উন্নয়ন রূপরেখা বাস্তবায়ন মূল চ্যালেঞ্জ: আওয়ামী লীগের দুই মেয়র প্রার্থী

  যুগান্তর রিপোর্ট ২৯ জানুয়ারি ২০২০, ০০:০০ | প্রিন্ট সংস্করণ

উন্নয়ন রূপরেখা বাস্তবায়ন মূল চ্যালেঞ্জ: আওয়ামী লীগের দুই মেয়র প্রার্থী

অপরিকল্পিত ঢাকাকে পরিকল্পিত নগরীতে রূপান্তর এবং জনপ্রতিশ্রুতি- ‘উন্নয়ন রূপরেখা’ বাস্তবায়নই মূল চ্যালেঞ্জ বলে মন্তব্য করেছেন আওয়ামী লীগের দুই মেয়র প্রার্থী। নগরের বিভিন্ন সমস্যা সমাধান ও সচল ঢাকা গড়ার প্রত্যয়ও ব্যক্ত করেন তারা।

মঙ্গলবার দিনব্যাপী নির্বাচনী গণসংযোগ ও মতবিনিময় সভায় এসব চ্যালেঞ্জ ও তা মোকাবেলার কথা বলেন ক্ষমতাসীন দলের ঢাকা উত্তর সিটির প্রার্থী আতিকুল ইসলাম ও দক্ষিণের শেখ ফজলে নূর তাপস।

জাতীয় প্রেস ক্লাবে দুপুরে জ্যেষ্ঠ সাংবাদিকদের সঙ্গে এক মতবিনিময় সভায় আতিকুল ইসলাম বলেন, একটি অপরিকল্পিত শহর এই ঢাকা। বিদেশে দেখেছি, একটা প্ল্যান করে তারপর নগরায়ণ করা হয়। আমাদের এখানে বাস্তবে এটা হয়নি। এটা একটা বিরাট চ্যালেঞ্জ। আমার সামনে চ্যালেঞ্জ অনেকগুলো। অপরিকল্পিত শহরে যেমন আছে যানজট, জলজট, তেমন আছে মশার উপদ্রব, বায়ুদূষণ। অনেক ধরনের চ্যালেঞ্জ আছে। শুরু কিন্তু করতেই হবে। শুরু করতে পারলে শেষ হবেই।

অপরদিকে রাজধানীর রাজারবাগসহ বিভিন্ন নির্বাচনী পথসভায় শেখ ফজলে নূর তাপস বলেন, আমরা যে উন্নয়নের রূপরেখা দিয়েছি, ঢাকাবাসী তা সাদরে গ্রহণ করেছেন। আমরা যেখানেই গণসংযোগ করছি ঢাকাবাসীর স্বতঃস্ফূর্ত সাড়া পাচ্ছি। ঢাকা নিয়ে আমাদের মহাপরিকল্পনা আছে। নির্বাচিত হলে সেগুলো বাস্তবায়নই হবে বড় চ্যালেঞ্জ। আমরা আশাবাদী ১ ফেব্রুয়ারি ঢাকাবাসী নৌকা মার্কায় ভোট দিয়ে আমাকে মেয়র পদে নির্বাচিত করে তাদের সেবক হিসেবে কাজ করার সুযোগ দেবেন।

এদিকে দিনব্যাপী প্রচার-প্রচারণায় ব্যস্ত সময় কাটিয়েছেন আওয়ামী লীগের এ দুই মেয়র প্রার্থী। তারা নগরীর অলিগলি ঘুরে ভোটারদের কাছে ভোট প্রার্থনা করেছেন। এ সময় হাজার হাজার স্থানীয় নেতাকর্মী ও সমর্থক উপস্থিত ছিলেন। ঢাকঢোল পিটিয়ে নেচে-গেয়ে গণসংযোগ করেন তারা।

