পোশাক কারখানা বন্ধের আহ্বান বিজিএমইএ’র

টেক্সটাইল মিল ৪ এপ্রিল পর্যন্ত বন্ধ

  যুগান্তর রিপোর্ট ২৭ মার্চ ২০২০, ০০:০০ | প্রিন্ট সংস্করণ

পোশাক কারখানা বন্ধের আহ্বান বিজিএমইএ’র

করোনা মোকাবেলায় সরকারঘোষিত ছুটির সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে ৪ এপ্রিল পর্যন্ত পোশাক কারখানা বন্ধ রাখতে মালিকদের প্রতি আহ্বান জানিয়েছে বিজিএমইএ।

বিপরীতে কারখানা খোলা রাখতে চাইলে শ্রমিকদের সর্বোচ্চ নিরাপত্তা এবং স্বাস্থ্যগত সুরক্ষা নিশ্চিত করার আহ্বানও জানিয়েছে সংগঠনটি। বিজিএমইএ সভাপতি ড. রুবানা হক বৃহস্পতিবার এক বার্তায় কারখানা মালিকদের প্রতি এ আহ্বান জানান।

এদিকে সরকারি ছুটির সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে টেক্সটাইল মিল বন্ধ রাখার ঘোষণা দিয়েছে বাংলাদেশ টেক্সটাইল মিলস অ্যাসোসিয়েশন (বিটিএমএ)। সংগঠনের সভাপতি মোহাম্মদ আলী খোকন যুগান্তরকে বলেন, বৃহস্পতিবার রাতে সংগঠনের জরুরি সভায় ৪ এপ্রিল পর্যন্ত টেক্সটাইল মিল বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত হয়েছে। এরপর শ্রমিকদের মজুরি-বেতন দেয়া হবে। পরিস্থিতি বিবেচনায় পরবর্তী সিদ্ধান্ত নেয়া হবে।

পোশাক কারখানা মালিকদের উদ্দেশে ড. রুবানা হক বলেন, ‘মহান স্বাধীনতা এবং জাতীয় দিবস উপলক্ষে প্রধানমন্ত্রী আমাদের সবাইকে সুনির্দিষ্ট দিকনির্দেশনা দিয়েছেন। সবার সুরক্ষা এবং সুস্বাস্থ্যের জন্য কিছু সচেতনতামূলক পদক্ষেপ নিতে বলেছেন। প্রধানমন্ত্রীকে অনুসরণ করে সর্ববৃহৎ শিল্প হিসেবে আমাদের দৃষ্টান্ত স্থাপন করা উচিত। এ অবস্থায় কারখানা বন্ধ দেয়ার বিষয়টি বিবেচনা করবেন বলে আশা করি।’

সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে বিজিএমইএ সভাপতি বলেন, মার্চের বেতন মালিকরা দেবেন। এপ্রিলের বেতন প্রধানমন্ত্রীর ঘোষিত প্রণোদনা তহবিল থেকে দেয়া হবে। তিনি আরও বলেন, বিজিএমইএ সংগঠন হিসেবে কারখানা খোলা রাখার নির্দেশ দিতে পারে না। তাই মালিকদের সরকার ঘোষিত ছুটির সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে কারখানা বন্ধ রাখার অনুরোধ জানানো হয়েছে। মালিকরা কারখানা খোলা রাখতে চাইলে শ্রমিকদের নিরাপত্তা এবং স্বাস্থ্যগত সুরক্ষা নিশ্চিত করতে হবে।

বাংলাদেশ নিটওয়্যার ম্যানুফ্যাকচারার্স অ্যান্ড এক্সপোর্টার্স অ্যাসোসিয়েশনের (বিকেএমইএ) জ্যেষ্ঠ সহসভাপতি মোহাম্মদ হাতেম বলেন, কারখানা খোলা বা বন্ধ রাখার বিষয়ে সংগঠনের সিদ্ধান্ত বুধবার নিট মালিকদের জানিয়ে দেয়া হয়েছে। যারা কারখানা খোলা রাখতে চান, তারা অবশ্যই শ্রমিকদের স্বাস্থ্য সুরক্ষা নিশ্চিত করবেন। কারখানা প্রাঙ্গণে পর্যাপ্ত পরিমাণ সাবান-পানি ও হ্যান্ড স্যানিটাইজারের মজুদ রাখতে হবে। আর যারা বন্ধ করতে চান, তাদের শ্রম আইনের বিধিবিধান মানতে হবে।

করোনা নিয়ে বিশ্ব পরিস্থিতিতে প্রতিনিয়ত অর্ডার বাতিল করছেন বিদেশি ক্রেতারা। কোনো কোনো ক্রেতা সরাসরি অর্ডার বাতিল করছেন, আবার কেউ প্রস্তুত করা মালামাল শিপমেন্ট না করার নির্দেশ দিচ্ছেন। কোনো কোনো ক্ষেত্রে ক্রেতারা গার্মেন্ট মালিকদের অর্ডারের বিষয়ে পরে আলোচনা করা হবে জানিয়ে অর্ডার স্থগিত করছেন। পরোক্ষভাবে এটিকে অর্ডার বাতিল বিবেচনা করছেন গার্মেন্ট মালিকরা।

বিজিএমইএর তথ্যমতে, ২৬ মার্চ বিকাল ৫টা পর্যন্ত ৯৫৯টি কারখানা ২ দশমিক ৬৭ বিলিয়ন ডলারের ক্রয়াদেশ হারিয়েছে। এসব কারখানায় প্রায় ২০ লাখ শ্রমিক কাজ করে। এ তথ্য বিজিএমইএর ওয়েবসাইটে কারখানা মালিকদের দেয়া। এর বাইরেও ছোট ও মাঝারি আকারের অনেক কারখানা ক্রয়াদেশ হারিয়েছে।

আরও পড়ুন

'কোভিড-১৯' সর্বশেষ আপডেট

# আক্রান্ত সুস্থ মৃত
বাংলাদেশ ৫১ ২৫
বিশ্ব ৮,৫৬,৯১৭১,৭৭,১৪১৪২,১০৭
  • সর্বশেষ
  • সর্বাধিক পঠিত
সব খবর

সম্পাদক : সাইফুল আলম, প্রকাশক : সালমা ইসলাম

প্রকাশক কর্তৃক ক-২৪৪ প্রগতি সরণি, কুড়িল (বিশ্বরোড), বারিধারা, ঢাকা-১২২৯ থেকে প্রকাশিত এবং যমুনা প্রিন্টিং এন্ড পাবলিশিং লিঃ থেকে মুদ্রিত।

পিএবিএক্স : ৯৮২৪০৫৪-৬১, রিপোর্টিং : ৯৮২৪০৭৩, বিজ্ঞাপন : ৯৮২৪০৬২, ফ্যাক্স : ৯৮২৪০৬৩, সার্কুলেশন : ৯৮২৪০৭২। ফ্যাক্স : ৯৮২৪০৬৬ 

E-mail: [email protected]

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত

 
×