মিয়ানমারকে বাধ্য করতে বিশ্বকে পদক্ষেপ নিতে হবে : প্রধানমন্ত্রী

উন্নয়নকে চ্যালেঞ্জের মুখে ফেলছে রোহিঙ্গা সংকট * সন্ত্রাস ও চরমপন্থার বিরুদ্ধে লড়াইয়ে চার দফা প্রস্তাব * অধিকতর মার্কিন বিনিয়োগ ও সম্পৃক্ততার আহ্বান

  বাসস ২৭ সেপ্টেম্বর ২০১৯, ০০:০০ | প্রিন্ট সংস্করণ

রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসনে বিশ্বকে পদক্ষেপ নিতে হবে: প্রধানমন্ত্রী

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, রোহিঙ্গাদের নিরাপদ, মর্যাদাপূর্ণ এবং স্বেচ্ছায় ফিরে যাওয়ার পরিবেশ সৃষ্টিতে মিয়ানমারকে বাধ্য করতে বিশ্ব সম্প্রদায়কে সব ধরনের পদক্ষেপ গ্রহণ করতে হবে।

মিয়ানমারের কারণে সৃষ্ট রোহিঙ্গা সংকট বাংলাদেশের উন্নয়নকে চ্যালেঞ্জের মুখে ফেলছে বলে মন্তব্য করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, রোহিঙ্গা সমস্যাটি বাংলাদেশের জন্য একটি বড় চ্যালেঞ্জ।

আমরা এ সংকটের একটি শান্তিপূর্ণ ও তাৎক্ষণিক সমাধান চাই। মিয়ানমারই এ সমস্যার সৃষ্টি করেছে এবং এর সমাধানও মিয়ানমারেই রয়েছে।

যুক্তরাষ্ট্রের নিউইয়র্কে বুধবার বিকালে মার্কিন থিংকট্যাংক ‘কাউন্সিল অব ফরেন রিলেশনস’ (সিএফআর) আয়োজিত ‘এ কনভারসেশন উইথ প্রাইম মিনিস্টার শেখ হাসিনা’ শীর্ষক সংলাপে তিনি এসব কথা বলেন।

প্রধানমন্ত্রী বাংলাদেশের অভূতপূর্ব অর্থনৈতিক সাফল্যের বিবরণ তুলে ধরার পাশাপাশি জলবায়ু পরিবর্তনের বিরূপ প্রভাব এবং সন্ত্রাস ও জঙ্গিবাদের চ্যালেঞ্জ মোকাবেলা করার কথা বলেন।

তিনি সন্ত্রাস ও উগ্র চরমপন্থাকে সামাজিক ব্যাধি আখ্যায়িত করে এর বিরুদ্ধে লড়াইয়ের জন্য চার দফা প্রস্তাব উত্থাপন করেন। প্রস্তাবগুলো হল- সন্ত্রাসীদের অস্ত্রের জোগান অবশ্যই বন্ধ করতে হবে।

তাদের অর্থের জোগান বন্ধ করতে হবে। সামাজিক বৈষম্য দূর করতে হবে এবং আন্তর্জাতিক বিভিন্ন সমস্যা শান্তিপূর্ণ আলোচনার মাধ্যমে সমাধান করতে হবে।

মিয়ানমার পরিকল্পিত নৃশংসতার মাধ্যমে রাখাইন রাজ্য থেকে রোহিঙ্গাদের নিধন শুরু করে উল্লেখ করে শেখ হাসিনা বলেন, রোহিঙ্গারা নৃশংসতা ও সন্ত্রাস থেকে পালিয়েছিল।

আমরা মানবিক দিক বিবেচনা করে সীমান্ত খুলে দেই। সরকার রোহিঙ্গাদের জন্য সব ধরনের মানবিক সহায়তা প্রদান করে যাচ্ছে। আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়, বিশেষ করে, ইউরোপীয় ইউনিয়ন, চীন ও যুক্তরাষ্ট্র বাংলাদেশকে সহায়তা করছে।