সাংবাদিকদের সঙ্গে মতবিনিময়কালে আতিকুল ইসলাম বলেন, নির্বাচিত হলে সিটি কর্পোরেশনে হোল্ডিং ট্যাক্স সেবায় অটোমেশন চালু করা হবে। তিনি বলেন, অনলাইনে ট্যাক্স দিলে ফেস টু ফেস কন্টাক্ট কমবে। আর ফেস টু ফেস কন্টাক্ট কমাতে পারলে দুর্নীতি কমবে। কাজের গতি বাড়বে, রাজস্ব আদায় হবে বেশি, হয়রানিও বন্ধ হবে। তিনি বলেন, আকাশেতে যত তারা, সিটি কর্পোরেশনে তত ধারা- এ ধরনের জুজুর ভয়ে সিটি কর্পোরেশনে লোকজন যায় না। ‘কনটাক্ট’-এর মাধ্যমে ট্যাক্স দিতে চায়। এটি বন্ধ করা হবে।

মশক নিধন প্রসঙ্গে আতিকুল ইসলাম বলেন, সিটি কর্পোরেশনে কীটতত্ত্ব বিভাগ বলে কিছুই ছিল না, যারা মশা নিয়ে কাজ করবে। প্রজনন ক্ষেত্র কোথায়, নিয়ন্ত্রণ কীভাবে হবে, সে ধরনের কোনো বিভাগ সিটি কর্পোরেশনে ছিল না। গত ৯ মাসে বের করেছি এই বিভাগ লাগবে। এছাড়া মশক নিধন সম্ভব নয়। কর্মীরা ওষুধ মেরে যাচ্ছে, কিন্তু তাদের কাজের কোয়ালিটি চেক করার কোনো ব্যবস্থা ছিল না। এটা করার জন্য সিস্টেম তৈরির কাজ করছি।

জাতীয় প্রেস ক্লাবের ভূমিকার প্রশংসা করে আতিকুল ইসলাম বলেন, আমাদের স্লোগান ছিল আমার ভোট আমি দেব, যাকে খুশি তাকে দেব। সেই প্ল্যাটফর্ম জাতীয় প্রেস ক্লাব তৈরি করেছে। আমার যারা প্রতিদ্বন্দ্বী আছেন তারাও প্রেস ক্লাবে এসে সাংবাদিকদের সঙ্গে মতবিনিময় করবেন। আমরা মনে করি, সুন্দর পরিবেশে একটি অংশগ্রহণমূলক নির্বাচন হবে।

মতবিনিময় সভায় সাংবাদিক নেতা ইকবাল সোবহান চৌধুরী বলেন, মেয়র আনিসুল হকের মৃত্যুর পর আতিকুল ইসলাম কিছুদিনের জন্য নির্বাচিত হয়ে দায়িত্ব পালন করেছেন। এই সময়ের মধ্যে তিনি প্রমাণ করেছেন- এই শহরের জন্য তার স্বপ্ন আছে, কিছু প্রতিশ্রুতিও আছে। নির্বাচন সুষ্ঠু ও শান্তিপূর্ণ হবে এমন আশা প্রকাশ করে তিনি বলেন, নির্বাচনে ভোটাররা ভোট দিয়ে তাদের পছন্দের প্রার্থীকে নির্বাচিত করবেন।

দৈনিক যুগান্তরের ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক ও জাতীয় প্রেস ক্লাবের সভাপতি সাইফুল আলম বলেন, জাতীয় প্রেস ক্লাব সাংবাদিকদের ঐক্যবদ্ধ আদর্শিক অবস্থান। এই অবস্থানকে আমাদের পূর্বসূরিরা সেখানে নিয়ে গেছেন, তারই ধারাবাহিকতায় আমরা জাতীয় প্রেস ক্লাবকে সামনের দিকে এগিয়ে নিয়ে যেতে চাই। এ দেশের মুক্তিযুদ্ধে ও স্বাধীনতা সংগ্রামে এবং সব গণতান্ত্রিক ও অসাম্প্রদায়িক আন্দোলনে জাতীয় প্রেস ক্লাবের একটি ঐতিহাসিক ভূমিকা রয়েছে।

