এ পর্যন্ত আক্রান্ত ৫৯ হাজার ৫৯২ জন

অতীতের সব রেকর্ড ভঙ্গ

২৪ ঘণ্টায় ভর্তি ১৫৯৭ জন * আরও ৬ জনের মৃত্যু * ৯৪ চিকিৎসকসহ ৩০০ স্বাস্থ্যকর্মী আক্রান্ত

  যুগান্তর রিপোর্ট ২৩ আগস্ট ২০১৯, ০০:০০ | প্রিন্ট সংস্করণ

ডেঙ্গুরোগীদের ভীড়
ছবি: সংগৃহীত

চলতি মৌসুমে ডেঙ্গু আক্রান্তের সংখ্যা অতীতের সব রেকর্ড ছাড়িয়েছে। সরকারি তথ্যমতে, এ বছরের শুরু থেকে বৃহস্পতিবার পর্যন্ত ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে দেশের বিভিন্ন হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন ৫৯ হাজার ৫৯২ জন রোগী।

স্বাস্থ্য অধিদফতরের তথ্যমতে, ১৯৯৮ সালে দেশে প্রথম ডেঙ্গু রোগের অস্তিত্ব পাওয়া গেলেও এর প্রকোপ হয় ২০০০ সালে। ওই সময় থেকে ২০১৮ সাল পর্যন্ত ৫০ হাজার ১৪৮ জন ডেঙ্গুর চিকিৎসা নিতে হাসপাতালে ভর্তি হন, সেখানে এ বছরের শুরু থেকে এখন পর্যন্ত তা ৬০ হাজার ছুঁইছুঁই।

যদিও বেসরকারি হিসাবে তা ৬০ হাজার ছাড়িয়েছে। তবে হাসপাতালে চিকিৎসা নিয়ে বাড়ি ফিরেছেন ৫৩ হাজার ৩৯৮ জন।

বিশেষজ্ঞদের মতে, মৌসুম শেষে ডেঙ্গু আক্রান্তের সংখ্যা লাখ ছাড়িয়ে যেতে পারে। তারা বলেন, চলতি মাসসহ সেপ্টেম্বরের পুরোটাই ডেঙ্গুর মৌসুম থাকবে। সে হিসাবে প্রতিদিন গড়ে এক হাজার করে নতুন আক্রান্ত হলে লাখ ছাড়িয়ে যাওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। আক্রান্তদের মধ্যে এখন পর্যন্ত ৯৪ জন চিকিৎসকসহ ৩০০ জন স্বাস্থ্যকর্মী রয়েছেন বলে বুধবার স্বাস্থ্য অধিদফতরের এক প্রতিবেদনে জানানো হয়।

এদিকে ২৪ ঘণ্টায় (বুধবার সকাল ৮টা থেকে বৃহস্পতিবার সকাল ৮টা) সারা দেশে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন ১৫৯৭ জন।

২৪ ঘণ্টায় সারা দেশের বিভিন্ন স্থানে ৬ জনের মৃত্যুর খবর পাওয়া গেছে। এ নিয়ে যুগান্তরের প্রতিনিধিদের পাঠানো তথ্য অনুযায়ী ২২ আগস্ট পর্যন্ত মৃতের সংখ্যা দাঁড়াল ৯১ জনে। যদিও ১ জানুয়ারি থেকে এখন পর্যন্ত সরকারি হিসাবে মৃতের সংখ্যা দেখানো হয়েছে ৪৭ জন। বেসরকারি হিসাবে মৃত্যু ও আক্রান্তের সংখ্যা আরও বেশি হবে বলে জানায় সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন সূত্র।

হেলথ ইমার্জেন্সি অপারেশন সেন্টার ও কন্ট্রোল রুমের সহকারী পরিচালক ডা. আয়েশা আক্তার জানান, ১ জানুয়ারি থেকে ২২ আগস্ট পর্যন্ত রাজধানীসহ সারা দেশে সরকারি ও বেসরকারি হাসপাতালে ডেঙ্গুজ্বরে আক্রান্ত ভর্তি রোগীর সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৫৯ হাজার ৫৯২ জন এবং মৃত্যু হয়েছে ৪৭ জনের।

স্বাস্থ্য অধিদফতরের সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, এ সংখ্যা গত ১৯ বছরে ডেঙ্গু আক্রান্ত মোট রোগীর চেয়ে অনেক বেশি। পরিসংখ্যানে দেখা যায়, ২০০০ থেকে ২০১৮ সাল পর্যন্ত ৫০ হাজার ১৪৮ জন ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে চিকিৎসা নিয়েছেন। ২০০০ সালের পর ডেঙ্গুতে মৃত্যুহার সবচেয়ে বেশি ছিল ২০০৩ সালে। সে বছর সরকারি হিসাবে ৪৮৬ জন ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হন এবং ১০ জনের মৃত্যু হয়।

সরকারি হিসাবে এই সময়ে ডেঙ্গুতে সবচেয়ে বেশি মৃত্যু হয় ২০০০ সালে। সেবছরই বাংলাদেশে প্রথম ডেঙ্গুর প্রাদুর্ভাব ধরা পড়ে। ওই বছর দেশে ৫ হাজার ৫৫১ জন ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হন এবং ৯৩ জনের মৃত্যু হয়।

মশা নিধনে নানা কর্মকাণ্ডের পরও কমছে না ডেঙ্গু আক্রান্ত রোগীর সংখ্যা। ঈদুল আজহার সময় রোগীর সংখ্যা কিছুটা কমলে গত কয়েকদিনে তা বাড়তে শুরু করে। এক সপ্তাহে প্রতিদিন গড়ে দেড় হাজারের মতো রোগী হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন। ২৪ ঘণ্টায় রাজধানীতে নতুন ডেঙ্গু রোগী বাড়লেও সারা দেশে কমেছে।

স্বাস্থ্য অধিদফতরের তথ্য অনুযায়ী, বৃহস্পতিবার সকাল ৮টা পর্যন্ত ঢাকায় ৭৬১ জন ও ঢাকার বাইরে ৮৩৬ জন রোগী ডেঙ্গু নিয়ে হাসপাতালে ভর্তি হন। এর মধ্যে ২৪ ঘণ্টায় যশোরে সর্বাধিক ৪৮ জন ডেঙ্গু নিয়ে ভর্তি হন। রাজধানী ছাড়া ঢাকা বিভাগে ২৪ ঘণ্টায় সর্বাধিক ২২১ জন বিভিন্ন হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন।

এর আগে বুধবার সকাল ৮টা পর্যন্ত ২৪ ঘণ্টায় ১ হাজার ৬২৬ জন, মঙ্গলবার ১ হাজার ৫৭২ এবং সোমবার ১ হাজার ৬১৫ জন ডেঙ্গু নিয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছিলেন।

স্বাস্থ্য অধিদফতর বলছে, বৃহস্পতিবার সকাল ৮টা পর্যন্ত রাজধানীসহ সারা দেশে যত রোগী ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন, তার থেকে বেশি সুস্থ হয়ে বাসায় ফিরে গেছেন। রাজধানীতে ভর্তি হয়েছেন ৭৫০ জন আর সুস্থ হয়ে ফিরেছেন ৭৫৬ জন। দেশের অন্যান্য হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন ৮২২ জন এবং সুস্থ হয়েছেন ১ হাজার ৭৯ জন।

আগস্টের শুরু থেকে প্রতিদিনই ২ হাজারের বেশি মানুষ ডেঙ্গু নিয়ে হাসপাতালে যান। ডেঙ্গু আক্রান্তের সংখ্যার রেখাচিত্রে অবনমন ঘটে ঈদের পরদিন ১৩ আগস্ট। ওইদিন ১ হাজার ২০১ জন হাসপাতালে ভর্তি হন। তবে এর পরদিন থেকে আবার আক্রান্তের সংখ্যা বাড়তে থাকে। এর মধ্যে একদিন ১ হাজার ৪৬০ জন হলেও বাকি দিনগুলোয় আক্রান্তের সংখ্যাটি দেড় হাজারের বেশিই রয়েছে। তবে হাসপাতালে ভর্তি রোগীর সংখ্যা কমতে শুরু করেছে।

সরকারি তথ্যমতে, বৃহস্পতিবার সকাল ৮টা পর্যন্ত দেশের বিভিন্ন হাসপাতালে ভর্তি আছেন ৬ হাজার ১৪৭ জন। এদের মধ্যে ঢাকায় ৩ হাজার ৩৩২ জন এবং ঢাকার বাইরে বিভিন্ন জায়গায় ২ হাজার ৮১৫ জন ভর্তি ছিলেন। বুধবার সকাল ৮টা পর্যন্ত ৬ হাজার ২৭৮ জন, মঙ্গলবার সকাল ৮টা পর্যন্ত ছয় হাজার ৪৭০ জন ডেঙ্গু রোগী হাসপাতালে ভর্তি ছিলেন।

ছয়জনের মৃত্যু : ডেঙ্গুতে ২৪ ঘণ্টায় আরও ছয়জনের মৃত্যুর খবর পাওয়া গেছে। তারা হলেন ঢাকার তিতুমীর কলেজের ছাত্র কামাল উদ্দিন মেহেদী, চাঁদপুরের মো. গিয়াসউদ্দিন, বরিশালের মনির হোসেন, সাতক্ষীরার আলমগীর হোসেন গাজী, যশোরের মনিরামপুরের আবদুল গাফ্ফার ও কুমিল্লার চান্দিনা উপজেলার তাসনিমা আক্তার রিয়া।

