বাঁধ ভেঙে নতুন নতুন এলাকা প্লাবিত

বিভিন্ন স্থানে রেল লাইনে পানি, বন্ধ ট্রেন চলাচল * ৮ জেলায় বন্যার আরও অবনতির আশঙ্কা * পানিতে ডুবে ৫ শিশুর মৃত্যু

  যুগান্তর রিপোর্ট ১৮ জুলাই ২০১৯, ০০:০০ | প্রিন্ট সংস্করণ

বন্যা

দেশের বন্যাকবলিত বেশিরভাগ জেলার পরিস্থিতি অবনতি হয়েছে। বিভিন্ন স্থানে বাঁধ ও সড়ক ভেঙে নতুন নতুন এলাকা প্লাবিত হয়েছে।

এতে পানিবন্দি হয়ে পড়েছেন আরও লাখ লাখ মানুষ। বান্দরবানসহ কয়েকটি স্থানে বন্যা পরিস্থিতির কিছুটা উন্নতি হলেও বেড়েছে দুর্ভোগ। এসব জেলার রাস্তাঘাট ভেঙে একাকার হয়ে গেছে। গাইবান্ধা ও জামালপুরের কয়েকটি স্থানে রেললাইন পানিতে তলিয়ে গেছে।

এতে ঢাকা-দেওয়ানগঞ্জ সরাসরি ট্রেন চলাচল বন্ধ হয়ে গেছে। এছাড়া বিভিন্ন স্থানে পাকা সড়ক ডুবে যাওয়ায় সড়ক যোগাযোগও বিচ্ছিন্ন হয়ে গেছে। টাঙ্গাইল ও শেরপুরে পানিতে ডুবে মারা গেছে ৫ শিশু।

বানভাসি মানুষ গরু-ছাগল নিয়ে উঁচু সড়ক ও বাঁধে আশ্রয় নিলেও শুকনো খাবারের জন্য হাহাকার দেখা দিয়েছে। সরকারিভাবে ত্রাণ বিতরণ করা হলেও তা অপ্রতুল বলে জানিয়েছেন ভুক্তভোগীরা।

টিউবওয়েল ডুবে যাওয়ায় দেখা দিয়েছে বিশুদ্ধ পানির সংকট। এর ফলে ডায়রিয়াসহ নানা পানিবাহিত রোগবালাই ছড়িয়ে পড়ার আশঙ্কা দেখা দিয়েছে।

বুধবার মৌলভীবাজারে বন্যার্তদের মাঝে ত্রাণ বিতরণকালে দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ প্রতিমন্ত্রী ডা. এনামুর রহমান ও পানি সম্পদ উপমন্ত্রী একেএম এনামুল হক শামীম এমপি বলেছেন, দেশে ত্রাণের কোনো সংকট নেই। ক্রমান্বয়ে চাহিদা অনুসারে ত্রাণের পরিমাণ আরও বাড়ানো হবে।

এদিকে ব্রহ্মপুত্র-যমুনা ও গঙ্গা-পদ্মা নদীর পানি আগামী ২৪ ঘণ্টা অব্যাহতভাবে বৃদ্ধি পেতে পারে। ফলে এই দুই নদীর অববাহিকায় অবস্থিত কুড়িগ্রাম, জামালপুর, গাইবান্ধা, বগুড়া, সিরাজগঞ্জ, টাঙ্গাইল, মানিকগঞ্জ ও ফরিদপুরে বন্যা পরিস্থিতির আরও অবনতি হতে পারে।

বন্যা পূর্বাভাস ও সতর্কীকরণ কেন্দ্রের (এফএফডব্লিউসি) নির্বাহী প্রকৌশলী আরিফুজ্জামান ভূইয়া বলেন, বন্যার মূল কারণ উজানের বন্যা ও পাহাড়ি ঢলের পানি। বিদ্যমান পরিস্থিতিতে মনে হচ্ছে আগামী ২০-২২ জুলাই থেকে বন্যার পানি কমতে শুরু করবে। তবে এটি ১৯৮৮ বা ১৯৯৮ সালের বন্যার মতো হওয়ার আশঙ্কা এখন পর্যন্ত নেই।

