স্বাস্থ্য সুরক্ষা সামগ্রী ক্রয়ে অতিরিক্ত ব্যয় প্রস্তাব
jugantor
করোনা মোকাবেলার দুই প্রকল্প
স্বাস্থ্য সুরক্ষা সামগ্রী ক্রয়ে অতিরিক্ত ব্যয় প্রস্তাব
১ হাজার টাকার গগলস ৫ হাজার টাকা, ২ হাজার টাকার পিপিই ৪ হাজার ৭শ’ টাকা * সুনির্দিষ্ট অভিযোগ পেলে খতিয়ে দেখা হবে -পরিকল্পনামন্ত্রী

  যুগান্তর রিপোর্ট   

০৫ জুন ২০২০, ০০:০০:০০  |  প্রিন্ট সংস্করণ

স্বাস্থ্য সুরক্ষা সামগ্রী ক্রয়ে অতিরিক্ত ব্যয় প্রস্তাব

চলমান করোনাভাইরাস মোকাবেলায় দুই প্রকল্পের বিভিন্ন সামগ্রী ক্রয়ে অতিরিক্ত ব্যয়ের প্রস্তাব দেয়া হয়েছে বলে অভিযোগ সংশ্লিষ্টদের। তাদের মতে, ‘কোভিড-১৯ ইমার্জেন্সি রেসপন্স অ্যান্ড প্রিপার্ডনেস’ প্রকল্পে এক হাজার টাকার গগলস ৫ হাজার টাকা ও দুই হাজার টাকার পিপিই ৪ হাজার ৭শ’ টাকা ধরা হয়েছে।

পাশাপাশি সফটওয়্যার, ওয়েবসাইট, সেমিনার, কনফারেন্স ও পরামর্শক খাতে তুলনামূলক বেশি খরচ দেখানো হয়েছে। এছাড়া ‘কোভিড-১৯ রেসপন্স ইমার্জেন্সি অ্যাসিস্ট্যান্ট’ প্রকল্পে অনাবাসিক ভবন নির্মাণে ২শ’ কোটি টাকা খরচ দেখানো হয়েছে। কিন্তু কোন প্রক্রিয়ায় এই টাকা খরচ ধরা হয়েছে, তা সুনির্দিষ্ট করা হয়নি। খবর সংশ্লিষ্ট সূত্রের।

মঙ্গলবার প্রকল্প দুটি দ্বিতীয়বার অনুমোদন দিয়েছে জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটি (একনেক)। এর আগে একনেকে স্থগিত থাকায় সম্প্রতি বিশেষ অনুমোদন দেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

তড়িঘড়ি করে প্রকল্প প্রক্রিয়াকরণ করতে গিয়ে অনেক বিষয়ই এড়িয়ে গেছে পরিকল্পনা কমিশন।

তবে সুনির্দিষ্ট অভিযোগ পেলে সেন্ট্রাল প্রকিউরমেন্ট টেকনিক্যাল ইউনিটের (সিপিটিইউ) মাধ্যমে বিষয়টি খতিয়ে দেখার কথা বলেছেন পরিকল্পনামন্ত্রী এমএ মান্নান। বৃহস্পতিবার তিনি বলেন- কেনাকাটার কাজ আমার মন্ত্রণালয়ের নয়। এটি করে থাকে সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়।

তবে সুনির্দিষ্ট অভিযোগ পেলে সরকারি ক্রয় আইন ও বিধিমালা যে সংস্থাটি প্রতিপালন করে থাকে তার কাছে পাঠানো হবে। তারাই বিষয়টি খতিয়ে দেখবে।

দুই প্রকল্পের প্রক্রিয়াকরণের দায়িত্বপ্রাপ্ত পরিকল্পনা কমিশনের আর্থ-সামাজিক অবকাঠামো বিভাগের সদস্য আবুল কালাম আজাদ যুগান্তরকে বলেন, করোনার মতো একটি নতুন পরিস্থিতিতে নতুন প্রকল্প প্রস্তাব করা হয়েছে।

এখানে কি লাগবে না লাগবে সেটি সম্পূর্ণ স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের বিষয়। জরুরি প্রয়োজন হওয়ায় সময়ের অভাবে আমরা খুঁটিনাটি দেখতে পারিনি। এটি সম্ভবও হয়নি। তাছাড়া প্রকল্প তৈরিতে বিশ্বব্যাংক ও স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের পরামর্শকরা কাজ করেছেন।

