ঋণের সুদের হার কমানোই মূল লক্ষ্য

ব্যাংকে টাকার প্রবাহ বাড়াতে ৯ বিশেষ উদ্যোগ

শুধু সুবিধাই নিচ্ছে, বাস্তবায়ন করছে না সিঙ্গেল ডিজিট * প্রধানমন্ত্রী দফায় দফায় নির্দেশ দেয়ার পরও ঋণের সুদহার এক অঙ্কে নামেনি কেন, তাহলে কী সরকারের চেয়ে ব্যাংকের পরিচালকরা বেশি ক্ষমতাধর -বিশ্লেষকদের প্রশ্ন

  দেলোয়ার হুসেন ০৬ জুলাই ২০১৯, ০০:০০ | প্রিন্ট সংস্করণ

ব্যাংকে টাকার প্রবাহ বাড়াতে ৯ বিশেষ উদ্যোগ

সিঙ্গেল ডিজিট বা এক অঙ্কে ঋণের সুদের হার নিশ্চিত করতে ব্যাংকিং খাতে ৯ দফা সুবিধা দেয়ার বিশেষ উদ্যোগ নিয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংক। কেন্দ্রীয় ব্যাংকের গঠিত কমিটির সুপারিশের ভিত্তিতে টাকার প্রবাহ বাড়াতে শিগগির প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেয়া হবে।

কমিটির সুপারিশের মধ্যে রয়েছে কম সুদে ঋণ বিতরণের জন্য ব্যাংকগুলোকে অর্থের জোগান দিতে বিশেষ তহবিল গঠন, পুনঃঅর্থায়ন স্কিমের আওতায় ঋণ সুবিধা বাড়ানো, কেন্দ্রীয় ব্যাংক থেকে বাণিজ্যিক ব্যাংকগুলোকে অর্থ ধার দেয়ার শর্ত শিথিল, বৈদেশিক উৎস থেকে তহবিলের জোগান বাড়ানো, বাণিজ্যিক ব্যাংকগুলোর কস্ট অব ফান্ড গ্রহণযোগ্য মাত্রায় কমিয়ে আনা, খেলাপি ঋণ আদায়ে আরও কার্যকারণ ব্যবস্থা নেয়া, ঋণের সুদ হিসাব পদ্ধতি তিন মাস থেকে ছয় মাসে উন্নীত করা, ব্যাংক রেট ও নীতিনির্ধারণী উপকরণের সুদের হার কমানো। কমিটির এসব সুপারিশ বাস্তবায়নের মাধ্যমে ব্যাংকগুলোর তারল্য সংকট নিরসন ও ঋণের সুদের হার কমানোর উদ্যোগ নেয়া হবে। কেন্দ্রীয় ব্যাংকের সংশ্লিষ্ট সূত্রে এসব তথ্য জানা গেছে।

এদিকে কয়েকজন ব্যাংক বিশ্লেষক যুগান্তরকে বলেন, ঋণের সুদের হার সিঙ্গেল ডিজিটে নামিয়ে আনতে এ পর্যন্ত সরকারের তরফ থেকে ব্যাংকগুলোকে দফায় দফায় নানা সুবিধা দেয়া হয়েছে।

এখন আবার তারল্যের গতি বাড়াতে আরও একগুচ্ছ সুবিধা দেয়ার প্রস্তুতি চলছে। কিন্তু প্রশ্ন হল- ঋণের সুদের হার এক অঙ্কে নামিয়ে আনতে ব্যাংকগুলো কেন এত গড়িমসি করছে।

কয়েক দফায় প্রধানমন্ত্রী কড়া নির্দেশনা দেয়ার পরও শুধু কালক্ষেপণ করা হচ্ছে। হাতেগোনা দু-একটি ব্যাংক ছাড়া প্রতিটি ব্যাংক আগের অবস্থানে অনড় রয়েছে। উল্টো ঘোষণা দিয়ে ১১-১২ শতাংশ সুদে তারা আমানত সংগ্রহ করছে। এছাড়া কস্ট অব ফান্ড বা পরিচালন ব্যয় কমানো তো দূরের কথা, আরও বাড়ানো হচ্ছে।