বিশেষজ্ঞদের মতে, বর্তমান এই বন্যার অন্যতম কারণ জলবায়ু পরিবর্তন। কেননা, আবহাওয়া চরম বৈরী আচরণ করছে। যখন গরম আসে, তখন তা রেকর্ড ভেঙে উত্তাপ ছড়ায়। আবার বন্যা বা খরা এলে সেটাও তেমন পর্যায়ে পৌঁছায়।

দেশে বন্যাজনিত কারণে নানা ধরনের রোগব্যাধিতে এ পর্যন্ত ৩০৮০ জন আক্রান্ত হওয়ার খবর পাওয়া গেছে। ২৪ ঘণ্টায় আক্রান্ত হয়েছেন ৯৫৬ জন। একই সঙ্গে বন্যার কারণে ২৫ জনের মৃত্যুর ঘটনা ঘটেছে।

এসব মানুষের চিকিৎসা সহায়তা দিতে উপদ্রুত অঞ্চলে ১৯৫৮টি মেডিকেল টিম কাজ করছে। এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন স্বাস্থ্য অধিদফতরের হেলথ ইমার্জেন্সি অপারেশন সেন্টার ও কন্ট্রোল রুমের সহকারী পরিচালক ডা. আয়শা আক্তার।

এদিকে বিভিন্ন জেলায় বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত অসহায় মানুষদের অবিলম্বে পর্যাপ্ত ত্রাণসামগ্রী ও নিরাপদ আশ্রয়ের ব্যবস্থা করতে সরকারের প্রতি দাবি জানিয়েছেন বাংলাদেশ ক্ষেতমজুর সমিতির সভাপতি অ্যাডভোকেট সোহেল আহম্মেদ এবং সাধারণ সম্পাদক আনোয়ার হোসেন রেজা। বুধবার এক বিবৃতিতে তারা এ দাবি জানান।

ক্ষতিগ্রস্তদের প্রতি জাতিসংঘ মহাসচিবের সমবেদনা : বাংলাদেশ, ভারত, নেপাল ও মিয়ানমারে বন্যায় ক্ষতিগ্রস্তদের প্রতি সমবেদনা জানিয়েছেন জাতিসংঘ মহাসচিব আন্তোনিও গুতেরেস।

নিউইয়র্ক সময় মঙ্গলবার দেয়া এক বিবৃতিতে তিনি বন্যায় জান ও মালের ক্ষতিতে শোক প্রকাশ করেন।

একই দিন জাতিসংঘ মহাসচিবের উপ-মুখপাত্র নিয়মিত সংবাদ সম্মেলনে বলেন, বাংলাদেশে বৃষ্টিপাত ও ভূমিধসে ইতিমধ্যে ২ লাখ ৭০ হাজারেরও বেশি মানুষ ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে, মৃত্যু হয়েছে ১৪ জনের। এ অবস্থায় জাতিসংঘ ও ত্রাণ সংস্থাগুলো সেখানে মানবিক সহায়তায় প্রস্তুত রয়েছে।

ব্যুরো ও প্রতিনিধিদের পাঠানো খবর-

নওগাঁ : বুধবার ভোরে মান্দা উপজেলার আত্রাই নদীর ডান তীরে চকবালু নামক স্থানে প্রায় ১০০ ফুট বন্যা নিয়ন্ত্রণ বাঁধ ভেঙে অন্তত ২০টি গ্রাম প্লাবিত হয়েছে। এতে প্রায় ৫০ হাজার মানুষ পানিবন্দি হয়ে পড়েছেন। প্রসাদপুর-জোকাহাট সড়ক যোগাযোগ বন্ধ হয়ে গেছে।

শত শত হেক্টর জমির ধান, শাক-সবজি ও পাটসহ বিভিন্ন ফসল তলিয়ে গেছে। দুর্গত এলাকার বাসিন্দারা নিত্যপ্রয়োজনীয় জিনিসপত্র নিয়ে বাঁধ বা উঁচু সড়কে গিয়ে আশ্রয় নিয়েছেন।

