ইতিবাচক ধারায় পদোন্নতি

প্রশাসনে যুগ্মসচিব হলেন ১৩৭ জন

  যুগান্তর রিপোর্ট ১৭ জুন ২০১৯, ০০:০০ | প্রিন্ট সংস্করণ

বাংলাদেশ সরকার

প্রশাসনে ইতিবাচক ধারার পদোন্নতির যাত্রা শুরু হয়েছে। যুগ্মসচিব পদে রোববার জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় থেকে ১৩৭ জন কর্মকর্তাকে পদোন্নতি দেয়া হয়। এক্ষেত্রে এসএসবি (সুপিরিয়র সিলেকশন বোর্ড) তথা সরকারের যে নীতি দৃশ্যমান হয়েছে তাতে পর্যবেক্ষক মহল মনে করেন, বহুদিন পর প্রশাসনে একটি সুস্থধারার পদোন্নতির যাত্রা হল।

প্রত্যাশা অনুযায়ী পদোন্নতিবঞ্চিত কর্মকর্তাদের অনেকের মুখে হাসি ফুটেছে। সংশ্লিষ্টরা বলছেন, পদোন্নতির এ ধারা অব্যাহত থাকলে ভবিষ্যতে প্রশাসনে পদোন্নতি নিয়ে ক্ষোভ-অসন্তোষ আর থাকবে না। তবে ধারণাগত জ্যেষ্ঠতা না পাওয়ায় অনেকে প্রাপ্য পদোন্নতি থেকে পিছিয়ে পড়েছেন। তাদের কয়েকজন গতকাল আশাবাদ ব্যক্ত করে যুগান্তরকে জানিয়েছেন, ধারণাগত জ্যেষ্ঠতা পেলে ভালো হতো। তবে তারা চান, প্রশাসনে পদোন্নতির এই উদারনীতি ধারা অব্যাহত থাকুক।

যুগ্মসচিব পদে পদোন্নতির প্রজ্ঞাপনে ১৩৬ জনের নাম থাকলেও পদোন্নতি হয়েছে ১৩৭ জনের। একজন কর্মকর্তা লিয়েনে থাকায় তার নাম প্রজ্ঞাপনে আসেনি। পদোন্নতি পাওয়া কর্মকর্তাদের মধ্যে এবার নতুন ব্যাচ হিসেবে ১৭তম ব্যাচের ৪৬ জনকে পদোন্নতি দেয়া হয়। এছাড়া লেফটআউট বা অতীতে পদোন্নতি না পাওয়া কর্মকর্তাদের মধ্যে পদোন্নতি পেয়েছেন ৮৫ ব্যাচের ৭ জন, ৮৬ ব্যাচের ৩ জন, ৯ম ব্যাচের ২ জন, ১০ম ব্যাচের ৬ জন, ১১তম ব্যাচের ৩ জন, ১৩তম ব্যাচের ১৮ জন এবং ১৫তম ব্যাচ থেকে ১৪ জন। এছাড়া অন্যান্য ক্যাডার থেকে যারা অপশন দিয়ে উপসচিব হয়েছিলেন তাদের মধ্য থেকে দেয়া হয়েছে ৩৭ জনকে। এরপরও যারা এ যাত্রায় পদোন্নতি পাননি তাদের বিষয়ে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের একজন দায়িত্বশীল কর্মকর্তা যুগান্তরকে বলেন, অনিবার্য কারণ ছাড়া কাউকে পদোন্নতি থেকে বাদ দেয়া হয়নি। যারা পদোন্নতি পাননি তারা খোঁজ নিলে কারণ জানতে পারবেন।