প্রধানমন্ত্রী সবাইকে রোহিঙ্গা শরণার্থীশিবিরগুলো পরিদর্শনের আহ্বান জানিয়ে বলেন, আমরা বিশ্বাস করি, এসব শিবির পরিদর্শনে এসে মিয়ানমারের নিরাপত্তা বাহিনী এবং স্থানীয় সন্ত্রাসীদের দ্বারা রোহিঙ্গাদের নিধনযজ্ঞের বিভিন্ন নৃশংস ঘটনাবলি শুনলে আপনারা কেঁপে উঠবেন।

আপনাদের হৃদয় যন্ত্রণায় দগ্ধ হবে এবং আপনারা শিগগিরই রোহিঙ্গাদের এসব বেদনাদায়ক পরিস্থিতির অবসান চাইবেন।

রোহিঙ্গা শরণার্থীদের অবর্ণনীয় দুর্দশার কথা বলতে গিয়ে শেখ হাসিনা বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধের সময় কোটি মানুষের ভারতে আশ্রয় নেয়ার কথা স্মরণ করেন।

তিনি বলেন, ১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে সপরিবারে নৃশংসভাবে হত্যার পর আমি নিজেও শরণার্থী হয়ে পড়েছিলাম। কেবল আমি ও আমার ছোট বোন শেখ রেহানা সে সময় বিদেশে থাকায় প্রাণে বেঁচে যাই।

রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসন সম্পর্কিত এক প্রশ্নের জবাবে শেখ হাসিনা বলেন, বাংলাদেশের সঙ্গে মিয়ানমারের আলোচনা হয়েছে এবং তা অব্যাহত রয়েছে।

আন্তর্জাতিক সম্প্রদায় এ আলোচনা প্রক্রিয়ায় সমর্থন জানিয়েছে। তিনি বলেন, সমস্যা হচ্ছে- রোহিঙ্গারা নিরাপত্তাহীনতা বোধ করে বলে দেশে ফিরে যেতে চাচ্ছে না।

১৯৮২ সালে মিয়ানমার সংবিধান পরিবর্তন করে রোহিঙ্গাদের কীভাবে নাগরিকত্বের অধিকার থেকে বঞ্চিত করেছে, সে কথাও তিনি তুলে ধরেন।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, মিয়ানমারের উচিত এমন পরিবেশ তৈরি করা, যাতে রোহিঙ্গারা দেশে ফিরে গিয়ে নিজ ভূমিতে বসবাস করতে পারে।

রোহিঙ্গাদের প্রত্যাবাসনে আন্তর্জাতিক চাপ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। কিন্তু কক্সবাজারে রোহিঙ্গা শিবিরে সম্পৃক্ত বিভিন্ন সংগঠন চায় না এসব লোক তাদের দেশে ফিরে যাক। সংগঠনগুলো রোহিঙ্গাদের আটকানোর চেষ্টা করছে।

তিনি বলেন, যদি আমরা ভাসানচর দ্বীপে তাদের স্থানান্তর করতে পারি, তাহলে কিছু লোক কর্মসংস্থানের সুযোগ পাবে এবং তাদের শিশুরা শিক্ষার সুবিধা পাবে।

সন্ত্রাস ও উগ্র চরমপন্থা নিয়ন্ত্রণে সরকারের নেয়া বিভিন্ন পদক্ষেপের কথা তুলে ধরে প্রধানমন্ত্রী বলেন, যে কারণে ২০১৬ সালের ১ জুলাই বাংলাদেশের হলি আর্টিজান বেকারিতে সন্ত্রাসী হামলার পর আর কোনো বড় ধরনের ঘটনা ঘটতে পারেনি।

আমাদের জনগণ এখন সতর্ক রয়েছে। সন্ত্রাসের কোনো ধর্ম ও সীমানা নেই।

জলবায়ু পরিবর্তন ইস্যুতে শেখ হাসিনা বলেন, জলবায়ু পরিবর্তনের বিরূপ প্রভাবের জন্যই বিশ্বব্যাপী বছরজুড়ে ঘূর্ণিঝড়, বন্যা এবং খরার পরিমাণ অস্বাভাবিকভাবে বেড়ে গেছে।