বৃহস্পতিবার সকালে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের আইসিইউতে মারা যান মো. গিয়াস উদ্দিন (৪০)। ঢামেক হাসপাতালের পুলিশ ফাঁড়ির এসআই মো. বাচ্চু মিয়া জানান, স্বজনরা জানিয়েছেন, গিয়াস উদ্দিন চাঁদপুরের মতলব উপজেলার পশ্চিম শিংরা গ্রামের আবদুল আউয়ালের ছেলে। পরিবার নিয়ে তিনি ঢাকার পোস্তগোলায় থাকতেন।

গিয়াসের বড় ভাই জাহাঙ্গীর জানান, প্রচণ্ড জ্বর নিয়ে বুধবার রাত ১১টার দিকে গিয়াস ঢামেক হাসপাতালে ভর্তি হয়। সেখানে তাকে আইসিইউতে রাখা হয়েছিল। পরে চিকিৎসাধীন অবস্থায় সকালে তিনি মারা যান। তিনি জানান, তার এক ছেলে ও দুই মেয়ে রয়েছে।

যুগান্তরের তিতুমীর কলেজ প্রতিনিধি জানান, কামাল উদ্দিন মেহেদী রাজধানীর হলি ফ্যামেলি হাসপাতালে বুধবার সন্ধ্যা ৬টায় শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন। তিনি তিতুমীর কলেজের ইংরেজি বিভাগের ২০০৯-১০ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী। এবার মাস্টার্স পরীক্ষা দিয়েছেন। তার গ্রামের বাড়ি চাঁদপুর। রাজধানীর মুগদায় থাকতেন মেহেদী।

যশোরের মনিরামপুরে প্রতিনিধি জানান, ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে আবদুল গাফ্ফার (৫২) নামে এক শ্রমিকের মৃত্যু হয়েছে। তিনি যশোরের নওয়াপাড়ার একটি জুট মিলে কাজ করতেন। গাফ্ফার মনিরামপুরের আম্রঝুটা গ্রামের মৃত আক্কাজ সানার ছেলে। মৃত্যুর বিষয়টি স্থানীয় ইউপি সদস্য প্রভাত চ্যাটার্জী নিশ্চিত করেছেন। বুধবার ঢাকা আদ-দ্বীন হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান তিনি। তার লাশ বৃহস্পতিবার ভোরে নিজ গ্রামে এসে পৌঁছলে জানাজা শেষে পারিবারিক কবরস্থানে দাফন সম্পন্ন করা হয়।

মৃতের স্বজন জানান, প্রচণ্ড জ্বর অবস্থায় পরিবারের স্বজন আবদুল গাফ্ফারকে ১৭ আগস্ট যশোর ২৫০ শয্যা হাসপাতালে ভর্তি করে। সেখানে পরীক্ষা-নিরীক্ষা শেষে তার ডেঙ্গু ধরা পড়ে। শারীরিক অবস্থার অবনতি হলে তাকে উন্নত চিকিৎসার জন্য ২০ আগস্ট ঢাকা আদ-দ্বীন হাসপাতালে ভর্তি করা হলে সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় বুধবার সকাল সাড়ে ৯টায় তার মৃত্যু হয়।

যুগান্তরের ব্যুরো ও মেহেন্দিগঞ্জ প্রতিনিধি জানান, বরিশাল শেরেবাংলা মেডিকেল কলেজ (শেবাচিম) হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ডেঙ্গুতে আক্রান্ত এক ব্যক্তি মারা গেছেন। মৃত ব্যক্তির নাম মনির হোসেন (৩৪)। তিনি বরিশালের মেহেন্দিগঞ্জ উপজেলার রুকুনদি গ্রামের শাহজাহান মিয়ার ছেলে।

বুধবার রাতে হাসপাতালে আইসিইউ ইউনিটে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়। এ নিয়ে বরিশাল শেরেবাংলা মেডিকেল কলেজ (শেবাচিম) হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা গেলেন ৬ রোগী। ১৬ জুলাই থেকে এ পর্যন্ত ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হয়ে এ হাসপাতালে ১ হাজার ৪৩০ রোগী ভর্তি হলেও সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরে গেছেন ১ হাজার ২৬৭ জন। হাসপাতাল পরিচালক ডা. মো. বাকির হোসেন জানান, বেশির ভাগ রোগী সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরবেন। প্রকৃতপক্ষে বরিশালে এডিস মশার উপদ্রব নেই।

