সিঙ্গেল ডিজিট সুদহার কার্যকরে সমস্যা নেই: সংবাদ সম্মেলনে অর্থমন্ত্রী
jugantor
সিঙ্গেল ডিজিট সুদহার কার্যকরে সমস্যা নেই: সংবাদ সম্মেলনে অর্থমন্ত্রী
অর্থনীতির খারাপ সময় যাচ্ছে : অর্থমন্ত্রী * সরকারি সংস্থার উদ্বৃত্ত টাকা কোষাগারে এলে ব্যাংকের আর্থিক সংকট হবে না * ব্যাংকে অলস টাকা পড়ে আছে ১১৬২৪৩ কোটি টাকা

  যুগান্তর রিপোর্ট  

০৭ ফেব্রুয়ারি ২০২০, ০০:০০:০০  |  প্রিন্ট সংস্করণ

সংবাদ সম্মেলনে অর্থমন্ত্রী

স্বায়ত্তশাসিত ও আধাস্বায়ত্তশাসিত প্রতিষ্ঠানের উদ্বৃত্ত টাকা সরকারি কোষাগারে নিলে সিঙ্গেল ডিজিট ঋণের সুদ কার্যকরে সমস্যা হবে না। এই মুহূর্তে ব্যাংকগুলোতে ১ লাখ ১৬ হাজার ২৪৩ কোটি টাকা অলস পড়ে আছে। এ অর্থ কোষাগারে আনলে ব্যাংকগুলো কোনো ধরনের আর্থিক সংকটে পড়বে না।

বৃহস্পতিবার অর্থ মন্ত্রণালয়ে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে এ উত্তর দেন অর্থমন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামাল।

এদিকে আলাদা এক অনুষ্ঠানে অর্থমন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামাল বলেছেন, দেশে অর্থনীতির খারাপ সময় যাচ্ছে। তিনি বলেন, শুধু বাংলাদেশে নয়, সারাবিশ্বেই অর্থনীতির খারাপ সময় যাচ্ছে। কোনো দেশেই আমদানি-রফতানি সঠিকভাবে হচ্ছে না। আমদানি-রফতানি কমে যাচ্ছে। বাংলাদেশের কিছু সেক্টরে এর প্রভাব পড়েছে। তবে আমি আশা করি বছর শেষে এই সেক্টরগুলো আর পিছিয়ে থাকবে না। আমদানি-রফতানির অবস্থা ভালো হয়ে যাবে।

তিনি বলেন,ব্যাংকিং খাতে খেলাপি ঋণ বেড়েছে। সে কারণে সংসদে আমাকে গালি শুনতে হচ্ছে। বৃহস্পতিবার রাজধানীর মতিঝিলে বাংলাদেশ ডেভেলপমেন্ট ব্যাংক লিমিটেডের (বিডিবিএল) শাখা ব্যবস্থাপকদের (ম্যানেজার) বার্ষিক সম্মেলনে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন তিনি।

প্রসঙ্গত, বুধবার জাতীয় সংসদে স্বায়ত্তশাসিত ও আধাস্বায়ত্তশাসিত প্রতিষ্ঠানের উদ্বৃত্ত টাকা সরকারি কোষাগারে আনা সংক্রান্ত একটি বিল পাস হয়েছে। এর ওপর বিরোধী দল আপত্তি জানায়। এর ব্যাখ্যা দিতে বৃহস্পতিবার সাংবাদিকদের সঙ্গে মতবিনিময় করেন অর্থমন্ত্রী। পহেলা এপ্রিল থেকে ঋণের সুদ সিঙ্গেল ডিজিট কার্যকর হওয়ার কথা।

বিলটি পাসের ব্যাখ্যা দিয়ে অর্থমন্ত্রী বলেন, স্বায়ত্তশাসিত, আধা স্বায়ত্তশাসিত প্রতিষ্ঠান সরকারি অর্থ দিয়েই যাত্রা শুরু করেছে। এখন ওইসব প্রতিষ্ঠানের মুনাফা নিজেরা ব্যবহার করছে। কিন্তু এসব প্রতিষ্ঠানের মুনাফা কিভাবে ব্যবহার হচ্ছে তা জনগণের জানার অধিকার আছে। এ জন্য অর্থ মন্ত্রণালয় এ উদ্যোগ নিয়েছে।