যারা যুগ্মসচিব হলেন : মোহাম্মদ হুমায়ুন কবীর (৪৬৬১), একরামুল হক (৪৭৯১), মো. ওয়াহেদুন নবী সরকার (৪৮০৯) মোহাম্মদ নাসির উদ্দিন (৪৮৫০), মো. সোলায়মান মন্ডল (৪৮৮৯), খন্দকার মো. মোখলেছুর রহমান (৪৯৬২), মো. আব্দুর রাশেদ খান (৪০৪৩), মো. সেলিম আখতার (৫২৩৮), তৌফিকুর রহমান (৫২৫০), প্রবীর কুমার চক্রবর্তী (৫৩১৮), মো. রেজাউল হায়দার (৪১৭১), মো. মিজানুর রহমান (৫৪৬১), গাজীউদ্দিন মোহাম্মদ মুনির (৪২৩১), মো. আব্বাছ উদ্দিন (৫৫৫০), মোছা. কামার জাহান (৫৫৬২), ড. মো. মনিরুজ্জামান (৫৫৮১), মো. মঞ্জুর মোরশেদ (৫৫৮৪), মো. আফজাল হোসেন (৫৬৩১), অরুণ চন্দ্র মহোত্তম (৫৬৮০), এস.এম. মাহফুজুল হক (৫৬৯২), এস.এম. এনামুল কবির (৫৭২৩), বেগম তসলিমা আক্তার (৫৭৪৯), আবদুর রশিদ (৫৭৭৬), ড. মো. আবদুল মান্নান (৫৮৪০), সৈয়দ রবিউল আলম (৫৮৯৪), মোহাম্মদ খুরশীদ আলম (৫৮৯৮), মো. সানোয়ার জাহান ভূঁইয়া (৫৮৯৯), মো. শহিদুল ইসলাম (৫৯০৩), নিতাই চন্দ্র সেন (৫৯১৫), মো. মাহমুদ হাসান (৫৯১৮), মো. আব্দুর রহিম (৫৯২০), কবির আল আসাদ (৫৯৩৯), মোহাম্মদ জসিম উদ্দিন (৫৯৫০), বেগম শাহীন মাহবুবা (৫৯৬১), মো. আরিফ (৫৯৮৬), মো. ফখরুল কবির (৫৯৯০), মো. তোফাজ্জল হোসেন (৬০৪০), মো. আবু আব্দুল্লাহ (৬০৫৩), মো. মাহবুবুর রহমান ফারুকী (৬০৯৮), বেগম শামীমা ইয়াসমিন (৬১১৫), আবু মমতাজ সাদ উদ্দিন আহমেদ (৬২৫৫), মো. খালেদ রহিম (৬২৬৫), খালিদ আহমেদ (৬২৮৬), শোয়াইব আহমেদ খান (৬২৯৮), মীর খাইরুল আলম (৬৩০৪), মো. মোস্তফা কামাল (৬৩১৩), মো. আব্দুস সামাদ (৬৩১৭), মো. নূরুল আলম (৬৩২৬), মো. শওকত রশীদ চৌধুরী (৬৩৩৮), মো. তাসলিমা কানিজ নাহিদা (৬৩৪০), মো. গোলাম কবীর (৬৩৪৪), বেগম সাবিনা আলম (৬৩৫০), ড. নাজনীন কাউসার চৌধুরী (৬৩৫৭), এ. কে. এম. শাহাবুদ্দিন (৬৩৫৯), বেগম বিলকিস জাহান রিমি (৬৩৯৪), রাব্বী মিয়া (৬৩৯৫), মো. আজিমুদ্দিন বিশ্বাস (৬৩৯৭), কাজী আনোয়ার হোসেন (৬৩৯৮), মো. আব্দুর রউফ (৬৩৯৯), মো. মাহবুবুর রহমান (৬৪০০), মোহাম্মদ মোখলেসুর রহমান সরকার (৬৪০১), ড. মোহাম্মদ জিয়াউল হক (৬৪০২), আহমেদ ফয়সাল ইমাম (৬৪০৩), বেগম উম্মে সালমা তানজিয়া (৬৪০৫), ড. দেওয়ান মোহাম্মদ হুমায়ুন কবির (৬৪০৭), বেগম আফসারী খানম (৬৪০৮), বেগম কামরুন নাহার সিদ্দীকা (৬৪১১), মো. নাজমুল হুদা সিদ্দিকী (৬৪১৩), বেগম সায়লা ফারজানা (৬৪১৪), মো. মুনীর হোসেইন খান (৬৪১৬), মো. মাছুমুর রহমান (৬৪১৭), জাকারিয়া (৬৪১৯), আবুল ফয়েজ মো. আলাউদ্দিন খান (৬৪২১), এম. এ. কামাল বিল্লাহ (৬৪২৩), বেগম নুরুন্নাহার চৌধুরী (৬৪২৪), বেগম ফাহমিদা খানম (৬৪২৫), খন্দকার অলিউর রহমান (৬৪২৭), আবু আহমেদ সিদ্দিকী (৬৪৩০), মো. শওকত আলী (৬৪৩১), মো. খায়রুল কবির মেনন (৬৪৩৩), মো. ইসরাত হোসেন খান (৬৪৩৪), মো. দাউদ মিয়া (৬৪৩৫), জিয়াউদ্দিন আহমেদ (৬৪৩৬), রেজওয়ানুর রহমান (৬৪৩৮), মো. মোকাম্মেল হক (৬৪৪০), তপন কুমার বিশ্বাস (৬৪৪২), মো. জাকির হোসেন (৬৪৪৩), মো. রূপম আনোয়ার (৬৪৪৫), ড. সুভাষ চন্দ্র বিশ্বাস (৬৪৫২), মো. রেজানুর রহমান (৬৪৫৩), বেগম শাহিনা খাতুন (৬৪৫৪), মোহাম্মদ আব্দুল লতিফ (৬৪৫৫), মো. আব্দুল আওয়াল (৬৪৫৬), মো. মিজানুর রহমান (৬৪৫৮), বেগম শাহনেওয়াজ দিলরুবা খান (৬৪৫৯), শেখ মোমেনা মনি (৬৪৬১), মো. তোফায়েল ইসলাম (৬৪৬৩), এনামুল হাবীব (৬৪৬৪), নির্মল কান্তি চাকমা (৬৪৬৫), মো. আব্দুল হাই (৭৬৪০), প্রদীপ কুমার সাহা (৭৬৪১), ড. মোহাম্মদ নান্নু মোল্লা (৭৬৪৩), গাজী মো. ওয়ালি-উল-হক (৭৬৪৫), এস.এম. লাবলুর রহমান (৭৬৪৬), নিয়াজ রহমান (৭৬৪৭), বেগম শিরিন সুলতানা (৭৬৪৮), মো. নূরুল আমীন (৭৭০৪), মো. ওয়াদুদ হোসেন (৭৭০৫), আব্দুস ছামাদ (৭৭০৬), নারায়ণ চন্দ্র সরকার (৭৭০৯), মো. আলতাফ হোসেন (৭৬৫৩), ড. কাজী আসাদুজ্জামান (৭৬৬৩), কে. এম. রফিকুল ইসলাম (৭৬৬৪), বারেক বিশ্বাস (৭৬৬৬), মো. মিজানুর রহমান (৭৬৬৭), ড. মো. ফজলুর রহমান (৭৭২০), এ.টি.এম. মোনেমুল হক (৭৬৭২), বেগম নিলুফার নাজনীন (৭৬১৬), মো. শফিকুল ইসলাম (৭৬৭৬), বেগম ফেরদৌসী বেগম (৭৫৫০), আবদুস ছাত্তার (৭৫৫২), এ.কে.এম. আমিরুল ইসলাম (৭৭৫৯), সৈয়দ জহুরুল ইসলাম (৭৬৮২), সত্য রঞ্জন মন্ডল (৭৬৮৪), মো. রেজাউল করিম (৭৬৮৬), মো. আব্দুর রহমান খান (৭৭৬৮), এ.টি.এম. সাইফুল ইসলাম (৭৭৬৯), মো. আব্দুস সামাদ আল আজাদ (৭৭৭০), মো. আব্দুল গফুর (৭৭৭১), মো. নাসির উদ্দিন তরফদার (৭৭৭৩), মুহাম্মদ আব্দুল হান্নান (৭৭৭৪), ডা. আশরাফি আহমদ (৭৭৩৬), অজয় কুমার চক্রবর্তী (৭৬২৫), আবুল খায়ের মো. আক্কাস আলী (৭৬২৬), রশিদুল হাসান (৭৬৩৭), মো. হাফিজুর রহমান (৭৭২৩)।

আরও পড়ুন
  • সর্বশেষ
  • সর্বাধিক পঠিত
সব খবর

ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক : সাইফুল আলম, প্রকাশক : সালমা ইসলাম

প্রকাশক কর্তৃক ক-২৪৪ প্রগতি সরণি, কুড়িল (বিশ্বরোড), বারিধারা, ঢাকা-১২২৯ থেকে প্রকাশিত এবং যমুনা প্রিন্টিং এন্ড পাবলিশিং লিঃ থেকে মুদ্রিত।

পিএবিএক্স : ৯৮২৪০৫৪-৬১, রিপোর্টিং : ৯৮২৪০৭৩, বিজ্ঞাপন : ৯৮২৪০৬২, ফ্যাক্স : ৯৮২৪০৬৩, সার্কুলেশন : ৯৮২৪০৭২। ফ্যাক্স : ৯৮২৪০৬৬ 

E-mail: [email protected]

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত ২০০০-২০১৯

converter
×