উপজেলা পরিষদ নির্বাচন

আ’লীগের বিদ্রোহী প্রার্থীদের ভাগ্য নির্ধারণ আজ

কাঠগড়ায় সহযোগী সংগঠনের ১শ’সহ ৩ শতাধিক নেতা * কেন্দ্রীয়ভাবে সুষ্ঠু তদন্ত চান বিদ্রোহীরা

  রেজাউল করিম প্লাবন ২০ জুলাই ২০১৯, ০০:০০ | প্রিন্ট সংস্করণ

উপজেলা নির্বাচন
প্রতীকী ছবি

উপজেলা নির্বাচনে আওয়ামী লীগ ও এর সহযোগী সংগঠনের বিদ্রোহী প্রার্থীদের সাংগঠনিক শাস্তি নির্ধারণ হবে আজ। বেলা ১১টায় সম্পাদকমণ্ডলীর সভায় বিদ্রোহীদের বিষয়ে দলের যৌথসভার সিদ্ধান্ত কার্যকরে করণীয় কি তা নির্ধারণ করা হবে।

এ ব্যাপারে তিন শতাধিক বিদ্রোহী প্রার্থীর নামের তালিকা তৈরি করা হয়েছে। এর মধ্যে আওয়ামী লীগের ২শ’ এবং যুবলীগ, স্বেচ্ছাসেবক লীগসহ দলের অন্যান্য সহযোগী ও ভ্রাতৃপ্রতিম সংগঠনের শতাধিক নেতা রয়েছেন। এছাড়া নৌকার বিপক্ষে যেসব মন্ত্রী-এমপি ও স্থানীয় নেতারা কাজ করেছেন তাদের ব্যাপারে সিদ্ধান্ত হবে। আওয়ামী লীগ সূত্রে জানা গেছে এসব তথ্য।

১২ জুলাই প্রধানমন্ত্রীর সরকারি বাসভবন গণভবনে অনুষ্ঠিত আওয়ামী লীগের উপদেষ্টা পরিষদ ও কেন্দ্রীয় কার্যনির্বাহী সংসদের সভায় বিদ্রোহী প্রার্থীদের সাময়িক বহিষ্কার ও শোকজের সিদ্ধান্ত হয়। বৈঠকে নৌকার প্রার্থীর বিপক্ষে যেসব মন্ত্রী-এমপি ও প্রভাবশালী নেতা কাজ করেছেন, তাদেরও কারণ দর্শানোর চিঠি পাঠাবে আওয়ামী লীগ। শোকজের জবাব যথার্থ না হলে প্রাথমিক সদস্যপদসহ দল থেকে স্থায়ী বহিষ্কার হবেন অভিযুক্তরা।

মার্চ ও জুলাইয়ে পাঁচ দফায় অনুষ্ঠিত উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে আওয়ামী লীগ যে ২শ’ বিদ্রোহী প্রার্থী ছিলেন তাদের নামের তালিকা বুধবার যুগান্তরে প্রকাশিত হয়। এছাড়া যুবলীগ, স্বেচ্ছাসেবক লীগসহ অন্যান্য সহযোগী ও ভ্রাতৃপ্রতিম সংগঠনের যে শতাধিক নেতা বিদ্রোহী প্রার্থী হিসেবে নির্বাচনে অংশ নিয়েছিলেন তাদের নামের তালিকাও যুগান্তরে হাতে এসেছে। সহযোগী সংগঠনের বিদ্রোহীদের বিষয়ে আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদেরের ভাষ্য- উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে সহযোগী সংগঠনের কোনো বিদ্রোহী প্রার্থী থাকলে তাদের শাস্তির ব্যবস্থা সংশ্লিষ্ট সংগঠনকেই করতে হবে। এখানে আমাদের (আওয়ামী লীগের) করার কিছু নেই।

এ বিষয়ে জানতে চাইলে যুবলীগ চেয়ারম্যান ওমর ফারুক চৌধুরী বৃহস্পতিবার যুগান্তরকে বলেন, মূল দল আওয়ামী লীগ তাদের বিদ্রোহী প্রার্থীদের যে শাস্তি দেবে আমরাও আমাদের বিদ্রোহীদের বিরুদ্ধে সেই শাস্তি কার্যকর করব। তিনি বলেন, বিদ্রোহীদের বিষয়ে আমরা মূল দলের সিদ্ধান্ত বাস্তবায়নের দিকে চেয়ে আছি। রাষ্ট্রনায়ক শেখ হাসিনার যে কোনো সিদ্ধান্ত বাস্তবায়নে যুবলীগ প্রস্তুত। একই কথা বলেছেন আওয়ামী লীগের অন্যান্য সহযোগী ও ভ্রাতৃপ্রতিম সংগঠনের নেতারা।

দেশের বিভিন্ন উপজেলা নির্বাচনে আওয়ামী লীগের বিদ্রোহী প্রার্থীদের অনেকে টেলিফোনে যুগান্তরকে জানান, আমরা বহিষ্কার চাই না। তবে শোকজ চিঠি দিলে তার জবাব দিতে প্রস্তুত আছি। তারা বলেন, নানা কারণে আমরা বিদ্রোহী প্রার্থী হয়েছিলাম। এর জন্য প্রকৃত অর্থে কারা দায়ী তা বের করতে কেন্দ্রীয়ভাবে তদন্তের দাবি করছি। দলের অধিকতর অযোগ্য, পদ-পদবি নেই, বিতর্কিতদের নাম সংযুক্ত করে প্রার্থী তালিকা কারা কেন্দ্রে প্রেরণ করল, কেন ত্যাগী ও দীর্ঘদিনের কর্মীদের নাম কেন্দ্রে পাঠানো হল না, তারও সুষ্ঠু বিচার দাবি করছি।

বিদ্রোহীদের অনেকে আরও বলেন, আমরা দলের ইমেজ রক্ষা করতেই বিতর্কিতদের বিরুদ্ধে নির্বাচন করেছি, দল কিংবা নৌকার বিরুদ্ধে নয়। আমাদের বিরুদ্ধে যে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নিতে যাচ্ছে দল তা অন্যায় করা হবে। আমরা বহিষ্কার চাই না। তবে সুষ্ঠু তদন্ত চাই। শোকজ নোটিশ চাই।

গাইবান্ধা জেলার গোবিন্দগঞ্জ উপজেলা আওয়ামী লীগ সহ-সভাপতি ও উপজেলা নির্বাচনে বিদ্রোহী প্রার্থী ফেরদৌস আলম রাজু বৃহস্পতিবার যুগান্তরকে বলেন, এখানে যাকে নৌকার মনোনয়ন দিয়ে চেয়ারম্যান নির্বাচিত করা হয়েছে তিনি বিতর্কিত। যুদ্ধাপরাধ মামলার বাদীদের হুমকি দেয়ায় তাকে যুদ্ধাপরাধ ট্রাইব্যুনাল থেকে চিঠি দেয়া হয়েছিল। এটা নিয়ে এলাকায় ব্যাপক সমালোচনা হয়। যার ফলশ্রুতিতে আমি নির্বাচন করি। তবে নির্বাচনে প্রতীক থাকলেও আমি নির্বাচন থেকে সরে যাই। এখন দল আমার বিরুদ্ধে যে সিদ্ধান্ত নিতে যাচ্ছে সেটা অমানবিক। এ কঠোর শাস্তি বহিষ্কার চাই না। তবে আমাদের শোকজ করা হোক। জবাব দিতে প্রস্তুত আছি। জবাবে ডকুমন্টে প্রস্তুত করছি। প্রয়োজনে তদন্ত করা হোক। দোষী সাব্যস্ত হলে দল যা সিদ্ধান্ত নেবে আপত্তি থাকবে না।

আওয়ামী লীগের সহযোগী ও ভ্রাতৃপ্রতিম সংগঠনের যেসব নেতা বিদ্রোহী প্রার্থী হিসেবে নির্বাচন করেছেন তাদের মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলেন- রাজশাহীর বাগমারা উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে জেলা যুবলীগের মুক্তিযোদ্ধা বিষয়ক সম্পাদক বাবুল হোসেন, নাটোরে বাগাতিপাড়া উপজেলা পরিষদে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের লতিফ হল ছাত্রলীগের সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক অহিদুল ইসলাম। চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলায় শিবগঞ্জ উপজেলায় জেলা যুবলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক মহসিন আলী, নাচোল উপজেলায় উপজেলা যুবলীগের সদস্য আবু রেজা মোস্তফা কামাল শামীম।

পাবনায় আটঘরিয়া উপজেলা পরিষদে ছাত্রলীগের সাবেক কেন্দ্রীয় তথ্য ও গবেষণা বিষয়ক উপসম্পাদক তানভির ইসলাম, চাটমোহর উপজেলা নির্বাচনে উপজেলা ছাত্রলীগ সভাপতি আবদুল আলিম।

সিরাজগঞ্জের তাড়াশ উপজেলায় উপজেলা যুবলীগের সাবেক সিনিয়র সহ-সভাপতি মীর মো. শহিদুলাহ, রায়গঞ্জ উপজেলা পরিষদে উপজেলা ছাত্রলীগের সভাপতি শোভন সরকার এবং বগুড়া জেলার কাহালু উপজেলা পরিষদে জেলা ছাত্রলীগের সাংস্কৃতিক বিষয়ক সম্পাদক হাসিবুল ইসলাম সুরুজ।