সংসদে বিরোধী দলের মূল বক্তব্য হচ্ছে বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান থেকে টাকা নিয়ে আসছি। বিষয়টি হচ্ছে ৬১টি প্রতিষ্ঠান থেকে আমরা টাকা এনেছি। কিন্তু এই বিলের ওপর সংসদে মূল আলোচকের একজন ফকরুল ইমাম তিনি আরও ১৯টি প্রতিষ্ঠানকে এ আইনে সম্পৃক্ত করতে বলেছেন। আসলে বিরোধী দলের লোকজন সামান্য কিছু পেলেই হৈচৈ করে। আমরা মূলত আর্থিক খাতের শৃঙ্খলা ফেরাতে এমন সিদ্ধান্ত নিয়েছি।

রাজস্ব আদায় নিয়ে অর্থমন্ত্রী বলেন, বিরোধী দল বলছে রাজস্ব প্রবৃদ্ধি কমছে। প্রবৃদ্ধি কমছে বলা যাবে যদি লক্ষ্যমাত্রার সঙ্গে তুলনা করেন। কর্মকর্তাদের চাপে রাখতে একটি বাড়তি রাজস্ব লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়। গত বছরের প্রথম ছয় মাসে রাজস্ব আহরণ করা হয় ৯১ হাজার কোটি টাকা, চলতি অর্থবছরের একই সময়ে আদায় হয়েছে ৯৭ হাজার কোটি টাকা। প্রথম সাত মাসে রফতানি খাতে ৫ শতাংশ কমছে। আশা করি বছর শেষ এটি থাকবে না।

এখানে ব্যাখ্যা হচ্ছে, বিশ্বের কোনো দেশে এখন পাওয়া যাবে না রফতানিতে প্রবৃদ্ধি হয়েছে। সবাই নেতিবাচক ধারায় আছে। প্রধানমন্ত্রী এ বিষয়ে একাধিক বৈঠক করেছেন। আশা করি রফতানির এই নেতিবাচক প্রবৃদ্ধি থেকে বেরিয়ে আসতে পারব। এক্ষেত্রে বিরোধী দলের সহায়তা চাই।

রফতানি কমে যাওয়া প্রসঙ্গে অর্থমন্ত্রী বলেন, আমরা সবকিছু লক্ষ্য রাখছি। যদি দেখি করোনাভাইরাসসহ সার্বিক দিকে কোনো সমস্যা হচ্ছে তবে সরকার সহায়তা দেবে। সহায়তা বলতে রফতানি খাতে প্রণোদনা দেয়া হবে কিনা জানতে চাইলে অর্থমন্ত্রী বলেন, সরকারের সহায়তার অর্থ প্রণোদনাই।

বিডিবিএলের বার্ষিক সম্মেলনে অর্থমন্ত্রী : বিডিবিএলের চেয়ারম্যান ও সাবেক সিনিয়র সচিব মোহাম্মদ মেসবাহউদ্দিনের সভাপতিত্বে সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়। এতে বিডিবিএলের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের উদ্দেশে অর্থমন্ত্রী বলেন, আপনাদের মধ্যে সবাই খারাপ তা বলব না। কিছুসংখ্যক খারাপ। বাংলাদেশ ব্যাংক, কিংবা অর্থ মন্ত্রণালয় তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়ার আগে, নিজেরা নিজেদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিন; শাস্তি দিন।

তিনি বলেন, শিল্প খাতে অবদান রাখার জন্য বিডিবিএলের সৃষ্টি। শিল্পের মাধ্যমে কর্মসংস্থান তৈরি করার জন্য আপনারা জাতির কাছে দায়বদ্ধ।

ব্যাংক খাতের অবস্থা খুব ভালো নয় ইঙ্গিত করে অর্থমন্ত্রী বলেন, ব্যাংকগুলো যদি ভালো চলত, তবে আজ একীভূত (মার্জার) করার কথা আসত না। মুস্তফা কামাল বলেন, ১৯৯৭ সালে বিশ্বব্যাপী অর্থনীতির অবস্থা খারাপ ছিল। এরপর ২০০৯ সালে দ্বিতীয় দফায় খারাপ অবস্থার সৃষ্টি হয়।

কিন্তু প্রধানমন্ত্রী দূরদৃষ্টির কারণে অবস্থান থেকে উত্তোরণ হয়েছে। দেশের অর্থনীতির ভিত গড়ে উঠেছে। এ কারণেই গত ১০ বছরে বাংলাদেশের অর্থনীতি সারা বিশ্বে রোল মডেল হয়েছে।

তিনি বলেন, আমি আশা করব, আমার জন্য নয়, বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের শতবার্ষিকী উপলক্ষে আপনারা সবাই যার যার দায়িত্ব পালন করবেন। দেশটাকে সোনার বাংলায় রূপান্তরিত করবেন।

