ষড়যন্ত্র উপেক্ষা করে জয়ের আশা, প্রচারের শেষ দিনে আ’লীগের দুই মেয়র প্রার্থী
jugantor
ষড়যন্ত্র উপেক্ষা করে জয়ের আশা, প্রচারের শেষ দিনে আ’লীগের দুই মেয়র প্রার্থী

  যুগান্তর রিপোর্ট  

৩১ জানুয়ারি ২০২০, ০০:০০:০০  |  প্রিন্ট সংস্করণ

ঢাকার দুই সিটি নির্বাচনে প্রচারণার শেষে দিন ছিল বৃহস্পতিবার। এ দিন বিরামহীন প্রচারণায় নগরবাসীর দুয়ারে গিয়ে ভোট প্রার্থনা করেছেন আওয়ামী লীগের দুই মেয়র প্রার্থী আতিকুল ইসলাম ও শেখ ফজলে নূর তাপস। ঘাম ঝরানো

গণসংযোগে তারা বলেন, প্রচারণার এ কয়েক দিন প্রতিটি ওয়ার্ডে গিয়েছি। মানুষের সুবিধা-অসুবিধার কথা শুনেছি। পরিকল্পনা গ্রহণ করেছি। ভোটাররা স্বতঃস্ফূর্তভাবে নৌকায় ভোট দিতে কেন্দ্রে যাবেন। কিন্তু বিএনপি ষড়যন্ত্র শুরু করেছে। তারা ভোটকেন্দ্র দখলে নেয়ার চেষ্টা করছে। সব ষড়যন্ত্র উপেক্ষা করে নৌকার জয় হবে।

এদিন সকালে মিরপুর ভাসানটেকে গণসংযোগে অংশ নেন ঢাকা উত্তর সিটি নির্বাচনে আওয়ামী লীগের মেয়র প্রার্থী আতিকুল ইসলাম।

সেখানে এক পথসভায় তিনি বলেন, গত ২০ দিন ঢাকা উত্তরের ৫৪টি ওয়ার্ডে ঘুরেছি। বেশির ভাগ জায়গায় গিয়েছি। অনেক জায়গায় যেতে পারিনি। কয়েক দিন ধরে ঘুরে দেখেছি এক এলাকার সমস্যার সঙ্গে আরেক এলাকার সমস্যার মিল নেই। ঘুরে ঘুরে প্রতিটি এলাকার সমস্যা আলাদা করে লিপিবদ্ধ করেছি। নির্বাচনে জয়ী হলে প্রতিটি এলাকার সমস্যা ধরে ধরে সমাধান করা হবে।

আতিক বলেন, প্রচারে কর্মী-সমর্থকদের যে ভালোবাসা পেয়েছি তাতে আমি বিজয়ী হব ইনশাআল্লাহ।

দুপুরে গোপীবাগে শেষ মুহূর্তের নির্বাচনী প্রচারণায় অংশ নেন দক্ষিণ সিটি নির্বাচনে আওয়ামী লীগের মেয়র প্রার্থী ব্যারিস্টার শেখ ফজলে নূর তাপস।

সেখানে তিনি অভিযোগ করেন, ১৭০টি ভোটকেন্দ্র দখলে নেয়ার ষড়যন্ত্র করছে বিএনপি। আমি এর তীব্র নিন্দা জানাই। একই সঙ্গে আইন প্রয়োগকারী সংস্থাসহ নির্বাচন কমিশনে অনুরোধ করব, তারা যেন আশু পদক্ষেপ নেয়- যাতে সুষ্ঠু ভোটের পরিবেশ বজায় থাকে। আমি বিশ্বাস করি, সুষ্ঠু পরিবেশ বজায় থাকলে বিপুল ভোটে নৌকার জয় হবে।

বিএনপির প্রার্থী তাবিথ আউয়াল অভিযোগ করেছেন- আওয়ামী লীগ নির্বাচন বানচাল করার পাঁয়তারা করছে। এ বিষয়ে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে আতিকুল ইসলাম বলেন, প্রশ্নই ওঠে না। নির্বাচন বানচাল করার কোনো ইচ্ছা আমাদের নেই। নির্বাচন হবেই হবে।