শেরপুর প্রতিনিধি জানান, ডেঙ্গুর প্রকোপ বেড়েই চলেছে। জেলা সদর হাসপাতালে আরও দুইজন নতুন ভর্তি হয়েছেন। এ পর্যন্ত জেলা হাসপাতালে ১০৯ রোগী শনাক্ত করা হয়েছে। এখন ভর্তি আছেন ২১ জন। বাকিরা সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরে গেছেন।

সাতক্ষীরা প্রতিনিধি জানান, সাতক্ষীরার কালীগঞ্জে ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে এক মাদ্রাসাছাত্রের মৃত্যু হয়েছে। আলমগীর হোসেন গাজী (১৪) নামে ওই কিশোর সাতক্ষীরার কালীগঞ্জ উপজেলার দক্ষিণ শ্রীপুর ইউনিয়নের শ্রীকলা গ্রামেন সিরাজুল ইসলামের ছেলে।

চান্দিনা (কুমিল্লা) প্রতিনিধি জানান, উপজেলার দোল্লাই নোয়াবপুর ইউনিয়নের সুরিখোলা গ্রামের শাহিন আলমের স্ত্রী তাসনিমা আক্তার রিয়া (১৯) ঢাকায় মিডফোর্ড হাসপাতালে বুধবার দুপুরে মারা যান। শাহিন জানান, ঢাকার জুরাইনে মুরাদপুর আদর্শ উচ্চবিদ্যালয়ে ব্যবসায় শিক্ষা শাখায় পড়ালেখা করত রিয়া। আগামী বছর তার এসএসসি পরীক্ষা দেয়ার কথা ছিল। কিছুদিন আগে তার সঙ্গে বিয়ে হয়েছিল।

রিয়ার আত্মীয় কামাল হোসেন জানান, রোববার থেকে জ্বরে ভুগছিলেন রিয়া। ওই দিনই তাকে ঢাকার মিডফোর্ড হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। রক্ত পরীক্ষার মাধ্যমে জানা যায় তিনি ডেঙ্গুজ্বরে আক্রান্ত। চিকিৎসাধীন অবস্থায় বুধবার দুপুর ১টায় দিকে তার মৃত্যু হয়। রাত ৮টায় জানাজা শেষে সুরিখোলা কবরস্থানে তার লাশ দাফন করা হয়।

৯৪ চিকিৎসকসহ ৩০০ স্বাস্থ্যকর্মী ডেঙ্গু আক্রান্ত : ঢাকায় ডেঙ্গু ছড়িয়ে পড়ার পর রোগীদের সেবায় নিয়োজিত ৩০০ স্বাস্থ্যকর্মী মশাবাহিত এই রোগে আক্রান্ত হয়েছেন, যাদের ৯৪ জনই চিকিৎসক। সবচেয়ে বেশি আক্রান্ত হয়েছেন ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের চিকিৎসক-নার্সরা।

সরকারি এ হাসপাতালের ২৫ জন চিকিৎসকসহ ৬২ জন কর্মী এ বছর ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হয়েছেন বলে স্বাস্থ্য অধিদফতর জানিয়েছে। অধিদফতরের হেলথ ইমার্জেন্সি অপারেশনস সেন্টার ও কন্ট্রোল রুমের তথ্যানুযায়ী, ১ জানুয়ারি থেকে এখন পর্যন্ত ৯৪ জন চিকিৎসক, ১৩০ জন নার্স এবং ৭৬ জন হাসপাতালকর্মী ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হয়ে ঢাকার বিভিন্ন হাসপাতালে চিকিৎসা নিয়েছেন।

ঘটনাপ্রবাহ : ভয়ংকর ডেঙ্গু

আরও
  • সর্বশেষ
  • সর্বাধিক পঠিত
সব খবর

ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক : সাইফুল আলম, প্রকাশক : সালমা ইসলাম

প্রকাশক কর্তৃক ক-২৪৪ প্রগতি সরণি, কুড়িল (বিশ্বরোড), বারিধারা, ঢাকা-১২২৯ থেকে প্রকাশিত এবং যমুনা প্রিন্টিং এন্ড পাবলিশিং লিঃ থেকে মুদ্রিত।

পিএবিএক্স : ৯৮২৪০৫৪-৬১, রিপোর্টিং : ৯৮২৪০৭৩, বিজ্ঞাপন : ৯৮২৪০৬২, ফ্যাক্স : ৯৮২৪০৬৩, সার্কুলেশন : ৯৮২৪০৭২। ফ্যাক্স : ৯৮২৪০৬৬ 

E-mail: [email protected]

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত ২০০০-২০১৯

converter
×