এটি কোন জিনিসের দাম বেশি ধরা হচ্ছে বা কোনটি অপ্রয়োজনীয় জিনিস সেটি তাদের দেখার কথা। আমরা তো জানি না একটি সফটওয়্যার ডেভেলপ করতে কত টাকা লাগে। তাছাড়া তারা তো দরপত্রের মাধ্যমে পণ্য ক্রয় করবে। সেক্ষেত্রে এই দামই যে ঠিক থাকবে সেটি তো নয়।

সূত্র জানায়, বিশ্বব্যাংকের অর্থায়নে নেয়া ‘কোভিড-১৯ ইমার্জেন্সি রেসপন্স অ্যান্ড প্রিপার্ডনেস’ শীর্ষক প্রকল্পটি বাস্তবায়নে ব্যয় ধরা হয়েছে এক হাজার ১১৭ কোটি টাকা। এর মধ্যে বিশ্বব্যাংক ঋণ দিচ্ছে ৮৫০ কোটি টাকা। বাকি টাকা সরকারের নিজস্ব তহবিল থেকে ব্যয় হচ্ছে।

এ প্রকল্পের আওতায় এক লাখ সেফটি গগলস কেনা হবে। প্রতিটি সেফটি গগলসের দাম ধরা হয়েছে পাঁচ হাজার টাকা। অথচ বর্তমান বাজারে প্রতিটি সেফটি গগলস বিক্রি হচ্ছে ৫শ’ থেকে এক হাজার টাকায়।

এই প্রকল্পের আওতায় মোট এক লাখ সাত হাজার ৬শ’ পিপিই কেনা হবে। যার প্রতিটির জন্য ব্যয় ধরা হয়েছে চার হাজার ৭শ’ টাকা। বর্তমান বাজারে বিভিন্ন কোম্পানির তৈরি ভালো মানের পিপিই বিক্রি হচ্ছে এক থেকে দুই হাজার টাকায়।

এই প্রকল্পের আওতায় ৭৬ হাজার ৬শ’ জোড়া বুট শু কেনা হবে। প্রতিটি শুর ব্যয় ধরা হয়েছে দেড় হাজার টাকা। দেশে বর্তমান বাজারে বুট শু ৩শ’ থেকে ৫শ’ টাকায় পাওয়া যাচ্ছে। এছাড়া এ প্রকল্পে গবেষণার জন্য খরচ হবে ২৯ কোটি ৫০ লাখ টাকা।

ইনোভেশন খাতে ৩৬ কোটি টাকা ব্যয় ধরা হয়েছে। মাত্র চারটি ওয়েবসাইট উন্নয়ন করতে ব্যয় ধরা হয়েছে সাড়ে ১০ কোটি টাকা। পাঁচটি ডাটাবেস তৈরির ব্যয় সাড়ে ১০ কোটি টাকা। পাঁচটি কম্পিউটার সফটওয়্যার কেনায় ৫৫ কোটি টাকা।

এছাড়া ৩০টি রিসার্চ অ্যান্ড ডেভেলপমেন্টের জন্য আরও ৪৫ কোটি টাকা। দেশের সবগুলো স্থলবন্দর দিয়ে যাতায়াত করা মানুষের শরীরের তাপমাত্রা দেখতে নির্মাণ করা হবে অনাবাসিক ভবন। এক্ষেত্রে ব্যয় ধরা হয়েছে ১৯০ কোটি টাকা।

প্রকল্পের আওতায় ভ্রমণ ব্যয় ধরা হয়েছে এক কোটি ২০ লাখ টাকা। মাত্র ৩০টা অডিও-ভিডিও ফিল্ম তৈরির জন্য ধরা হয়েছে সাড়ে ১১ কোটি টাকা। সেমিনার ও কনফারেন্সে ব্যয় হবে আড়াই কোটি টাকা।

‘কোভিড-১৯ রেসপন্স ইমার্জেন্সি অ্যাসিস্ট্যান্ট’ শীর্ষক প্রকল্পটি বাস্তবায়নে ব্যয় ধরা হয়েছে এক হাজার ৩৬৫ কোটি টাকা। এর মধ্যে এশীয় উন্নয়ন ব্যাংকের (এডিবি) ঋণ থেকে ৮৫০ কোটি টাকা এবং বাকি টাকা ব্যয় করা হচ্ছে সরকারের নিজস্ব তহবিল থেকে।

এ প্রকল্পে অডিও-ভিডিও ফিল্মে ব্যয় ধরা হয়েছে এক কোটি ৫৫ লাখ টাকা। গবেষণা খাতে চার কোটি ৯৫ লাখ টাকা। পাঁচটি কম্পিউটার সফটওয়্যার কেনার জন্য ৫০ লাখ টাকা। প্রকল্পের আওতায় সেমিনার কনফারেন্স ও ওয়ার্কশপ খাতে ৪৫ কোটি টাকা ধরা হয়েছে।