সাইফুল আলম আরও বলেন, আমরা একটা বাসযোগ্য, নিরাপদ, সবুজ ও স্বচ্ছন্দে চলার মতো ঢাকা চাই। দূষিত বায়ু ও দূষিত পানিমুক্ত একটা ঢাকা চাই। সেই ঢাকা গড়ার প্রত্যয় আতিকুল ইসলাম দিয়েছেন। আমরা সাংবাদিক সমাজও আমাদের দায়িত্ব যথাযথভাবে পালন করব।

জাতীয় প্রেস ক্লাবের কোষাধ্যক্ষ শ্যামল দত্তের সঞ্চালনায় মতবিনিময় সভায় আরও উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ সংবাদ সংস্থার (বাসস) ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও প্রধান সম্পাদক আবুল কালাম আজাদ, জাতীয় প্রেস ক্লাবের সাবেক সভাপতি মো. শফিকুর রহমান, সাংবাদিক নেতা- মনজুরুল আহসান বুলবুল, আবদুল জলিল ভূঁইয়া, ওমর ফারুক, স্বপন সাহা, শাবান মাহমুদ, সোহেল হায়দার চৌধুরী, শাহেদ চৌধুরী, মাঈনুল আলম, শেখ মামুনূর রশীদ, রফিকুল ইসলাম রতন প্রমুখ।

এদিকে বেলা আড়াইটায় আতিকুল ইসলাম ঢাকা-১৬ আসনের পল্লবী থানা মাঠ থেকে গণসংযোগ শুরু করেন। সন্ধ্যায় লালমাটিয়া কলেজে ফেনী সমিতির সঙ্গে মতবিনিময় সভায় যোগ দেন আতিকুল ইসলাম। এর আগে সোমবার রাতে আতিকুল ইসলামের বনানী নির্বাচনী প্রচারণা অফিসে যান বঙ্গবন্ধুর দৌহিত্র রাদওয়ান মুজিব সিদ্দিক। এ সময় নির্বাচনকে সামনে রেখে আওয়ামী লীগের সব প্রার্থী ও নেতাকর্মীকে ভোটারদের ঘরে ঘরে গিয়ে নৌকায় ভোট চাওয়ার আহ্বান জানান তিনি।

সেন্টার ফর রিসার্চ অ্যান্ড ইনফরমেশনের (সিআরআই) ট্রাস্টি রাদওয়ান মুজিব বলেন, নির্বাচনের আগে প্রত্যেক ভোটারের কাছে পৌঁছে ভোট চাইতে হবে। সৎ, যোগ্য, দক্ষ ও পরীক্ষিত মানুষদের ভোট দেয়ার জন্য অনুরোধ করতে হবে। অন্য প্রার্থীদের থেকে সততা, দক্ষতা ও যোগ্যতায় আমাদের প্রার্থীরা যে এগিয়ে রয়েছে এ কথা সবাইকে জানাতে হবে।

তাপসের নির্বাচনী প্রচার : সেবার জন্য নয়, বিএনপির ধারাবাহিক আন্দোলনের অংশ হিসেবে দলটি সিটি নির্বাচন করছে বলে মন্তব্য করেছেন ঢাকা দক্ষিণ সিটি নির্বাচনে আওয়ামী লীগের মেয়র প্রার্থী শেখ ফজলে নূর তাপস। তিনি বলেন, সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডের মাধ্যমে নির্বাচনের সুষ্ঠু পরিবেশ বিনষ্ট করার নানা চেষ্টা হচ্ছে। সব ষড়যন্ত্র মোকাবেলা করে সুষ্ঠু নির্বাচনের পরিবেশ বজায় রাখতে যা যা করণীয় তা করতে নেতাকর্মীদের আহ্বান জানান তাপস।

মঙ্গলবার দুপুরে রাজধানীর রাজারবাগে নির্বাচনী প্রচারণা এবং গণসংযোগ শুরুর আগে উপস্থিত গণমাধ্যমের সাংবাদিকদের কাছে তিনি এসব কথা বলেন।