তারা বলেন, প্রধানমন্ত্রী নির্দেশ দেয়ার পরও ঋণের সুদহার এক অঙ্কে নামেনি কেন, তাহলে সরকারের চেয়ে ব্যাংকের পরিচালকরা কি বেশি ক্ষমতাধর? খুবই অবাক হওয়ার বিষয়- প্রধানমন্ত্রীর সিদ্ধান্ত বাস্তবায়ন না করার সাহস তারা কিভাবে দেখাচ্ছে। সবার কাছে এটিই এখন বড় প্রশ্ন।

সূত্র জানায়, ব্যাংকিং খাত সংস্কারের লক্ষ্যে এ সরকার ক্ষমতায় আসার পর বাংলাদেশ ব্যাংকের ডেপুটি গভর্নর আহমেদ জামালকে প্রধান করে ১০ সদস্যের একটি কমিটি গঠন করা হয়।

ওই কমিটির অধীনে গঠন করা হয় একটি উপকমিটিও। ওই দুই কমিটি উল্লেখিত সুপারিশগুলো সম্প্রতি কেন্দ্রীয় ব্যাংকের গভর্নরের কাছে উপস্থাপন করা হয়। গভর্নর এগুলো পর্যায়ক্রমে বাস্তবায়ন করার জন্য কেন্দ্রীয় ব্যাংকের সংশ্লিষ্ট বিভাগগুলোকে ইতিমধ্যে নির্দেশ দিয়েছেন।

এ প্রসঙ্গে কেন্দ্রীয় ব্যাংকের একজন কর্মকর্তা জানান, তারা ব্যাংকের তহবিল ব্যবস্থাপনা ব্যয় কমাতে কম সুদে টাকার জোগান বাড়াবেন। এতে এমনিতেই সুদের হার কমে যাবে।

স্বয়ং প্রধানমন্ত্রী সুদের হার কমানোর বিষয়ে একাধিকবার কথা বলেছেন। এজন্য প্রধানমন্ত্রীর সিদ্ধান্ত বাস্তবায়ন ত্বরান্বিত করতে কেন্দ্রীয় ব্যাংকনীতি সহায়তা আরও বাড়াবে।

এ প্রসঙ্গে কেন্দ্রীয় ব্যাংকের সাবেক গভর্নর ড. সালেহউদ্দিন আহমেদ বলেন, এসব উদ্যোগ বাস্তবায়িত হলে ব্যাংকিং খাতে কম খরচের টাকার প্রবাহ বাড়বে। এতে কিছু খাতে সুদের হার কমানো সম্ভব হবে। এটি সাময়িক পদক্ষেপ।

কিন্তু সার্বিকভাবে সুদের হার কমাতে হলে শক্ত হাতে জালজালিয়াতি বন্ধ করতে হবে। এছাড়া খেলাপি ঋণ কমাতে কার্যকর ব্যবস্থা নিয়ে ঋণ আদায় বাড়াতে হবে। সব মিলে ব্যাংকিং খাতে সুশাসন প্রতিষ্ঠা করতে হবে।

এদিকে চলতি অর্থবছরের বাজেটে সুদের হার সিঙ্গেল ডিজিটে নামিয়ে আনতে পদক্ষেপ নেয়ার জন্য ঘোষণা দেন অর্থমন্ত্রী আ হ ম মোস্তফা কামাল।

এরপর ১৪ জুন প্রধানমন্ত্রী বাজেটোত্তর এক সংবাদ সম্মেলনে বলেছেন, ঋণের সুদের হার কমাতে নানা সুবিধা দেয়ার পরও কমানো হয়নি। এই হার কমিয়ে সিঙ্গেল ডিজিটে নামিয়ে আনতে হবে।

প্রধানমন্ত্রীর এই ঘোষণার পর কেন্দ্রীয় ব্যাংক আরও নড়েচড়ে বসে। তারা ঋণের সুদের হার কমাতে জরুরি ভিত্তিতে এসব সুপারিশ বাস্তবায়নে তৎপরতা শুরু করেছে।