তিনি বলেন, আমাদের গণজোয়ার দেখে প্রতিপক্ষ বাইরে থেকে প্রচুর লোক নিয়ে এসে কেন্দ্রে কেন্দ্রে ঢুকিয়ে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টির পাঁয়তারা করছে। সন্ত্রাস করে ভোটের পরিবেশ নষ্ট করার চেষ্টা করছে। তাই আমি নেতাকর্মী ও ভোটারদের বলব- কোনো অপশক্তির ভয়ে বসে থাকবেন না। আপনারা ভোটকেন্দ্রে আসুন, শান্তিপূর্ণ পরিবেশে ভোট হবে।

বস্তিবাসীর উদ্দেশে আতিক বলেন, নির্বাচিত হলে পুনর্বাসন না করা পর্যন্ত ভাসানটেক বস্তির একজন মানুষকেও উচ্ছেদ করা হবে না। বস্তিবাসীও মানুষ আমরাও মানুষ- এ কথা চিন্তা করে নৌকা কাজ করে। আওয়ামী লীগ সরকার কাউকে বঞ্চিত করে না। বস্তিবাসী ও প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর জীবনমান উন্নয়নে প্রকল্প নেয়া হবে। তাদের স্থায়ী পুনবার্সিত করা হবে।

এ সময় আতিকুল ১৫ নম্বর ওয়ার্ডের আওয়ামী লীগ সমর্থিত কাউন্সিলর প্রার্থী সালেক মোল্লা ও সংরক্ষিত ওয়ার্ড-২-এর কাউন্সিলর প্রার্থী সাহিদা আক্তারকে পরিচয় করিয়ে দেন। এ সময় ঢাকা মহানগর উত্তর আওয়ামী লীগের সভাপতি শেখ বজলুর রহমান, সাধারণ সম্পাদক এসএম মান্নান কচি, যুবলীগের সাধারণ সম্পাদক মাঈনুল ইসলাম খান, সাবেক প্রতিমন্ত্রী তারানা হালিম, অভিনেত্রী তানভীন সুইটি, আজমেরী হক বাঁধনসহ আওয়ামী লীগের নেতারা উপস্থিত ছিলেন।

বিকালে রাজধানীর ৩৯ ও ৪০নং ওয়ার্ডে গণসংযোগ ও মিছিলে অংশ নেন আতিকুল ইসলাম। নতুনবাজারের খন্দকার কমিউনিটি সেন্টারের সামনে থেকে মিছিলটি শুরু হয়। এ সময় তাকে বিভিন্ন স্লোগান দিতে দেখা যায়।

মোহাম্মদপুর জাপান গার্ডেন সিটি এলাকায় গণসংযোগ করেন আতিকুল ইসলামের স্ত্রী ডা. শায়লা শাগুফতা ইসলাম। এ সময় স্বজনরা ছাড়াও তার সঙ্গে ছিলেন অভিনেত্রী তারিন জাহান, অভিনেতা আজিজুল হাকিমসহ স্থানীয় নেতারা। শাগুফতা ইসলাম বলেন, মেয়র নির্বাচিত হওয়ার পর ৯ মাস তিনি (আতিক) নগরবাসীর জন্য কাজ করে গেছেন। এ নগরীর উন্নয়নের জন্য অনেক পদক্ষেপ নিয়েছেন। আমরা তার পরিবারের সদস্য। কিন্তু তিনি এ নগরীর সব নাগরিককে পরিবারের সদস্য মনে করেই কাজ করে গেছেন।

ঢাকা দক্ষিণের বিভিন্ন স্থানে ব্যারিস্টার তাপস বলেন, ভোট নিয়ে আমরা কিছুটা শঙ্কিত। বিএনপি প্রার্থীর পিএস পরিচিত এক ব্যক্তি, যিনি সেদিন গোপীবাগে গোলাগুলি করেছেন। অবৈধ অস্ত্র দিয়ে গুলি ছুড়েছেন। সেই ব্যক্তিকে আটক করা হয়েছে। কয়েক দিন আগে ৮ ও ৩৯নং ওয়ার্ডে আমাদের কাউন্সিলর প্রার্থী রোকন উদ্দিনের ক্যাম্পে বিএনপির মেয়র প্রার্থী নিজে আক্রমণ করেছেন। আমি আশা করব, সন্ত্রাসীরা যদি কোনো কেন্দ্র দখলের পাঁয়তারা করে, তাহলে ভোটারসহ ঢাকাবাসী সেটা প্রতিহত করবে।

