তৃণমূল আ'লীগে সম্মেলন হচ্ছে না দীর্ঘদিন : পাঁচ শতাধিক কমিটি মেয়াদোত্তীর্ণ

জাতীয় ও তৃণমূল কাউন্সিল নিয়ে সম্পাদকমণ্ডলীর সভা আজ * ডিসেম্বরের মধ্যে তৃণমূলের সব স্তরে কমিটি গঠন নিয়ে দ্বিধাদ্বন্দ্বে দায়িত্বপ্রাপ্তরা

  রেজাউল করিম প্লাবন ১৮ সেপ্টেম্বর ২০১৯, ০০:০০ | প্রিন্ট সংস্করণ

তৃণমূল আওয়ামী লীগে সম্মেলন হচ্ছে না দীর্ঘদিন: পাঁচ শতাধিক কমিটি মেয়াদোত্তীর্ণ

দীর্ঘ তিন বছর নানা উদ্যোগ নেয়ার পরও অধিকাংশ জেলা-উপজেলায় কাউন্সিল করতে পারেনি ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগ। এতে তৃণমূলে ৫ শতাধিক মেয়াদোত্তীর্ণ কমিটি দিয়ে চলছে যাবতীয় কার্যক্রম।

দলটির ৭৮ সাংগঠনিক জেলার মধ্যে এ পর্যন্ত মাত্র একটিতে (মৌলভীবাজার) কাউন্সিল হয়েছে। বাকি ৭৭টিই মেয়াদোত্তীর্ণ।

পাশাপাশি ৪ শতাধিক উপজেলায়ও একই চিত্র। বিদ্যমান পরিস্থিতিতে ডিসেম্বরের মধ্যে তৃণমূলে কাউন্সিল সম্পন্ন করতে হাইকমান্ডের যে নির্দেশনা এসেছে, সেটি বাস্তবায়ন বেশ দুরূহ হয়ে পড়েছে বলে মন্তব্য করেছেন আওয়ামী লীগের দায়িত্বপ্রাপ্ত কেন্দ্রীয় নেতাদের অনেকে।

তবে আগামী ২০-২১ ডিসেম্বর জাতীয় কাউন্সিল এবং ডিসেম্বরের মধ্যে তৃণমূলের সব স্তরে কাউন্সিল আয়োজনের বিষয়ে আজ বৈঠকে বসছে আওয়ামী লীগের সম্পাদকমণ্ডলী।

সেখানে তৃণমূলে কাউন্সিলের ব্যাপারে সুনির্দিষ্টভাবে বেশকিছু গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত আসতে পারে বলে জানায় সংশ্লিষ্ট সূত্র।

দলীয় সূত্রে জানা গেছে, বিগত তিন বছরে না হওয়া তৃণমূল সম্মেলন আগামী তিন মাসে কীভাবে সম্ভব- তা নিয়ে রীতিমতো দ্বিধাদ্বন্দ্বে পড়েছেন আওয়ামী লীগের দায়িত্বপ্রাপ্ত কেন্দ্রীয় নেতারা।

তারা বলছেন, কোনো কোনো কমিটি ২৩ বছরের মেয়াদোত্তীর্ণ, ভাঙতে গেলেই প্রবীণদের আর্তনাদ- ‘বঙ্গবন্ধুর সঙ্গে আমি রাজনীতি করেছি’।

এ ছাড়া উল্লেখযোগ্য সংখ্যক কমিটি ১০-১২ বছর আগেই মেয়াদোত্তীর্ণ। এগুলো ‘বগলদাবা’ করে রেখেছেন মন্ত্রী, এমপি ও প্রভাবশালী নেতাদের অনেকে। সম্মেলনের কথা শুনলেই সংশ্লিষ্ট নেতারা গণভবন পর্যন্ত ছুটে যান। নানা অজুহাতে কাউন্সিল না করার পক্ষে মত দেন তারা।