কিছু সুপারিশ ইতিমধ্যে বাস্তবায়নও করেছে। কেন্দ্রীয় ব্যাংক মনে করে, এসব উদ্যোগ বাস্তবায়িত হলে ব্যাংকগুলোতে টাকার প্রবাহ বাড়বে। ব্যাংকগুলো সক্রিয় হলে তাদের কস্ট অব ফান্ডও কমানো সম্ভব হবে। তখন ঋণের সুদের হার কমে যাবে। এছাড়া শিল্পসহ অর্থনীতির মৌলিক কিছু খাতে ঋণের সুদের হার কমাতে কেন্দ্রীয় ব্যাংক তদারকি ব্যবস্থাও জোরদার করবে।

সূত্র জানায়, কমিটির সুপারিশ অনুযায়ী ব্যাংকগুলোর তহবিল সংকট দূর করতে কেন্দ্রীয় ব্যাংক থেকে অর্থের জোগান দেয়া হবে। এজন্য বিশেষ তহবিল গঠন করা হবে। ব্যাংকগুলোকে এই তহবিল থেকে কম সুদে অর্থ দেয়া হবে। যাতে তারা শিল্প, রফতানি ও উৎপাদন খাতে ওই অর্থে কম সুদে ঋণ বিতরণ করতে পারে।

বিভিন্ন খাতে কম সুদে ঋণ দেয়ার জন্য বর্তমানে কেন্দ্রীয় ব্যাংকে ৭টির বেশি বিশেষ তহবিল রয়েছে। যেগুলো থেকে সর্বোচ্চ ৯ শতাংশ সুদে ঋণ বিতরণ করা হয়।

এই ধরনের বিশেষ তহবিলের সংখ্যা ও আকার আরও বাড়ানোর সুপারিশ করেছে কমিটি। এর ভিত্তিতে পদক্ষেপ নেয়া হচ্ছে। গত ২৩ জুন জারি করা এক সার্কুলারে পাট খাতে ঋণ দেয়ার জন্য গঠিত তহবিলের আকার ৩০০ কোটি টাকা থেকে ২০০ কোটি বাড়িয়ে ৫০০ কোটি টাকা করা হয়েছে। এর মেয়াদ ৩ বছর থেকে বাড়িয়ে ৫ বছর, ঋণের সুদের হার ৯ শতাংশ থেকে কমিয়ে ৮ শতাংশ করা হয়েছে।

একই সঙ্গে ঋণের সুদ হিসাব করার পদ্ধতি ৩ মাসের পরিবর্তে ৬ মাস করা হয়েছে। এর ফলে সুদের হার আরও কমবে। এ বিষয়গুলো পর্যায়ক্রমে অন্যান্য তহবিলের ক্ষেত্রেও কার্যকর করা হবে।

কেন্দ্রীয় ব্যাংকের বিশেষ তহবিলগুলোর মধ্যে রয়েছে- নারী উদ্যোক্তা তহবিল, ক্ষুদ্র ও মাঝারি শিল্পে অর্থায়নের তহবিল, গৃহায়ন তহবিল, মৎস্য ও গবাদিপশুর খামারিদের জন্য তহবিল, অতি ক্ষুদ্র শিল্পে ঋণদান তহবিল, নবায়নযোগ্য জ্বালানি খাতের তহবিল রয়েছে। এসব তহবিল থেকে সর্বোচ্চ ৯ শতাংশ সুদে ঋণ দেয়া হয়। এই সুদের হারও আরও ১ শতাংশ কমিয়ে ৮ শতাংশ করা হবে।

কেন্দ্রীয় ব্যাংক থেকে বাণিজ্যিক ব্যাংকগুলো ঋণ নিতে গেলে অনেক কঠিন শর্ত পালন করতে হয়। এখন এগুলো অনেকটা শিথিল করা হবে। যাতে ব্যাংকগুলো বাংলাদেশ ব্যাংক থেকে সহজে টাকা ধার নিতে পারে।