ব্যারিস্টার তাপস বলেন, আমরা চাই নির্বাচনের সুষ্ঠু পরিবেশ যেন বজায় থাকে, কোনোভাবে যেন নির্বাচনের পরিবেশ নষ্ট না হয়। কোনো সন্ত্রাসী কার্যকলাপের মাধ্যমে কেউ যাতে পরিবেশকে বিঘ্নিত করতে না পারে। আমি নির্বাচন কমিশন, আইন প্রয়োগকারী সংস্থাগুলোকে অনুরোধ করব, নির্বাচনের সুষ্ঠু পরিবেশ বজায় রাখতে তারা যেন ব্যবস্থা গ্রহণ করেন।

ডিএসসিসি নির্বাচনে আওয়ামী লীগ মনোনীত প্রার্থী তাপস ঢাকাবাসীর প্রতি আহ্বান জানিয়ে বলেন, আমাদের সবাইকে সজাগ থাকতে হবে, কেউ যেন নির্বাচনের পরিবেশ নষ্ট করতে না পারে, ১ ফেব্রুয়ারি ভোটকেন্দ্রে উপস্থিত হয়ে ভোটের মাধ্যমে জবাব দেবেন। প্রচারণায় আওয়ামী লীগের স্থানীয় নেতাকর্মী, সহযোগী ও অঙ্গসংগঠনের নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

তাপসের জন্য সাঈদ খোকনের গণসংযোগ : ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশন নির্বাচনে আওয়ামী লীগ মনোনীত মেয়র প্রার্থী ব্যারিস্টার শেখ ফজলে নূর তাপসের জন্য নৌকা প্রতীকের গণসংযোগ করেছেন মেয়র সাঈদ খোকন। মঙ্গলবার দুপুরে সদরঘাটে দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশনের নির্মিত জলবায়ু উদ্বাস্তু আশ্রয় কেন্দ্র পরিদর্শনে গিয়ে গণসংযোগ চালান। এ সময় শেখ ফজলে নূর তাপস ওই এলাকায় নির্বাচনী প্রচারণা চালাচ্ছিলেন। ঘটনাক্রমে তাদের দু’জনের সৌজন্য সাক্ষাৎ এবং কুশল বিনিময় হয়।

পরে গণমাধ্যমে মোহাম্মদ সাঈদ খোকন বলেন, আমরা দুই ভাই। ঢাকাবাসীর জন্য একসঙ্গেই কাজ করব। আপনারা নৌকা মার্কায় ভোট দিয়ে ব্যারিস্টার তাপসকে নির্বাচিত করলে আমরা ইতিবাচক পরিবর্তনের যে সূচনা করেছিলাম, সেই ধারাবাহিকতা অব্যাহত থাকবে। তিনি আরও বলেন, শেখ ফজলে নূর তাপসকে আমি ভোট দেব- এ সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেছি। নির্বাচনী আচরণবিধির বাধ্যবাধকতা না থাকলে আমি ঢাকাবাসীকে ফজলে নূর তাপসকে ভোট দেয়ার আহবান জানাতাম। তার পক্ষেই সম্ভব ঢাকার অগ্রগতি অব্যাহত রাখা। আপনারা ব্যারিস্টার তাপসকে নৌকা মার্কায় ভোট দিয়ে বিজয়ী করুন। প্রিয় ঢাকাবাসী আপনাদের কাছে এটাই আমার প্রত্যাশা।