খুলনার কয়রা উপজেলায় উপজেলা যুবলীগের আহ্বায়ক এসএম শফিকুল ইসলাম, পাইকগাছায় জেলা ছাত্রলীগ সহ-সভাপতি আবুল কালাম আজাদ, যশোরের অভয়নগর উপজেলায় নওয়াপাড়া রাজঘাট শিল্পাঞ্চল শ্রমিক লীগ সাধারণ সম্পাদক রবিন অধিকার ব্যাচা, মাগুরার মহম্মদপুরে সাবেক ছাত্রলীগ নেতা আবু আবদুলাহেল কাফি, নড়াইল সদর উপজেলায় পৌর যুবলীগ সভাপতি বিপ্লব বিশ্বাস ওরফে বিলো, চুয়াডাঙ্গা সদর উপজেলায় জেলা যুবলীগের আহ্বায়ক নঈম হাসান জোয়ার্দ্দার, আলমডাঙ্গায় সাবেক ছাত্রলীগ নেতা আনিসুজ্জামান মলিক, দামুড়হুদায় উপজেলা যুবলীগের সাবেক আহ্বায়ক আবু তালেব, জীবন নগরে উপজেলা যুবলীগের সাবেক আহ্বায়ক হাফিজুর রহমান।

কুষ্টিয়া জেলার খোকসায় উপজেলা যুবলীগের আহ্বায়ক আল-মাসুম মোর্শেদ শান্ত, দৌলতপুরে উপজেলা যুবলীগের সভাপতি বুলবুল আহমেদ টোকেন চৌধুরী, সাতক্ষীরা জেলার দেবহাটায় উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক লীগ সভাপতি মাহবুবুর রহমান খোকন, মেহেরপ্রুরের গাংনীতে জেলা কৃষক লীগ সাধারণ সম্পাদক ওয়াসিম সাজ্জাদ ও উপজেলা যুবলীগের সাবেক যুগ্ম সম্পাদক মজিরুল ইসলাম।

সিলেট জেলার কানাইঘাট উপজেলায় ছাত্রলীগের কেন্দ্রীয় নেতা খয়ের চৌধুরী, বিয়ানীবাজারে উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক লীগ সভাপতি আবুল কাশেম পলব দক্ষিণ সুরমায় জেলা ছাত্রলীগের সাবেক সভাপতি আবু জাহিদ।

সুনামগঞ্জ জেলার বিশ্বম্ভরপুর উপজেলায় যুবলীগ নেতা সফর উদ্দিন, দিরাইয়ে উপজেলা যুবলীগের সভাপতি রঞ্জন রায়, ধর্মপাশায় উপজেলা যুবলীগের সভাপতি মোজাম্মেল হোসেন রোকন। মৌলভীবাজার জেলার রাজনগর উপজেলায় সাবেক ছাত্রলীগ নেতা যুক্তরাজ্য প্রবাসী শাহজাহান খান, কমলগঞ্জ উপজেলায় মৌলভীবাজার-৪ আসনে এমপি উপাধ্যক্ষ মো. আবদুস শহিদের ছোট ভাই ইমতিয়াজ আহমেদ বুলবুল। হবিগঞ্জের নবীগঞ্জ উপজেলায় উপজেলা যুবলীগের আহ্বায়ক ফজলুল হক চৌধুরী সেলিম।

কক্সবাজার জেলার পেকুয়ায় উপজেলা যুবলীগ সভাপতি জাহাঙ্গীর আলম।

বরিশালের তালতলী উপজেলায় উপজেলা যুবলীগ সভাপতি মনিরুজ্জামান মিন্টু, পাথরঘাটা উপজেলায় উপজেলা যুবলীগের সভাপতি রফিকুল ইসলাম রিপন, পটুয়ালীর দুমকী উপজেলার সাবেক কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগ সহ-সভাপতি অ্যাড. মেহেদী হাসান মিজান, রাঙ্গাবালী উপজেলায় কেন্দ্রীয় যুবলীগের সদস্য ড. আরিফ বিন ইসলাম, দশমিনায় কেন্দ্রীয় তাঁতিলীগ নেতা ইকবাল হোসেন হাওলাদার।

গাইবান্ধা জেলার সাদুল্লাহপুরে উপজেলা যুবলীগ সভাপতি শাহ মো. ফজলুল হক রানা, গোবিন্দগঞ্জ উপজেলায় কেন্দ্রীয় স্বেচ্ছাসেবক লীগের পাট ও বস্ত্র বিষয়ক সম্পাদক নাজমুল ইসলাম লিটন, উপজেলা শ্রমিক লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক জাহিদ হাসান, সাঘাটায় উপজেলা যুবলীগ সহ-সভাপতি জাহাঙ্গীর কবির, ফুলছড়ি উপজেলায় উপজেলা যুবলীগ সভাপতি হাবিবুর রহমান।