কুড়িগ্রাম, নাগেশ্বরী, রাজারহাট, উলিপুর : ব্রহ্মপুত্র ও ধরলা নদীর পানি স্থিতিশীল হলেও তীব্র ভাঙনের ফলে নতুন নতুন এলাকা প্লাবিত হচ্ছে। বুধবার সকাল ৮টায় রৌমারীর বন্দরের এলাকায় এলজিইডির সড়ক ভেঙে যাওয়ায় গোটা উপজেলা এখন পানিবন্দি।

এর আগে মঙ্গলবার রাতে রৌমারীতে দাঁতভাঙা এলাকার হাজিরহাট ও ধনারচরে এলজিইডির সড়ক ভেঙে ১৫টি গ্রাম প্লাবিত হয়। এর ফলে নতুন করে পঞ্চাশ হাজার মানুষ পানিবন্দি হয়েছেন।

এমন পরিস্থিতিতে জেলা প্রশাসনের তরফ থেকে ত্রাণ তৎপরতা শুরু হলেও বেসরকারি পর্যায়ের সংগঠনগুলো এগিয়ে না আসায় বানভাসিরা চরম দুর্ভোগে পড়েছেন। গত এক সপ্তাহ ধরে বাড়িতে আটকে পড়া মানুষগুলো জ্বালানি সংকটের কারণে রান্নাবান্না করতে পারছেন না। উঁচু স্থানে গবাদিপশু রাখলেও গো-খাদ্যের অভাবে গৃহস্থরা অসহায় হয়ে পড়েছেন।

এদিকে বুধবার দুপুরে উলিপুরের গুনাইগাছ ইউনিয়নের কাজির চক এলাকার সুমন মিয়ার দেড় বছরের শিশু ফুয়াদ পানিতে পড়ে মারা গেছে। এ নিয়ে গত আট দিনে জেলায় পানিতে ডুবে মারা গেল ১৩ জন। জেলা প্রশাসন কন্ট্রোল রুম থেকে জানা যায়, জেলায় অন্তত ৬ লাখ ৯ হাজার মানুষ পানিবন্দি।

শেরপুর : শেরপুর সদর, ঝিনাইগাতী, নালিতাবাড়ী ও শ্রীবরদী উপজেলার নিম্নাঞ্চল প্লাবিত হয়েছে। এসব ইউনিয়নের শতাধিক গ্রামের মানুষ পানিবন্দি। নালিতাবাড়ী উপজেলার মরিচপুরান ইউনিয়নের ২টি স্থানে ভোগাই নদীর তীর রক্ষা বাঁধ ধসে গেছে।

জেলার প্রায় ৫১টি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় ও ৭টি মাধ্যমিক বিদ্যালয় সাময়িকভাবে বন্ধ ঘোষণা করা হয়েছে। এদিকে মঙ্গলবার বিকালে শ্রীবরদী উপজেলার পূর্ব তাতিহাটি গ্রামের আবুল কালামের ৯ বছরের ছেলে হামিদ বন্যার পানিতে ডুবে মারা গেছে।

টাঙ্গাইল, ভূঞাপুর, দেলদুয়ার ও নাগরপুর : টাঙ্গাইল সদরসহ চারটি উপজেলার অন্তত ৭০টি গ্রা?ম বন্যাকবলিত। বাড়িঘরে পানি প্রবেশ করায় চরম দুর্ভোগে দিন কাটছে বাসিন্দাদের। মঙ্গলবার বিকালে ভূঞাপুর উপজেলার গাবসারা ইউনিয়নের গোবিন্দপুর গ্রামে ঘরে বন্যার পানি ঢুকে পড়ায় জিনিসপত্র সরাতে ব্যস্ত ছিলেন মা-বাবা।

এ সময় বন্যার পানিতে ডুবে প্রাণ হারায় তাদের এক বছরের শিশু সন্তান জিহাদ। একই দিন পুকুরে ডুবে আটিয়া ইউনিয়নের নাল্লাপাড়া গ্রামের তায়েবা (৭) এবং আঞ্জুম (৬) নামের দুই শিশু মারা গেছে। সম্পর্কে তারা মামাতো-ফুফাতো বোন।