জলবায়ুর বিরূপ প্রভাব মোকাবেলায় সরকারের ‘বাংলাদেশ ক্লাইমেট চেঞ্জ স্ট্র্যাটেজি অ্যান্ড অ্যাকশন প্ল্যান ২০০৯’ প্রণয়নের কথা উল্লেখ করে তিনি বলেন, এ প্ল্যানের আওতায় নিজস্ব সম্পদের দ্বারা বাংলাদেশ ক্লাইমেট চেঞ্জ ট্রাস্ট ফান্ড গঠন করা হয়েছে।

এরপর কয়েকশ’ প্রকল্পে প্রায় ৪৫০ মিলিয়ন মার্কিন ডলার ব্যয় করা হয়েছে।

বাংলাদেশে নারীর ক্ষমতায়ন এবং নারী-পুরুষের সমান অংশগ্রহণে সরকারের নেয়া বিভিন্ন পদক্ষেপের তথ্য তুলে ধরেন।

তিনি বলেন, বাংলাদেশে রাজনীতি, সরকার, জাতীয় সংসদ, স্থানীয় সংস্থা, সামরিক বাহিনী, পুলিশ বাহিনী ও নিরাপত্তা সংস্থা এমনকি জাতিসংঘ শান্তিরক্ষী বাহিনীসহ সর্বক্ষেত্রে নারীরা উচ্চপদে আসীন।

তথ্যপ্রযুক্তি (আইসিটি) খাতে সরকারের সাফল্যের কথা উল্লেখ করে তিনি বলেন, বাংলাদেশ যথাসময়েই এমডিজি অর্জন করেছে এবং ২০৩০ সালের মধ্যে এসডিজি অর্জনে এগিয়ে যাচ্ছে।

শেখ হাসিনা বলেন, দ্রুত অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি ও বাস্তবমুখী জননীতির মাধ্যমে গ্রামের মানুষের জীবনযাত্রার মানোন্নয়নে আমাদের নতুন স্লোগান- ‘আমার গ্রাম-আমার শহর’।

তিনি বলেন, আইএমএফ রিপোর্ট-২০১৯-এ বাংলাদেশ এশিয়ার দ্বিতীয় বৃহৎ অর্থনীতি এবং পিপিপি হিসেবে বিশ্বের ৩০তম বৃহৎ অর্থনীতির স্বীকৃতি লাভ করেছে।

এশিয়ান ডেভেলপমেন্ট ব্যাংকের (এডিবি) সর্বশেষ রিপোর্টে বলা হয়েছে, এশিয়া-প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলে বাংলাদেশ দ্রুত বর্ধনশীল অর্থনীতির দেশ।

মুসলিম দেশগুলোর ঐক্যের বিষয়ে এক প্রশ্নে প্রধানমন্ত্রী বলেন, আমি যখন মক্কায় ওআইসি সম্মেলনে অংশ নিয়েছি, তখন এই ইস্যু উত্থাপন করেছিলাম- মুসলিম দেশগুলোর মধ্যে যখন কোনো সমস্যা দেখা দেবে, তখন তা সংলাপ অথবা আলাপ-আলোচনার মাধ্যমে সমাধান করা হবে।

আপনারা জানেন, কোথায় এই সমস্যা নিহিত রয়েছে। তিনি বলেন, প্রত্যেকবার আমি ওআইসিতে এই ইস্যু তুলেছি এবং এসব বিষয়ে ওআইসি কিছু পদক্ষেপ নেবে আশা করেছি। কিন্তু যে কারণেই হোক তা হয়নি।