ব্যাংকগুলোর কাছে ট্রেজারি বিল বিক্রি করে সরকারকে ঋণের জোগান দেয় বাংলাদেশ ব্যাংক। এ খাতে ব্যাংকগুলোর অনেক টাকা আটকে থাকে। এসব বিল ব্যাংকগুলো কেন্দ্রীয় ব্যাংকের কাছে পুনরায় বিক্রি করে (রেপো) টাকা তুলে নিতে পারে। গত বছরের জুলাইয়ে রেপোর সুদের হার ৬ দশমিক ৭৫ শতাংশ থেকে কমিয়ে ৬ শতাংশ করা হয়।

একই সঙ্গে রেপোর মেয়াদ ৭ দিন থেকে বাড়িয়ে ২৮ দিন করা হয়। এতে ব্যাংকগুলো কম সুদে বেশিদিনের জন্য ঋণ পাচ্ছে। কমিটি রেপোর সুদের হার আরও কমানো ও এর মেয়াদ আরও বাড়ানোর সুপারিশ করেছে। এর আলোকে রেপোর সুদের হার আরও কমানো ও মেয়াদ বাড়ানোর উদ্যোগ নেয়া হয়েছে।

কেন্দ্রীয় ব্যাংক থেকে বাণিজ্যিক ব্যাংকগুলো ধার নেয় (ব্যাংক রেট) ৫ শতাংশ সুদে। এই হার কমানোর বিষয়টিও বিবেচনায় নেয়া হয়েছে। এটি কমানো হলে ব্যাংকগুলো কম সুদে কেন্দ্রীয় ব্যাংক থেকে ঋণ পাবে। তখন তারাও ঋণের সুদের হার কমাতে বাধ্য হবে।

এছাড়া বৈদেশিক উৎস থেকে ব্যাংকগুলো যেসব অর্থ পাচ্ছে সেগুলোর বিপরীতেও কেন্দ্রীয় ব্যাংক থেকে নগদ টাকার জোগান দেয়া হবে। ব্যাংকগুলোর ডলার কিনে যেসব অর্থ কেন্দ্রীয় ব্যাংকে আটকে ফেলেছে সেগুলো বিভিন্ন উপকরণের মাধ্যমে ছাড় করার পদক্ষেপও নেয়া হবে। এর ফলে ব্যাংকে টাকার প্রবাহ বাড়বে।

ব্যাংকগুলোর মোট ঋণের পরিমাণ ১১ লাখ কোটি টাকার বেশি। এর মধ্যে খেলাপি ও খেলাপির পর্যায়ে থাকার কারণে প্রায় আড়াই লাখ কোটি টাকার ঋণ আটকে রয়েছে। এ থেকে কোনো আয় আসে না। এ কারণেও তহবিল খরচ বাড়ছে।

এ জন্য খেলাপি ঋণ বাড়ানোর উদ্যোগ নিতে ব্যাংকগুলোর ওপর চাপ তৈরি করা হবে। ঋণের আদায় বাড়লে তহবিল সংকট যেমন কমবে, তেমনি কমবে সুদের হারও। এমনটিই মনে করেন ব্যাংক খাতের বিশ্লেষকরা।

তাদের মতে, ব্যাংকগুলোর বিলাসী ব্যয়ের কারণে তাদের তহবিল ব্যবস্থাপনা ব্যয়ও বেশি। এ কারণেও সুদের হার কমানো যাচ্ছে না। এ কারণে তহবিল ব্যবস্থাপনা ব্যয় কমানোর বিষয়টিও সিরিয়াসলি নিতে হবে কেন্দ্রীয় ব্যাংককে।

সূত্র জানায়, ঋণের মান উন্নয়নে গত মাসে কেন্দ্রীয় ব্যাংক যে নীতিমালা জারি করেছে তা যথাযথভাবে বাস্তবায়নে বিষয়টি কঠোরভাবে তদারকি করবে। যাতে নতুন করে কোনো ঋণখেলাপি না হতে পারে।