এদিকে পানির প্রবল স্রোতে দেলদুয়ার সিলিমপুর সড়কের গড়াসিন নামক স্থানে এলজিইডির ব্রিজের অ্যাপ্রোচ ধসে সড়ক যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়েছে।

রাঙ্গামাটি : জেলা সদরসহ বিভিন্ন উপজেলার বিস্তীর্ণ এলাকা পানিতে নিমজ্জিত হয়েছে। এতে বাড়িঘর ছাড়া হয়েছেন অসংখ্য পরিবার। মানবেতর জীবনযাপন করছেন দুর্গত লোকজন। ডুবছে পর্যটন এলাকার মনোরম ঝুলন্ত সেতুটি।

জেলার বরকলে মঙ্গল ও বুধবার দুর্গত লোকজনকে ত্রাণ দিয়েছে, বিজিবির ছোটহরিণা জোন। বিভিন্ন উপজেলায় ত্রাণ পাঠিয়েছে জেলা প্রশাসনও।

বান্দরবান : সড়ক থেকে বন্যার পানি নেমে যাওয়ায় আট দিন পর বুধবার বান্দরবানের সঙ্গে সারা দেশের সড়ক যোগাযোগ চালু হয়েছে। তবে পাহাড় ধসের কারণে রুমা উপজেলার সড়ক যোগাযোগ এখনও বিচ্ছিন্ন রয়েছে।

দেওয়ানগঞ্জ, বকশীগঞ্জ, মাদারগঞ্জ, সরিষাবাড়ী ও ইসলামপুর (জামালপুর) : দেওয়ানগঞ্জ রেলওয়ে স্টেশনের সব কয়টি লাইন বন্যার পানিতে তলিয়ে যাওয়ায় ঢাকা-দেওয়ানগঞ্জ সরাসরি ট্রেন চলাচল বন্ধ হয়ে গেছে। সানন্দবাড়ী সড়ক ভেঙে যাওয়ায় দেওয়ানগঞ্জ-রাজিবপুর যানবাহন চলাচল বন্ধ হয়ে গেছে। বকশীগঞ্জের ৭৫টি গ্রামের প্রায় ৮০ হাজার মানুষ পানিবন্দি হয়ে পড়েছেন।

বুধবার ভোরে মাদারগঞ্জে ৪ কিলোমিটর দীর্ঘ যমুনা বন্যা নিয়ন্ত্রণ বাঁধ ভেঙে অন্তত ৭ গ্রামের প্রায় সব ঘরবাড়িতে পানি প্রবেশ করেছে।

ইসলামপুর স্টেশন মাস্টার মো. মিজানুর রহমান জানান, দেওয়ানগঞ্জ-মেলান্দহ দুরমুঠ রেলওয়ে স্টেশন এবং বিভিন্ন স্থানে রেল লাইন পানিতে তলিয়ে যাওয়ার জামালপুর-দেওয়ানগঞ্জ ট্রেন চলাচল বন্ধ রয়েছে। বানভাসি লোকজন বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে আশ্রয় নিয়েছে। সরকারিভাবে ত্রাণ তৎপরতা খুবই অপ্রতুল। বেসরকারি কোনো সংস্থার ত্রাণ বিতরণ লক্ষ্য করা যায়নি।

গাইবান্ধা : গাইবান্ধার ত্রিমোহিনী রেল স্টেশন থেকে বোনারপাড়া জংশন পর্যন্ত বিভিন্ন পয়েন্টে রেল লাইন ডুবে যাওয়ায় বুধবার সকাল ১১টা থেকে ওই রুটে সরাসরি ট্রেন চলাচল বন্ধ হয়ে গেছে। ফলে এখন থেকে ডাউন ট্রেনগুলো গাইবান্ধা রেলওয়ে স্টেশন পর্যন্ত এবং আপ ট্রেনগুলো বোনারপাড়া পর্যন্ত চলাচল করছে।

তবে আন্তঃনগর লালমণি এক্সপ্রেস ও রংপুর এক্সপ্রেস ট্রেন বিকল্পভাবে রংপুর-পার্বতীপুর-সান্তাহার হয়ে ঢাকায় চলাচল করবে। এ কারণে লোকাল ট্রেনের যাত্রীদের বিপাকে পড়তে হচ্ছে।