সিঙ্গেল ডিজিট সুদহার কার্যকরে সমস্যা নেই: সংবাদ সম্মেলনে অর্থমন্ত্রী

অর্থনীতির খারাপ সময় যাচ্ছে : অর্থমন্ত্রী * সরকারি সংস্থার উদ্বৃত্ত টাকা কোষাগারে এলে ব্যাংকের আর্থিক সংকট হবে না * ব্যাংকে অলস টাকা পড়ে আছে ১১৬২৪৩ কোটি টাকা
 যুগান্তর রিপোর্ট 
০৭ ফেব্রুয়ারি ২০২০, ১২:০০ এএম  |  প্রিন্ট সংস্করণ
সংবাদ সম্মেলনে অর্থমন্ত্রী
ফাইল ছবি

স্বায়ত্তশাসিত ও আধাস্বায়ত্তশাসিত প্রতিষ্ঠানের উদ্বৃত্ত টাকা সরকারি কোষাগারে নিলে সিঙ্গেল ডিজিট ঋণের সুদ কার্যকরে সমস্যা হবে না। এই মুহূর্তে ব্যাংকগুলোতে ১ লাখ ১৬ হাজার ২৪৩ কোটি টাকা অলস পড়ে আছে। এ অর্থ কোষাগারে আনলে ব্যাংকগুলো কোনো ধরনের আর্থিক সংকটে পড়বে না।

বৃহস্পতিবার অর্থ মন্ত্রণালয়ে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে এ উত্তর দেন অর্থমন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামাল।

এদিকে আলাদা এক অনুষ্ঠানে অর্থমন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামাল বলেছেন, দেশে অর্থনীতির খারাপ সময় যাচ্ছে। তিনি বলেন, শুধু বাংলাদেশে নয়, সারাবিশ্বেই অর্থনীতির খারাপ সময় যাচ্ছে। কোনো দেশেই আমদানি-রফতানি সঠিকভাবে হচ্ছে না। আমদানি-রফতানি কমে যাচ্ছে। বাংলাদেশের কিছু সেক্টরে এর প্রভাব পড়েছে। তবে আমি আশা করি বছর শেষে এই সেক্টরগুলো আর পিছিয়ে থাকবে না। আমদানি-রফতানির অবস্থা ভালো হয়ে যাবে।

তিনি বলেন,ব্যাংকিং খাতে খেলাপি ঋণ বেড়েছে। সে কারণে সংসদে আমাকে গালি শুনতে হচ্ছে। বৃহস্পতিবার রাজধানীর মতিঝিলে বাংলাদেশ ডেভেলপমেন্ট ব্যাংক লিমিটেডের (বিডিবিএল) শাখা ব্যবস্থাপকদের (ম্যানেজার) বার্ষিক সম্মেলনে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন তিনি।

প্রসঙ্গত, বুধবার জাতীয় সংসদে স্বায়ত্তশাসিত ও আধাস্বায়ত্তশাসিত প্রতিষ্ঠানের উদ্বৃত্ত টাকা সরকারি কোষাগারে আনা সংক্রান্ত একটি বিল পাস হয়েছে। এর ওপর বিরোধী দল আপত্তি জানায়। এর ব্যাখ্যা দিতে বৃহস্পতিবার সাংবাদিকদের সঙ্গে মতবিনিময় করেন অর্থমন্ত্রী। পহেলা এপ্রিল থেকে ঋণের সুদ সিঙ্গেল ডিজিট কার্যকর হওয়ার কথা।

বিলটি পাসের ব্যাখ্যা দিয়ে অর্থমন্ত্রী বলেন, স্বায়ত্তশাসিত, আধা স্বায়ত্তশাসিত প্রতিষ্ঠান সরকারি অর্থ দিয়েই যাত্রা শুরু করেছে। এখন ওইসব প্রতিষ্ঠানের মুনাফা নিজেরা ব্যবহার করছে। কিন্তু এসব প্রতিষ্ঠানের মুনাফা কিভাবে ব্যবহার হচ্ছে তা জনগণের জানার অধিকার আছে। এ জন্য অর্থ মন্ত্রণালয় এ উদ্যোগ নিয়েছে।

