করোনার লক্ষণ দেখা দিলেই ডাক্তারের পরামর্শ নিন, পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম উদ্বোধন অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী
jugantor
করোনার লক্ষণ দেখা দিলেই ডাক্তারের পরামর্শ নিন, পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম উদ্বোধন অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী
সারা বিশ্বে করোনা মহামারী হলেও ভালো আছে বাংলাদেশ * দেশবাসীকে করোনাভাইরাসমুক্ত রাখতে সর্বাত্মক প্রচেষ্টা চালাচ্ছে সরকার * ‘পরিচ্ছন্ন গ্রাম-পরিচ্ছন্ন শহর’ কর্মসূচির আওতায় দেশব্যাপী পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রমের উদ্বোধন

  বাসস  

১৩ মার্চ ২০২০, ০০:০০:০০  |  প্রিন্ট সংস্করণ

মুজিববর্ষ-২০২০ উদ্যাপন উপলক্ষে ‘পরিচ্ছন্ন গ্রাম-পরিচ্ছন্ন শহর’ কর্মসূচির আওতায় দেশব্যাপী পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম উদ্বোধন করেন প্রধানমন্ত্রী। ছবি: যুগান্তর

কারও মধ্যে করোনাভাইরাসের লক্ষণ দেখা দিলে তা গোপন না করে ডাক্তারের কাছে যাওয়ার পরামর্শ দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। তিনি বলেন, এটা নিয়ে আতঙ্কিত হবেন না। আমরা সব সময় বুলেটিন দিয়ে যাচ্ছি। রোগতত্ত্ব, রোগ নিয়ন্ত্রণ ও গবেষণা ইন্সটিটিউটের (আইইডিসিআর) মাধ্যমে সব সময় জানানো হচ্ছে, সেগুলো অনুসরণ করবেন।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, করোনাভাইরাস এখন সারা বিশ্বে ছড়িয়েছে। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা বলেছে এটা মহামারী আকারে দেখা দিয়েছে। তবে বাংলাদেশ এখনও ভালো আছে, ঘাবড়ানোর কিছু নেই। এ ভাইরাস থেকে ভালো থাকার জন্য সবাইকে আরও সচেতন হওয়ার আহ্বান জানান তিনি।

প্রায় ১১৪টির বেশি দেশে ছড়িয়ে পড়া করোনাভাইরাস (কোভিড-১৯) বাংলাদেশে যাতে ছড়িয়ে না পড়ে সে জন্য সরকার সর্বাত্মকভাবে চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে বলেও জানান তিনি।

প্রধানমন্ত্রী গণভবন থেকে ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে বৃহস্পতিবার মুজিববর্ষ-২০২০ উদ্যাপন উপলক্ষে ‘পরিচ্ছন্ন গ্রাম-পরিচ্ছন্ন শহর’ কর্মসূচির আওতায় দেশব্যাপী পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম উদ্বোধনের সময় এসব কথা বলেন।

শেখ হাসিনা বলেন, সরকার দেশকে এই প্রাণঘাতী ভাইরাস থেকে মুক্ত রাখতে সর্বাত্মক প্রচেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে। এ ভাইরাসে হয়তো মৃতের সংখ্যা তেমন না কিন্তু আতঙ্ক অনেক বেশি। প্রাণঘাতী ভাইরাস থেকে দেশকে মুক্ত রাখতে এ সংক্রান্ত নির্দেশনা সঠিকভাবে অনুসরণ করতে হবে। সচেতনতামূলক যেসব নির্দেশনা আসছে তা সবাইকে মেনে চলতে হবে। তবেই আমরা আমাদের দেশকে ভাইরাসের আক্রমণ থেকে রক্ষা করতে পারব।

প্রধানমন্ত্রী বিদেশ থেকে আগতদের নিজস্ব উদ্যোগেই ‘কোয়ারেন্টিনে’ থাকারও পরামর্শ দেন। তিনি বলেন, যারা বিদেশ থেকে আসবেন তারা নিজেরা অন্তত বাইরের কারও সঙ্গে মিশবেন না। কিছুদিন অপেক্ষা করে দেখবেন এ ধরনের রোগের কোনোরকম লক্ষণ দেখা যায় কি না, খেয়াল করবেন। প্রয়োজনে চিকিৎসকের শরণাপন্ন হবেন।

প্রবাস থেকে ফিরে আসাদের সম্পর্কে দেশবাসীকে সতর্ক থাকার আহ্বান জানিয়ে বলেন, বিদেশ থেকে কেউ এলে তার সঙ্গে মিশবেন না। তাকে অন্তত কিছুদিন আলাদা থাকতে দেবেন।

দেশে ইতিমধ্যে করোনাভাইরাস আক্রান্ত এবং চিকিৎসাধীনদের স্বাস্থ্যের উন্নতির তথ্য তুলে ধরেন প্রধানমন্ত্রী। তিনি বলেন, ইতিমধ্যে বিদেশ থেকে আসা দু’জনসহ আমাদের তিন নাগরিককে শনাক্ত করা হয়েছে (করোনাভাইরাস আক্রান্ত)। তাদের চিকিৎসা দেয়া হচ্ছে, তারা সবাই ভালো আছেন।

তিনি বলেন, আমাদের দেশের মানুষ খুব অসচেতন। তারা যেখানে-সেখানে থুতু ফেলছে। টিস্যু বা রুমাল ব্যবহার করে যেখানে-সেখানে ছুড়ে ফেলছে। বাইরে থেকে ঘরে এসে হাত না ধুয়ে ছেলেমেয়েকে স্পর্শ করছে। যে কাজগুলোর মাধ্যমে এ রোগ ছড়ায় সেগুলো করবেন না। যেখানে-সেখানে কফ, থুতু ফেলবেন না। হাঁচি-কাশি দিলে রুমাল বা টিস্যু ব্যবহার করবেন। নিজে ভালো থাকবেন, অপরকে ভালো রাখবেন।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, সবাইকে অনুরোধ করব, হাঁচি-কাশি এলে আপনারা হাতের তালুতে না নিয়ে কনুইয়ের মাধ্যমে করেন। হাত মেলানো, কোলাকুলি করা বা কাউকে জড়িতে ধরা- এগুলো বন্ধ রাখতে হবে। বাইরে থেকে ঘরে ফিরে সাবান দিয়ে হাত ধুবেন। কার মধ্যে রোগ আছে, কার মাধ্যমে চলে আসে- এটা কেউ বলতে পারে না। যানবাহনে ময়লা রাখার জন্য ঝুড়ি বা থলে রাখার পরামর্শও দেন প্রধানমন্ত্রী।

পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতার ওপর গুরুত্বারোপ করে তিনি বলেন, আমাদের সবাইকে পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন থাকতে হবে। নিজেরা যদি পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন থাকি তাহলে আমরা রোগ থেকে মুক্ত থাকতে পারব। আর আমাদের পবিত্র ধর্মেও রয়েছে পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন থাকার কথা।

তিনি বলেন, নিজেরা যদি পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন না থাকেন তাহলে আশপাশের মানুষগুলো ভালো থাকতে পারবে না। রোগ-শোক সবসময় দেখা দেবে। এ জন্য নিজেরা পরিচ্ছন্নতার কাজ করব এবং অপরকে পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন রাখব। ছাত্রছাত্রীরা তাদের স্কুল-কলেজ-বিশ্ববিদ্যালয় পরিষ্কার রাখবে। নিজের কাজ নিজে করতে লজ্জা নেই। বিদেশে কাজের কোনো লোক নেই এবং তারা অনেক উন্নত দেশ হলেও নিজের কাজ নিজেরাই করে থাকেন।

তিনি বলেন, আমরা মহান মুক্তিযুদ্ধে বিজয়ী জাতি হিসেবে বিশ্বদরবারে মাথা উঁচু করে সম্মানের সঙ্গে চলতে চাই। আর সেটা করতে গেলে আমাদের দেশকে সুন্দরভাবে গড়ে তুলতে হবে। যে কারণে পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা আমাদের সবার জন্য প্রয়োজন।

অনুষ্ঠানে বক্তব্য দেন জাতীয় সংসদে বিরোধীদলীয় নেতা রওশন এরশাদ। স্থানীয় সরকারমন্ত্রী মো. তাজুল ইসলাম, নবনির্বাচিত ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশনের মেয়র আতিকুল ইসলাম এবং ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশনের বর্র্তমান মেয়র সাঈদ খোকন অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন।

করোনার লক্ষণ দেখা দিলেই ডাক্তারের পরামর্শ নিন, পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম উদ্বোধন অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী

সারা বিশ্বে করোনা মহামারী হলেও ভালো আছে বাংলাদেশ * দেশবাসীকে করোনাভাইরাসমুক্ত রাখতে সর্বাত্মক প্রচেষ্টা চালাচ্ছে সরকার * ‘পরিচ্ছন্ন গ্রাম-পরিচ্ছন্ন শহর’ কর্মসূচির আওতায় দেশব্যাপী পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রমের উদ্বোধন
 বাসস 
১৩ মার্চ ২০২০, ১২:০০ এএম  |  প্রিন্ট সংস্করণ
মুজিববর্ষ-২০২০ উদ্যাপন উপলক্ষে ‘পরিচ্ছন্ন গ্রাম-পরিচ্ছন্ন শহর’ কর্মসূচির আওতায় দেশব্যাপী পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম উদ্বোধন করেন প্রধানমন্ত্রী। ছবি: যুগান্তর
মুজিববর্ষ-২০২০ উদ্যাপন উপলক্ষে ‘পরিচ্ছন্ন গ্রাম-পরিচ্ছন্ন শহর’ কর্মসূচির আওতায় দেশব্যাপী পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম উদ্বোধন করেন প্রধানমন্ত্রী। ছবি: যুগান্তর

কারও মধ্যে করোনাভাইরাসের লক্ষণ দেখা দিলে তা গোপন না করে ডাক্তারের কাছে যাওয়ার পরামর্শ দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। তিনি বলেন, এটা নিয়ে আতঙ্কিত হবেন না। আমরা সব সময় বুলেটিন দিয়ে যাচ্ছি। রোগতত্ত্ব, রোগ নিয়ন্ত্রণ ও গবেষণা ইন্সটিটিউটের (আইইডিসিআর) মাধ্যমে সব সময় জানানো হচ্ছে, সেগুলো অনুসরণ করবেন।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, করোনাভাইরাস এখন সারা বিশ্বে ছড়িয়েছে। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা বলেছে এটা মহামারী আকারে দেখা দিয়েছে। তবে বাংলাদেশ এখনও ভালো আছে, ঘাবড়ানোর কিছু নেই। এ ভাইরাস থেকে ভালো থাকার জন্য সবাইকে আরও সচেতন হওয়ার আহ্বান জানান তিনি।

প্রায় ১১৪টির বেশি দেশে ছড়িয়ে পড়া করোনাভাইরাস (কোভিড-১৯) বাংলাদেশে যাতে ছড়িয়ে না পড়ে সে জন্য সরকার সর্বাত্মকভাবে চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে বলেও জানান তিনি।

প্রধানমন্ত্রী গণভবন থেকে ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে বৃহস্পতিবার মুজিববর্ষ-২০২০ উদ্যাপন উপলক্ষে ‘পরিচ্ছন্ন গ্রাম-পরিচ্ছন্ন শহর’ কর্মসূচির আওতায় দেশব্যাপী পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম উদ্বোধনের সময় এসব কথা বলেন।

শেখ হাসিনা বলেন, সরকার দেশকে এই প্রাণঘাতী ভাইরাস থেকে মুক্ত রাখতে সর্বাত্মক প্রচেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে। এ ভাইরাসে হয়তো মৃতের সংখ্যা তেমন না কিন্তু আতঙ্ক অনেক বেশি। প্রাণঘাতী ভাইরাস থেকে দেশকে মুক্ত রাখতে এ সংক্রান্ত নির্দেশনা সঠিকভাবে অনুসরণ করতে হবে। সচেতনতামূলক যেসব নির্দেশনা আসছে তা সবাইকে মেনে চলতে হবে। তবেই আমরা আমাদের দেশকে ভাইরাসের আক্রমণ থেকে রক্ষা করতে পারব।

প্রধানমন্ত্রী বিদেশ থেকে আগতদের নিজস্ব উদ্যোগেই ‘কোয়ারেন্টিনে’ থাকারও পরামর্শ দেন। তিনি বলেন, যারা বিদেশ থেকে আসবেন তারা নিজেরা অন্তত বাইরের কারও সঙ্গে মিশবেন না। কিছুদিন অপেক্ষা করে দেখবেন এ ধরনের রোগের কোনোরকম লক্ষণ দেখা যায় কি না, খেয়াল করবেন। প্রয়োজনে চিকিৎসকের শরণাপন্ন হবেন।

প্রবাস থেকে ফিরে আসাদের সম্পর্কে দেশবাসীকে সতর্ক থাকার আহ্বান জানিয়ে বলেন, বিদেশ থেকে কেউ এলে তার সঙ্গে মিশবেন না। তাকে অন্তত কিছুদিন আলাদা থাকতে দেবেন।

দেশে ইতিমধ্যে করোনাভাইরাস আক্রান্ত এবং চিকিৎসাধীনদের স্বাস্থ্যের উন্নতির তথ্য তুলে ধরেন প্রধানমন্ত্রী। তিনি বলেন, ইতিমধ্যে বিদেশ থেকে আসা দু’জনসহ আমাদের তিন নাগরিককে শনাক্ত করা হয়েছে (করোনাভাইরাস আক্রান্ত)। তাদের চিকিৎসা দেয়া হচ্ছে, তারা সবাই ভালো আছেন।

তিনি বলেন, আমাদের দেশের মানুষ খুব অসচেতন। তারা যেখানে-সেখানে থুতু ফেলছে। টিস্যু বা রুমাল ব্যবহার করে যেখানে-সেখানে ছুড়ে ফেলছে। বাইরে থেকে ঘরে এসে হাত না ধুয়ে ছেলেমেয়েকে স্পর্শ করছে। যে কাজগুলোর মাধ্যমে এ রোগ ছড়ায় সেগুলো করবেন না। যেখানে-সেখানে কফ, থুতু ফেলবেন না। হাঁচি-কাশি দিলে রুমাল বা টিস্যু ব্যবহার করবেন। নিজে ভালো থাকবেন, অপরকে ভালো রাখবেন।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, সবাইকে অনুরোধ করব, হাঁচি-কাশি এলে আপনারা হাতের তালুতে না নিয়ে কনুইয়ের মাধ্যমে করেন। হাত মেলানো, কোলাকুলি করা বা কাউকে জড়িতে ধরা- এগুলো বন্ধ রাখতে হবে। বাইরে থেকে ঘরে ফিরে সাবান দিয়ে হাত ধুবেন। কার মধ্যে রোগ আছে, কার মাধ্যমে চলে আসে- এটা কেউ বলতে পারে না। যানবাহনে ময়লা রাখার জন্য ঝুড়ি বা থলে রাখার পরামর্শও দেন প্রধানমন্ত্রী।

পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতার ওপর গুরুত্বারোপ করে তিনি বলেন, আমাদের সবাইকে পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন থাকতে হবে। নিজেরা যদি পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন থাকি তাহলে আমরা রোগ থেকে মুক্ত থাকতে পারব। আর আমাদের পবিত্র ধর্মেও রয়েছে পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন থাকার কথা।

তিনি বলেন, নিজেরা যদি পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন না থাকেন তাহলে আশপাশের মানুষগুলো ভালো থাকতে পারবে না। রোগ-শোক সবসময় দেখা দেবে। এ জন্য নিজেরা পরিচ্ছন্নতার কাজ করব এবং অপরকে পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন রাখব। ছাত্রছাত্রীরা তাদের স্কুল-কলেজ-বিশ্ববিদ্যালয় পরিষ্কার রাখবে। নিজের কাজ নিজে করতে লজ্জা নেই। বিদেশে কাজের কোনো লোক নেই এবং তারা অনেক উন্নত দেশ হলেও নিজের কাজ নিজেরাই করে থাকেন।

তিনি বলেন, আমরা মহান মুক্তিযুদ্ধে বিজয়ী জাতি হিসেবে বিশ্বদরবারে মাথা উঁচু করে সম্মানের সঙ্গে চলতে চাই। আর সেটা করতে গেলে আমাদের দেশকে সুন্দরভাবে গড়ে তুলতে হবে। যে কারণে পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা আমাদের সবার জন্য প্রয়োজন।

অনুষ্ঠানে বক্তব্য দেন জাতীয় সংসদে বিরোধীদলীয় নেতা রওশন এরশাদ। স্থানীয় সরকারমন্ত্রী মো. তাজুল ইসলাম, নবনির্বাচিত ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশনের মেয়র আতিকুল ইসলাম এবং ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশনের বর্র্তমান মেয়র সাঈদ খোকন অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন।

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন

ঘটনাপ্রবাহ : ছড়িয়ে পড়ছে করোনাভাইরাস