অপরদিকে গাইবান্ধা-সুন্দরগঞ্জ সড়কের কদমের তল থেকে চাপাদহ পর্যন্ত এবং গাইবান্ধা-ফুলছড়ি-সাঘাটা সড়কের বেশকিছু এলাকায় হাঁটুপানি ওঠায় সেগুলোতে সকল প্রকার যানবাহন চলাচল বন্ধ হয়ে গেছে।

বগুড়া : বুধবার তিন উপজেলায় নতুন করে তিনটি গ্রাম প্লাবিত হয়েছে। বন্যা নিয়ন্ত্রণ বাঁধে আশ্রয় নিয়েছে প্রায় দুই হাজার পরিবার। সব মিলিয়ে বন্যাদুর্গত হয়ে পড়েছেন ৮২ হাজার ৩৮০ জন। সারিয়াকান্দির চালুয়াবাড়ি ইউনিয়নের কয়েকটি গ্রামে পানি ঢুকে পড়েছে।

এসব এলাকার মানুষ গবাদিপশু, আসবাবপত্র ও অন্যান্য সামগ্রী নিয়ে নিরাপদ আশ্রয়ে চলে যাচ্ছেন। কেউ কেউ বাড়িতে বাঁশের মাচা তৈরি করে তার ওপর রয়েছেন।

বিয়ানীবাজার (সিলেট) : দশ ইউনিয়ন ও পৌরসভার অধিকাংশ এলাকা প্লাবিত হয়েছে। উপজেলার ১৮টি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বন্ধ ঘোষণা করা হয়েছে।

গোয়ালন্দ (রাজবাড়ী) : পদ্মা নদীর গোয়ালন্দ উপজেলার দৌলতদিয়া পয়েন্টে পানি বিপদসীমার ১০ সেন্টিমিটার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। এতে উপজেলার নিম্নাঞ্চল প্লাবিত হয়েছে।

বুধবার বন্যা মোকাবেলায় উপজেলা প্রশাসনের দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা সংক্রান্ত জরুরি সভায় এ তথ্য জানানো হয়।

কলমাকান্দা (নেত্রকোনা) : পাহাড়ি ঢলের পানির চাপ কম থাকায় বন্যা পরিস্থিতির কিছুটা উন্নতি হয়েছে। তবে মানুষের দুর্ভোগ বাড়ছে। গ্রামীণ সড়কের অধিকাংশই ভেঙে গেছে। উঁচু স্থান ও সড়কে আশ্রয় নেয়া মানুষের খাবার ও বিশুদ্ধ পানির অভাব মিটছে না।

উপজেলাজুড়ে যে ত্রাণ বিতরণ করা হচ্ছে, তা প্রয়োজনের তুলনায় যথেষ্ট নয় বলে স্থানীয়দের অভিযোগ। বন্যাদুর্গত এলাকায় দেখা দিয়েছে চর্মরোগ ও ডায়রিয়াসহ বিভিন্ন পানিবাহিত রোগ। উপজেলার ১৪৭টি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে পাঠদান বন্ধ রয়েছে।

  • সর্বশেষ
  • সর্বাধিক পঠিত
সব খবর

ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক : সাইফুল আলম, প্রকাশক : সালমা ইসলাম

প্রকাশক কর্তৃক ক-২৪৪ প্রগতি সরণি, কুড়িল (বিশ্বরোড), বারিধারা, ঢাকা-১২২৯ থেকে প্রকাশিত এবং যমুনা প্রিন্টিং এন্ড পাবলিশিং লিঃ থেকে মুদ্রিত।

পিএবিএক্স : ৯৮২৪০৫৪-৬১, রিপোর্টিং : ৯৮২৪০৭৩, বিজ্ঞাপন : ৯৮২৪০৬২, ফ্যাক্স : ৯৮২৪০৬৩, সার্কুলেশন : ৯৮২৪০৭২। ফ্যাক্স : ৯৮২৪০৬৬ 

E-mail: [email protected]

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত ২০০০-২০১৯

converter
×