প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা সজীব ওয়াজেদ জয়, পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. এ কে আবদুল মোমেন, বাণিজ্যমন্ত্রী টিপু মুনশি, স্বাস্থ্যমন্ত্রী জাহিদ মালেক, বন, পরিবেশ ও জলবায়ু পরিবর্তনবিষয়ক মন্ত্রী মো. শাহাবউদ্দিন, পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শাহরিয়ার আলম, যুক্তরাষ্ট্রে বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত এম জিয়াউদ্দিন, প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের এসডিজিবিষয়ক মুখ্য সমন্বয়কারী আবুল কালাম আজাদ, সিএফআর প্রেসিডেন্ট রিচার্ড এন হাস এবং সিএফআর’র সদস্যরা অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন।

অধিকতর মার্কিন বিনিয়োগ ও সম্পৃক্ততার আহ্বান : প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বাংলাদেশের আরও উন্নয়নের জন্য অধিকতর মার্কিন বিনিয়োগ ও সম্পৃক্ততা চেয়ে বলেছেন, এটি হবে দু’দেশের জন্য একটি ‘উইন-উইন অপশন’।

তিনি বলেন, যুক্তরাষ্ট্রকে আমাদের দ্বিতীয় বৃহত্তম বাণিজ্য অংশীদার ও বৃহত্তম বিনিয়োগ অংশীদার হিসেবে দেখতে পেয়ে আমি আনন্দিত।

লোট নিউইয়র্ক প্যালেস হোটেলে বুধবার ইউএস চেম্বারস অব কমার্স আয়োজিত ‘মধ্যাহ্নভোজ গোলটেবিল বৈঠক’-এ তিনি এসব কথা বলেন।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, যখন চতুর্থ শিল্পবিপ্লব আমাদের দরজায় কড়া নাড়ছে, তখন অভিন্ন সুবিধা ও সমৃদ্ধির জন্য আমাদের অভিযাত্রায় আপনাদের সঙ্গে থাকা খুবই গুরুত্বপূর্ণ।

এ ধরনের লাভজনক পারস্পরিক সহযোগিতা আমাদের মধ্যকার বিদ্যমান বন্ধুত্বকে আরও জোরদার করে স্থায়ী বন্ধুত্বে রূপ দেবে। শেখ হাসিনা বলেন, দক্ষিণ এশিয়ার মধ্যে বাংলাদেশের বিনিয়োগ নীতি সবচেয়ে উদার।

এর বহুবিধ সুবিধার মধ্যে কয়েকটি হল- আইনের মাধ্যমে বিদেশি বিনিয়োগের সুরক্ষা; উদার ট্যাক্স হলিডে; যন্ত্রপাতি আমদানির ক্ষেত্রে রেয়াতি শুল্ক; অবাধ ও এক্সিট নীতি; এক্সিটের ক্ষেত্রে লভ্যাংশ ও মূলধনের পূর্ণ প্রত্যার্পণ।

বাংলাদেশ ও যুক্তরাষ্ট্র একটি ‘দ্বিপক্ষীয় বিনিয়োগ চুক্তি’ ও ‘দ্বৈত করারোপ সমঝোতা’ স্বাক্ষর করেছে বলে তিনি উল্লেখ করেন।

শেখ হাসিনা বলেন, বাংলাদেশের বিভিন্ন স্থানে ওয়ানস্টপ সুবিধা সংবলিত ১০০টি বিশেষায়িত অর্থনৈতিক অঞ্চল প্রতিষ্ঠা করা হচ্ছে।

এছাড়া প্রযুক্তি ও উদ্ভাবনী উদ্যোগের জন্য বেশকিছু হাইটেক পার্কও প্রস্তুত হয়েছে। তিনি বলেন, বাংলাদেশে মার্কিন বিনিয়োগ ৫ বছরে ১ বিলিয়ন ডলার ছাড়িয়েছে।

যদিও অর্থনৈতিক ও কারিগরি সক্ষমতার বিচারে এটি মার্কিন বিনিয়োগ সম্ভাবনার অনেক কম। শেখ হাসিনা বলেন, কৌশলগত অবস্থার কারণে বাংলাদেশ আঞ্চলিক ইকোনমিক হাব হওয়ার বিপুল সম্ভাবনাময়।