সেই সঙ্গে যোগ হয়েছে তৃণমূলে ভয়াবহ অভ্যন্তরীণ কোন্দল। যার বহিঃপ্রকাশ ঘটেছে উপজেলাসহ বিভিন্ন স্থানীয় সরকার নির্বাচনে। যেখানে ছিল বিপুলসংখ্যক বিদ্রোহী প্রার্থী।

পাশাপাশি কেন্দ্রের দায়িত্বপ্রাপ্তরা তৃণমূলে গেলেও প্রভাবশালী নেতাদের প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষ চাপে কাউন্সিল না করেই খালি হাতে ফিরতে হয়েছে তাদের।

এমন প্রতিকূল পরিস্থিতির মধ্যে ডিসেম্বরের মধ্যে সুষ্ঠুভাবে তৃণমূলের সব স্তরে কাউন্সিল করা বেশ কঠিন বলে মনে করছেন অনেক নেতাই।

আওয়ামী লীগের নীতিনির্ধারকদের অনেকে মনে করছেন, এমন বাস্তবতায় তৃণমূলে হাত দিলে তা ‘হিতে-বিপরীত’ও হতে পারে। দীর্ঘদিনের কোন্দল মাথাচাড়া দিতে পারে। যা জাতীয় কাউন্সিলে নেতিবাচক প্রভাব পড়ার আশঙ্কা থাকছে।

তাই জাতীয় কাউন্সিলের আগে তৃণমূলে হাত না দেয়ার পক্ষে দলের বেশিরভাগ কেন্দ্রীয় নেতা। তবে যেসব জেলায় কোন্দল ততটা তীব্র নয়, সেখানে কাউন্সিল শেষ করার চিন্তা রয়েছে দায়িত্বশীলদের। আবার অনেক স্থানে সম্মেলন করে কমিটি ঘোষণা না-ও করা হতে পারে।

শনিবার গণভবনে দলের কেন্দ্রীয় কার্যনির্বাহী সংসদের বৈঠকে আওয়ামী লীগ সভাপতি প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা তিন বছরে মাত্র একটি জেলায় সম্মেলন হওয়ায় কেন্দ্রীয় নেতাদের প্রতি চরম ক্ষুব্ধ প্রতিক্রিয়া ব্যক্ত করেছেন। তিনি নেতাদের উদ্দেশে বলেছেন, এই মেয়াদে মাত্র একটি জেলায় সম্মেলন হল কেন?

বাকিগুলো কেন হল না? আপনারা করেন কী? কে কী করেন সবার আমলনামা কিন্তু আমার কাছে রয়েছে। জেলায় জেলায় গিয়ে খাওয়া-দাওয়া করে আসেন, দলের কাজ তো কেউ করেন না।

ব্যক্তি অপকর্মের দায় দল ও সরকার নেবে না। কাউকে ছাড় দেয়া হবে না। প্রধানমন্ত্রীর এমন প্রশ্নের কোনো সদুত্তর দিতে পারেননি কেন্দ্রীয় নেতারা।

প্রসঙ্গত, আওয়ামী লীগের সর্বশেষ কেন্দ্রীয় কাউন্সিল হয়েছিল ২০১৬ সালের ২১-২২ অক্টোবর। সে হিসাবে চলতি বছরের অক্টোবরে সম্মেলন হওয়ার কথা থাকলেও তা পিছিয়ে ২০-২১ ডিসেম্বর করার সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে।

শনিবার দলটির কার্যনির্বাহী সংসদের সভায় কাউন্সিলের এ তারিখ ঘোষণা করেন আওয়ামী লীগ সভাপতি প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। এর একদিন পর রোববার আগামী ১০ ডিসেম্বরের মধ্যে তৃণমূল সম্মেলনের নির্দেশনা দেন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের।

জানতে চাইলে আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আবদুর রহমান মঙ্গলবার যুগান্তরকে বলেন, কেন্দ্রীয় কাউন্সিল হল আওয়ামী লীগের ‘ইঞ্জিন’। দলের ‘ইঞ্জিন’ চালু হলে ‘বগি’ এমনিতেই চালু হবে। জেলা-উপজেলা ও ইউনিয়ন কাউন্সিল করে জাতীয় সম্মেলন করতে হবে- এমন কোনো শর্ত নেই।