করোনা মোকাবেলার দুই প্রকল্প

স্বাস্থ্য সুরক্ষা সামগ্রী ক্রয়ে অতিরিক্ত ব্যয় প্রস্তাব

১ হাজার টাকার গগলস ৫ হাজার টাকা, ২ হাজার টাকার পিপিই ৪ হাজার ৭শ’ টাকা * সুনির্দিষ্ট অভিযোগ পেলে খতিয়ে দেখা হবে -পরিকল্পনামন্ত্রী
 যুগান্তর রিপোর্ট  
০৫ জুন ২০২০, ১২:০০ এএম  |  প্রিন্ট সংস্করণ
স্বাস্থ্য সুরক্ষা সামগ্রী ক্রয়ে অতিরিক্ত ব্যয় প্রস্তাব
ছবি: বিবিসি

চলমান করোনাভাইরাস মোকাবেলায় দুই প্রকল্পের বিভিন্ন সামগ্রী ক্রয়ে অতিরিক্ত ব্যয়ের প্রস্তাব দেয়া হয়েছে বলে অভিযোগ সংশ্লিষ্টদের। তাদের মতে, ‘কোভিড-১৯ ইমার্জেন্সি রেসপন্স অ্যান্ড প্রিপার্ডনেস’ প্রকল্পে এক হাজার টাকার গগলস ৫ হাজার টাকা ও দুই হাজার টাকার পিপিই ৪ হাজার ৭শ’ টাকা ধরা হয়েছে।

পাশাপাশি সফটওয়্যার, ওয়েবসাইট, সেমিনার, কনফারেন্স ও পরামর্শক খাতে তুলনামূলক বেশি খরচ দেখানো হয়েছে। এছাড়া ‘কোভিড-১৯ রেসপন্স ইমার্জেন্সি অ্যাসিস্ট্যান্ট’ প্রকল্পে অনাবাসিক ভবন নির্মাণে ২শ’ কোটি টাকা খরচ দেখানো হয়েছে। কিন্তু কোন প্রক্রিয়ায় এই টাকা খরচ ধরা হয়েছে, তা সুনির্দিষ্ট করা হয়নি। খবর সংশ্লিষ্ট সূত্রের। 

মঙ্গলবার প্রকল্প দুটি দ্বিতীয়বার অনুমোদন দিয়েছে জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটি (একনেক)। এর আগে একনেকে স্থগিত থাকায় সম্প্রতি বিশেষ অনুমোদন দেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

তড়িঘড়ি করে প্রকল্প প্রক্রিয়াকরণ করতে গিয়ে অনেক বিষয়ই এড়িয়ে গেছে পরিকল্পনা কমিশন।

তবে সুনির্দিষ্ট অভিযোগ পেলে সেন্ট্রাল প্রকিউরমেন্ট টেকনিক্যাল ইউনিটের (সিপিটিইউ) মাধ্যমে বিষয়টি খতিয়ে দেখার কথা বলেছেন পরিকল্পনামন্ত্রী এমএ মান্নান। বৃহস্পতিবার তিনি বলেন- কেনাকাটার কাজ আমার মন্ত্রণালয়ের নয়। এটি করে থাকে সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়।

তবে সুনির্দিষ্ট অভিযোগ পেলে সরকারি ক্রয় আইন ও বিধিমালা যে সংস্থাটি প্রতিপালন করে থাকে তার কাছে পাঠানো হবে। তারাই বিষয়টি খতিয়ে দেখবে। 

দুই প্রকল্পের প্রক্রিয়াকরণের দায়িত্বপ্রাপ্ত পরিকল্পনা কমিশনের আর্থ-সামাজিক অবকাঠামো বিভাগের সদস্য আবুল কালাম আজাদ যুগান্তরকে বলেন, করোনার মতো একটি নতুন পরিস্থিতিতে নতুন প্রকল্প প্রস্তাব করা হয়েছে।

এখানে কি লাগবে না লাগবে সেটি সম্পূর্ণ স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের বিষয়। জরুরি প্রয়োজন হওয়ায় সময়ের অভাবে আমরা খুঁটিনাটি দেখতে পারিনি। এটি সম্ভবও হয়নি। তাছাড়া প্রকল্প তৈরিতে বিশ্বব্যাংক ও স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের পরামর্শকরা কাজ করেছেন।

এটি কোন জিনিসের দাম বেশি ধরা হচ্ছে বা কোনটি অপ্রয়োজনীয় জিনিস সেটি তাদের দেখার কথা। আমরা তো জানি না একটি সফটওয়্যার ডেভেলপ করতে কত টাকা লাগে। তাছাড়া তারা তো দরপত্রের মাধ্যমে পণ্য ক্রয় করবে। সেক্ষেত্রে এই দামই যে ঠিক থাকবে সেটি তো নয়।

