প্রস্তুতি ছাড়াই ভ্যাট আইন বাস্তবায়ন

প্রায় ৪ লাখ ব্যবসায়ীর মধ্যে মেশিন পাবেন ১০ হাজার * আইনের অনেক কিছু পরিষ্কার নয় * অধিকাংশ ব্যবসায়ীর নিবন্ধন নেই

প্রকাশ : ০৮ জুলাই ২০১৯, ০০:০০ | প্রিন্ট সংস্করণ

  মনির হোসেন

ফাইল ছবি

প্রস্তুতি ছাড়াই কার্যকর হয়েছে বহুল আলোচিত নতুন মূল্য সংযোজন কর (ভ্যাট) আইন। চলতি অর্থবছরের প্রথম দিন থেকেই আইনটি কার্যকর। কিন্তু এটি বাস্তবায়নের জন্য জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) তেমন কোনো প্রস্তুতি নেই। অনলাইন কার্যক্রমের জন্য ইলেকট্রনিক ফিসক্যাল ডিভাইস (ইএফডি) মেশিনের আমদানিকারকই এখন পর্যন্ত চূড়ান্ত হয়নি। ফলে ব্যবসায়ীদের হাতে এ মেশিন কবে পৌঁছবে তা অনিশ্চিত।

এ অবস্থায় জনগণের কাছ থেকে নেয়া ভ্যাট সরকারের হাতে পৌঁছবে কিনা তা নিয়ে শঙ্কা তৈরি হয়েছে। বিশ্লেষকদের মতে, গত ৩ বছর ধরে রাজস্ব খাতে সবচেয়ে বেশি আলোচিত হয়েছে নতুন ভ্যাট আইন। অথচ আইনটি কিভাবে কার্যকর হবে সে বিষয়ে তেমন কোনো প্রস্তুতি নেয়া হয়নি।

আইনে ৫০ লাখ টাকা পর্যন্ত ভ্যাট অব্যাহতি এবং ৫০ লাখ থেকে ৩ কোটি টাকা পর্যন্ত টার্নওভারের ক্ষেত্রে কর দিতে হবে। কিন্তু এ অব্যাহতি বা টার্নওভারের মাপকাঠি কী হবে তা পরিষ্কার নয়। কোনো প্রতিষ্ঠানের লেনদেন ৫০ লাখ টাকার কম, তা কীভাবে নির্ধারণ করা হবে তাও স্পষ্ট করা হয়নি আইনে।

জানা গেছে, ইএফডি ডিভাইসটি জনগণের কাছ থেকে ভ্যাট আদায় করে সরকারের কাছে পৌঁছানোর মাধ্যম। নতুন আইন কার্যকরের জন্য অন্যতম এ ডিভাইসটি এখনও কেনা হয়নি। সবে আমদানি প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে। এটি গ্রাহকের হাতে পৌঁছাতে কমপক্ষে ৩ মাস সময় লাগবে।

তাও সবাই পাবেন না। এদিকে মেশিন পৌঁছানোর আগেই অর্থবছরের প্রথম ৩ মাস শেষ হয়ে যাবে। প্রশ্ন উঠেছে, এ ৩ মাস কীভাবে ভ্যাট আদায় হবে। এটা সরকারি কোষাগারে কতটা জমা হল তার প্রমাণ পাওয়া যাবে কীভাবে।

এছাড়াও দোকান মালিক সমিতির হিসাবে বর্তমানে ভ্যাটযোগ্য প্রায় ৪ লাখ ব্যবসায়ী আছেন। এদের মধ্যে প্রাথমিকভাবে মেশিন পাবেন মাত্র ১০ হাজার। পুরো বছরে পাবেন ১ লাখ ব্যবসায়ী।

এ হিসাবেই বাকি থাকবেন আরও প্রায় তিন লাখ। এছাড়া অধিকাংশ ব্যবসায়ীর ভ্যাট নিবন্ধন নেই। আইনেরও অনেক কিছুই এখনও পরিষ্কার করা হয়নি। এটি নিয়ে ব্যবসায়ীদের মধ্যে বিভ্রান্তি রয়েছে। খুচরা পর্যায়ে ব্যবসায়ীরা কিছু জানেন না। অর্থনীতিবিদরা বলছেন, প্রস্তুতি ছাড়া এ আইন বাস্তবায়ন করা হলে সরকারের উদ্দেশ্য ব্যাহত হবে।

জানতে চাইলে তত্ত্বাবধায়ক সরকারের সাবেক অর্থ উপদেষ্টা ড. এবি মির্জ্জা আজিজুল ইসলাম রোববার যুগান্তরকে বলেন, প্রথম কথা হল, প্রস্তুতি ছাড়াই আইনটি বাস্তবায়ন করা হচ্ছে। এক্ষেত্রে মেশিন আমদানি করা হয়নি। অনেক ব্যবসায়ীর নিবন্ধন নেই।

অনেক ক্ষেত্রে আইনের ব্যাখাও পরিষ্কার নয়। দ্বিতীয়ত, যে আইন করা হয়েছে, সেখানে ভ্যাটের মূল উদ্দেশ্য ব্যাহত হয়েছে। কারণ ভ্যাটের মূল নীতি হল- একজন উৎপাদনকারী যে কর দেবেন, সেই পণ্য বিক্রির সময় তা সমন্বয় করা হবে। এটাকে ইনপুট ক্রেডিট বলে।

কিন্তু বর্তমানে যিনি ১৫ শতাংশ ভ্যাট দেবেন, তিনিই শুধু এ ইনপুট ক্রেডিটের সুবিধা পাবেন। এক্ষেত্রে যারা রেয়াদ সুবিধা পেয়েছেন, তাদের ক্ষেত্রে টার্নওভার ট্যাক্স আরোপ করা হবে। এর ফলে বেশ কিছু পণ্যের দাম বেড়ে যাবে। এছাড়াও আইনটির তেমন প্রচারণাও নেই। সবকিছু মিলে ভ্যাট আইন নিয়ে একটি জটিল পরিস্থিতি সৃষ্টি হল।

ভ্যাট অনলাইন প্রকল্পের পরিচালক সৈয়দ মুশফিকুর রহমান বলেন, আমাদের প্রস্তুতি রয়েছে। কাজ এগিয়ে যাচ্ছে। তিনি বলেন, ইএফডি মেশিন আমদানিকারক চূড়ান্ত হয়নি। এটি ক্রয়সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটির অনুমোদন লাগবে। তবে আশা করছি শিগগিরই হয়ে যাবে। তিনি বলেন, প্রাথমিক ১০ হাজার মেশিন আনা হলেও এক টেন্ডারে এক লাখ মেশিন আসবে।

জানা গেছে, ১৯৯১ সালে বাংলাদেশে ভ্যাট আইন চালু হয়। এরপর যুগের সঙ্গে তাল মিলিয়ে আইনটি ২০১২ সালে আরও যুগোপযোগী করা হয়। আইন প্রণয়নের ৭ বছর পর বাস্তবায়ন করতে যাচ্ছে সরকার।

নতুন ভ্যাট আইনের সবচেয়ে উল্লেখযোগ্য দিক ছিল, প্রযুক্তির ব্যবহার বাড়িয়ে কর আদায়। এজন্য অনলাইন প্রক্রিয়ায় ইএফডি মেশিনের মাধ্যমে ভ্যাট আদায়। ভ্যাট ফাঁকি রোধে এ ব্যবস্থা নেয়া হয়েছিল।

এজন্য ভ্যাট অনলাইন প্রজেক্ট নামে বড় একটি প্রকল্প নিয়েছে এনবিআর। কিন্তু দীর্ঘদিনেও যন্ত্রের ব্যবহার সম্ভব হয়নি। ২০০৮ সালে প্রথম ১১টি খাতে ইলেকট্রনিক ক্যাশ রেজিস্টার-ইসিআর ব্যবহার বাধ্যতামূলক করে সরকার। তবে চেইনশপ, অভিজাত কিছু রেস্তোরাঁ ও শপিংমল ছাড়া নানা অজুহাতে অধিকাংশ প্রতিষ্ঠানে এ যন্ত্রের ব্যবহার নিশ্চিত করা যায়নি।

নতুন ভ্যাট আইন বাস্তবায়নের মূল উদ্দেশ্য ছিল ভ্যাটের আওতা বাড়ানো। ইতিমধ্যে সারা দেশে আইনটি কার্যকর হয়েছে। কিন্তু প্রয়োজনীয় অবকাঠামো উন্নয়ন ছাড়াই আইনটি বাস্তবায়ন করায় ভ্যাটের আওতা বাড়ানোর মূল উদ্দেশ্যই চ্যালেঞ্জের মুখে পড়েছে। টার্নওভারের তালিকাভুক্তি নিয়ে জটিলতা রয়েছে। সব মিলিয়ে মধ্যম সারির ব্যবসায়ীদের কাছ থেকে ভ্যাট আদায়ে পর্যাপ্ত অবকাঠামো গড়ে তুলতে পারেনি এনবিআর।

১৯৯১ সালের পুরনো আইনে শুধু আমদানি, উৎপাদন ও ব্যবসায়ী পর্যায়ে এবং সেবার ওপর ভ্যাট ছিল। সেখানে নতুন আইনে আমদানি, উৎপাদন ও ব্যবসায়ী পর্যায় এবং সেবার সরবরাহ ও আমদানির ওপর ভ্যাট আরোপ করা হয়েছে।

তাছাড়া অস্থাবর সম্পত্তি, লিজ, গ্রান্ট, লাইসেন্স, পারমিট, অধিকার, সুযোগ-সুবিধা ইত্যাদিও ভ্যাটের আওতায় আনা হয়েছে। অর্থাৎ ভ্যাটের আওতা বাড়াতে নতুন আইনে ব্যাপক পরিবর্তন আনা হয়েছে।

জানতে চাইলে ব্যবসায়ীদের শীর্ষ সংগঠন এফবিসিসিআইর সাবেক সভাপতি সফিউল ইসলাম মহিউদ্দিন যুগান্তরকে বলেন, ব্যবসায়ীদের পক্ষ থেকে আমি বলতে পারি, আমরা স্বচ্ছতা চাই। হয়রানিমুক্তভাবে কর দিয়ে দেশের রাজস্ব আদায় বাড়াতে চাই। এক্ষেত্রে এনবিআর আমাদের বলেছে, আইনটি নিয়ে কোনো জটিলতা তৈরি হলে আমলাতান্ত্রিক প্রক্রিয়ায় না গিয়ে ত্বরিত সমাধান করবে। সেক্ষেত্রে ব্যবসায়ীদের সঙ্গে জয়েন্ট ওয়ার্কিং কমিটি করবে। আমরা এটির অপেক্ষায় আছি।

জানতে চাইলে দোকান মালিক সমিতির সভাপতি হেলাল উদ্দিন যুগান্তরকে বলেন, এ বাস্তবায়নের জন্য আমাদের কোনো ধরনের প্রস্তুতি নেই। এবার কী হচ্ছে, আমাদের সঙ্গে সরকারের কোনো পর্যায়ে থেকে আলাপ করা হয়নি।

প্রতিদিনই দোকানদাররা জানতে চাইছে কী হবে। আমরা এর উত্তর দিতে পারি না। তিনি বলেন, বাজেটে খুচরা পর্যায়ে ৫০ লাখ টাকা পর্যন্ত ভ্যাটের আওতামুক্ত। এটাকে ৩৬৫ দিয়ে ভাগ করে এনবিআর বলেছে, যাদের দৈনিক বেচাকেনা ১৩ হাজার ৬৬৯ টাকা, তাদের ভ্যাট দিতে হবে না। এরপরে ভ্যাট লাগবে। কিন্তু এটি ঠিক নয়। কারণ বছরে ৯৮ দিন দোকান বন্ধ থাকে।

দোকান মালিক সমিতির হিসাবে সারা দেশে ৩০ লাখ দোকান রয়েছে। টার্নওভার করমুক্ত সীমা ৫০ লাখ টাকা করার পরও ৪ লাখ দোকান ভ্যাট সীমার মধ্যে পড়বে। কিন্তু প্রথম পর্যায়ে মাত্র ১০ হাজার ব্যবসায়ীকে ইএফডি মেশিন দেয়া হচ্ছে। এ মেশিন কেনার জন্য সরকার ১০০ কোটি টাকা বরাদ্দ দিয়েছে। আগামী অর্থবছরের মধ্যে মাত্র ১ লাখ ব্যবসায়ীকে ইএফডি মেশিন দেয়া হবে।

অর্থাৎ পুরো বছরে ব্যবসায়ীদের ২৫ শতাংশও মেশিন পাবেন না। অন্যদিকে জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের হিসাবে সারা দেশে ৫০ লাখের বেশি প্রতিষ্ঠান ভ্যাট পরিশোধে সক্ষম। কিন্তু এনবিআরে নিবন্ধিত প্রতিষ্ঠানের সংখ্যা সাড়ে সাত লাখ। এর মধ্যে ভ্যাট দেয় এ ধরনের প্রতিষ্ঠান ৪০ হাজারের নিচে। ১৫০টি প্রতিষ্ঠান মোট ভ্যাটের ৫৬ শতাংশ পরিশোধ করছে। বাকিগুলো নজরদারির বাইরে থাকছে।

জানা গেছে, ভ্যাটের আওতা বাড়ানোর অংশ হিসেবে ২৪ ধরনের ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে ইএফডি মেশিন স্থাপন বাধ্যতামূলক করা হয়। এর মধ্যে উল্লেখযোগ্য হচ্ছে- আবাসিক হোটেল, রেস্তোরাঁ, ফাস্টফুড, মিষ্টান্ন ভাণ্ডার, বিউটি পার্লার, তৈরি পোশাকের দোকান, ডিপার্টমেন্টাল স্টোর, সুপারশপ, সিনেমা হল, কোচিং সেন্টার, আসবাবপত্র বিক্রয় কেন্দ্র। বিনামূল্যে এনবিআর থেকে ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে ইএফডি মেশিন সরবরাহ করার কথা। কিন্তু এখন পর্যন্ত ইএফডি মেশিনের টেন্ডার প্রক্রিয়া সম্পন্ন করা যায়নি।

অন্যদিকে পুরনো আইনের অধীনে ছোট ব্যবসায়ীরা বার্ষিক ২৮ হাজার টাকা হারে প্যাকেজ ভ্যাট দিতেন। নতুন আইনে প্যাকেজ প্রথা বিলুপ্ত করে ৫০ লাখ টাকা পর্যন্ত বেচা-বিক্রিকে ভ্যাটের আওতামুক্ত রাখা হয়েছে।

অর্থাৎ বার্ষিক লেনদেন ৫০ লাখ টাকার কম হলে ভ্যাট দিতে হবে না। এক্ষেত্রে ব্যবসা প্রতিষ্ঠানের লেনদেন ৫০ লাখ টাকার কম না বেশি তা কীভাবে নির্ধারণ করা হবে সে বিষয়টি স্পষ্ট নয়। ভ্যাট কর্মকর্তারা এটি নির্ধারণ করে দেবেন, নাকি ব্যবসায়ীদের ঘোষণা মেনে নেয়া হবে, তা নিয়ে ব্যবসায়ীদের মনে আতঙ্ক কাজ করছে।