ব্যারিস্টার তাপস বলেন, আমাদের প্রিয় ঢাকাকে উন্নত করার সুযোগ পহেলা ফেব্রুয়ারি। ঢাকা দক্ষিণ সিটি নির্বাচন, এটা একটি স্থানীয় সরকার নির্বাচন। তাই দলমত নির্বিশেষে আমি ঢাকাবাসীর কাছে আবেদন করব আপনারা ভোটকেন্দ্রে আসবেন, আপনাদের ভোটাধিকার প্রয়োগ করে একজন দক্ষ, যোগ্য ব্যক্তিকে সেবক হিসেবে নির্বাচিত করে উন্নত ঢাকা গড়ার পক্ষে রায় দেবেন।

ব্যারিস্টার তাপস বলেন, আপনাদের প্রতিটি ভোট আমাকে আমার কাউন্সিলদের শক্তি জোগাবে। সব প্রতিকূলতা অতিক্রম করে আমরা উন্নত ঢাকা গড়ার লক্ষ্যে সততা নিষ্ঠা একাগ্রতায় নিবেদিত হয়ে কাজ করতে পারি, কাজ করব ইনশাআল্লাহ। এর আগে গোপীবাগের ব্রাদার্স ইউনিয়ন ক্লাবের কাছে পৌঁছলে নেতাকর্মীরা ব্যারিস্টার তাপসকে ফুল দিয়ে বরণ করে নেন। পরে নেতাকর্মীদের সঙ্গে নিয়ে প্রচারে নামেন তিনি।

ষড়যন্ত্র উপেক্ষা করে জয়ের আশা, প্রচারের শেষ দিনে আ’লীগের দুই মেয়র প্রার্থী

 যুগান্তর রিপোর্ট 
৩১ জানুয়ারি ২০২০, ১২:০০ এএম  |  প্রিন্ট সংস্করণ

ঢাকার দুই সিটি নির্বাচনে প্রচারণার শেষে দিন ছিল বৃহস্পতিবার। এ দিন বিরামহীন প্রচারণায় নগরবাসীর দুয়ারে গিয়ে ভোট প্রার্থনা করেছেন আওয়ামী লীগের দুই মেয়র প্রার্থী আতিকুল ইসলাম ও শেখ ফজলে নূর তাপস। ঘাম ঝরানো

গণসংযোগে তারা বলেন, প্রচারণার এ কয়েক দিন প্রতিটি ওয়ার্ডে গিয়েছি। মানুষের সুবিধা-অসুবিধার কথা শুনেছি। পরিকল্পনা গ্রহণ করেছি। ভোটাররা স্বতঃস্ফূর্তভাবে নৌকায় ভোট দিতে কেন্দ্রে যাবেন। কিন্তু বিএনপি ষড়যন্ত্র শুরু করেছে। তারা ভোটকেন্দ্র দখলে নেয়ার চেষ্টা করছে। সব ষড়যন্ত্র উপেক্ষা করে নৌকার জয় হবে।

এদিন সকালে মিরপুর ভাসানটেকে গণসংযোগে অংশ নেন ঢাকা উত্তর সিটি নির্বাচনে আওয়ামী লীগের মেয়র প্রার্থী আতিকুল ইসলাম।

সেখানে এক পথসভায় তিনি বলেন, গত ২০ দিন ঢাকা উত্তরের ৫৪টি ওয়ার্ডে ঘুরেছি। বেশির ভাগ জায়গায় গিয়েছি। অনেক জায়গায় যেতে পারিনি। কয়েক দিন ধরে ঘুরে দেখেছি এক এলাকার সমস্যার সঙ্গে আরেক এলাকার সমস্যার মিল নেই। ঘুরে ঘুরে প্রতিটি এলাকার সমস্যা আলাদা করে লিপিবদ্ধ করেছি। নির্বাচনে জয়ী হলে প্রতিটি এলাকার সমস্যা ধরে ধরে সমাধান করা হবে।