জাতীয় সম্মেলন ঠিক সময়ে হলে তৃণমূল যে কোনো সময় করা যাবে। তবে আমরা আশা করি, জাতীয় সম্মেলনের পরপরই বাকি জেলা-উপজেলা সম্মেলন দ্রুত শেষ হবে।

মেয়াদোত্তীর্ণ কমিটির সম্মেলন করতে না পারাটা এক রকমের অপরাধ- এমন মন্তব্য করে আবদুর রহমান বলেন, এই দায়বদ্ধতা উত্তোরণে আমরা চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছি। যতটুকু পারা যায় জাতীয় কাউন্সিলের আগে করব। বাকিটুকু কাউন্সিলের পর নতুন কমিটি করবে।

আওয়ামী লীগের শীর্ষ কয়েকজন নেতা প্রায় অভিন্ন সুরে বলেন, ১০ ডিসেম্বরের মধ্যে মেয়াদোত্তীর্ণ জেলা-উপজেলায় সম্মেলনের কথা বলা হলেও এটা বাস্তবায়ন করা বেশ কঠিন। তবে আমরা জাতীয় সম্মেলনের আগে যতটুকু সম্ভব চেষ্টা করে যাব।

আমাদের ব্যর্থতার দৃষ্টান্ত দেখাতে চাই না। ৭৭টি সাংগঠনিক জেলা ও এর আওতাধীন চার শতাধিক উপজেলা থেকে কমপক্ষে ১০টি জেলা ও ১০০টি উপজেলায় সম্মেলনের টার্গেট নেয়া হচ্ছে।

বুধবারের (আজ) সম্পাদকমণ্ডলীর আলোচনা সভায় তালিকাভুক্ত জেলা-উপজেলার নাম সম্মেলনের তারিখসহ ঘোষণা করা হতে পারে।

একই সঙ্গে জাতীয় সম্মেলনের প্রস্তুতির আনুষ্ঠানিক ঘোষণা আসবে এ বৈঠক থেকে। বৈঠকে তৃণমূল থেকে কাউন্সিলর ও ডেলিগেট তালিকা প্রস্তুত নিয়ে আলোচনা হওয়ার কথা রয়েছে।

ওই নেতারা আরও জানান, জাতীয় সম্মেলনের উপাদেয় হল তৃণমূল থেকে কাউন্সিলর ও ডেলিগেট নির্বাচিত করা। জেলা-উপজেলা কমিটি মেয়াদোত্তীর্ণ হলেও তাদের মধ্য থেকেই কাউন্সিলর তালিকা করা হবে।

১০ ডিসেম্বরের মধ্যে সারা দেশে এ কাজটি সম্পন্ন করা হবে। এ মুহূর্তে তৃণমূলের সম্মেলন থেকে কাউন্সিলর ডেলিগেট তালিকা তৈরির দিকেই ঝোঁক বেশি আওয়ামী লীগের।

সম্মেলন-পরবর্তী সময়ে তৃণমূলের সম্মেলন নিয়ে কাজ করবে আওয়ামী লীগের নবাগত কেন্দ্রীয় কমিটি। গতবারের কাউন্সিলর, ডেলিগেট তালিকাই থাকছে এবারের সম্মেলনেও। তবে কিছু কিছু স্থানে সংযোজন-বিয়োজন হতে পারে।

সাংগঠনিক তৎপরতা বাড়াতে ও তৃণমূল সম্মেলনের জন্য ২০১৮ সালের জানুয়ারি মাসে বিভাগীয় ৮টি টিম গঠন করেন আওয়ামী লীগ সভাপতি প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

এসব টিমের নেতৃত্বে আছেন একজন করে প্রেসিডিয়াম সদস্য। এ ছাড়া বিভাগীয় সাংগঠনিক ও যুগ্ম সাধারণ সম্পাদকসহ কেন্দ্রীয় নেতারা কাজ করছেন টিমে।