সূত্র জানায়, বিশ্বব্যাংকের অর্থায়নে নেয়া ‘কোভিড-১৯ ইমার্জেন্সি রেসপন্স অ্যান্ড প্রিপার্ডনেস’ শীর্ষক প্রকল্পটি বাস্তবায়নে ব্যয় ধরা হয়েছে এক হাজার ১১৭ কোটি টাকা। এর মধ্যে বিশ্বব্যাংক ঋণ দিচ্ছে ৮৫০ কোটি টাকা। বাকি টাকা সরকারের নিজস্ব তহবিল থেকে ব্যয় হচ্ছে।

এ প্রকল্পের আওতায় এক লাখ সেফটি গগলস কেনা হবে। প্রতিটি সেফটি গগলসের দাম ধরা হয়েছে পাঁচ হাজার টাকা। অথচ বর্তমান বাজারে প্রতিটি সেফটি গগলস বিক্রি হচ্ছে ৫শ’ থেকে এক হাজার টাকায়।

এই প্রকল্পের আওতায় মোট এক লাখ সাত হাজার ৬শ’ পিপিই কেনা হবে। যার প্রতিটির জন্য ব্যয় ধরা হয়েছে চার হাজার ৭শ’ টাকা। বর্তমান বাজারে বিভিন্ন কোম্পানির তৈরি ভালো মানের পিপিই বিক্রি হচ্ছে এক থেকে দুই হাজার টাকায়।

এই প্রকল্পের আওতায় ৭৬ হাজার ৬শ’ জোড়া বুট শু কেনা হবে। প্রতিটি শুর ব্যয় ধরা হয়েছে দেড় হাজার টাকা। দেশে বর্তমান বাজারে বুট শু ৩শ’ থেকে ৫শ’ টাকায় পাওয়া যাচ্ছে। এছাড়া এ প্রকল্পে গবেষণার জন্য খরচ হবে ২৯ কোটি ৫০ লাখ টাকা।

ইনোভেশন খাতে ৩৬ কোটি টাকা ব্যয় ধরা হয়েছে। মাত্র চারটি ওয়েবসাইট উন্নয়ন করতে ব্যয় ধরা হয়েছে সাড়ে ১০ কোটি টাকা। পাঁচটি ডাটাবেস তৈরির ব্যয় সাড়ে ১০ কোটি টাকা। পাঁচটি কম্পিউটার সফটওয়্যার কেনায় ৫৫ কোটি টাকা।

এছাড়া ৩০টি রিসার্চ অ্যান্ড ডেভেলপমেন্টের জন্য আরও ৪৫ কোটি টাকা। দেশের সবগুলো স্থলবন্দর দিয়ে যাতায়াত করা মানুষের শরীরের তাপমাত্রা দেখতে নির্মাণ করা হবে অনাবাসিক ভবন। এক্ষেত্রে ব্যয় ধরা হয়েছে ১৯০ কোটি টাকা।

প্রকল্পের আওতায় ভ্রমণ ব্যয় ধরা হয়েছে এক কোটি ২০ লাখ টাকা। মাত্র ৩০টা অডিও-ভিডিও ফিল্ম তৈরির জন্য ধরা হয়েছে সাড়ে ১১ কোটি টাকা। সেমিনার ও কনফারেন্সে ব্যয় হবে আড়াই কোটি টাকা। 

‘কোভিড-১৯ রেসপন্স ইমার্জেন্সি অ্যাসিস্ট্যান্ট’ শীর্ষক প্রকল্পটি বাস্তবায়নে ব্যয় ধরা হয়েছে এক হাজার ৩৬৫ কোটি টাকা। এর মধ্যে এশীয় উন্নয়ন ব্যাংকের (এডিবি) ঋণ থেকে ৮৫০ কোটি টাকা এবং বাকি টাকা ব্যয় করা হচ্ছে সরকারের নিজস্ব তহবিল থেকে।

এ প্রকল্পে অডিও-ভিডিও ফিল্মে ব্যয় ধরা হয়েছে এক কোটি ৫৫ লাখ টাকা। গবেষণা খাতে চার কোটি ৯৫ লাখ টাকা। পাঁচটি কম্পিউটার সফটওয়্যার কেনার জন্য ৫০ লাখ টাকা। প্রকল্পের আওতায় সেমিনার কনফারেন্স ও ওয়ার্কশপ খাতে ৪৫ কোটি টাকা ধরা হয়েছে।
 

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন

ঘটনাপ্রবাহ : ছড়িয়ে পড়ছে করোনাভাইরাস