আতিক বলেন, প্রচারে কর্মী-সমর্থকদের যে ভালোবাসা পেয়েছি তাতে আমি বিজয়ী হব ইনশাআল্লাহ।

দুপুরে গোপীবাগে শেষ মুহূর্তের নির্বাচনী প্রচারণায় অংশ নেন দক্ষিণ সিটি নির্বাচনে আওয়ামী লীগের মেয়র প্রার্থী ব্যারিস্টার শেখ ফজলে নূর তাপস।

সেখানে তিনি অভিযোগ করেন, ১৭০টি ভোটকেন্দ্র দখলে নেয়ার ষড়যন্ত্র করছে বিএনপি। আমি এর তীব্র নিন্দা জানাই। একই সঙ্গে আইন প্রয়োগকারী সংস্থাসহ নির্বাচন কমিশনে অনুরোধ করব, তারা যেন আশু পদক্ষেপ নেয়- যাতে সুষ্ঠু ভোটের পরিবেশ বজায় থাকে। আমি বিশ্বাস করি, সুষ্ঠু পরিবেশ বজায় থাকলে বিপুল ভোটে নৌকার জয় হবে।

বিএনপির প্রার্থী তাবিথ আউয়াল অভিযোগ করেছেন- আওয়ামী লীগ নির্বাচন বানচাল করার পাঁয়তারা করছে। এ বিষয়ে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে আতিকুল ইসলাম বলেন, প্রশ্নই ওঠে না। নির্বাচন বানচাল করার কোনো ইচ্ছা আমাদের নেই। নির্বাচন হবেই হবে।

তিনি বলেন, আমাদের গণজোয়ার দেখে প্রতিপক্ষ বাইরে থেকে প্রচুর লোক নিয়ে এসে কেন্দ্রে কেন্দ্রে ঢুকিয়ে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টির পাঁয়তারা করছে। সন্ত্রাস করে ভোটের পরিবেশ নষ্ট করার চেষ্টা করছে। তাই আমি নেতাকর্মী ও ভোটারদের বলব- কোনো অপশক্তির ভয়ে বসে থাকবেন না। আপনারা ভোটকেন্দ্রে আসুন, শান্তিপূর্ণ পরিবেশে ভোট হবে।

বস্তিবাসীর উদ্দেশে আতিক বলেন, নির্বাচিত হলে পুনর্বাসন না করা পর্যন্ত ভাসানটেক বস্তির একজন মানুষকেও উচ্ছেদ করা হবে না। বস্তিবাসীও মানুষ আমরাও মানুষ- এ কথা চিন্তা করে নৌকা কাজ করে। আওয়ামী লীগ সরকার কাউকে বঞ্চিত করে না। বস্তিবাসী ও প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর জীবনমান উন্নয়নে প্রকল্প নেয়া হবে। তাদের স্থায়ী পুনবার্সিত করা হবে।

এ সময় আতিকুল ১৫ নম্বর ওয়ার্ডের আওয়ামী লীগ সমর্থিত কাউন্সিলর প্রার্থী সালেক মোল্লা ও সংরক্ষিত ওয়ার্ড-২-এর কাউন্সিলর প্রার্থী সাহিদা আক্তারকে পরিচয় করিয়ে দেন। এ সময় ঢাকা মহানগর উত্তর আওয়ামী লীগের সভাপতি শেখ বজলুর রহমান, সাধারণ সম্পাদক এসএম মান্নান কচি, যুবলীগের সাধারণ সম্পাদক মাঈনুল ইসলাম খান, সাবেক প্রতিমন্ত্রী তারানা হালিম, অভিনেত্রী তানভীন সুইটি, আজমেরী হক বাঁধনসহ আওয়ামী লীগের নেতারা উপস্থিত ছিলেন।