খোঁজ নিয়ে জানা যায়, গঠিত আওয়ামী লীগের ওই আটটি টিম তৃণমূল সফর শুরু করে থেমে যায়। জেলা-উপজেলা কমিটি করতে গিয়ে নানা সমস্যার সম্মুখীন হন নেতারা। হাজারো চেষ্টা করে ৭৮টি সাংগঠনিক জেলার মধ্যে মাত্র মৌলভীবাজার জেলা সম্মেলন করতে পেরেছেন তারা।

এ সময় কেন্দ্রীয় হাইকমান্ডের নির্দেশনাও তেমন কাজে আসেনি। সে সময় কেন্দ্রীয় নেতাদের অনেকে জাতীয় সম্মেলনের আগেই মেয়াদোত্তীর্ণ কমিটি বাতিল ও সম্মেলনের মাধ্যমে নতুন কমিটি গঠনের ঘোষণা দিয়েছিলেন।

যদিও ২০১৬ সালে অনুষ্ঠিত কাউন্সিলের আগে ৭৮টি জেলার মধ্যে ৫৮টি জেলায় কাউন্সিল অনুষ্ঠিত হয়েছিল। তখন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ছিলেন প্রয়াত সৈয়দ আশরাফুল ইসলাম।

তৃণমূলের বিভিন্ন স্তরের নেতাদের সঙ্গে আলাপ করে জানা গেছে, ২৩ বছর ধরে কুমিল্লা জেলার দেবিদ্বার উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতির দায়িত্ব পালন করছেন বর্তমান উপজেলা চেয়ারম্যান মুক্তিযোদ্ধা জয়নুল আবেদীন।

১৯৯৬ সালের ২ আগস্ট সর্বশেষ সম্মেলন হয়েছিল দেবিদ্বারে। সেই সম্মেলনে সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত হন একেএম মনিরুজ্জামান।

৭২ বছর বয়সী জয়নুল আবেদীনের নেতৃত্ব নিয়ে খুব একটা উচ্ছ্বাস না থাকলেও কেন্দ্রীয় আওয়ামী লীগ এ কমিটিতে হাত দিতে চায় না। নতুনদের নানা অভিযোগের পরও দীর্ঘ ২৩ বছরে কোনো সম্মেলন করতে পারেনি।

কমিটির মেয়াদ ২০ বছর পেরিয়ে গেলেও এখনও সম্মেলন হচ্ছে না ময়মনসিংহ জেলার গফরগাঁও উপজেলা আওয়ামী লীগে। ১৯৯৬ সালের ২ আগস্ট এখানে সর্বশেষ সম্মেলন হয়। সেই সম্মেলনে মো. আমির হোসেন সভাপতি ও দুলাল উদ্দিন আকন্দকে সাধারণ সম্পাদক করে একটি কমিটি করা হয়।

কমিটির কার্যক্রম নিষ্ক্রিয় হওয়ায় গত দু’বছর আগে একটি আহ্বায়ক কমিটি গঠন করা হয়। ২০০৩ সালে সম্মেলনের মাধ্যমে কমিটি গঠন করা হয় ময়মনসিংহ জেলার গৌরীপুর, ফুলবাড়িয়া, ভালুকা, ঈশ্বরগঞ্জ, ফুলপুর উপজেলায়। মেয়াদোত্তীর্ণের ১৫ বছর পেরিয়ে গেলেও এসব উপজেলায় সম্মেলন হয়নি।

কুমিল্লা জেলার চৌদ্দগ্রাম উপজেলা আওয়ামী লীগের কমিটির মেয়াদ ৪ বছর পেরিয়ে গেলেও হচ্ছে না সম্মেলন। এখানে ২০১২ সালে সর্বশেষ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়। ২০১৬ সাল থেকে আহ্বায়ক কমিটি দিয়েই চলছে কুমিল্লা জেলার নাঙ্গলকোট উপজেলা আওয়ামী লীগ। একই অবস্থা বরুড়া উপজেলারও।

