহাস দেখলে বোঝা যাবে, খেলাপি ঋণ তখনই কমেছে, যখন সরকার এর বিরুদ্ধে দৃঢ় অবস্থান নিয়েছে। এ কারণে সরকারকে সিদ্ধান্ত নিতে হবে। বাংলাদেশ ব্যাংককে কাজ করতে দিতে হবে।

যুগান্তর : নতুন ভ্যাট আইন বাস্তবায়ন হলে কী প্রভাব পড়তে পারে?

আকবর আলি খান : নতুন ভ্যাট করার উদ্দেশ্যে হল কর আদায় বাড়ানো। ভ্যাটের ক্ষেত্র সম্প্রসারণ করা। এ কর দু’ভাবে বাড়ানো যেতে পারে। প্রথমত করের হার বাড়িয়ে। দ্বিতীয়ত যেসব জায়গায় আগে ভ্যাট ছিল না, সে সব জায়গায় ভ্যাট প্রবর্তন করা। ফলে আইনটি বাস্তবায়ন হলে নিত্যপণ্যের ওপর প্রভাব পড়ার সম্ভাবনা রয়েছে।

এছাড়া যখন ভ্যাট আইন করা হয়, তখন ভ্যাটের হার ছিল ১৫ শতাংশ। ব্যবসায়ীরাও এ আইন বাস্তবায়নের জন্য প্রস্তুত ছিলেন না। পৃথিবীর খুব অল্প দেশেই এ হারে ভ্যাট আদায় হয়।

একটি জিনিস মনে রাখতে হবে, ব্যবসায়ীরা ভ্যাট দেন না। ভ্যাট দেন ভোক্তা। ব্যবসায়ীরা সেটি আদায় করে সরকারকে দেন। কিন্তু ভ্যাটের মূল লক্ষ্য হল করের ওপরে যেন কর না হয়। আর এটি এড়াতে হলে সব কাগজপত্র সংগ্রহ করতে হয়।

আমাদের দেশে অনেক ব্যবসায়ী এখনও কাগজপত্র রাখেন না। এ কারণে শুরুতে ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীদের সুবিধা দেয়া হয়েছিল। নতুন আইনে সেই সুবিধা নেই। এতে নতুন করে সমস্যা তৈরি হবে।

যুগান্তর : বিভিন্ন মহল থেকে সংস্কারের কথা বলা হচ্ছে, আপনি কী মনে করেন?

আকবর আলি খান : গত কয়েক দশক থেকে সংস্কারের কথা শুনে আসছি। বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই সংস্কারের কথা বলা হয়, বড় জোর আইন করা হয়, কিন্তু বাস্তবায়ন হয় না। বাজেট বক্তৃতায়ও থাকে, কিন্তু বাস্তবায়ন নেই। এর কারণ হল সংস্কার সরকার চায় না। ফলে সংস্কার তখনই হবে, যখন সরকার চাইবে। টাকা পাচার রোধসহ সবকিছুতেই আইন আছে। কিন্তু বাস্তবায়ন নেই।

ঘটনাপ্রবাহ : বাজেট ২০১৯

আরও
  • সর্বশেষ
  • সর্বাধিক পঠিত
সব খবর

ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক : সাইফুল আলম, প্রকাশক : সালমা ইসলাম

প্রকাশক কর্তৃক ক-২৪৪ প্রগতি সরণি, কুড়িল (বিশ্বরোড), বারিধারা, ঢাকা-১২২৯ থেকে প্রকাশিত এবং যমুনা প্রিন্টিং এন্ড পাবলিশিং লিঃ থেকে মুদ্রিত।

পিএবিএক্স : ৯৮২৪০৫৪-৬১, রিপোর্টিং : ৯৮২৪০৭৩, বিজ্ঞাপন : ৯৮২৪০৬২, ফ্যাক্স : ৯৮২৪০৬৩, সার্কুলেশন : ৯৮২৪০৭২। ফ্যাক্স : ৯৮২৪০৬৬ 

E-mail: [email protected]

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত ২০০০-২০১৯

converter
×