এ সময় ব্যারিস্টার তাপস বলেন, ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশনের মেয়র সাঈদ খোকন আমার ভাই। আমাদের প্রয়াত আওয়ামী লীগ নেতা মেয়র হানিফের সুযোগ্য সন্তান তিনি। আমরা যে লক্ষ্য দিয়েছি, ঢাকার উন্নয়নে সাঈদ খোকন এরই মধ্যে অনেকগুলো উদ্যোগ গ্রহণ করেছেন। নির্বাচিত হলে সেগুলো বাস্তবায়নের মাধ্যমে আমরা উন্নত ঢাকা গড়ে তুলব। আমরা দুই ভাই সব সময় একসঙ্গে আছি, থাকব। মেয়র সাঈদ খোকন এরই মধ্যে যেসব কার্যক্রম গ্রহণ করেছেন আমি নির্বাচিত হলে সেগুলো সামনের দিকে এগিয়ে নেব। এছাড়া ঢাকাকে উন্নত করতে আমরাও এ ধরনের আরও নতুন নতুন উদ্যোগ গ্রহণ করব।

বিএনপি মনোনীত মেয়র প্রার্থী ইঞ্জিনিয়ার ইশরাক হোসেনের ইশতেহার প্রসঙ্গে মন্তব্য জানতে চাইলে তাপস বলেন, আমি উন্নত ঢাকা গড়তে ৫টি রূপরেখা দিয়েছি। সেই রূপরেখা ঢাকাবাসী সাদরে গ্রহণ করেছে।

আমরা আগামীকাল (আজ) নির্বাচনী ইশতেহার প্রকাশ করব, সেখানেও ৫টি রূপরেখা দেয়া হবে বিস্তারিতভাবে। আমরা কোনো অবাস্তব, সস্তা জনপ্রিয়তা নেয়ার জন্য উন্নয়নের রূপরেখা দেইনি। আমাদের উন্নয়নের রূপরেখা খুবই সুনির্দিষ্ট বাস্তবিক এবং স্থানীয় সরকার আইনে যা যা করণীয় আছে সেগুলোর ওপর ভিত্তি করেই আমরা সুনির্দিষ্টভাবে ঢাকাবাসীর কাছে তুলে ধরেছি। আমরা মনে করি ঢাকাবাসী সেটা সাদরে গ্রহণ করেছে। তিনি বলেন, তারা (প্রতিপক্ষ) অবাস্তব অনেক কল্পনার দিক তুলে ধরতে পারে সেটা তাদের বিষয়। সে ব্যাপারে আমি কোনো মন্তব্য করব না।

দক্ষিণবঙ্গ আইনজীবী সমিতির সমর্থন : ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশন নির্বাচনে মেয়র পদে ব্যারিস্টার শেখ ফজলে নূর তাপসকে সমর্থন জানিয়েছে দক্ষিণবঙ্গ আইনজীবী সমিতি। মঙ্গলবার সমিতির সভাপতি ও বাংলাদেশ বার কাউন্সিলের সাবেক সদস্য অ্যাডভোকেট শাহ মো. খসরুজ্জামান এক বিবৃতিতে এ সমর্থন জানান। বিবৃতিতে সুপ্রিমকোর্টের আইনজীবী ব্যারিস্টার শেখ ফজলে নূর তাপসকে নৌকা প্রতীকে ভোট দেয়ার জন্য আইনজীবীসহ সবার প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন।

ঘটনাপ্রবাহ : ঢাকার দুই সিটি নির্বাচন-২০২০

আরও
  • সর্বশেষ
  • সর্বাধিক পঠিত
সব খবর

ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক : সাইফুল আলম, প্রকাশক : সালমা ইসলাম

প্রকাশক কর্তৃক ক-২৪৪ প্রগতি সরণি, কুড়িল (বিশ্বরোড), বারিধারা, ঢাকা-১২২৯ থেকে প্রকাশিত এবং যমুনা প্রিন্টিং এন্ড পাবলিশিং লিঃ থেকে মুদ্রিত।

পিএবিএক্স : ৯৮২৪০৫৪-৬১, রিপোর্টিং : ৯৮২৪০৭৩, বিজ্ঞাপন : ৯৮২৪০৬২, ফ্যাক্স : ৯৮২৪০৬৩, সার্কুলেশন : ৯৮২৪০৭২। ফ্যাক্স : ৯৮২৪০৬৬ 

E-mail: [email protected]

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত

 
×