তিনি বলেন, বাংলাদেশ বর্তমানে পিপিপি’র ভিত্তিতে বিশ্বে ৩০তম শীর্ষ অর্থনৈতিক দেশ এবং এটি ক্রমবর্ধমানভাবে উন্নয়নের রোল মডেল হিসেবে বৈশ্বিক স্বীকৃতি পাচ্ছে। ইউএস চেম্বারস অব কমার্স এবং বাংলাদেশ ও যুক্তরাষ্ট্রের ব্যবসায়ী নেতারা বৈঠকে যোগ দেন।

সাধারণ পরিষদের অধিবেশনে ভাষণ শুক্রবার : প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের ৭৪তম অধিবেশনে ভাষণ দেবেন।

জাতিসংঘে বাংলাদেশের স্থায়ী মিশন সূত্র জানায়, স্থানীয় সময় শুক্রবার বিকাল সাড়ে ৫টা থেকে ৬টার মধ্যে (বাংলাদেশ সময় শনিবার বিকাল সাড়ে ৩টা থেকে ৪টা) প্রধানমন্ত্রীর ভাষণ দেয়ার কথা রয়েছে। শেখ হাসিনা আগের মতো এবারও বাংলায় ভাষণ দেবেন।

প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে বিল গেটসের সাক্ষাৎ : প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেছেন বিশ্বের অন্যতম শীর্ষ ধনী মাইক্রোসফটের প্রতিষ্ঠাতা বিল গেটস।

দাতব্য সংস্থা বিল অ্যান্ড মেলিন্ডা গেটস ফাউন্ডেশনের কো-চেয়ার বিল গেটস স্থানীয় সময় বুধবার সকালে লোটে প্যালেস নিউইয়র্ক হোটেলে এসে শেখ হাসিনার সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন।

৫১ বিলিয়ন ডলারের বেশি তহবিল নিয়ে বিশ্বের সবচেয়ে বড় দাতব্য সংস্থাগুলোর একটি বিল অ্যান্ড মেলিন্ডা গেটস ফাউন্ডেশন। বিভিন্ন উন্নয়নশীল দেশে তারা দারিদ্র্যবিমোচন এবং স্বাস্থ্য ও শিক্ষার উন্নয়নে কাজ করে।

যুক্তরাষ্ট্রেও যাতে কেউ শিক্ষা ও মৌলিক অধিকার থেকে বঞ্চিত না হয়, সে লক্ষ্যেও কাজ করে তারা। বিল গেটস ছাড়াও আন্তর্জাতিক অপরাধ আদালতের (আইসিসি) প্রসিকিউটর ফাতো বেনসুদা, জাতিসংঘের শরণার্থীবিষয়ক হাইকমিশনার ফিলিপ্পো গ্রান্ডি এবং ইউনেস্কোর সাবেক মহাপরিচালক ইরিনা বোকোভাও আলাদাভাবে প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেন। এছাড়া এক্সন মবিল এলএনজি ডেভেলপমেন্টের চেয়ারম্যান অ্যালেক্স ভি ভলকোভও সাক্ষাৎ করেছেন।

ঘটনাপ্রবাহ : রোহিঙ্গা বর্বরতা

আরও
আরও পড়ুন
  • সর্বশেষ
  • সর্বাধিক পঠিত
সব খবর

ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক : সাইফুল আলম, প্রকাশক : সালমা ইসলাম

প্রকাশক কর্তৃক ক-২৪৪ প্রগতি সরণি, কুড়িল (বিশ্বরোড), বারিধারা, ঢাকা-১২২৯ থেকে প্রকাশিত এবং যমুনা প্রিন্টিং এন্ড পাবলিশিং লিঃ থেকে মুদ্রিত।

পিএবিএক্স : ৯৮২৪০৫৪-৬১, রিপোর্টিং : ৯৮২৪০৭৩, বিজ্ঞাপন : ৯৮২৪০৬২, ফ্যাক্স : ৯৮২৪০৬৩, সার্কুলেশন : ৯৮২৪০৭২। ফ্যাক্স : ৯৮২৪০৬৬ 

E-mail: [email protected]

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত ২০০০-২০১৯

converter
×