সংসদে বিরোধী দলের মূল বক্তব্য হচ্ছে বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান থেকে টাকা নিয়ে আসছি। বিষয়টি হচ্ছে ৬১টি প্রতিষ্ঠান থেকে আমরা টাকা এনেছি। কিন্তু এই বিলের ওপর সংসদে মূল আলোচকের একজন ফকরুল ইমাম তিনি আরও ১৯টি প্রতিষ্ঠানকে এ আইনে সম্পৃক্ত করতে বলেছেন। আসলে বিরোধী দলের লোকজন সামান্য কিছু পেলেই হৈচৈ করে। আমরা মূলত আর্থিক খাতের শৃঙ্খলা ফেরাতে এমন সিদ্ধান্ত নিয়েছি।

রাজস্ব আদায় নিয়ে অর্থমন্ত্রী বলেন, বিরোধী দল বলছে রাজস্ব প্রবৃদ্ধি কমছে। প্রবৃদ্ধি কমছে বলা যাবে যদি লক্ষ্যমাত্রার সঙ্গে তুলনা করেন। কর্মকর্তাদের চাপে রাখতে একটি বাড়তি রাজস্ব লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়। গত বছরের প্রথম ছয় মাসে রাজস্ব আহরণ করা হয় ৯১ হাজার কোটি টাকা, চলতি অর্থবছরের একই সময়ে আদায় হয়েছে ৯৭ হাজার কোটি টাকা। প্রথম সাত মাসে রফতানি খাতে ৫ শতাংশ কমছে। আশা করি বছর শেষ এটি থাকবে না।

এখানে ব্যাখ্যা হচ্ছে, বিশ্বের কোনো দেশে এখন পাওয়া যাবে না রফতানিতে প্রবৃদ্ধি হয়েছে। সবাই নেতিবাচক ধারায় আছে। প্রধানমন্ত্রী এ বিষয়ে একাধিক বৈঠক করেছেন। আশা করি রফতানির এই নেতিবাচক প্রবৃদ্ধি থেকে বেরিয়ে আসতে পারব। এক্ষেত্রে বিরোধী দলের সহায়তা চাই।

রফতানি কমে যাওয়া প্রসঙ্গে অর্থমন্ত্রী বলেন, আমরা সবকিছু লক্ষ্য রাখছি। যদি দেখি করোনাভাইরাসসহ সার্বিক দিকে কোনো সমস্যা হচ্ছে তবে সরকার সহায়তা দেবে। সহায়তা বলতে রফতানি খাতে প্রণোদনা দেয়া হবে কিনা জানতে চাইলে অর্থমন্ত্রী বলেন, সরকারের সহায়তার অর্থ প্রণোদনাই।

বিডিবিএলের বার্ষিক সম্মেলনে অর্থমন্ত্রী : বিডিবিএলের চেয়ারম্যান ও সাবেক সিনিয়র সচিব মোহাম্মদ মেসবাহউদ্দিনের সভাপতিত্বে সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়। এতে বিডিবিএলের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের উদ্দেশে অর্থমন্ত্রী বলেন, আপনাদের মধ্যে সবাই খারাপ তা বলব না। কিছুসংখ্যক খারাপ। বাংলাদেশ ব্যাংক, কিংবা অর্থ মন্ত্রণালয় তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়ার আগে, নিজেরা নিজেদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিন; শাস্তি দিন।

তিনি বলেন, শিল্প খাতে অবদান রাখার জন্য বিডিবিএলের সৃষ্টি। শিল্পের মাধ্যমে কর্মসংস্থান তৈরি করার জন্য আপনারা জাতির কাছে দায়বদ্ধ।

ব্যাংক খাতের অবস্থা খুব ভালো নয় ইঙ্গিত করে অর্থমন্ত্রী বলেন, ব্যাংকগুলো যদি ভালো চলত, তবে আজ একীভূত (মার্জার) করার কথা আসত না। মুস্তফা কামাল বলেন, ১৯৯৭ সালে বিশ্বব্যাপী অর্থনীতির অবস্থা খারাপ ছিল। এরপর ২০০৯ সালে দ্বিতীয় দফায় খারাপ অবস্থার সৃষ্টি হয়।

কিন্তু প্রধানমন্ত্রী দূরদৃষ্টির কারণে অবস্থান থেকে উত্তোরণ হয়েছে। দেশের অর্থনীতির ভিত গড়ে উঠেছে। এ কারণেই গত ১০ বছরে বাংলাদেশের অর্থনীতি সারা বিশ্বে রোল মডেল হয়েছে।

তিনি বলেন, আমি আশা করব, আমার জন্য নয়, বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের শতবার্ষিকী উপলক্ষে আপনারা সবাই যার যার দায়িত্ব পালন করবেন। দেশটাকে সোনার বাংলায় রূপান্তরিত করবেন।

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন