লাখো মানুষের অশ্রুসিক্ত বিদায়

পল্লী নিবাসেই শায়িত এইচ এম এরশাদ

সেনাবাহিনী ও পুলিশের গার্ড অব অনার, জানাজায় মানুষের ঢল * আজ বাদ আসর গুলশান আজাদ মসজিদে কুলখানি * এরশাদের পাশে কবরের জায়গা চাইলেন রওশন এরশাদ

  রংপুর ব্যুরো ও বেরোবি প্রতিনিধি ১৭ জুলাই ২০১৯, ০০:০০ | প্রিন্ট সংস্করণ

পল্লী নিবাসেই শায়িত এইচএম এরশাদ
ছবি: যুগান্তর

জাতীয় সংসদের বিরোধীদলীয় নেতা, জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান ও সাবেক রাষ্ট্রপতি হুসেইন মুহম্মদ এরশাদকে রংপুরেই দাফন করা হয়েছে। মঙ্গলবার সন্ধ্যা পৌনে ৬টায় রংপুর জেলা শহরে এরশাদের বাড়ি পল্লী নিবাসের লিচুবাগানে বাবার কবরের পাশে তাকে শায়িত করা হয়।

জাতীয় পার্টির হাজার হাজার নেতাকর্মী ও সাধারণ মানুষ উপস্থিত হয়ে প্রিয় নেতাকে শেষবিদায় জানান। এ সময় অনেকেই কান্নায় ভেঙে পড়েন। রংপুরবাসীর আবেগের প্রতি সম্মান জানিয়ে হুসেইন মুহম্মদ এরশাদকে পল্লী নিবাসে দাফনের অনুমতি দেন তার স্ত্রী জাতীয় পার্টির সিনিয়র কো-চেয়ারম্যান ও বিরোধীদলীয় উপনেতা রওশদ এরশাদ।

তিনি আবেগঘন বিবৃতিতে সম্মতি দেয়ার পাশাপাশি এরশাদের পাশে নিজের কবরের জন্য জায়গা চান। আজ বুধবার বাদ আসর গুলশান আজাদ মসজিদে প্রয়াত সাবেক রাষ্ট্রপতি এরশাদের কুলখানি অনুষ্ঠিত হবে।

রংপুরের জেলা প্রশাসক আসিব আহসান যুগান্তরকে বলেন, হুসেইন মুহম্মদ এরশাদকে দাফনের আগে সেনাবাহিনী ও পুলিশ গার্ড অব অনার দেয়। রংপুর মেট্রোপলিটন পুলিশের সহকারী কমিশনার আলতাফ হোসেন বলেন, প্রশাসনের পক্ষ থেকে শ্রদ্ধা জানানোর জন্য জানাজার আগে ঈদগাহ ময়দানে পুলিশবাহিনীর সদস্যরা গার্ড অব অনার দেন।

এ সময় তারা সশস্ত্র সালাম জানান। তিনি বলেন, সাবেক রাষ্ট্রপতি ও বিরোধী দলের নেতা হিসেবে হুসেইন মুহম্মদ এরশাদকে এ সম্মান জানানো হয়।

এরপর পল্লী নিবাসে সেনাবাহিনীর তত্ত্বাবধানে এরশাদকে সামরিক মর্যাদায় সমাহিত করা হয়। সেনাবাহিনীর একটি সুসজ্জিত দল তাকে গার্ড অব অনার দেয়। দলটি ‘গানস্যালুট’ দেয়।

সেনাবাহিনীতে থাকার সময় এরশাদের র‌্যাংক ব্যাজ, ক্যাপ এবং জাতীয় পতাকা ও সেনাবাহিনীর পতাকা দিয়ে কফিনটি মুড়িয়ে দেয়া হয়। সেনাবাহিনীর সদস্যরা মরদেহ বহন করে নিয়ে কবরের পাশে রাখেন।

সেখানে তারা এক মিনিট নীরবতা পালন করেন। শ্রদ্ধা জানান কফিনে ফুল দিয়ে। এর আগে বাদ জোহর কেন্দ্রীয় ঈদগাহ মাঠে জানাজা শেষে মরদেহ ঢাকায় নিয়ে যাওয়ার চেষ্টা হলে স্থানীয় নেতারা বাধা দেন।

তারা লাশের গাড়ির সামনে শুয়ে পড়েন। জানাজার আগে থেকেই নেতাকর্মীরা এরশাদকে পল্লী নিবাসে দাফনের দাবি জানান। তাদের বোঝানোর চেষ্টা করা হয়। এ সময় সেখানে জাতীয় পার্টির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান জিএম কাদের ও মহাসচিব মসিউর রহমান রাঙ্গা এলে তাদের অবরুদ্ধ করে রাখেন নেতারা।

পরে তারা বাধ্য হয়ে সরে গেলে সিটি মেয়র মোস্তাফিজার রহমান মোস্তফা লাশের গাড়িতে উঠে বিকাল পৌনে পাঁচটার দিকে পল্লী নিবাসে পৌঁছেন। পরে রংপুর সেনানিবাসের বিভিন্ন পর্যায়ের কর্মকর্তারা দাফনের সার্বিক তত্ত্বাবধানের দায়িত্ব নেন।

সেনাবাহিনীর ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা কফিনে হাত রেখে সামনে এগিয়ে যান। মরদেহ কবরের পাশে নিয়ে এক মিনিট নীরবতা পালন করেন। এরপর বিকাল ৫টা ৪৫ মিনিটে এরশাদের ছেলে সাদ, ভাতিজা আসিফ শাহরিয়ার ও জাতীয় পার্টির মহাসচিব মসিউর রহমান রাঙ্গা কবরে লাশ নিয়ে নামেন।

এ সময় রাস্তার দু’ধারে দাঁড়িয়ে হাজারও মানুষ প্রিয় নেতাকে অশ্রুসিক্ত বিদায় জানান। পল্লী নিবাসে এরশাদের দাফনের বিষয়ে জাতীয় পার্টির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান জিএম কাদের ও মহাসচিব মসিউর রহমান রাঙ্গা বলেন, রংপুরের মানুষের ভালোবাসা ও আকুতির কাছে আমরা পরাজিত হয়েছি।

আমরা চেয়েছিলাম- জাতীয় এ নেতার সমাধি ঢাকায় হবে, যাতে সারা দেশসহ আন্তর্জাতিক ব্যক্তিরা তার সমাধিতে শ্রদ্ধা জানাতে পারেন। কিন্তু রংপুরবাসীর আবেগের প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে তাকে পল্লী নিবাসে দাফনের ব্যবস্থা করা হচ্ছে। আমরা তার কবরের পাশে মিউজিয়ামসহ যাবতীয় স্থাপনা করব। রওশন এরশাদও এ সিদ্ধান্তে সম্মতি দিয়েছেন বলে জানান জিএম কাদের।

রংপুরে দাফনের সম্মতি দিয়ে রওশন এরশাদের বিবৃতি : দাফন প্রশ্নে রংপুরবাসীর আবেগকে সম্মান জানিয়ে হুসেইন মুহম্মদ এরশাদকে রংপুরে দাফনের অনুমতি দেন তার স্ত্রী জাতীয় পার্টির সিনিয়র কো-চেয়ারম্যান ও বিরোধীদলীয় উপনেতা রওশদ এরশাদ।

মঙ্গলবার দুপুরে এক বিবৃতিতে তার সম্মতির কথা জানান। তিনি বলেন, বৃহত্তর রংপুরবাসীর অভূতপূর্ব আবেগে আমি আজীবন কৃতজ্ঞ ও চিরঋণী হয়ে রইলাম। তিনি পার্টির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান জিএম কাদের ও মহাসচিব মসিউর রহমান রাঙ্গার সঙ্গে ফোনে কথা বলে তার সম্মতির কথা জানান।

বিবৃতিতে রওশন এরশাদ বলেন, ‘তার (এরশাদ) মৃত্যুতে আপনারা যে অভাবনীয় শ্রদ্ধা, সম্মান ও সহানুভূতি প্রকাশ করেছেন, তার জন্য আন্তরিক কৃতজ্ঞতা জানাচ্ছি। প্রিয় দেশবাসী, বিশেষত তার প্রাণপ্রিয় রংপুরবাসীর আবেগ ও ভালোবাসার সম্মানার্থে তাকে রংপুরের মাটিতে সমাধিস্থ করার বিষয়ে আমি ও আমার পরিবার সম্মতি প্রদান করছি।’

বিবৃতিতে মরহুমের আত্মার মাগফিরাত কামনায় দেশবাসীর কাছে দোয়া কামনার পাশাপাশি রংপুরের পল্লী নিবাসে এরশাদের কবরের পাশে নিজের জন্য জায়গা রাখারও আবেদন জানিয়েছেন রওশন এরশাদ।

শেষ জানাজা ঈদগাহ ময়দানে : রংপুরের ঐতিহাসিক ঈদগাহ ময়দানে এরশাদের শেষ জানাজা অনুষ্ঠিত হয়। দুপুর আড়াইটায় অনুষ্ঠিত জানাজায় রংপুর জামে মসজিদের খতিব মাওলানা হাফেজ ইদ্রিস আলী ইমামতি করেন।

এতে অংশ নিতে এবং প্রিয় নেতাকে শেষবার দেখতে ঈদগাহ ময়দান জনসমুদ্রে পরিণত হয়। জানাজায় অংশ নেন জাতীয় পার্টির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান জিএম কাদের, এরশাদের ছেলে রাহগির আল মাহি সাদ এরশাদ, জাতীয় পার্টির মহাসচিব বিরোধীদলীয় চিফ হুইপ মসিউর রহমান রাঙ্গা, সাবেক মহাসচিব এবিএম রুহুল আমিন হাওলাদার, প্রেসিডিয়াম সদস্য আবু হোসেন বাবলা, মেজর (অব.) খালেদ আখতার, আজম খান, তাজ রহমান ও শফিকুল ইসলাম সেন্টু, জাতীয় পার্টির প্রেসিডিয়াম সদস্য, রংপুর মহানগরের সভাপতি ও রংপুর সিটি কর্পোরেশনের মেয়র মোস্তাফিজার রহমান মোস্তফা, মহানগর সাধারণ সম্পাদক এসএম ইয়াসিরসহ রংপুর ও রাজশাহী বিভাগের জাতীয় পার্টির নেতাকর্মীরা।

এ ছাড়া আওয়ামী লীগ, বিএনপি ও বিভিন্ন রাজনৈতিক, সামাজিক, সাংস্কৃতিক সংগঠনের নেতাকর্মীরা জানাজায় অংশ নেন। রংপুর ও রাজশাহী বিভাগের ১৬ জেলা থেকে জাতীয় পার্টির নেতাকর্মীরা জানাজায় অংশ নেন। লাখো মুসল্লির অংশগ্রহণে জানাজা মূল মাঠ পেরিয়ে পাশের ক্রিকেট গার্ডেন, রংপুর সরকারি কলেজ মাঠ, রংপুর স্টেডিয়াম, পুলিশ লাইন স্কুল মাঠ, পাসপোর্ট অফিস এলাকা, সুরভি উদ্যানসহ নগরীর প্রধান সড়ক পর্যন্ত পৌঁছে। সেনাবাহিনীর সদস্যরাও জানাজায় অংশ নেন। জানাজার আগে জিএম কাদের বলেন, বাংলাদেশের মানুষের জন্য এরশাদ বিপুল অবদান রেখে গেছেন।

ইসলামের জন্য তিনি অনেক কাজ করেছেন। মানুষ হিসেবে কথা ও কাজে ভুলত্রুটি থাকতে পারে। আমি এরশাদের ভাই হিসেবে ক্ষমা চাই। দোয়া চাই। তাকে সবাই ক্ষমা করে দেবেন। তাকে যেন আল্লাহ জান্নাতুল ফেরদৌস দান করেন।

কঠোর নিরাপত্তা : হুসেইন মুহম্মদ এরশাদের জানাজাকে কেন্দ্র করে দু’দিন ধরে রংপুরে টানটান উত্তেজনা বিরাজ করছিল। রংপুর ও আশপাশের জেলাগুলোয় বিশৃঙ্খলা এড়াতে পুলিশের পক্ষ থেকে গ্রহণ করা হয় কয়েক স্তরের নিরাপত্তা ব্যবস্থা। সাদা পোশাকে ছিলেন বিপুলসংখ্যক গোয়েন্দা সংস্থার সদস্য।

লাশ রংপুরে পৌঁছে ১১টা ৪৮ মিনিটে : বেলা ১১টা ৪৮ মিনিটে এরশাদের কফিনবাহী হেলিকপ্টার রংপুর সেনানিবাসে অবতরণ করে। সেখান থেকে শীতাতপ নিয়ন্ত্রিত গাড়িতে করে কফিন সোজা জানাজাস্থল রংপুর কেন্দ্রীয় ঈদগাহ মাঠে নেয়া হয়।

তখন বাজে দুপুর ১২টা ১০ মিনিট। এরপর বিভিন্ন রাজনৈতিক দল, প্রশাসন ও বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষের পক্ষ থেকে শেষ শ্রদ্ধা নিবেদন করা হয়। বর্তমান ও সাবেক সংসদ সদস্য, বিভাগীয় কমিশনার, ডিআইজি, র‌্যাব-১৩ অধিনায়ক, ডিসি, এসপি, মেট্রোপলিটন কমিশনার, সিটি মেয়র, জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান, বিভিন্ন উপজেলা চেয়ারম্যানসহ জাতীয় পার্টি, আওয়ামী লীগ, বিএনপি, বিভিন্ন ব্যবসায়ী সংগঠন, সামাজিক ও সাংস্কৃতিক সংগঠনের পক্ষ থেকে ফুল দিয়ে শেষ শ্রদ্ধা জানানো হয়। শ্রদ্ধা নিবেদন শেষে জানাজা অনুষ্ঠিত হয়। জানাজা শেষে নেতাকর্মীরা লাশবাহী গাড়ি পাহারা দিয়ে প্রায় চার কিলোমিটার পথ হেঁটে পল্লী নিবাসে পৌঁছেন।

অনেকদিন ধরেই অসুস্থতার মধ্য দিয়ে যাচ্ছিলেন ৮৯ বছরের এরশাদ। একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের আগে ২০ নভেম্বর ইমানুয়েলস কনভেনশন সেন্টারে মনোনয়নপ্রত্যাশীদের সামনে সবশেষ আনুষ্ঠানিক বক্তব্য দেন তিনি। এরপর অসুস্থতার কারণে আর কোনো কর্মসূচিতে অংশ নেননি। ৬ ডিসেম্বর গাড়িতে করে অফিসের সামনে এলেও রাস্তায় গাড়িতে বসে কথা বলেই চলে যান।

১০ ডিসেম্বর চিকিৎসার জন্য সিঙ্গাপুরে যান এরশাদ। ২৬ ডিসেম্বর দেশে ফিরলেও নির্বাচনী প্রচারণায় যোগ দেননি। ভোটের পর শপথ নেন আলাদা সময়ে গিয়ে। সেদিনও স্পিকারের কক্ষে হাজির হয়েছিলেন হুইলচেয়ারে বসে। ২০ জানুয়ারি ফের সিঙ্গাপুরে যান চিকিৎসার জন্য। ফেরেন ৪ ফেব্রুয়ারি। ২৬ জুন তার স্বাস্থ্যের অবনতি হলে সম্মিলিত সামরিক হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ১৪ জুলাই চিরবিদায় নিলেন তিনি।

শোক বইয়ে স্বাক্ষর : হুসেইন মুহম্মদ এরশাদের মৃত্যুতে শোক বইয়ে স্বাক্ষর করেছেন বিভিন্ন দেশের রাষ্ট্রদূতরা। বেলা ১১টা থেকে বিকাল ৪টা পর্যন্ত জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যানের বনানী কার্যালয়ে রাখা শোক বইয়ে তারা স্বাক্ষর করে হুসেইন মুহম্মদ এরশাদের রাজনৈতিক আদর্শ এবং সাফল্য নিয়ে মন্তব্য করেছেন।