বিকালে রাজধানীর ৩৯ ও ৪০নং ওয়ার্ডে গণসংযোগ ও মিছিলে অংশ নেন আতিকুল ইসলাম। নতুনবাজারের খন্দকার কমিউনিটি সেন্টারের সামনে থেকে মিছিলটি শুরু হয়। এ সময় তাকে বিভিন্ন স্লোগান দিতে দেখা যায়।

মোহাম্মদপুর জাপান গার্ডেন সিটি এলাকায় গণসংযোগ করেন আতিকুল ইসলামের স্ত্রী ডা. শায়লা শাগুফতা ইসলাম। এ সময় স্বজনরা ছাড়াও তার সঙ্গে ছিলেন অভিনেত্রী তারিন জাহান, অভিনেতা আজিজুল হাকিমসহ স্থানীয় নেতারা। শাগুফতা ইসলাম বলেন, মেয়র নির্বাচিত হওয়ার পর ৯ মাস তিনি (আতিক) নগরবাসীর জন্য কাজ করে গেছেন। এ নগরীর উন্নয়নের জন্য অনেক পদক্ষেপ নিয়েছেন। আমরা তার পরিবারের সদস্য। কিন্তু তিনি এ নগরীর সব নাগরিককে পরিবারের সদস্য মনে করেই কাজ করে গেছেন।

ঢাকা দক্ষিণের বিভিন্ন স্থানে ব্যারিস্টার তাপস বলেন, ভোট নিয়ে আমরা কিছুটা শঙ্কিত। বিএনপি প্রার্থীর পিএস পরিচিত এক ব্যক্তি, যিনি সেদিন গোপীবাগে গোলাগুলি করেছেন। অবৈধ অস্ত্র দিয়ে গুলি ছুড়েছেন। সেই ব্যক্তিকে আটক করা হয়েছে। কয়েক দিন আগে ৮ ও ৩৯নং ওয়ার্ডে আমাদের কাউন্সিলর প্রার্থী রোকন উদ্দিনের ক্যাম্পে বিএনপির মেয়র প্রার্থী নিজে আক্রমণ করেছেন। আমি আশা করব, সন্ত্রাসীরা যদি কোনো কেন্দ্র দখলের পাঁয়তারা করে, তাহলে ভোটারসহ ঢাকাবাসী সেটা প্রতিহত করবে।

ব্যারিস্টার তাপস বলেন, আমাদের প্রিয় ঢাকাকে উন্নত করার সুযোগ পহেলা ফেব্রুয়ারি। ঢাকা দক্ষিণ সিটি নির্বাচন, এটা একটি স্থানীয় সরকার নির্বাচন। তাই দলমত নির্বিশেষে আমি ঢাকাবাসীর কাছে আবেদন করব আপনারা ভোটকেন্দ্রে আসবেন, আপনাদের ভোটাধিকার প্রয়োগ করে একজন দক্ষ, যোগ্য ব্যক্তিকে সেবক হিসেবে নির্বাচিত করে উন্নত ঢাকা গড়ার পক্ষে রায় দেবেন।

ব্যারিস্টার তাপস বলেন, আপনাদের প্রতিটি ভোট আমাকে আমার কাউন্সিলদের শক্তি জোগাবে। সব প্রতিকূলতা অতিক্রম করে আমরা উন্নত ঢাকা গড়ার লক্ষ্যে সততা নিষ্ঠা একাগ্রতায় নিবেদিত হয়ে কাজ করতে পারি, কাজ করব ইনশাআল্লাহ। এর আগে গোপীবাগের ব্রাদার্স ইউনিয়ন ক্লাবের কাছে পৌঁছলে নেতাকর্মীরা ব্যারিস্টার তাপসকে ফুল দিয়ে বরণ করে নেন। পরে নেতাকর্মীদের সঙ্গে নিয়ে প্রচারে নামেন তিনি।

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন

ঘটনাপ্রবাহ : ঢাকার দুই সিটি নির্বাচন-২০২০

২৭ ফেব্রুয়ারি, ২০২০
২৭ ফেব্রুয়ারি, ২০২০