পুরান ঢাকার ব্যবসায়ীরা মনে করছেন, নতুন ভ্যাট আইন নিয়ে ভ্যাট কর্মকর্তা ও ব্যবসায়ীদের মধ্যে মতবিরোধ দেখা দিতে পারে। কারণ ভ্যাট কর্মকর্তার ইচ্ছাকেই যদি ভ্যাট অব্যাহতি বা টার্নওভারের সীমার নির্ণায়ক ধরা হয়, তাহলে হয়রানি বাড়বে।

কর্মকর্তাদের স্বেচ্ছাচারী সিদ্ধান্ত মানতে ব্যবসায়ীরা বাধ্য হবেন। সবচেয়ে বেশি বেকায়দায় পড়বেন পাইকারি ব্যবসায়ীরা। টার্নওভার ট্যাক্স ৪ শতাংশ ধার্য করা হয়েছে। অথচ পাইকারি ব্যবসায় ৪ শতাংশ মুনাফা করা যায় না। এখন ব্যবসায়ীদের টার্নওভার ট্যাক্স দিতে বাধ্য করলে তারা পণ্যের দাম বাড়িয়ে দেবেন। তখন আবার ব্যবসায়ীদের দোষারোপ করা হবে।

এ বিষয়ে বিশ্বব্যাংকের ঢাকা অফিসের মুখ্য অর্থনীতিবিদ ড. জাহিদ হোসেন বলেন, ভ্যাট আইন বাস্তবায়নের পর্যাপ্ত অবকাঠামো এনবিআর এখনও দাঁড় করাতে পারেনি। আইনে ৫০ লাখ টাকা পর্যন্ত ভ্যাট অব্যাহতি এবং ৫০ লাখ থেকে ৩ কোটি টাকা পর্যন্ত টার্নওভারের ক্ষেত্রে টার্নওভার ট্যাক্স আরোপ করা হয়েছে। এ অব্যাহতি বা টার্নওভারের মাপকাঠি কী হবে তা পরিষ্কার নয়।

এটা কী ব্যবসায়ীদের সংরক্ষিত হিসাবপত্রের মাধ্যমে হবে, নাকি এনবিআরের কর্মকর্তারা নির্ধারণ করবেন, সেটা পরিষ্কার নয়। এসব বিষয়ে ব্যবসায়ীদের সঙ্গে এনবিআরের দূরত্ব আরও বাড়তে পারে। তাছাড়া মাঠপর্যায়ে ইসিআর মেশিন সরবরাহ করার কথা থাকলেও এনবিআর সেটা পারেনি।

প্যাকেজ ভ্যাট প্রথা উঠে যাওয়ায় কিসের ভিত্তিতে ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানের ভ্যাট মওকুফ সীমা নির্ধারণ করা হবে, তা স্পষ্ট নয়। স্বয়ংক্রিয়ভাবে হিসাবপত্র রাখার বিষয়টিও শুধু কাগজ-কলমে বাধ্যতামূলক করা হয়েছে। নতুন আইনে প্যাকেজ ভ্যাট ব্যবস্থা রাখা হয়নি।

বার্ষিক লেনদেন ৫০ লাখ টাকার কম হলে ভ্যাট দিতে হবে না। অথচ কোন প্রতিষ্ঠানের লেনদেন ৫০ লাখ টাকার কম, সেটি নির্ধারণের বিষয়টি স্পষ্ট করা হয়নি। এটি জানতে ভ্যাট কর্মকর্তাদের ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানে গিয়ে তদারকি করতে হবে।

কিছুদিন পর্যবেক্ষণের পর ভ্যাট কর্মকর্তাদের ঠিক করতে হবে, ওই প্রতিষ্ঠানটি ভ্যাটের আওতায় কিনা। তা না হলে ছোট-বড় সব ব্যবসায়ীর সততার সঙ্গে নিখুঁতভাবে লেনদেনের হিসাব রাখতে হবে।