মুরাদনগর উপজেলার সর্বশেষ কমিটি হয়েছিল ২০১৩ সালে। একই বছর সম্মেলন হয়েছিল তিতাস ও হোমনা উপজেলায়। মেঘনা উপজেলায় সম্মেলন হয়েছিল ২০১২ সালের ১২ ডিসেম্বর। সম্মেলনের তারিখ অনুযায়ী ইতিমধ্যে মেয়াদোত্তীর্ণ হয়েছে দাউদকান্দি ও ব্রাহ্মণপাড়া উপজেলার।

লালমনিরহাট জেলা কমিটি গঠন হয় ২০১৩ সালের ৮ ডিসেম্বর। কমিটির মেয়াদ তিন বছর পার হলেও সম্মেলনের কথা মুখে আনছেন না কেউই। সিলেট জেলা ও মহানগর আওয়ামী লীগের কমিটির মেয়াদ শেষ হয়েছে প্রায় ৫ বছর আগে। ২০১১ সালে গঠিত এই দুই কমিটির মেয়াদ শেষ হয় ২০১৪ সালে।

৫ বছর পেরিয়ে গেলেও সম্মেলনের নামগন্ধ নেই চট্টগ্রাম মহানগর আওয়ামী লীগ কমিটির। অনেক আগের সম্মেলনের ৭১ সদস্যের সর্বশেষ কমিটি হয় ২০১৩ সালের ১৪ নভেম্বর।

২০১৭ সালের ডিসেম্বরে কমিটির সভাপতি বিএম মহিউদ্দিন চৌধুরী মারা গেছেন। এখন ভারপ্রাপ্ত সভাপতি দিয়ে চলছে কমিটির কার্যক্রম। একই অবস্থা চট্টগ্রাম উত্তর ও দক্ষিণ কমিটিতে।

চট্টগ্রাম উত্তর জেলা আওয়ামী লীগের সম্মেলন হয়েছিল ২০১২ সালের ডিসেম্বরে। ২০১৩ সালের প্রথমদিকে ৭১ সদস্যের পূর্ণাঙ্গ কমিটি ঘোষণা করা হয়।

চট্টগ্রাম দক্ষিণ জেলা আওয়ামী লীগের পূর্ণাঙ্গ কমিটি গঠন করা হয়েছিল ২০১৪ সালে। মেয়াদোত্তীর্ণ হয়ে গেলেও এখন পর্যন্ত ওই কমিটিই বহাল আছে।

রাজশাহী মহানগর আওয়ামী লীগের কমিটির মেয়াদও শেষ হয়েছে ২০১৭ সালে। একইভাবে দু’বছর আগে চাঁপাইনবাবগঞ্জ, নাটোর, পাবনা ও সিরাজগঞ্জ জেলা আওয়ামী লীগের কমিটির মেয়াদ শেষ হয়েছে।

যশোর জেলা আওয়ামী লীগের বর্তমান কমিটিও মেয়াদোত্তীর্ণ। জেলার ৮ উপজেলা কমিটির কোনোটিই পূর্ণাঙ্গ নয়।

একই অবস্থা দেশের বেশিরভাগ জেলা-উপজেলা আওয়ামী লীগের কমিটির। মেয়াদোত্তীর্ণ হওয়ার কারণে জোড়াতালি দিয়েই চালানো হচ্ছে সাংগঠনিক কার্যক্রম।

  • সর্বশেষ
  • সর্বাধিক পঠিত
সব খবর

ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক : সাইফুল আলম, প্রকাশক : সালমা ইসলাম

প্রকাশক কর্তৃক ক-২৪৪ প্রগতি সরণি, কুড়িল (বিশ্বরোড), বারিধারা, ঢাকা-১২২৯ থেকে প্রকাশিত এবং যমুনা প্রিন্টিং এন্ড পাবলিশিং লিঃ থেকে মুদ্রিত।

পিএবিএক্স : ৯৮২৪০৫৪-৬১, রিপোর্টিং : ৯৮২৪০৭৩, বিজ্ঞাপন : ৯৮২৪০৬২, ফ্যাক্স : ৯৮২৪০৬৩, সার্কুলেশন : ৯৮২৪০৭২। ফ্যাক্স : ৯৮২৪০৬৬ 

E-mail: [email protected]

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত ২০০০-২০১৯

converter
×