এ বিষয়ে বাংলাদেশ রফতানিকারক সমিতির সভাপতি আবদুস সালাম মুর্শেদী যুগান্তরকে বলেন, ঋণের সুদ বেশি হওয়ায় ব্যবসা খরচ বেড়ে যাচ্ছে। এজন্য অসম প্রতিযোগিতার মুখে পড়তে হয়েছে। সুদহার কমাতে কার্যকর উদ্যোগ নেয়া জরুরি।

প্রসঙ্গত, ২০১৮ সালের মে মাসে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা আওয়ামী লীগের উপদেষ্টা কমিটির বৈঠকে ঋণের সুদহার সিঙ্গেল ডিজিটে নামিয়ে আনার নির্দেশনা দিয়েছিলেন। এরপর গত বছরের ২০ জুন এক বৈঠক থেকে ঋণের সুদহার সিঙ্গেল ডিজিটে নামিয়ে আনার ঘোষণা দেয় বেসরকারি ব্যাংকের উদ্যোক্তাদের সংগঠন বাংলাদেশ অ্যাসোসিয়েশন অব ব্যাংকস (বিএবি)। তখন সংগঠনটির পক্ষ থেকে জানানো হয়েছিল, গত বছরের ১ জুলাই থেকে ঋণের সুদ হবে সর্বোচ্চ ৯ শতাংশ এবং ছয় মাস মেয়াদি আমানতের সুদ হবে সর্বোচ্চ ৬ শতাংশ। এটি পুরোপুরি কার্যকর না হওয়ায় গত বছরের ২ আগস্ট আবার তৎকালীন অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিত বৈঠক করে সুদহার ৬-৯-এ নামিয়ে আনতে বলেন। এ সময়সীমাও প্রায় এক বছর পার হতে চলেছে। কিন্তু সুদের হার কমেনি।

অথচ এভাবে সুদ কার্যকরের কথা বলে অর্থমন্ত্রী এবং কেন্দ্রীয় ব্যাংকের সঙ্গে বৈঠক করে ৫ দফা সুবিধা আদায় করে নেন ব্যাংকের পরিচালকরা। এগুলো হচ্ছে- সরকারি সংস্থার আমানত ৫০ শতাংশ বেসরকারি ব্যাংকে রাখা, নগদ জমা সংরক্ষণ (সিআরআর) কমানো, রেপো সুদহার কমানো, রেপোর মেয়াদ ২৮ দিনে বৃদ্ধি ও কর্পোরেট কর কমানো।

এতেও সুদের হার না কমানোর ফলে অর্থ মন্ত্রণালয় এক প্রজ্ঞাপন জারি করে বলেছে, যেসব ব্যাংক ইতিমধ্যে ঋণের সুদের হার সিঙ্গেল ডিজিটে নামিয়ে আনেনি তারা সরকারি আমানত পাবে না। সরকারি আমানত সর্বোচ্চ ৬ শতাংশ সুদে ব্যাংকে রাখার নির্দেশ দেয়া হয়েছে।

  • সর্বশেষ
  • সর্বাধিক পঠিত
সব খবর

ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক : সাইফুল আলম, প্রকাশক : সালমা ইসলাম

প্রকাশক কর্তৃক ক-২৪৪ প্রগতি সরণি, কুড়িল (বিশ্বরোড), বারিধারা, ঢাকা-১২২৯ থেকে প্রকাশিত এবং যমুনা প্রিন্টিং এন্ড পাবলিশিং লিঃ থেকে মুদ্রিত।

পিএবিএক্স : ৯৮২৪০৫৪-৬১, রিপোর্টিং : ৯৮২৪০৭৩, বিজ্ঞাপন : ৯৮২৪০৬২, ফ্যাক্স : ৯৮২৪০৬৩, সার্কুলেশন : ৯৮২৪০৭২। ফ্যাক্স : ৯৮২৪০৬৬ 

E-mail: [email protected]

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত ২০০০-২০১৯

converter
×