যুক্তরাষ্ট্রের আর্ল ই মিলার, জার্মানির পিটার ফারেন হোলটজ, কুয়েতের রাষ্ট্রদূত আদেল হায়াত, ভারতের রাষ্ট্রদূত রিভা গাঙ্গুলী দাশ, ফিলিস্তিনের ইউসেফ এস ওয়াই রামাদান, যুক্তরাজ্যের রবার্ট সি ডিকসন এবং আফগানিস্তানের প্রথম সেক্রেটারি শোক বইয়ে স্বাক্ষর করেছেন।

তারা হুসেইন মুহম্মদ এরশাদের মৃত্যুতে গভীর শোক প্রকাশ করেন। পাশাপাশি তার উন্নয়ন এবং সংস্কারমূলক কর্মকাণ্ডের ভূয়সী প্রশংসা করেন। নিজ নিজ দেশের সঙ্গে বাংলাদেশের সম্পর্ক উন্নয়নে হুসেইন মুহম্মদ এরশাদের অবদানের কথা কৃতজ্ঞচিত্তে স্মরণ করেন। তারা আশা প্রকাশ করেন, হুসেইন মুহম্মদ এরশাদের আদর্শ লালন করে জাতীয় পার্টি বাংলাদেশের রাজনীতিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।

দ্বিতীয় দিনেও বিভিন্ন দূতাবাসের প্রতিনিধিরা পল্লীবন্ধুর মৃত্যুতে শোক বইয়ে স্বাক্ষর করেছেন। তাদের মধ্যে রয়েছেন তুরস্ক, সুইডেন, মালদ্বীপ ও ভ্যাটিক্যান সিটির রাষ্ট্রদূত এবং মালয়েশিয়ার ভারপ্রাপ্ত হাইকমিশনার, ওমানের চার্জ দ্য অ্যাফেয়ার্স, জাপানের চার্জ দ্য অ্যাফেয়ার্স, রাশিয়ার প্রথম সচিব, থাইল্যান্ডের চার্জ দ্য অ্যাফেয়ার্স, আরব আমিরাত দূতাবাসের প্রতিনিধি, সৌদি আরব দূতাবাসের প্রতিনিধি, নেপাল দূতাবাসের প্রতিনিধি, নরওয়ে দূতাবাসের প্রতিনিধি ও ফ্রান্স দূতাবাসের প্রতিনিধি।

কুলখানি আজ : আজ বুধবার বাদ আসর গুলশান আজাদ মসজিদে প্রয়াত সাবেক রাষ্ট্রপতি এরশাদের কুলখানি অনুষ্ঠিত হবে। হুসেইন মুহম্মদ এরশাদের রুহের মাগফিরাত কামনায় সবাইকে কুলখানিতে অংশ নিতে অনুরোধ জানিয়েছেন পার্টির মহাসচিব ও জাতীয় সংসদের বিরোধীদলীয় চিফ হুইপ মসিউর রহমান রাঙ্গা এমপি। এরশাদের রুহের মাগফিরাত কামনায় ১৮ জুলাই জাকের পার্টি দেশব্যাপী মিলাদ মাহফিলের আয়োজন করেছে। এক বিবৃতিতে তারা এ তথ্য জানায়।

ঘটনাপ্রবাহ : পল্লীবন্ধু হুসেইন মুহম্মদ এরশাদ

আরও
  • সর্বশেষ
  • সর্বাধিক পঠিত
সব খবর

ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক : সাইফুল আলম, প্রকাশক : সালমা ইসলাম

প্রকাশক কর্তৃক ক-২৪৪ প্রগতি সরণি, কুড়িল (বিশ্বরোড), বারিধারা, ঢাকা-১২২৯ থেকে প্রকাশিত এবং যমুনা প্রিন্টিং এন্ড পাবলিশিং লিঃ থেকে মুদ্রিত।

পিএবিএক্স : ৯৮২৪০৫৪-৬১, রিপোর্টিং : ৯৮২৪০৭৩, বিজ্ঞাপন : ৯৮২৪০৬২, ফ্যাক্স : ৯৮২৪০৬৩, সার্কুলেশন : ৯৮২৪০৭২। ফ্যাক্স : ৯৮২৪০৬৬ 

E-mail: [email protected]

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত ২০০০-২০১৯

converter
×