লালমনিরহাট জেলার হাতীবান্ধায় উপজেলা ছাত্রলীগের সাবেক সভাপতি মশিউর রহমান মামুন, ঠাকুরগাঁও জেলার বালিয়াডাঙ্গি উপজেলায় উপজেলা যুবলীগের সভাপতি আলী আসলাম জুয়েল, রানীশংকৈল উপজেলায় উপজেলা কৃষক লীগ নেতা শাহরিয়ার আজম মুন্না, নীলফামারীর জলঢাকায় উপজেলা যুবলীগের সাবেক সভাপতি আবদুল ওয়াহেদ বাহাদুর, কিশোরগঞ্জে উপজেলা যুবলীগের আহ্বায়ক পাইলট শাহ।

কিশোরগঞ্জ সদর উপজেলায় সাবেক ছাত্রলীগ নেতা মামুন আল মাসুদ খান, হোসেনপুর উপজেলায় যুবলীগ নেতা মোহাম্মদ সোহেল, নিকলী উপজেলায় উপজেলা আওয়ামী লীগ সভাপতি মো. ইসহাক ভূঞার ছেলে ছাত্রলীগ নেতা আহসান মো. রুহুল কুদ্দুস, করিমগঞ্জ উপজেলায় যুবলীগ নেতা আমজাদ হোসেন খাঁন দিদার, ভৈরবে ও উপজেলা যুবলীগের আহ্বায়ক অলিউল ইসলাম।

শেরপুর জেলার ঝিনাইগাতী উপজেলায় উপজেলা যুবলীগ সভাপতি মো. আবুল কালাম আজাদ, যুবলীগ নেতা ফারুক আহমেদ।

টাঙ্গাইলের ভূঞাপুর উপজেলায় জেলা শ্রমিক লীগ সাধারণ সম্পাদক আবদুল লতিফ, সাবেক ছাত্রলীগ নেতা মাসুদুর রহমান ওরফে কর্নেল ও ভূঞাপুর পৌরসভার সাবেক মেয়র আমিরুল ইসলাম তালুকদার, সখীপুর উপজেলায় সাবেক ছাত্রলীগ নেতা অধ্যক্ষ সাঈদ আজাদ।

ফরিদপুর জেলার আলফাডাঙ্গায় কৃষক লীগ নেতা কাজী হারুন অর রশিদ ও যুবলীগ নেতা একেএম জাহিদুল হাসান, বোয়ালমারীতে উপজেলা কৃষক লীগের যুগ্ম আহ্বায়ক ও জেলা যুবলীগের সদস্য মো. মনিরুজামান ওরফে লিটন মৃধা।

ময়মনসিংহ জেলার ধোবাউড়ায় উপজেলা যুবলীগের আহ্বায়ক ডা. সাগর, যুগ্ম আহ্বায়ক ডেভিড রানা চিসিম, গৌরিপুরে উপজেলা যুবলীগ সাধারণ সম্পাদক মোফাজ্জল হোসেন খান, ভালুকায় উপজেলা কৃষক লীগের সহ-সভাপতি আবুল কালাম আজাদ।

শেরপুরের শ্রীবরদীতে উপজেলা যুবলীগের আহ্বায়ক জাহিদুল ইসলাম জুয়েল এবং উপজেলা কৃষক লীগের সহ-সভাপতি পারভেজ সরোয়ার আলম।

ঘটনাপ্রবাহ : উপজেলা নির্বাচন ২০১৯

আরও
  • সর্বশেষ
  • সর্বাধিক পঠিত
সব খবর

ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক : সাইফুল আলম, প্রকাশক : সালমা ইসলাম

প্রকাশক কর্তৃক ক-২৪৪ প্রগতি সরণি, কুড়িল (বিশ্বরোড), বারিধারা, ঢাকা-১২২৯ থেকে প্রকাশিত এবং যমুনা প্রিন্টিং এন্ড পাবলিশিং লিঃ থেকে মুদ্রিত।

পিএবিএক্স : ৯৮২৪০৫৪-৬১, রিপোর্টিং : ৯৮২৪০৭৩, বিজ্ঞাপন : ৯৮২৪০৬২, ফ্যাক্স : ৯৮২৪০৬৩, সার্কুলেশন : ৯৮২৪০৭২। ফ্যাক্স : ৯৮২৪০৬৬ 

E-mail: [email protected]

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত ২০০০-২০১৯

converter
×